নির্বাচনের চার দিন পর ফলাফল, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর প্রত্যাখ্যান



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুড়িগ্রাম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

৩য় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নে নির্বাচনের চার দিন পর চেয়ারম্যান পদের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী আনারস প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল গফুর'কে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

গত ২৮ নভেম্বর ইউনিয়নটিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পর একটি কেন্দ্রে ব্যালট বাক্স ছিনতাইয়ের ঘটনায় সেটি উদ্ধার না হওয়ায় ফলাফল ঘোষণা বন্ধ রাখেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। এরপর ২ ডিসেম্বর বিকেলে (বৃহস্পতিবার) এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়। রিটার্নিং কর্মকর্তা ডা. মো. হাবিবুর রহমান  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী বিজয়ী প্রার্থী আব্দুল গফুর পেয়েছেন ৪২৩৮ টি ভোট এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাত্র ৫০ টি ভোট কম পেয়ে ২য় স্থানে রয়েছেন মোটরসাইকেল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো.শাহজামাল সরকার। তিনি পেয়েছেন ৪১৮৮ ভোট। পাশাপাশি বাংলাদেশ আ.লীগ সমর্থিত নৌকা মার্কার প্রার্থী মো. সাখাওয়াত হোসেন পেয়েছেন মাত্র ৫২৩ ভোট।

উল্লেখ্য, গত ২৮ নভেম্বর নির্বাচনের দিন যাত্রাপুর  ইউনিয়নের ঝুনকারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্র থেকে একটি ব্যালট বাক্স ‘ছিনতাইয়ের’ অভিযোগ ওঠে। ঘটনার পর ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার অবরুদ্ধ হয়ে পড়লে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্যরা তাদের উদ্ধার করে নিরাপত্তা হেফাজতে নেন। এরপর ছিনতাই হওয়া ব্যালট বাক্সটি উদ্ধার না হওয়ায় ফলাফল ঘোষণা বন্ধ রেখেছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। তবে, এই ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছেন পরাজিত নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ শাহজামাল সরকার।

তিনি বলেন, এই ফলাফল আমি প্রত্যাখ্যান করলাম। যাত্রাপুর ইউনিয়নের ১০ টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৯ টি ভোটকেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হলেও ঝুনকার চর কেন্দ্রের ফলাফল স্থগিত ছিল। এ বিষয়ে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মারফত  নির্বাচন কমিশন বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করা আছে। এমতাবস্থায় জেলা থেকে কিভাবে ফলাফল প্রদান করা হয়। এটা জনগণের ভোটাধিকারের সাথে প্রতারণা।

রিটার্নিং কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ হাবিবুর রহমান বলেন, যাত্রাপুর ইউনিয়নের ১০ টি কেন্দ্রের মধ্যে দুইটি কেন্দ্রে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর সেই কেন্দ্রের ফলাফল স্থগিত ছিল, আজ নির্বাচন কমিশনের  নির্দেশনায় ভোটের ৪ দিন পর বিলম্বে ফলাফল ঘোষণা করা হলো।

পাঁচ মাস পর সর্বোচ্চ শনাক্ত, মৃত্যু ১৮

  বাংলাদেশে করোনাভাইরাস



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস সংক্রমিত হয়ে আরও ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে করোনায় দেশে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৮ হাজার ২৫৬ জনে।

একই সময়ে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ১৬ হাজার ৩৩ জন। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২ দশমিক ৪০ শতাংশে। দেশে মোট শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৭ লাখ ১৫ হাজার ৯৯৭ জনে।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

দেশে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত (কোভিড-১৯) প্রথম রোগী শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। তার ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

;

