শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত চা বাগানের শিশুরা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের হাওর অঞ্চল ও চা বাগান গুলোর শিশুদের একটি বড় অংশ শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। পিছিয়ে পড়া অঞ্চল সমূহের শিশুদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করে তুলতে সরকারি বেসরকারি সংস্থা গুলোকে আরও মনোযোগী হতে হবে।

মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘চা বাগান ও হাওর অঞ্চলের শিশুদের বিকাশ: সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারের আলোচকেরা এসব কথা বলেন। সেমিনার আয়োজন করেন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এডুকো বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ ইসিডি নেটওয়ার্ক।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সদস্য অধ্যাপক একেএম রিয়াজুল হাসান বলেন, ‘দুই মাস আগে সিলেটে গিয়েছিলাম। চা বাগান ও হাওর ঘুরে দেখেছি। দুই অঞ্চলের আর্থসামাজিক অবস্থা ভিন্ন। আমার মনে হচ্ছে চা শ্রমিকেরা দাসত্বের জীবন যাপন করছে। চা বাগানের মালিকেরা চায় না শ্রমিকদের শিশুরা শিক্ষিত হোক। কারণ তারা  মনে করছেন জীবনমান উন্নয়ন হলে শ্রমিকেরা চা বাগান ছেড়ে যাবে। এডুকো যে ধারণা নিয়ে কাজ করছে, খুবই ভালো উদ্যোগ। সরকারি বেসরকারি প্রচেষ্টা চলমান থাকলে চা বাগান এক সময় আলোয় আলোয় ভরে ওঠবে।’

এডুকো বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর আব্দুল হামিদ বলেন ‘এডুকো বাংলাদেশ দীর্ঘসময় ধরে শিশুদের শিক্ষা ও সুরক্ষার বিষয়ে সরকারের পাশাপাশি কাজ করে যাচ্ছে। সংস্থাটির কৌশলগত উদ্দেশ্য হলো পিছিয়ে পড়া ও অবহেলিত জনগোষ্ঠীর উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা ও এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়তা করা। এই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে আমাদের পথ চলা। আমরা জানি যে বাংলাদেশের পিছিয়ে পড়া জনগণের মধ্যে অনেক বড় একটা অংশ হলো চা বাগানে বসবাসকারী জনগোষ্ঠী, যারা সবধরণের সুবিধা থেকে বঞ্চিত। চা বাগানে বসবাসকারী শ্রমিকের সন্তানেরা একটা নির্দিষ্ট সময়ে এসে নিজেরাও বাবা মায়ের সঙ্গে চা শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে শুরু করে।’

সেমিনারে আরও আলোচনায় অংশ নেয় বাংলাদেশ ইসিডি নেটওয়ার্কের (বেন) চেয়ারপারসন ড. মনজুর আহমেদ, জাইকার সাপোর্ট প্রোগ্রামের মাঠ পরামর্শক মো. দেলোয়ার হোসেন, ইউনিসেফের শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ইকবাল হোসেন, সরকারের সাবেক অতিরিক্ত সচিব বিকাশ কিশোর দাস। অনুষ্ঠানের প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন এডুকো বাংলাদেশের আলোয় আলো প্রকল্পের প্রকল্প ম্যানেজার মোহাম্মদ শরিফুল আলম প্রমুখ।

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে কমিটি গঠন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সাভার (ঢাকা)
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকার ধামরাইয়ে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) ধামরাই উপজেলা শাখার ৫৯ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) বিকেল তিনটার দিকে ধামরাই উপজেলা ভূমি অফিস সংলগ্ন নিসচা'র উপজেলা কার্যালয়ে এক সভায় সকল সদস্যদের উপস্থিতিতে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

নতুন এই কমিটিতে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) ধামরাই উপজেলা শাখার নতুন সভাপতি হয়েছেন মো. নাহিদ মিয়া, সহ সভাপতি মো. ইমরান হোসেন, আবুল কালাম মিজানুর রহমান, মো. মনিরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান নজরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক নাঈম ইসলাম সহ ৫৯ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়।

এছাড়াও নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) ধামরাই শাখার উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য তালিকায় রয়েছেন, ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকী, ধামরাই পৌর মেয়র গোলাম কবির, ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আতিকুর রহমান (পিপিএম), উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. সিরাজ উদ্দিন, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আরাফাত সাকলাইন রাফি, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সংগঠনের সহ-সাধারণ সম্পাদ সাইফুল ইসলাম রতন, ধামরাই প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবু হাসান প্রমুখ।

নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) ধামরাই উপজেলা শাখার সভাপতি মো. নাহিদ মিয়া জানান, নবগঠিত ২ বছর মেয়াদী নতুন কমিটির মুল ভিশন হচ্ছে ধামরাই উপজেলার অংশবিশেষে দুর্ঘটনার পরিমান কমিয়ে আনা। আজকে যে কমিটি ঘোষণা করা হলো পূর্বের কমিটির ন্যায় বিচার বিশ্লেষণ করে সংগঠনের কার্যক্রম কে বেগমান করার লক্ষ্যে যে সকল সদস্য ভূমিকা রেখে চলেছে তাদের এই কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে মুল্যায়ন করা হয়েছে। এছাড়া কমিটির আজকের আয়োজনে বিগত সালের সড়ক দুর্ঘটনার চিত্র উপস্থাপন করা হয়।

তিনি আরো বলেন, সংগঠনের আয় ব্যয় হিসাবের চিত্র তুলে ধরাসহ সংগঠনের বিভিন্ন সাংগঠনিক কার্যক্রম সম্পর্কে সকলের সামনে উপস্থাপন করে তুলে ধরা হয়। সুতরাং আমাদের উপজেলার বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, জনপ্রতিনিধিগণ, পুলিশ, প্রশাসনসহ সকলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি সড়ক দুর্ঘটনা ও সড়কে বিশৃঙ্খলা রোধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সড়ক দুর্ঘটনামুক্ত ধামরাই উপজেলা গড়ে তোলার প্রত্যাশা করছি।

;

বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে বাসাইলে বিজ্ঞানমেলা অনুষ্ঠিত



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম, টাঙ্গাইল
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনা বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে টাঙ্গাইলের বাসাইলে ৪৩তম জাতীয় বিজ্ঞান মেলা ও প্রযুক্তি সপ্তাহ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী গত ১৩ জানুয়ারি থেকে সকল ধরনের সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সমাবেশ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে ২১জানুয়ারি থেকে ৬ফেব্রুয়ারি স্কুল কলেজ বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয়া হলেও শনিবার (২২ জানুয়ারি) উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বাসাইল ডিগ্রি কলেজ মাঠে  এ মেলার উদ্বোধন করা হয়। মেলায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের বিজ্ঞান উপকরণ নিয়ে উপস্থিত হয়। 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাহিদা পারভীনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা জোয়াহেরুল ইসলাম ভিপি জোয়াহের।

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম, উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি নাহিয়ান নূরেন, পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা রহিম আহমেদসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা পারভীন বলেন,বিজ্ঞান মেলা কোনো ক্লাস না, একদিনের জন্য সীমিত পরিসরে ছোট একটি অনুষ্ঠান। সরকারি অনুষ্ঠান বন্ধ এটা তো কোথাও বলা নাই।পরিপত্রে লিখা আছে ১০০ জন মাস্ক পড়ে অনুষ্ঠানে আসতে পারবে।এই অনুষ্ঠানের সাথে স্কুল কলেজে বন্ধ থাকার কোনো মিল নাই।এই অনুষ্ঠানটি স্বাস্থ্যবিধি মেনেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

;

মহানায়কের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে সেমিনার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম,টাঙ্গাইল
ছবি: মহানায়কের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে সেমিনার

ছবি: মহানায়কের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে সেমিনার

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে অনলাইন সেমিনার করেছে সরকারি সা'দত কলেজ করটিয়ার ইতিহাস বিভাগ।

