সিসিকের মশক নিধন শুরু



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিলেট
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

মুজিববর্ষ উদযাপন উলক্ষে ‘পরিচ্ছন্ন গ্রাম-পরিচ্ছন্ন শহর’ কর্মসূচীর আওতায় সিলেট সিটি কর্পোরেশনে শুরু হয়েছে মাসব্যাপী মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান।

শনিবার (৪ ডিসেম্বর) সকালে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী এই কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন। সিসিকের ১ নম্বর ওয়ার্ডে দরগা এলাকা থেকে কর্মসূচী শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে ২৭ টি ওয়ার্ডে এই অভিযান পরিচালিত হবে। 

সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, সিটি কর্পোরেশনের মশক নিধন ও পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান সফল করতে সিলেট মহানগরবাসির সহযোগিতা প্রয়োজন। 

মেয়র বলেন, সিসিকের কর্মীরা নির্দিষ্ট স্থান থেকে ময়লা আবর্জনা সংগ্রহ করে থাকেন। সম্মানীত নাগরিকরা নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা আবর্জনা ফেললে নগর পরিচ্ছন্নতার কাজ আরো দ্রুত সময়ে করা সম্ভব হবে। কোন অবস্থাতেই বাসা-বাড়ির আশ পাশের খোলা স্থান, ড্রেন বা ছড়ায় আবর্জনা না ফেলতে নগরবাসির প্রতি আহবান জানন। 

একইসঙ্গে ডেঙ্গুর উৎসের সন্ধান পেলে দ্রুত সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগে জানানোর আহবান জানিয়েছেন মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। 

কর্মসূচীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিসিক'র কাউন্সিলর, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

‘সেবা প্রার্থীরা যেন কোনভাবেই হয়রানির শিকার না হয়’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ

  • Font increase
  • Font Decrease

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ পুলিশের উদ্দেশে বলেছেন, সেবা প্রার্থীরা যেন হয়রানির শিকার না হয়, সেদিকে পুলিশ কর্মীদের খেয়াল রাখতে হবে।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ‘পুলিশ সপ্তাহ ২০২২’ উপলক্ষে বঙ্গভবন থেকে ভার্চুয়ালি দেওয়া এক ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, সাধারণ মানুষ বিপদে পড়লে আইনি সেবা নিতে পুলিশের কাছে যায়। আপনারা তাদের সমস্যা এবং অভিযোগগুলি খুব মনোযোগ সহকারে শুনবেন এবং তাদের আন্তরিকভাবে আইনি সহায়তা দিতে দ্বিধা করবেন না।

তিনি বলেন, আপনি (পুলিশ) 'বন্ধু' হিসেবে জনগণের পাশে থাকবেন। মানবিক পুলিশ হোন এবং জনগণকে সেবা প্রদান করে এবং সত্যিকারের শক্তিতে পরিণত হওয়ার জন্য তাদের আস্থা অর্জন করে আপনার দায়িত্ব পালন করুন।

রাষ্ট্রপ্রধান মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশপ্রেম, সততা ও পরম নিষ্ঠার সাথে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করার জন্য পুলিশ বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ পুলিশকে একটি আধুনিক ও উন্নত দেশের উপযোগী বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, তথ্য প্রযুক্তির (আইটি) প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে পুলিশের সেবায় প্রবেশও সহজতর হয়েছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, সময়োপযোগী পুলিশি সেবা প্রদানের জন্য ইতিমধ্যে নতুন ইউনিট গঠন করা হয়েছে। এর ফলে পুলিশের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং জনগণ সহজেই ভালো পুলিশি সেবা পাবে। কমিউনিটি পুলিশিং এবং বিট পুলিশিংয়ে জনগণের আরও সম্পৃক্ততার ওপর জোর দিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, পুলিশের একার পক্ষে সমাজ থেকে অপরাধ দমন করা সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশকে একটি 'জনবান্ধব পুলিশ ও মানবিক পুলিশ' হিসেবে গড়ে তুলতে আপনাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা চালাতে হবে। বর্তমান সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত দেশে পরিণত করার লক্ষ্যে কাজ করছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি হামিদ বলেন, দেশ ইতিমধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে ব্যাপক অগ্রগতি লাভ করেছে।

