মানিকগঞ্জে হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন ৪



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, মানিকগঞ্জ
বার্তা২৪.কম

বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় শহিদ (২৭) নামের এক ব্যক্তিকে শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে শাহিন আলম (২৫) নামের এক ব্যক্তিতে মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছে আদালতের বিচারক। বুধবার (১ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩ টার দিকে মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা জজ উৎপল ভট্টাচার্য্য এই রায় দেন। এ সময় একই মামলায় আরও চারজনকে যাবজ্জীবন ও দুই জনকে খালাস দেন আদালতের বিচারক।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. শাহিন আলম ঢাকার ধামরাই উপজেলার গোয়ারীপাড়া এলাকার মৃত আহসান উদ্দিনের ছেলে। আর ভিকটিম শহিদ (২৭) টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার বানিয়াপাড়া এলাকার খোদাবক্স আকন্দের ছেলে।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, শহিদুল ইসলাম স্বাধীনের ছেলে সাহেদ (২৫), হযরত আলীর ছেলে রাজা মিয়া (২৫), সামছুল হক বেপারীর ছেলে আব্দুল কুদ্দুস এবং মিহির লালের ছেলে বিষ্ণু সুইপার। উপরোক্ত ব্যক্তিদের বাড়ি টাঙ্গাইল সদর ও নাগরপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়।

একই মামলায় খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাসপাড়া এলাকার মৃত ফকিরচানের চেলে রহম আলী ড্রাইভার এবং একই উপজেলার থানাপাড়া এলাকার সেলিম ওরফে তেল সেলিম।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরনে জানা যায়, ভিকটিম শহিদ ও আসামি শাহীন আলম মিলে প্রিয় বাংলা সমাজ উন্নয়ন সংস্থা নামের একটি এনজিও প্রতিষ্ঠা করেন। ওই এনজিও এর চেয়ারম্যান ছিলেন শহিদ। কিছুদিন পরে ওই এনজিও তে ১০ লক্ষ টাকা অনুদান আসে। এই টাকাকে কেন্দ্র করে ২০০৬ সালের ২০ মে রাতে সাটুরিয়া উপজেলার দিঘুলিয়া ইউনিয়নের বেতুলিয়া এলাকায় প্রিয় বাংলা সমাজ উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান শহিদকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর গলা থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে নেয় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা।

এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর গ্রেফতারকৃত আসামিরা তাদের জবানবন্দিতে নিজেদের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। মামলায় মোট ২৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ এবং আসামিপক্ষে একজনের সাফাই সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এই রায় দেন।

আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট অরবিন্দ পোদ্দার এবং দেওয়ান মো. মিজানুর রহমান আর প্রসিকিউশন পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পি.পি অ্যাডভোকেট মথুর নাথ সরকার। রায় প্রদানের সময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শাহিন আলম ও যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আরও দুই আসামি ও খালাস হওয়া এক ব্যক্তি পলাতক ছিলেন।

‘বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর প্রতিবাদ করেন কবি-আবৃত্তিকারকরা’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

কবিতা, গান, নাটক তথা সংস্কৃতি চর্চার মধ্য দিয়ে যেভাবে মানুষ উদ্বুদ্ধ হয়- তা আর কোন কিছুতে হয় না বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর যখন রাজনীতি নিষিদ্ধ ছিল তখনও প্রতিবাদ করেছেন কবি ও আবৃত্তিকারকরা।

বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে ‘বঙ্গবন্ধু জাতীয় আবৃত্তি উৎসব ২০২০-২০২২’ এর উদ্বোধন এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব জাতীয় আবৃত্তি পদক ২০২০-২২’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি’র ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, নাট্যকার দীন বন্ধু মিত্রের ‘নীল দর্পন’ নাটকের মধ্য দিয়ে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন যেভাবে এগিয়ে গিয়েছিল-একটি কবিতার শক্তি যে কত বেশি সেটাতো আমরা নিজেরাই জানি। ’৭৫ এর ১৫ আগস্টের পর যখন কোন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড করা যাচ্ছিল না তখন আমাদের কবিতার মধ্য দিয়েই প্রতিবাদের ভাষা বেরিয়ে আসে এবং মানুষ সেখানে উদ্বুদ্ধ হয়।