বরই চাষ করে সফলতার মুখ দেখেন আবদুল করিম



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট,বার্তা২৪.কম, লক্ষ্মীপুর
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ইউটিউবে কৃষি উন্নয়ন ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজের অনুপ্রেরণামূলক প্রতিবেদন দেখে লক্ষ্মীপুরে কৃষক আবদুল করিম বরই চাষ শুরু করেছেন। চারা রোপনের ১১ মাসেই তার বাগানে বাম্পার ফলন হয়েছে। ইতিমধ্যে তিনি প্রায় ৫০ হাজার টাকার বরই বিক্রিও করেছেন। তবে বরই চাষে তাকে উদ্বুদ্ধ করেছেন জামাল উদ্দিন নামে এক গ্রাম্য চিকিৎসক।

এদিকে বাগানটিতে বরই কিনতে ছবি তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে ক্রেতারা। পরে ফেসবুকে জুড়ে দেওয়া ছবি দেখে অন্যরা অনুপ্রাণিত হয়ে ছুটে যাচ্ছেন বরই কিনতে বাগানে। এতে কৃষক আবদুল করিমের মুখে হাসি ফুটে উঠে এবং ক্রেতাদের সঙ্গে ফেসবুকে বন্ধু হয়ে যান।


জানা গেছে, গেল ফাল্গুনে সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের সূতার গোপটার ইজতেমা মাঠ এলাকা ৬৬ শতাংশ জমিতে তিনি বরই গাছের চারা রোপন করেন। খুলনা থেকে তিনি কুরিয়ারযোগে চারাগাছগুলো ক্রয় করে আনেন। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা তাকে চাষাবাদে সহযোগীতা করেছেন বলে জানা গেছে।

বরই চাষী আবদুল করিম সদর উপজেলার লাহারকান্দি ইউনিয়নের শহীদপুর গ্রামের মৃত রুহুল আমিনের ছেলে। তার সংসারে স্ত্রী ও এক মেয়ে রয়েছে। মেয়ে ফাইজা আক্তারকে এবার স্থানীয় বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি করিয়েছেন।


আবদুল করিমের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তার বাগানে প্রতিদিন ৫০০ টাকা হারে ৩ জন শ্রমিক কাজ করেন। মাঝে মাঝে ২ জন নারী শ্রমিককেও নিয়োগ দেওয়া হয়। বার্ষিক চুক্তিতে জমিটি লিজ নেওয়া হয়েছে। বাগানটিতে কাষ্মেরী ও বল সুন্দরী বরই উৎপাদন করা হয়েছে। গাছ থেকেই পাকা বরই সংগ্রহ করে বিক্রি করা হয়। এতে বরইগুলো স্বাদও বেশি হচ্ছে।

আবদুল করিম বলেন, প্রায় ১৫ বছর আমি কৃষি কাজের সঙ্গে জড়িত। মৌসুম বেদে সবজি চাষই আমার একমাত্র কাজ ছিল। এবারও টমেটো চাষ করেছি। আল্লাহর রহমতে টমেটোতে লাভবান হয়েছি। কিন্তু এর আগে বিভিন্ন সবজি চাষে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। এতে জামাল উদ্দিন নামে একজন গ্রাম্য চিকিৎসক আমাকে বরই চাষ করার জন্য উদ্বুদ্ধ করেন। এরআগে ইউটিউব দেখে বরই চাষের ব্যাপারে দিক নির্দেশনামূলক তথ্য জানতে বলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, জামাল উদ্দিনের কথামত আমি ইউটিউবে শাইখ সিরাজের বিভিন্ন প্রতিবেদন দেখা শুরু করে। শাইখ সিরাজের প্রতিবেদনগুলো দেখেই আল করে আমি জমি তৈরি করি। গেল ফাল্গুনের ২০ তারিখে ১ ফুট আকারে বরই চারা পুরো জমিতে রোপন করি। ৯ মাসের মাথায় বরইগাছগুলোতে মাশআল্লাহ ভালো ফলন দিয়েছে। গাছ থেকে পাকা বরই সংগ্রহ করেই স্থানীয় বাজারে বিক্রি করি। অনেকেই বাগানে এসে বরই কিনে নিয়ে যান। এখন আমার এক একটি বরই গাছ ১০-১২ ফুট লম্বা।

