জাতীয় বস্ত্র দিবস আজ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
জাতীয় বস্ত্র দিবস আজ।

জাতীয় বস্ত্র দিবস আজ।

  • Font increase
  • Font Decrease

আজ শনিবার জাতীয় বস্ত্র দিবস। বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যদিয়ে তৃতীয় বারের মতো সারাদেশে দিবসটি পালন করা হবে। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, ‘বস্ত্রখাতের বিশ্বায়ন: বাংলাদেশের উন্নয়ন’।

দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বস্ত্র ও তৈরি পোশাক খাত। এ খাতের টেকসই অগ্রগতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২০১৯ সালে ৪ ডিসেম্বরকে 'জাতীয় বস্ত্র দিবস' হিসেবে ঘোষণা করে সরকার।

দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে আছে- বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, বস্ত্রশিল্পের বিশেষ অবদানের জন্য সম্মাননা প্রদান। এ ছাড়াও বস্ত্রশিল্পের গুরুত্ব তুলে ধরে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হয়েছে জাতীয় দৈনিকগুলোয়।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি তাঁর বাণীতে বলেছেন, বস্ত্র মানুষের অন্যতম মৌলিক চাহিদা। বস্ত্রশিল্প বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চালিকা শক্তি।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে এ খাতকে সুসংহত ও গতিশীল করার উদ্যোগ নেন। বর্তমানে দেশের মোট রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ বস্ত্রশিল্প থেকে অর্জিত হচ্ছে। গ্রামীণ দারিদ্র্য বিমোচন, নারীর ক্ষমতায়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে বস্ত্রখাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে বলেছেন, বাংলাদেশের বস্ত্রশিল্পের ইতিহাস সুপ্রাচীন এবং গৌরবময়। বস্ত্রখাত দেশের অর্থনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হিসেবে ভূমিকা রেখে চলছে।

তিনি বলেন, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে বস্ত্রশিল্প খাতকে নিরাপদ, শক্তিশালী এবং প্রতিযোগিতা করতে সক্ষম করে তোলার অঙ্গীকার করা হয়েছে। বস্ত্র কারিগরি শিক্ষার হার বৃদ্ধিসহ বস্ত্রশিল্পকে সহায়তার মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরীণ বস্ত্র চাহিদা পূরণ, রপ্তানি বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিসহ নিরাপদ, টেকসই, শক্তিশালী এবং প্রতিযোগিতা সক্ষম বস্ত্রখাত গড়ে তুলতে ‘বস্ত্র নীতি, ২০১৭’, ‘বস্ত্র আইন, ২০১৮’ এবং ‘বস্ত্রশিল্প (নিবন্ধন ও ওয়ানস্টপ সার্ভিস কেন্দ্র) বিধিমালা, ২০২১’ প্রণয়ন করা হয়েছে।

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বীরপ্রতীক এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, দিবসটি উপলক্ষে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বস্ত্র দিবসের মূল অনুষ্ঠান আয়োজনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এতে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মির্জা আজম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

বিশ্বব্যাপি চলমান করোনা ভাইরাসে (কভিড-১৯) বিপর্যয়ের অভিঘাতে বস্ত্রখাত রক্ষায় বিশেষ অবদান রাখায় ৭টি সংগঠনকে সম্মাননা প্রদান করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন খাতের পাশাপাশি বস্ত্রখাতেও প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত বিশেষ প্রণোদনার ব্যবস্থা করায় এ খাত জাতীয় রপ্তানির ধারাকে করোনা ভাইরাসের ক্ষতিকর প্রাবমুক্ত রাখতে সক্ষম হয়েছে।

যেসব সংগঠন এবার সম্মাননা পাচ্ছে, সেগুলো হলো- বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ), বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ), বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ), বাংলাদেশ গার্মেন্ট বায়িং হাউস অ্যাসোসিয়েশন (বিজিবিএ), বাংলাদেশ স্পেশালাইজড টেক্সটাইল মিলস অ্যান্ড পাওয়ার লুম ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন (বিএসটিএমপিআইএ), বাংলাদেশ টেরিটাওয়েল অ্যান্ড লিলেন ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিটিটিএলএমইএ) ও বাংলাদেশ জাতীয় তাঁতী সমিতি।