তিনি আরও বলেন, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং সর্বাধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণের মাধ্যমে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় পুলিশকে এগিয়ে যেতে হবে।

রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, বাংলাদেশ পুলিশকে নতুন গবেষণা ও উদ্ভাবনে সমৃদ্ধ হতে হবে। বাংলাদেশ পুলিশের জন্য একটি থিঙ্ক ট্যাঙ্ক থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।

প্রযুক্তি বিকাশের ধারায় বর্তমান বিশ্বে অন্যান্য অপরাধের মধ্যে দেশীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক এবং বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করে সাইবার ক্রাইম বৃদ্ধি পাচ্ছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় আমাদের পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে হবে এবং আধুনিক তথ্য প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ, প্রশিক্ষিত ও দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে হবে।

ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পুলিশ সদস্যদের সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত করতে হবে বলে জানান আবদুল হামিদ।

জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে অভিযান বাংলাদেশ পুলিশের অন্যতম বড় সাফল্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে জনগণকে সম্পৃক্ত করতে হবে, এর বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে।

মাদকের অপব্যবহারকে একটি বড় সামাজিক ব্যাধি হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের যুব সমাজের একটি অংশ পুলিশসহ বিভিন্ন সরকারি দফতরের কিছু অসাধু কর্মচারীর সহায়তায় মাদক সংক্রান্ত অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, এ ব্যাপারে পুলিশকে আরও সক্রিয় হতে হবে। এ ব্যাপারে 'জিরো টলারেন্স' নীতির বিবেচনা করতে হবে।

;

আমি যেন ন্যায় কাজের সঙ্গে থাকতে পারি: আইভী



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নারায়ণগঞ্জ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী বলেন, আমি এখানে আসছি দোয়া চাওয়ার জন্য। আপনাদের সকলের কাছে দোয়া চাই। কিছু দিন আগেই নির্বাচন গিয়েছে। আপনারা সবাই দোয়া করেছেন বলেই আমি নির্বাচিত হয়েছি। আপনারা আমাকে ৫ বছরের জন্য সুযোগ দিয়েছেন। আমি যেন ঈমানের সহিত আমার দায়িত্ব পালন করতে পারি। আমি যেন জনগণের আমানত রক্ষা করতে পারি। ওলি-আউলিয়াদের দোয়ায় আমি যেন ন্যায় কাজের সঙ্গে থাকতে পারি, ন্যায় কাজ করতে পারি।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের জালকুড়ি এলাকার শফিউদ্দিন (পাখা) শাহ্ মাজারে ওরশে শরীক হয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় মাজারে ফাতিহা পাঠ ও দোয়া মোনাজাতে অংশ নেন আইভী।

তিনি বলেন, মাজারে দাঁড়িয়ে বেশি কথা বলার দুঃসাহস আমার নেই। আমি ওলিদের ভক্তি করি, শ্রদ্ধা করি তাই এখনে এসেছি। আজকে ওরশ, তাই আমি ওরশে শরীক হওয়ার জন্য এখানে এসেছি। নির্বাচনের আগেও আমি এখানে এসেছি। এখানে একটা গেট করে দেয়ার কথা ছিল। নানান কারণে করা হয় নাই। দোয়া করবেন এবার যেন করে দিতে পারি। আপনাদের এখানে তেমন কোন কাজ নেই যা আছে আপনাদের নির্বাচিত কাউন্সিলর আছে। বাকি যে কাজ আছে সে করবে।

;

