সড়কে দুর্নীতির প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের লাল কার্ড প্রদর্শন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সড়কের অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির প্রতিবাদে লাল কার্ড প্রদর্শন করেছেন শিক্ষার্থীরা। তারা মনে করেন দুর্নীতি রোধ করা সম্ভব হলে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।

শনিবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় রাজধানীর রামপুরায় এই কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সড়কে প্রশাসনকে ঘুষ দিয়ে চালকের লাইসেন্স ও ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলছে। এজন্য তারা সড়কের দুর্নীতির বিরুদ্ধে লাল কার্ড দেখিয়েছে।

তারা আরও বলেন, দুর্নীতির কারণেই রাস্তায় প্রাণ দিতে হচ্ছে নাঈম, মাঈনুদ্দিনের মতো শত শত মানুষকে। আমরা চাই লাইসেন্সবিহীন চালককে নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। গাড়ি ও ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএর দুর্নীতির বিরুদ্ধেও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

শিক্ষার্থীরা ১১ দফা দাবিতে গত কয়েক দিন আন্দোলন করছে।

তাদের দাবিগুলো হলো- সড়কে নির্মম কাঠামোগত হত্যার শিকার নাঈম ও মাইনুদ্দীনের হত্যার বিচার করতে হবে। তাদের পরিবারকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। গুলিস্তান ও রামপুরা ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় পথচারী পারাপারের জন্য ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ করতে হবে।

>> সারাদেশে সকল গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের হাফপাস সরকারি প্রজ্ঞাপন দিয়ে নিশ্চিত করতে হবে। হাফপাসের জন্য কোনো সময় বা দিন নির্ধারণ করে দেওয়া যাবে না। বর্ধিত বাস ভাড়া প্রত্যাহার করতে হবে। সকল রুটে বিআরটিসির বাসের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে।

>> গণপরিবহনে ছাত্র-ছাত্রী এবং নারীদের অবাধ যাত্রা ও সৌজন্যমূলক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

>> ফিটনেস ও লাইসেন্স বিহীন গাড়ি এবং লাইসেন্স বিহীন চালককে নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। গাড়ি ও ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ'র দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

>> সকল রাস্তায় ট্রাফিক লাইট, জেব্রা ক্রসিং নিশ্চিত করাসহ জনবহুল রাস্তায় ট্রাফিক পুলিশের সংখ্যা বাড়াতে হবে। ট্রাফিক পুলিশের ঘুষ দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

>> বাসগুলোর মধ্যে বেপরোয়া প্রতিযোগিতা বন্ধে এক রুটে এক বাস এবং দৈনিক আয় সকল পরিবহন মালিকের মধ্যে তাদের অংশ অনুয়ায়ী সমানভাবে বন্টন করার নিয়ম চালু করতে হবে।

>> শ্রমিকদের নিয়োগপত্র- পরিচয়পত্র নিশ্চিত করতে হবে। চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করতে হবে। চুক্তি ভিত্তিতে বাস দেওয়ার বদলে টিকেট ও কাউন্টারের ভিত্তিতে গোটা পরিবহন ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে হবে। শ্রমিকদের জন্য বিশ্রামাগার ও টয়লেটের ব্যবস্থা করতে হবে।

>> গাড়ি চালকের কর্মঘণ্টা একনাগাড়ে ৬ ঘণ্টার বেশি হওয়া যাবে না। প্রতিটি বাসে ২ জন চালক ও ২ জন সহকারী রাখতে হবে। পর্যাপ্ত বাস টার্মিনাল নির্মাণ করতে হবে। পরিবহন শ্রমিকদের যথাযথ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।

>> যাত্রী- পরিবহন শ্রমিক ও সরকারের প্রতিনিধিদের মতামত নিয়ে সড়ক পরিবহন আইন সংস্কার করতে হবে এবং এর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

>> ট্রাক, ময়লার গাড়িসহ অন্যান্য ভারী যানবাহন চলাচলের জন্য রাত ১২টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত সময় নির্ধারিত করে দিতে হবে।

>> মাদকাসক্তি নিরসনে গোটা সমাজ জুড়ে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। চালক-সহকারীদের জন্য নিয়মিত ডোপ টেস্টের ও কাউন্সিলিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে।

অজুহাত নয়, স্কুল খোলা চায় ইউনিসেফ



কল্লোল রায়, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, কুড়িগ্রাম
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনা ভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ছে, এটি যাতে শিশুদের পড়াশোনাকে ব্যাহত করতে না পারে সেজন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নিতে সরকারগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইউনিসেফ।

২৮ জানুয়ারি(শুক্রবার) ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক হেনরিয়েটা ফোরের এক বিবৃতি প্রেস বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পড়াশোনার ক্ষেত্রে বিপর্যয় এড়াতে এবং শিশুদের তাদের শেখার পথে ফিরিয়ে আনতে ইউনিসেফ কিছু সুপারিশ তুলে ধরেছে।