সরকারপ্রধান বলেন, আমাদের ওপর কত বার আঘাত এসেছে কিন্তু বাঙালি বসে থাকেনি, প্রতিবারই প্রতিবাদ করেছে। কারণ, আমাদের সাহিত্য চর্চাতো বৃথাই হয়ে যেতো। এক একজন কবি, শিল্পী, সাহিত্যিক, আবৃত্তিকার আমাদেরকে যা কিছু দিয়ে গেছেন এগুলো আমাদের সম্পদ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর আমি বলবো যে এ দেশের আন্দোলনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি অবদান রয়েছে এ দেশের কবিদের এবং আবৃত্তিকারকদের। আমি কৃতজ্ঞতা জানাই তাদের সকলের প্রতি।

তিনি কারো নাম উল্লেখ না করে বলেন, সে সময় অনেকেই যে যেভাবে পেরেছেন, লিখেছেন, নাটক করেছেন, সাহিত্য রচনা করেছেন, বই ছাপিয়েছেন, প্রতিবাদ করে গ্রেফতারও হতে হয়েছে কাউকে কাউকে। কিন্তু থেমে থাকেননি কেউ।

কবিতার অমোঘ শক্তির কথা উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, আমরা যখন আন্দোলন শুরু করলাম স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন, তখনও কত নাটক, কবিতা-বিভিন্ন আবৃত্তির মধ্য দিয়েই এগিয়ে যেতে হয়েছে আমাদের। সেখানে অনেক বাধা বিপত্তিও এসেছে। তখনকার কবিতার উৎসব অনেক বাধার মধ্যদিয়েই করতে হতো।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব কবিতা পাঠের আয়োজন বা উৎসবে যাওয়া তাঁর অভ্যাস ছিল, কখনো দূরে বসে বা গাড়িতে বসেও তিনি শুনেছেন। তিনি বলেন, এই কবিতার মধ্য দিয়ে আমাদের অনেক না বলা কথা বলা হয়। অনেক সংগ্রামের পথও দেখানো হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, আমি কথা বলে একটি মানুষকে যতটুকু উদ্বুদ্ধ করতে পারি, তার চেয়ে অনেক বেশি উদ্বুদ্ধ হয় মানুষ একটা কবিতা, গান, নাটক বা সংস্কৃতি চর্চার মধ্য দিয়ে। যার মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ের কাছে পৌঁছনো যায়।

গ্রাম বাংলার চিরায়ত ‘কবি গান’র আসরের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আমাদের দেশে আগে কবিয়ালদের লড়াই হতো। আসলে বাঙালিরা সহজাত ভাবেই কবি, এটা হলো বাস্তবতা।

;

সিরাজগঞ্জে চোরাই মদসহ আটক ১



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিরাজগঞ্জ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে অভিযান চালিয়ে ৫৫লিটার চোরাই মদসহ শ্রী দেবেন বড়াই (৬০) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাপিট এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব-১২ সদস্যরা। আটককৃত দেবেন বড়াই তাড়াশের শুভার মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত সুরিন বড়াইয়ের ছেলে।

বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-১২’র কোম্পানী কমান্ডার ও সহকারী পুলিশ সুপার মি. জন রানা।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে র‌্যাবের একটি চৌকষ আভিযানিক দল তাড়াশে অভিযান চালিয়ে দেবন বড়াইকে আটক করে। এ সময় তার কাছ থেকে ৫৫ লিটার দেশীয় চোরাই মদ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত আলামত ও আসামিকে তাড়াশ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। আসামির বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

;

কবরস্থানের জায়গায় বৈদ্যুতিক খুঁটি স্থাপনের অভিযোগ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম,নোয়াখালী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