স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল খালেক বলেন, আমাদের ভবানীগঞ্জ সবজি চাষে পুরো জেলাতেই সুনাম রয়েছে। এখানে যে বরই চাষ হবে তা কেউই কখনো কল্পনা করেনি। আবদুল করিমের বরই বাগানে ভালোই উৎপাদন হয়েছে। আশা করি এ বছরই তিনি তার খরচ উঠাতে পারবেন।

বরই কিনতে যাওয়া চাকরিজীবী মো. হাসান আলী বলেন, এ ধরণের একক বরই বাগান লক্ষ্মীপুরে আর কোথাও নজরে পড়েনি। বরইগুলোও ক্ষেতে দারুণ মিষ্টি। ঝুঁকি নিয়েই আবদুল করিম বরই বাগানে সফলতা দেখছেন। তার মতো অন্যরাও যদি ঝুঁকি নেয় তাহলে মেঘনা উপকূলীয় এ অঞ্চল কৃষিক্ষেত্রে আরও এগিয়ে যাবে।


কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্র জানায়, লক্ষ্মীপুরে জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষিপ্তভাবে প্রায় ৯৬ হেক্টর জমিতে বরই চাষ হয়। এতে সাড়ে ৯০০ মেট্টিক টন বরই উৎপাদন হয়। তবে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ৫-৬ হেক্টর জমিতে বরই চাষ করা হয়। তবে অল্প সময়ে পর্যাপ্ত বরই উৎপাদন হয় বাগানগুলোতে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক বলেন, আবদুল করিম প্রায় ১১ মাস আগে বরই চাষ শুরু করেন। তার বাগানে পর্যাপ্ত বরই উৎপাদন হয়েছে। তিনি এ বাগান থেকে ৬-৭ লাখ টাকা আয় করতে পারবেন বলে আমরা আশবাদি। আরও ২-৩টি বাগান রয়েছে। কৃষকরা এখন ফল চাষে এগিয়ে আসছে।

তিনি আরও বলেন, এ জেলায় কাষ্মেরি, বাউল ও বল সুন্দরী বরই উৎপাদন হয়। কিভাবে চারা উৎপাদন করে তা সম্প্রসারণ করতে হয় সে ব্যাপারে আমরা কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেছি। কৃষকদের বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়ার জন্য উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার কাজ করছেন। বরই চাষে প্রচুর খরচ রয়েছে। যাদের অর্থের সমস্যা আছে, তাদেরকে ব্যাংক থেকে স্বল্প সুদে ঋণ নিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করবো বলেছি। আগ্রহী কৃষকদেরকে সকল ধরণের সহযোগীতা আমাদের পক্ষ থেকে করা হবে।

;

‘বেপরোয়া চলাফেরায় ওমিক্রন সংক্রমণ বেড়েছে ৭০-৮০ ভাগ’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক

  • Font increase
  • Font Decrease

বেপরোয়া চলাফেরায় করোনাভাইরাসের ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন সংক্রমণ বেড়েছে ৭০-৮০ ভাগ বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

'কোভিড-১৯ এর নতুন ভ্যারিয়েন্ট অমিক্রনের পরিস্থিতি মোকাবিলায়' বেসরকারি হাসপাতালের প্রস্তুতি নিয়ে মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুর ৩টায় এক ভার্চুয়াল সভায় মন্ত্রণালয় থেকে যুক্ত হন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সভাটির আয়োজন করে বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ এসোসিয়েশন (বিপিএমসিএ)।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ওমিক্রন মাইল্ড- কথাটি সঠিক নয়। মাইল্ড হলেও সংক্রমণ ঠিকই বাড়াচ্ছে। ওমিক্রন নিয়ে হেলাফেলা করা যাবে না। কারণ সংক্রমণের সংখ্যা বেশি হলে মৃত্যু কিন্তু বাড়বে। তাহলে আমাদের অর্থনীতির অবস্থা খারাপ হবে। এখন যেটা ভালো আছে।