বরই চাষ করে সফলতার মুখ দেখেন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট,বার্তা২৪.কম, লক্ষ্মীপুর
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ইউটিউবে কৃষি উন্নয়ন ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজের অনুপ্রেরণামূলক প্রতিবেদন দেখে লক্ষ্মীপুরে কৃষক আবদুল করিম বরই চাষ শুরু করেছেন। চারা রোপনের ১১ মাসেই তার বাগানে বাম্পার ফলন হয়েছে। ইতিমধ্যে তিনি প্রায় ৫০ হাজার টাকার বরই বিক্রিও করেছেন। তবে বরই চাষে তাকে উদ্বুদ্ধ করেছেন জামাল উদ্দিন নামে এক গ্রাম্য চিকিৎসক।

এদিকে বাগানটিতে বরই কিনতে ছবি তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে ক্রেতারা। পরে ফেসবুকে জুড়ে দেওয়া ছবি দেখে অন্যরা অনুপ্রাণিত হয়ে ছুটে যাচ্ছেন বরই কিনতে বাগানে। এতে কৃষক আবদুল করিমের মুখে হাসি ফুটে উঠে এবং ক্রেতাদের সঙ্গে ফেসবুকে বন্ধু হয়ে যান।


জানা গেছে, গেল ফাল্গুনে সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের সূতার গোপটার ইজতেমা মাঠ এলাকা ৬৬ শতাংশ জমিতে তিনি বরই গাছের চারা রোপন করেন। খুলনা থেকে তিনি কুরিয়ারযোগে চারাগাছগুলো ক্রয় করে আনেন। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা তাকে চাষাবাদে সহযোগীতা করেছেন বলে জানা গেছে।

বরই চাষী আবদুল করিম সদর উপজেলার লাহারকান্দি ইউনিয়নের শহীদপুর গ্রামের মৃত রুহুল আমিনের ছেলে। তার সংসারে স্ত্রী ও এক মেয়ে রয়েছে। মেয়ে ফাইজা আক্তারকে এবার স্থানীয় বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি করিয়েছেন।


আবদুল করিমের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তার বাগানে প্রতিদিন ৫০০ টাকা হারে ৩ জন শ্রমিক কাজ করেন। মাঝে মাঝে ২ জন নারী শ্রমিককেও নিয়োগ দেওয়া হয়। বার্ষিক চুক্তিতে জমিটি লিজ নেওয়া হয়েছে। বাগানটিতে কাষ্মেরী ও বল সুন্দরী বরই উৎপাদন করা হয়েছে। গাছ থেকেই পাকা বরই সংগ্রহ করে বিক্রি করা হয়। এতে বরইগুলো স্বাদও বেশি হচ্ছে।

আবদুল করিম বলেন, প্রায় ১৫ বছর আমি কৃষি কাজের সঙ্গে জড়িত। মৌসুম বেদে সবজি চাষই আমার একমাত্র কাজ ছিল। এবারও টমেটো চাষ করেছি। আল্লাহর রহমতে টমেটোতে লাভবান হয়েছি। কিন্তু এর আগে বিভিন্ন সবজি চাষে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। এতে জামাল উদ্দিন নামে একজন গ্রাম্য চিকিৎসক আমাকে বরই চাষ করার জন্য উদ্বুদ্ধ করেন। এরআগে ইউটিউব দেখে বরই চাষের ব্যাপারে দিক নির্দেশনামূলক তথ্য জানতে বলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, জামাল উদ্দিনের কথামত আমি ইউটিউবে শাইখ সিরাজের বিভিন্ন প্রতিবেদন দেখা শুরু করে। শাইখ সিরাজের প্রতিবেদনগুলো দেখেই আল করে আমি জমি তৈরি করি। গেল ফাল্গুনের ২০ তারিখে ১ ফুট আকারে বরই চারা পুরো জমিতে রোপন করি। ৯ মাসের মাথায় বরইগাছগুলোতে মাশআল্লাহ ভালো ফলন দিয়েছে। গাছ থেকে পাকা বরই সংগ্রহ করেই স্থানীয় বাজারে বিক্রি করি। অনেকেই বাগানে এসে বরই কিনে নিয়ে যান। এখন আমার এক একটি বরই গাছ ১০-১২ ফুট লম্বা।

স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল খালেক বলেন, আমাদের ভবানীগঞ্জ সবজি চাষে পুরো জেলাতেই সুনাম রয়েছে। এখানে যে বরই চাষ হবে তা কেউই কখনো কল্পনা করেনি। আবদুল করিমের বরই বাগানে ভালোই উৎপাদন হয়েছে। আশা করি এ বছরই তিনি তার খরচ উঠাতে পারবেন।

