টক-ঝাল-মিষ্টিতে ভরপুর পঞ্চাশ পদের আচার



ছাইদুর রহমান নাঈম, বার্তা ২৪.কম, কটিয়াদী
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

আচার পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুব কমই মিলে। জিভে জল আনা বাহারি পঞ্চাশ পদের আচারের পসরা সাজিয়ে বসেছেন কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের আচার ব্যবসায়ী আনোয়ার। অর্ধশত আইটেমের টক-ঝাল-মিষ্টির সমন্বয়ে তৈরি করেন আচার। দোকানের ভিতর সারিবদ্ধভাবে সাজিয়ে রাখা হয়েছে বিভিন্ন রকমের আচার। আর এইসব আচার তৈরি করে বিভিন্ন মেলাতে বিক্রি করে নিজের জীবনে এনেছেন স্বচ্ছলতা ব্যবসায়ী আনোয়ার।

আচার বিক্রেতা আনোয়ার হরেক রকমের আচার তৈরি করে মেলায় আগতদের তাক লাগিয়ে দেন। আচার এর মধ্যে রয়েছে, ত্রিফলা, লটকন, মিষ্টি খেজুর, বয়রা, হরিতকী, আল বকেরা, আদা লেবু, কমলা, পেয়ারা, বরই, চলতা, মিষ্টি আম, টক আম, পাকা আম ও টক-ঝাল আমের আচার, টক তেতুল, সাতকরা, নাগা মরিচ, কাঁচা মরিচ, আমলকি ইত্যাদি।

এছাড়াও আদা-রসুন, কদবেল, মিষ্টি জলপাই আচার, বরই, তেঁতুল, বরিশালের আমড়া, বারো জাতের মিক্স, লেবৌরই, পেঁপে, ডেফল, আনারস, কামরাঙ্গা, শুকনা মরিচ, মন গোটা, তৈকর, গাজর, করল্লা, কাঁঠাল, আপেল, আঙ্গুর, বেগুন, নারেকেলের, তালের ও বেলের আচার অন্যতম।

সম্প্রতি একটি মেলায় গিয়ে দেখা যায়, অনেক রকমের আচার নিয়ে এসেছেন আনোয়ার। তার দোকানের সামনে মানুষের ভীড় লেগেই থাকে।

আচার ব্যাবসায়ী আনোয়ার বলেন, ‘আচারের চাহিদা আছে মুটামুটি। আমার এখানে পঞ্চাশ পদের আচার রয়েছে। আরো বৃদ্ধি করা হবে কিছুদিন পর।’

মেলায় আগত দর্শনার্থী ইমতিয়াজ, জুবায়ের ও সেলিম বলেন, বাড়িতে আচার তৈরি করা সম্ভব। তবে, এত রকমের আচার বাড়িতে তৈরি সম্ভব না বিধায় এখান থেকে আচার কিনে নিয়ে যান। এখানে আচার স্বাদ ভালো এবং তুলনামূলক সস্তা।

মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে গ্রেফতার ৪৭



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে ৪৭ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এর বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ।

এ সময় তাদের থেকে ৫১৫ পিস ইয়াবা, ৪৮ গ্রাম ২৯৫ পুরিয়া হেরোইন, ১৬ কেজি ৫০০ গ্রাম ৩০ পুরিয়া গাঁজা, ১৩৬ বোতল ফেনসিডিল ও ১৩৪৪ ক্যান বিয়ার উদ্ধারমূলে জব্দ করা হয়।

শুনিবার (২৯ জানুয়ারি)ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. ফারুক হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ এর নিয়মিত মাদক বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল ছয়টা থেকে আজ সকাল ছয়টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতারসহ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩৭টি মামলা রুজু হয়েছে

;

চুয়াডাঙ্গায় ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৯



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চুয়াডাঙ্গা
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

চুয়াডাঙ্গার তিতুদহ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা ও আনারস প্রতীকের কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় হামলা পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার রাতে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের ৯ জন আহত হয়েছেন। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে জখম হয়েছে কয়েকজন।

আহতদেরকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এঘটনার রেশ ধরে অগ্নিসংযোগ চালানো হয়েছে নির্বাচনী অফিসে। ভাংচুর করা হয়েছে মোটরসাইকেল ও মাইক্রোবাসে।