নোয়াখালীতে একটি পারিবারিক কবরস্থানের জায়গায় বৈদ্যুতিক খুঁটি স্থাপনের অভিযোগ উঠেছে নোয়াখালী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) বিরুদ্ধে ।

ভুক্তভোগী পরিবার এ ঘটনায় গত ৩০ডিসেম্বর নোয়াখালী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, নোয়াখালী পৌরসভাধীন প্রধান সড়কে ও বিভিন্ন ওয়ার্ডে বৈদ্যুতিক খুঁটি স্থাপনে পিডিবির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রভাব খাটিয়ে এবং কবরস্থানে পাশে অবস্থিত মার্কেটের মালিক পক্ষ থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়ে নিজেদের ইচ্ছেমত কবরস্থানের জায়গায় দুটি বৈদ্যুতিক খুঁটি স্থাপন করে।

জানা যায়, নোয়াখালীর পৌরসভার বিতরে জহুরুল হক মিয়া গ্যারেজের পশ্চিম পাশে প্রধান সড়কের ১৪৭ নং বাসায় প্রয়াত সাংবাদিক এবং নোয়াখালী প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদেরের পারিবারিক কবরস্থানের জায়গাতে কাউকে কিছু না জানিয়ে দুটি খুঁটি স্থাপন করে চলে যায় নোয়াখালী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) কর্মকর্তা ও ঠিকাদারের লোকজন। কিন্তু এর আগে এর পাশে সরকারি জায়গায় ওই দুটি খুঁটি স্থাপনের জন্য গর্তও করা হয়। রহস্যজনক কারণে পরে তা সরিয়ে কবরের মাঝখান বরাবর জায়গায় নিয়ে আসা হয়।

এই কবরস্থানটি ১৯৫৫ সালের দিকে তৈরি করেন সাংবাদিক কাদের সাহেবের পিতা মাইজদী শহরের ব্যবসায়ী প্রয়াত আব্দুর রব ডিলার। মাইজদী শহরের সবচাইতে পুরোনো কবরের মধ্যে এই কবরটি অন্যতম যা দেশ স্বাধীনের আগে তৈরি করা হয়।

পরে খুঁটি স্থাপনের বিষয়ে জানতে পেরে,প্রয়াত সাংবাদিক আবদুল কাদেরের বড় মেয়ে রাবেয়া ফেরদাউস পপি (৩৮) গত ৩০ ডিসেম্বর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নোয়াখালী পিডিবিতে। তার দাবি ছিল তার বাবার কবরের সামনে থেকে খুঁটি দুটি সরিয়ে আরাফ ফার্নিচার প্লাজার সামনের সরকারি খালি জায়গায় স্থাপন করা হয়।

ভুক্তভোগী সাংবাদিকের ছোট ছেলে প্রবাসী নূর আল আহাদ জানান,আমাদের কবরের পাশে একটু ডান দিকে আরাফ ফার্নিচার নামক দোকানটি যে প্লাজাতে অবস্থিত। সেই প্লাজার সৌন্দর্য্য রক্ষার্থে পূর্বের ড্রয়িং অনুযায়ী ট্রান্সফরমার উক্ত স্থানে না বসিয়ে তাদের থেকে মোটা আর্থিক সুবিধা নিয়ে পিডিবির সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার রফিক ও পিডিবির আরো কয়েকজন কর্মকর্তার যোগসাজশে সত্তর বছরের পুরোনো আমাদের এই পারিবারিক কবরের সামনে খুঁটি দুটি স্থাপন করেছেন আমাদের অগোচরে। খুঁটি স্থাপন করার পর সরানোর জন্য লিখিত অভিযোগ দিলে সেই জন্য ইঞ্জিনিয়ার রফিক নতুন নতুন তালবাহানা তৈরি করে অশোভন আচরণ পর্যন্ত করেছে আমার বড় বোনের সাথে। আমাদের ভূমি,আমাদের পারিবারিক কবরস্থানের জায়গাতে কিছু করতে হলে,আমাদের পরামর্শ নেওয়া উচিত ছিল পিডিবির ।