শনিবার(২২ জানুয়ারি) বেলা ১১ টা থেকে ঘন্টা ব্যাপী অনলাইন প্লাটফর্ম জুমের মাধ্যমে ইতিহাস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড.তাহমিনা খানের সভাপতিত্বে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। ইতিহাস বিভাগ আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ইতিহাস বিভাগের সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনাকালে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে বাঙালির বিজয় পূর্ণতা পেয়েছিল বলে বক্তারা উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সরকারি সা'দত কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর মৃদুল চন্দ্র পোদ্দার শুরুতেই হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি তার বক্তব্যে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকালে জাতির পিতার যুক্তরাজ্য ও ভারত সফরের মাধ্যমে সূচিত বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক বিজয়ের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। বাংলাদেশের স্বাধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সকল প্রকার শোষণ-নিপীড়ন-বঞ্চনার ইতি টেনে বাঙ্গালী জাতির আর্থ সামাজিক মুক্তির লক্ষ্যে এই মহানায়কের সূচিত অগ্রযাত্রার এক ঐতিহাসিক আলেখ্য তিনি উপস্থিত সকলের সামনে তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সরকারি সা'দত কলেজের অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক মো. মোশারফ হোসেন প্রাবন্ধিক উপস্থাপন করেন ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক মো.হান্নান মিয়া,মূখ্য আলোচক ছিলেন ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সানজিদা আক্তার কেয়া ।
অনুষ্ঠানে সঞ্চালক ছিলেন ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দিলরুবা নার্গিস ।

;

প্রশ্নপত্র জালিয়াতি চক্রের ১০ সদস্য গ্রেফতার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারি নিয়ােগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস ও প্রশ্নের উত্তর সরবরাহকারী চক্রের ১০ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ।

শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর মিরপুর, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল ও কাকরাইল এলাকা হতে তাদের গ্রেফতার করা হয় ।

এসময় তাদের কাছ থেকে ৬টি ইয়ার ডিভাইস, মাস্টার কার্ড, মােবাইল সিম, ব্যাংকের চেক ৫ টি, নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ৭টি, স্মার্ট ফোন ১০টি, বাটন মােবাইল ৬টি, প্রবেশপত্র ১৮টি ও চলমান পরীক্ষার ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র ৩ সেট জব্দ করা হয়।

শনিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রধান) এ কে এম হাফিজ আক্তার এ তথ্য জানান।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, নােমান সিদ্দিকী, মাহমুদুল হাসান আজাদ, আল আমিন রনি, নাহিদ হাসান, শহীদ উল্লাহ, তানজির আহমেদ, মাহবুবা নাসরীন রুপা, রাজু আহমেদ, হাসিবুল হাসান ও রাকিবুল হাসান।

হাফিজ আক্তার বলেন, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মাহমুদুল হাসান আজাদ সিজিএ অফিসের সরকারী কর্মকর্তা এবং মাহবুবা নাসরীন রুপা বগুড়ার ধুপচাঁচিয়া উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান।

গােয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশ কাকরাইলে অবস্থিত নিউ শাহিন হােটেল থেকে অসাধু উপায়ে অবলম্বনকারী দু'জন পরীক্ষার্থীকে গ্রেফতার করেন।
তাদের দেওয়া তথ্যমতে কাফরুল থানার সেনপাড়া এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে ডিভাইস, প্রশ্নপত্র এবং উত্তর পত্রের খসড়াসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

ডিবি পুলিশের অপর দল বিজি প্রেস উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে অভিযান চালিয়ে পরীক্ষার্থী এবং পরিকল্পনাকারী মাহবুবা নাসরীন রুপাকে টাকা, ডিজিটাল ডিভাইসসহ গ্রেফতার করেন। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যমতে অপর আসামিদেরকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানান তিনি।

ডিবির এই কর্মকর্তা বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামিদের মধ্যে মাহমুদুল হাসান আজাদ, নাহিদ হাসান, আল আমিন সিদ্দিকী ইতিপূর্বেও প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্তে ২০১৩, ২০১৬ এবং ২০১৯ সালে গ্রেফতার হয়েছিল।

উল্লেখ্য, শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) দুপুর ৩টা থেকে বিকেল ৪টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত প্রতিরক্ষা মহাহিসাব নিরীক্ষকের কার্যালয়ের অধীন ডিফেন্স ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্টের ৫৫০টি অডিটর পদে নিয়ােগের জন্য ৭০ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষা ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন অঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের হলগুলােতে অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা মহানগর ডিবি পুলিশের নিকট তথ্য ছিল পূর্বে বিভিন্ন সময় গ্রেফতার হওয়া কতিপয় ব্যক্তি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, মােবাইল অ্যাপস এবং ব্যক্তি পরিবর্তন করে পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস, উত্তর/সমাধান সরবরাহসহ অসদুপায় অবলম্বন করতে পারে। ওই গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

;