আনারস প্রতীকের প্রার্থী মিজানুর রহমান টিপু বলেন, ‘পাশ্ববর্তী এলাকার লোকজন প্রায় দিনই নৌকার পক্ষ নিয়ে তিতুদহ ইউপির নির্বাচনী এলাকায় এসে আমার কর্মীদের হুমকি ধামকি দেয়। রাতেও ওই বহিরাগত লোকজন উস্কানিমূলক কথাবার্তা বলে আমার গিরিশনগর ও তিতুদহ দক্ষিণপাড়ার দুটি নির্বাচনী অফিসে ভাঙচুর চালায়। এসময় আমার কর্মী তছলিম উদ্দীনকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। ভাঙচুর করা হয় মাহবুব রিপনের মোটরসাইকেল। জখম করা হয় রিপনকেও। এছাড়া ওই হামলায় আহত হয় মিঠু ও আব্দুল লতিফ’

এদিকে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শুকুর আলী বলছেন, ‘আমরা নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের কাছে ভোট চাচ্ছিলাম। আমাদের বহরের পিছনে এসে আনারস প্রতীকের লোকজন নানা ধরনের হুমকি ধামকি দিতে থাকে। এসময় তারা আমাদের মাইক্রোবাসে হামলা চালায়। তিতুদহ বাজার ও গিরিশনগরের ৩টি নির্বাচনী অফিসে চালায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ। পুড়িয়ে দেয় নৌকা প্রতীক। কর্মীদের উপর চালায় হামলা। যে হামলায় আমার পক্ষের হাসান, মানিক, ওমর ফারুক, শাহিন ও রায়হান গুরুতর আহত হয়।’

আহতদেরকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। তাদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জরুরী বিভাগের চিকিৎসক আহসানুল হক।

দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুল কবীর জানান, দু পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে নেয়। এ ঘটনায় এখনও কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

;

অজুহাত নয়, স্কুল খোলা চায় ইউনিসেফ



কল্লোল রায়, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, কুড়িগ্রাম
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনা ভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ছে, এটি যাতে শিশুদের পড়াশোনাকে ব্যাহত করতে না পারে সেজন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নিতে সরকারগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইউনিসেফ।

২৮ জানুয়ারি(শুক্রবার) ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক হেনরিয়েটা ফোরের এক বিবৃতি প্রেস বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পড়াশোনার ক্ষেত্রে বিপর্যয় এড়াতে এবং শিশুদের তাদের শেখার পথে ফিরিয়ে আনতে ইউনিসেফ কিছু সুপারিশ তুলে ধরেছে।

সুপারিশগুলো হলো:

স্কুল খোলা রাখুন। স্কুলগুলো পুরোপুরি বা আংশিক বন্ধ থাকার কারণে বর্তমানে প্রায় ৬১ কোটি ৬০ লাখ শিশু ক্ষতিগ্রস্ত। আমরা জানি যে, কোভিড-১৯ ঝুঁকি প্রশমনের ব্যবস্থাগুলোই স্কুলগুলোকে খোলা রাখতে সাহায্য করে। আমরা আরও জানি যে, ডিজিটাল সংযুক্তির পেছনে বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে পারলেই কোনো শিশু পেছনে পড়ে থাকবে না। প্রতিটি শিশুকে স্কুলে ফিরিয়ে আনতে আমাদের জরুরী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। এর মধ্যে রয়েছে প্রতিটি কমিউনিটির প্রান্তিক শিশুদের ওপর বিশেষ লক্ষ্য রেখে কিছু বিষয়ে বিস্তৃত সহায়তা প্রদান করা। যেমন শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের ঘাটতি পূরণে অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়া, মানসিক স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সহায়তা, সুরক্ষা এবং অন্যান্য পরিষেবা প্রদান।

শিক্ষক এবং স্কুল কর্মীদের অবিলম্বে টিকা দিন। প্রথম সারির স্বাস্থ্যকর্মী এবং উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীকে কোভিড-১৯ এর টিকাদানের পরপরই এই টিকা প্রদানের ক্ষেত্রে শিক্ষক এবং স্কুল কর্মীদের সম্পূর্ণরূপে সমর্থন ও অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।