সুপারিশগুলো হলো:

স্কুল খোলা রাখুন। স্কুলগুলো পুরোপুরি বা আংশিক বন্ধ থাকার কারণে বর্তমানে প্রায় ৬১ কোটি ৬০ লাখ শিশু ক্ষতিগ্রস্ত। আমরা জানি যে, কোভিড-১৯ ঝুঁকি প্রশমনের ব্যবস্থাগুলোই স্কুলগুলোকে খোলা রাখতে সাহায্য করে। আমরা আরও জানি যে, ডিজিটাল সংযুক্তির পেছনে বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে পারলেই কোনো শিশু পেছনে পড়ে থাকবে না। প্রতিটি শিশুকে স্কুলে ফিরিয়ে আনতে আমাদের জরুরী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। এর মধ্যে রয়েছে প্রতিটি কমিউনিটির প্রান্তিক শিশুদের ওপর বিশেষ লক্ষ্য রেখে কিছু বিষয়ে বিস্তৃত সহায়তা প্রদান করা। যেমন শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের ঘাটতি পূরণে অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়া, মানসিক স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সহায়তা, সুরক্ষা এবং অন্যান্য পরিষেবা প্রদান।

শিক্ষক এবং স্কুল কর্মীদের অবিলম্বে টিকা দিন। প্রথম সারির স্বাস্থ্যকর্মী এবং উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীকে কোভিড-১৯ এর টিকাদানের পরপরই এই টিকা প্রদানের ক্ষেত্রে শিক্ষক এবং স্কুল কর্মীদের সম্পূর্ণরূপে সমর্থন ও অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।

অগ্রাধিকার প্রাপ্য জনগোষ্ঠীকে পুরোপুরি সুরক্ষিত করার পর এবং টিকার যথেষ্ট প্রাপ্তি নিশ্চিত হলে ইউনিসেফ শিশুদের টিকাদানকে সমর্থন করে। সশরীরে স্কুলে যাওয়ার জন্য টিকাদানকে পূর্বশর্ত করবেন না। কোভিড-১৯ টিকা প্রাপ্তি সাপেক্ষে সশরীরে স্কুলে যাওয়ার শর্ত আরোপ করলে তা শিশুদের শিক্ষাগ্রহণের সুযোগ না পাওয়া এবং ক্রমবর্ধমান বৈষম্যের শিকার হওয়ার ঝুঁকিতে ফেলে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সুপারিশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ইউনিসেফ শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের টিকাদান ছাড়াই স্কুলগুলো খোলা রাখার এবং কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণ কৌশল যাতে পড়াশোনা ও সামাজিক জীবনের অন্যান্য দিকগুলোতে শিশুদের অংশগ্রহণকে সহজতর করে তা নিশ্চিত করার সুপারিশ করে।

সংকটময় পরিস্থিতিতে সবসময় কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়। কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বজুড়ে শিক্ষা ব্যবস্থায় যে নজিরবিহীন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে তা আমরা স্বীকার করি। তবে এক্ষেত্রে ঝুঁকি খুবই বেশি। শিশুদের স্কুলে রাখার জন্য সম্মিলিতভাবে আমাদের পক্ষে সম্ভব সবকিছু করতে হবে।

;

ফরিদপুরে সড়ক দুর্ঘটনা: সমাজসেবা কর্মকর্তাসহ নিহত ২



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ফরিদপুর
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়কের ভাঙ্গার হামিরদী নামক স্থানে শুক্রবার রাতে ট্রাকের ধাক্কায় মোটর সাইকেল আরোহীসহ দুই জন নিহত হয়েছে।

শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) রাত পৌনে ৯ টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, ফরিদপুর শহরের পশ্চিম খাবাসপুর এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউনুছ আলী মিয়ার ছেলে আনোয়ার হোসেন(৪০)। সে ভাঙ্গা উপজেলার সমাজসেবা কার্যালয়ে ইউনিয়ন সমাজসেবা অফিসার হিসাবে কর্মরত ছিলেন। অপরজন ওয়াহিদুজ্জামান বাবু মির্জা(৩৫)। তিনি ভাঙ্গা উপজেলার পৌরসভার নওপাড়া গ্রামের আব্দুর রসিদ মির্জার ছেলে। সে সমাজসেবা অফিসে পার টাইম কাজ করতেন।

ভাঙ্গা উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, নিহত আনোয়ার ও তার স্ত্রী আমার অফিসের ইউনিয়ন সমাজসেবা অফিসার হিসাবে কর্মরত। ছেলে মেয়ে নিয়ে ভাঙ্গাতেই বসবাস করতেন। নিহত আনোয়ার এর মা ফরিদপুর শহরে বসবাস করেন।

শুক্রবার সন্ধ্যায় নিজের মটর সাইকেল যোগে বাবু মির্জাকে সাথে নিয়ে মায়ের সাথে দেখা করার জন্য ফরিদপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পথিমধ্যে হামেরদী নামক স্থানে পৌছালে পিছন দিক থেকে আসা একটি ট্রাক মোটর সাইকেলটিকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়।