তিনি আরো অভিযোগ করে বলেন, স্বাধীনের এতগুলো বছরে আমাদের পারিবারিক কবরস্থান নিয়ে কোন প্রকার ঝামেলা পোহাতে হয়নি। কিন্তু পিডিবি নোয়াখালীর এহেন কর্মকাণ্ডের কারণে প্রায় সত্তর বছরের পুরোনো এই কবরস্থানের সম্মাান হানি হয়েছে। বর্তমানে দেখা যায়, আরাফ ফানির্চারের প্লাজার সামনে বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার আছে বসানো। আবার প্লাজার সামনের পুরো জায়গাটুকুই সরকারি। তাহলে এত সরকারি জায়গা খালি রেখে ট্রান্সফরমার অন্যদিকে সরানোর পেছনে যে অর্থনৈতিক লেনদেন জড়িত তা বুঝার আর বাকি নেই।

এবিষয়ে নোয়াখালী পিডিবি'র নির্বাহী প্রকৌশলী নুরুল আমিন জানান, খুঁটি স্থাপনের করলে ওই খুঁটি সরানোর জন্য একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে সত্য। তবে তাদের কবর স্থানের জায়গায় খুঁটি স্থাপন করা হয়নি। ওই জায়গার মালিক রোডস। এরপরও অভিযোগাকারীকে বলা হয় জায়গার মালিকানার কাগজ নিয়ে আসার জন্য। তাহলে খুঁটি সরিয়ে ফেলা হবে। তারা জায়গার মালিকানার কাগজ নিয়ে আসেনি। তবে এ কবরস্থানের মূল মালিক দাবিদার ৭জন। এদের মধ্যে বেলায়েত হোসেন নামে একজন তার জায়গায় খুঁটি স্থাপন করলে কোন আপত্ত্বি নেই বলে লিখিত দেয়।

তিনি আরও বলেন, পিডিবির কর্মকর্তা রফিকের বিরুদ্ধে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ মিথ্যা। এ বিষয়ে অভিযোগকারীরা কোন প্রমাণ দেখাতে পারেনি।

;

খুলনায় কোচিং বিরোধী অভিযান: ১০ মামলায় জরিমানা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, খুলনা
খুলনায় কোচিং বিরোধী অভিযান: ১০ মামলায় জরিমানা

খুলনায় কোচিং বিরোধী অভিযান: ১০ মামলায় জরিমানা

  • Font increase
  • Font Decrease

খুলনা মহানগরীর কোচিং সেন্টারগুলোতে অভিযান চালিয়ে ১০ মামলায় সাড়ে ১৬ হাজার টাকা জরিমানা অ‌াদায় করেছে জেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) মোবাইল কোর্টের মাধ‌্যমে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

জানা যায়, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধকল্পে গত ২১ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্কুল, কলেজ ও সমপর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সরকারি নির্দেশনা রয়েছে। এরূপ নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও খুলনা মহানগরীতে বেসরকারিভাবে পরিচালিত কোচিং সেন্টার ও টিউটোরিয়াল স্কুলগুলোতে সশরীরে উপস্থিত থেকে পাঠদান ও গ্রহণ অব্যাহত রাখা হয় যা সরকারি সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্যকে ব্যাহত করছিল।

জেলা প্রশাসনের সূত্রমতে, অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট দেবাশীষ বসাক ও শারমিন জাহান লুনা। এসময় স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করার দায়ে এবং লাইসেন্সবিহীন কোচিং সেন্টার পরিচালনা করার দায়ে কোচিং সেন্টারের সত্ত্বাধিকারীকে জরিমানা করা হয়। অভিযানে ১০টি মামলায় ১৬ হাজার ৫০০টাকা জরিমানা করা হয়। কোচিং সেন্টারসমূহকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের সরকারি নির্দেশ বলবৎ থাকা অবস্থায় বন্ধ রাখার জন্য এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত লাইসেন্স গ্রহণ করে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য বলা হয়।

;