অগ্রাধিকার প্রাপ্য জনগোষ্ঠীকে পুরোপুরি সুরক্ষিত করার পর এবং টিকার যথেষ্ট প্রাপ্তি নিশ্চিত হলে ইউনিসেফ শিশুদের টিকাদানকে সমর্থন করে। সশরীরে স্কুলে যাওয়ার জন্য টিকাদানকে পূর্বশর্ত করবেন না। কোভিড-১৯ টিকা প্রাপ্তি সাপেক্ষে সশরীরে স্কুলে যাওয়ার শর্ত আরোপ করলে তা শিশুদের শিক্ষাগ্রহণের সুযোগ না পাওয়া এবং ক্রমবর্ধমান বৈষম্যের শিকার হওয়ার ঝুঁকিতে ফেলে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সুপারিশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ইউনিসেফ শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের টিকাদান ছাড়াই স্কুলগুলো খোলা রাখার এবং কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণ কৌশল যাতে পড়াশোনা ও সামাজিক জীবনের অন্যান্য দিকগুলোতে শিশুদের অংশগ্রহণকে সহজতর করে তা নিশ্চিত করার সুপারিশ করে।

সংকটময় পরিস্থিতিতে সবসময় কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়। কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বজুড়ে শিক্ষা ব্যবস্থায় যে নজিরবিহীন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে তা আমরা স্বীকার করি। তবে এক্ষেত্রে ঝুঁকি খুবই বেশি। শিশুদের স্কুলে রাখার জন্য সম্মিলিতভাবে আমাদের পক্ষে সম্ভব সবকিছু করতে হবে।

;

ফরিদপুরে সড়ক দুর্ঘটনা: সমাজসেবা কর্মকর্তাসহ নিহত ২



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ফরিদপুর
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়কের ভাঙ্গার হামিরদী নামক স্থানে শুক্রবার রাতে ট্রাকের ধাক্কায় মোটর সাইকেল আরোহীসহ দুই জন নিহত হয়েছে।

শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) রাত পৌনে ৯ টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, ফরিদপুর শহরের পশ্চিম খাবাসপুর এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউনুছ আলী মিয়ার ছেলে আনোয়ার হোসেন(৪০)। সে ভাঙ্গা উপজেলার সমাজসেবা কার্যালয়ে ইউনিয়ন সমাজসেবা অফিসার হিসাবে কর্মরত ছিলেন। অপরজন ওয়াহিদুজ্জামান বাবু মির্জা(৩৫)। তিনি ভাঙ্গা উপজেলার পৌরসভার নওপাড়া গ্রামের আব্দুর রসিদ মির্জার ছেলে। সে সমাজসেবা অফিসে পার টাইম কাজ করতেন।

ভাঙ্গা উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, নিহত আনোয়ার ও তার স্ত্রী আমার অফিসের ইউনিয়ন সমাজসেবা অফিসার হিসাবে কর্মরত। ছেলে মেয়ে নিয়ে ভাঙ্গাতেই বসবাস করতেন। নিহত আনোয়ার এর মা ফরিদপুর শহরে বসবাস করেন।

শুক্রবার সন্ধ্যায় নিজের মটর সাইকেল যোগে বাবু মির্জাকে সাথে নিয়ে মায়ের সাথে দেখা করার জন্য ফরিদপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পথিমধ্যে হামেরদী নামক স্থানে পৌছালে পিছন দিক থেকে আসা একটি ট্রাক মোটর সাইকেলটিকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়।

ফরিদপুরের ভাঙ্গা হাই-ওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গির আলম জানান, ট্রাকের ধাক্কায় মোটর সাইকেল আরোহীর মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছাই। সেখানে সমাজসেবা কার্যালয়ের ইউনিয়ন অফিসার আনোয়ার হোসেনের লাশ ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি।

অপর জনকে আহত অবস্থায় স্থানীয় জনতা প্রথমে ভাঙ্গা হাসপাতালে ভর্তি করলে সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে ফরিদপুর শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষনা করে। ঘাতক ট্রাকটি আটক করতে পুলিশ কাজ করছে বলে তিনি জানান।

;