বরই কিনতে যাওয়া চাকরিজীবী মো. হাসান আলী বলেন, এ ধরণের একক বরই বাগান লক্ষ্মীপুরে আর কোথাও নজরে পড়েনি। বরইগুলোও ক্ষেতে দারুণ মিষ্টি। ঝুঁকি নিয়েই আবদুল করিম বরই বাগানে সফলতা দেখছেন। তার মতো অন্যরাও যদি ঝুঁকি নেয় তাহলে মেঘনা উপকূলীয় এ অঞ্চল কৃষিক্ষেত্রে আরও এগিয়ে যাবে।


কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্র জানায়, লক্ষ্মীপুরে জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষিপ্তভাবে প্রায় ৯৬ হেক্টর জমিতে বরই চাষ হয়। এতে সাড়ে ৯০০ মেট্টিক টন বরই উৎপাদন হয়। তবে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ৫-৬ হেক্টর জমিতে বরই চাষ করা হয়। তবে অল্প সময়ে পর্যাপ্ত বরই উৎপাদন হয় বাগানগুলোতে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক বলেন, আবদুল করিম প্রায় ১১ মাস আগে বরই চাষ শুরু করেন। তার বাগানে পর্যাপ্ত বরই উৎপাদন হয়েছে। তিনি এ বাগান থেকে ৬-৭ লাখ টাকা আয় করতে পারবেন বলে আমরা আশবাদি। আরও ২-৩টি বাগান রয়েছে। কৃষকরা এখন ফল চাষে এগিয়ে আসছে।

তিনি আরও বলেন, এ জেলায় কাষ্মেরি, বাউল ও বল সুন্দরী বরই উৎপাদন হয়। কিভাবে চারা উৎপাদন করে তা সম্প্রসারণ করতে হয় সে ব্যাপারে আমরা কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেছি। কৃষকদের বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়ার জন্য উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার কাজ করছেন। বরই চাষে প্রচুর খরচ রয়েছে। যাদের অর্থের সমস্যা আছে, তাদেরকে ব্যাংক থেকে স্বল্প সুদে ঋণ নিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করবো বলেছি। আগ্রহী কৃষকদেরকে সকল ধরণের সহযোগীতা আমাদের পক্ষ থেকে করা হবে।

;

‘বেপরোয়া চলাফেরায় ওমিক্রন সংক্রমণ বেড়েছে ৭০-৮০ ভাগ’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক

  • Font increase
  • Font Decrease

বেপরোয়া চলাফেরায় করোনাভাইরাসের ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন সংক্রমণ বেড়েছে ৭০-৮০ ভাগ বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

'কোভিড-১৯ এর নতুন ভ্যারিয়েন্ট অমিক্রনের পরিস্থিতি মোকাবিলায়' বেসরকারি হাসপাতালের প্রস্তুতি নিয়ে মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুর ৩টায় এক ভার্চুয়াল সভায় মন্ত্রণালয় থেকে যুক্ত হন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সভাটির আয়োজন করে বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ এসোসিয়েশন (বিপিএমসিএ)।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ওমিক্রন মাইল্ড- কথাটি সঠিক নয়। মাইল্ড হলেও সংক্রমণ ঠিকই বাড়াচ্ছে। ওমিক্রন নিয়ে হেলাফেলা করা যাবে না। কারণ সংক্রমণের সংখ্যা বেশি হলে মৃত্যু কিন্তু বাড়বে। তাহলে আমাদের অর্থনীতির অবস্থা খারাপ হবে। এখন যেটা ভালো আছে।

দেশে আগের মত ভীতি সঞ্চারকারী পরিবেশ তৈরি হচ্ছে না জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এখন আমরা অনেকটাই প্রস্তুত। হাসপাতাল গুলো আগের থেকে বেশি সুসজ্জিত হয়েছে।

জাহেদ মালেক বলেন, ঢাকায় করোনার চিকিৎসায় সরকারি হাসপাতালে ৪ হাজার শয্যা রয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজারের কিছু বেশি রোগী ভর্তি রয়েছেন। বেসরকারি হাসপাতালের ৫০০ বেড ভরে গেছে। এবার শনাক্ত বেশি হলেও হাসপাতালে রোগী ওভাবে বাড়ছে না। মৃত্যুও সেভাবে বাড়ছে না। এর অন্যতম কারণ ভ্যাকসিন।