দেশে আগের মত ভীতি সঞ্চারকারী পরিবেশ তৈরি হচ্ছে না জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এখন আমরা অনেকটাই প্রস্তুত। হাসপাতাল গুলো আগের থেকে বেশি সুসজ্জিত হয়েছে।

জাহেদ মালেক বলেন, ঢাকায় করোনার চিকিৎসায় সরকারি হাসপাতালে ৪ হাজার শয্যা রয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজারের কিছু বেশি রোগী ভর্তি রয়েছেন। বেসরকারি হাসপাতালের ৫০০ বেড ভরে গেছে। এবার শনাক্ত বেশি হলেও হাসপাতালে রোগী ওভাবে বাড়ছে না। মৃত্যুও সেভাবে বাড়ছে না। এর অন্যতম কারণ ভ্যাকসিন।

হাসপাতালে আসা রোগীর ৮৫ শতাংশ ভ্যাকসিন নেন জানিয়ে তিনি বলেন, করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে আসা রোগীর ৮৫ শতাংশ ভ্যাকসিন নেননি। ঢাকা শহরের সরকারি হাসপাতালগুলো শয্যার তুলনায় ২৫ শতাংশ রোগী ভর্তি রয়েছে।

মৃত্যুর ডাটাতেও একই রকম নন ভ্যাকসিনেটেডরাই বেশি মারা যাচ্ছেন বলে জানান তিনি

জাহেদ মালিক জানান, ৯ কোটি প্রথম ডোজ আর ৬ কোটি দ্বিতীয় ডোজ মিলিয়ে এখন পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে ১৫ কোটি টিকা। নিশ্চিত করা হচ্ছে বুস্টার ডোজও। যার ফলে হাসপাতালগুলোতে অনেকটা চাপ কমে আসবে।

তবে ‘ক্লাস্টার শ্রেণি’কে টিকার আওতায় আনতে কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে বলে জানান জাহেদ মালিক। ক্ষুদ্র দোকানদার ও শ্রমজীবী কিছু কিছু শ্রেণিতে এখনও টিকা নেওয়ার ঘাটতি দেখা দিচ্ছে বলে তিনি বলেন, আমরা দেখছি কীভাবে রিচ করা যায়।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়- অফিস আদালত ও সব প্রতিষ্ঠানে ‘ভ্যাকসিন সার্টিফিকেট’ ব্যবহার নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে বলেও জানান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী। সংক্রমণের হার কমাতে বরাবরের মতোই তিনি বলেন, মাস্ক ব্যবহারের কোনও বিকল্প নেই। মাস্ক- স্বাস্থ্য সচেতনতা এসব নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

বিপিএমসিএর এ ভার্চুয়াল সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- রাখেন ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, স্বাস্থ্যশিক্ষা বিভাগের পরিচালক (শিক্ষা) এ এইচএম এনায়েত হোসেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল) ডা. ফরিদউদ্দিন আহমেদ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (এমআইএস) অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমান।

;

বাণিজ্যমেলা বন্ধের সুপারিশ কারিগরি পরামর্শক কমিটির



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা বন্ধের সুপারিশ করেছে কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। কমিটি
আসন্ন বাণিজ্যমেলাও বন্ধ চায়।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. সহিদুল্লার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ফের ঊর্ধ্বমুখী হলেও রাজধানীর অদূরে চলমান ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা বন্ধ হয়নি। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার বিধিনিষেধ জারি করলেও দোকানপাট-শপিং মল বন্ধ ঘোষণা না করায় গত ১১ জানুয়ারি বাণিজ্যমেলা চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

এবিষয়ে ডা. মো. সহিদুল্লা বলেন, করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে সরকারকে কোভিড-১৯ জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির পক্ষ থেকে আরও কঠোর হওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

;