ফরিদপুরের ভাঙ্গা হাই-ওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গির আলম জানান, ট্রাকের ধাক্কায় মোটর সাইকেল আরোহীর মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছাই। সেখানে সমাজসেবা কার্যালয়ের ইউনিয়ন অফিসার আনোয়ার হোসেনের লাশ ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি।

অপর জনকে আহত অবস্থায় স্থানীয় জনতা প্রথমে ভাঙ্গা হাসপাতালে ভর্তি করলে সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে ফরিদপুর শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষনা করে। ঘাতক ট্রাকটি আটক করতে পুলিশ কাজ করছে বলে তিনি জানান।

;

ফরিদপুরে হাসপাতাল থেকে দালালচক্রের ৬ সদস্য আটক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ফরিদপুর
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাল এলাকা থেকে দালাল, প্রতারক ও চাঁদাবাজ চক্রের ৬ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।

শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে ডিবি পুলিশের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

আটককৃতরা হলেন, শেখ রিপন (৩৮),মোসা. ঝর্ণা বেগম (৪০) মোসা. লিপি আলী (৩০), মোসা. চম্পা আক্তার (২০), মোসা. বিনা আক্তার (৩০), মোসা. হেলেনা বেগম (৪৫)। আটককৃতদের সবার বাড়ি ফরিদপুরে বিভিন্ন এলাকায়।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, তারা রোগীদের নিকট হইতে প্রেসক্রিপসন জোরপূর্বক কেড়ে নিয়ে তাদের নিজস্ব ফার্মেসীতে ঔষধের প্রকৃত মূল্যের চেয়ে বেশি দাম রাখে। চিকিৎসার জন্য আগত রোগী ও রোগীর লোকজনরা দালালদের সাথে যেতে অস্বীকার করলে বা অতিরিক্ত টাকা দিতে না চাইলে তাদের বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে।

ফরিদপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রাকিবুল ইসলাম জানান, হাসপাতালের কর্মরত বিভিন্ন ইউনিটের স্ট্যাফরা তাদের হাসপাতালে আসা রোগীদের ব্যাপারে তথ্য দিয়ে তাদের এই কাজে সাহায্য সহযোগিতা করে থাকে। এছাড়া এরা নিজেদের হাসপাতালের স্টাফ বা মাস্টার রোলে চাকরি করে বলে দাপটের সাথে পরিচয় দিয়ে থাকে। তিনি আরও জানান, আসামীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

;

সাদুল্লাপুর উপজেলা চেয়ারম্যানের গাড়ি ভাঙচুর, প্রতিবাদ আ.লীগ নেতা-কর্মীদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, গাইবান্ধা
সাদুল্লাপুর উপজেলা চেয়ারম্যানের গাড়ি ভাঙচুর, প্রতিবাদ আ.লীগ নেতা-কর্মীদের

সাদুল্লাপুর উপজেলা চেয়ারম্যানের গাড়ি ভাঙচুর, প্রতিবাদ আ.লীগ নেতা-কর্মীদের

  • Font increase
  • Font Decrease

সাদুল্লাপুর উপজেলা চেয়ারম্যানের উপর স্বতন্ত্র প্রার্থীর হামলা ও সরকারি গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় প্রতিবাদে মাঠে নেমেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে সাদুল্লাপুরের ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের ধাপেরহাটে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা পালন করা হয়েছে। এসময় শতাধিক দলীয় নেতা-কর্মী হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠে।

হামলার শিকার হওয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সাহারিয়া খাঁন বিপ্লব প্রতিবাদ সভায় বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হামলাকারীর গডফাদার শহিদুল ইসলাম সিপন ও তার ভাই  সেলিম ও ডিউকসহ জড়িত অন্যান্যদের গ্রেফতার করতে হবে। এই হামলাকারীরা মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রসী। যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের গ্রেফতার করা হয়নি, ততক্ষণ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা ঘরে ফিরবে না।

উল্লেখ্য, গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলা চলেছে ইউপি নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা। এ নির্বাচনে ধাপেরহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী  শফিকুল কবির মিন্টু নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে আসছে। তার পক্ষে শুক্রবার বিকেলে ধাপেরহাটের পীরেরহাট এলাকায় গণসংযোগে অংশ নেয় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সাহারিয়া খাঁন বিপ্লব। এসময় প্রতিদ্বন্দ্বী চশমা প্রতীকের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও স্থানীয় বিএনপির নেতা শহিদুল ইসলাম সিপন ও তার কর্মী-সমর্থকরা সাহারিয়া খাঁন বিপ্লবকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। উপর্যপরি ইটপাটকেলের ঢিলে উপজেলা চেয়ারম্যানের  সরকারি পাজেরো গাড়ি ভাঙচুর করে হামলাকারীরা।

;