হাসপাতালে আসা রোগীর ৮৫ শতাংশ ভ্যাকসিন নেন জানিয়ে তিনি বলেন, করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে আসা রোগীর ৮৫ শতাংশ ভ্যাকসিন নেননি। ঢাকা শহরের সরকারি হাসপাতালগুলো শয্যার তুলনায় ২৫ শতাংশ রোগী ভর্তি রয়েছে।

মৃত্যুর ডাটাতেও একই রকম নন ভ্যাকসিনেটেডরাই বেশি মারা যাচ্ছেন বলে জানান তিনি

জাহেদ মালিক জানান, ৯ কোটি প্রথম ডোজ আর ৬ কোটি দ্বিতীয় ডোজ মিলিয়ে এখন পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে ১৫ কোটি টিকা। নিশ্চিত করা হচ্ছে বুস্টার ডোজও। যার ফলে হাসপাতালগুলোতে অনেকটা চাপ কমে আসবে।

তবে ‘ক্লাস্টার শ্রেণি’কে টিকার আওতায় আনতে কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে বলে জানান জাহেদ মালিক। ক্ষুদ্র দোকানদার ও শ্রমজীবী কিছু কিছু শ্রেণিতে এখনও টিকা নেওয়ার ঘাটতি দেখা দিচ্ছে বলে তিনি বলেন, আমরা দেখছি কীভাবে রিচ করা যায়।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়- অফিস আদালত ও সব প্রতিষ্ঠানে ‘ভ্যাকসিন সার্টিফিকেট’ ব্যবহার নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে বলেও জানান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী। সংক্রমণের হার কমাতে বরাবরের মতোই তিনি বলেন, মাস্ক ব্যবহারের কোনও বিকল্প নেই। মাস্ক- স্বাস্থ্য সচেতনতা এসব নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

বিপিএমসিএর এ ভার্চুয়াল সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- রাখেন ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, স্বাস্থ্যশিক্ষা বিভাগের পরিচালক (শিক্ষা) এ এইচএম এনায়েত হোসেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল) ডা. ফরিদউদ্দিন আহমেদ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (এমআইএস) অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমান।

;

বাণিজ্যমেলা বন্ধের সুপারিশ কারিগরি পরামর্শক কমিটির



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা বন্ধের সুপারিশ করেছে কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। কমিটি
আসন্ন বাণিজ্যমেলাও বন্ধ চায়।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. সহিদুল্লার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ফের ঊর্ধ্বমুখী হলেও রাজধানীর অদূরে চলমান ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা বন্ধ হয়নি। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার বিধিনিষেধ জারি করলেও দোকানপাট-শপিং মল বন্ধ ঘোষণা না করায় গত ১১ জানুয়ারি বাণিজ্যমেলা চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

এবিষয়ে ডা. মো. সহিদুল্লা বলেন, করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে সরকারকে কোভিড-১৯ জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির পক্ষ থেকে আরও কঠোর হওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

;

‘খেলা হয়, মেলা হয়, পরীক্ষা নিতে কিসের ভয়’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চলমান পরীক্ষাগুলো শেষ করার দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) সকালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজশাহী অঞ্চলিক কার্যালয় ঘেরাও করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা। এ সময় শিক্ষার্থীরা স্লোগান দিতে থাকেন- ‘খেলা হয়, মেলা হয়, পরীক্ষা নিতে কিসের ভয়। এ বৈষম্য আর মানবেন না বলে জানান তারা।

করোনাভাইরাসের ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণের কারণে দুই সপ্তাহের জন্য স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। এই অবস্থায় বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীদের চলমান পরীক্ষা থেমে গেছে। পরীক্ষাগুলো শেষ করার দাবিতে কয়েকদিন ধরেই কর্মসূচি পালন করছেন রাজশাহীর শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার তারা প্রথমে নগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে সমাবেশ করেন। এরপর তারা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কার্যালয়ের সামনে যান।

এ সময় আন্দোলনের মুখে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজশাহী অঞ্চলিক কেন্দ্রের পরিচালক ফয়জুল করিম শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। এ সময় তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে পরীক্ষা নেওয়ার ঘোষণা দেন। ঘোষণার পর শিক্ষার্থীরা আঞ্চলিক পরিচালককে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

;