ম্যাগনিটো ডিজিটাল-এর পার্টনার হলো বিকাশ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিকাশ-এর অফিসিয়াল ডিজিটাল এজেন্সি হিসেবে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ম্যাগনিটো ডিজিটাল লিমিটেড ঢাকা, দেশের শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল মার্কেটিং এজেন্সি ম্যাগনিটো ডিজিটাল লিমিটেড সম্প্রতি বিকাশ-এর সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

এখন থেকে বিকাশ-এর যাবতীয় ডিজিটাল ও সোশ্যাল মিডিয়া কমিউনিকেশনের দেখাশোনা করবে এই ডিজিটাল এজেন্সি। বিগত কয়েক বছর ধরে দেশের স্বনামধন্য ব্র্যান্ডগুলোর জন্য দ্রুততম এবং ভার্সাটাইল ক্রিয়েটিভ কনটেন্ট তৈরি করার মাধ্যমে ম্যাগনিটো ডিজিটাল সুনাম অর্জন করেছে। ব্র্যান্ডের সুনাম গড়ে তোলা এবং ধরে রাখার জন্য সকলেরই ভরসার প্রতীকে পরিণত হয়েছে তারা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের লাইসেন্স এবং অনুমোদনপ্রাপ্ত আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হলো বিকাশ। বাংলাদেশের ব্যাংক একাউন্ট না থাকা মানুষদেরকে সবচেয়ে দ্রুত ও নিরাপদে মোবাইলের মাধ্যমে টাকা লেনদেন করার ব্যবস্থা করে দিয়েছে এই প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে তারা বিশ্বের অন্যতম প্রধান আর্থিক সেবা প্রদানকারী হিসেবে কাজ করছে। এই যৌথ পথচলা আগামী দিনে অসংখ্য অভিনব কাজ উপহার দিবে, এটাই প্রত্যাশা।

এসবের পাশাপাশি, বিগত কয়েক বছর ধরে ম্যাগনিটো ডিজিটাল লিমিটেড গ্রামীণফোন, হিরো বাংলাদশ ও ফ্রেশ-এর মতো শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ডের সাথেও কাজ করছে।

;

নির্মাণের ৫ বছরেই ভেঙে গেল সেতু!



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সুনামগঞ্জ
নির্মাণের ৫ বছরেই ভেঙে গেল সেতু

নির্মাণের ৫ বছরেই ভেঙে গেল সেতু

  • Font increase
  • Font Decrease

সুনামগঞ্জের দোয়ারা উপজেলার মান্নারগাঁও ইউনিয়নের পুটিপশী-নুরপুর ফেরিঘাট সড়কে নির্মিত সেতু ভেঙে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে তিন ইউনিয়নের মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে নতুন সেতু নির্মাণের দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের।

স্থানীয়রা জানান, গত প্রায় ৮ বছর আগে এই সেতু নির্মাণ করে দেয় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয়। কিন্তু নির্মাণের ৫ বছরেই বন্যার পানির প্রবল বেগে এই সেতুটি ভেঙে স্বস্থান থেকে সরে যায়। এই কারণে মান্নারগাঁও, সুরমা, লক্ষীপুর ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষ জেলা শহরে আসা-যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

কলেজ শিক্ষার্থী সুহেল মিয়া বলেন, পুটিপশী গ্রামের এই সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় শিক্ষার্থী ও রোগীরা আসা-যাওয়া করতে পারে না। সেতুটি দ্রুত নির্মাণের দাবি আমাদের।

পুটিপশী গ্রামের বাসিন্দা চিত্তরঞ্জন দাস, জিতেন্দ্র দাস, গোপেন্দ্র দাস, সুনীল দাস, রবীন্দ্র দাসসহ আরও অনেকে বলেন, সেতুটি নির্মাণ হওয়ার প্রায় ৫ বছর পর গত দুই বছর আগে বন্যার পানির প্রবল বেগে ভেঙে যায়। কিন্তু এখনও নির্মাণের উদ্যোগ নিচ্ছেন না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এই সেতু ভেঙে যাওয়ায় মান্নারগাঁও, সুরমা ও লক্ষীপুর ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষ চলাচলে মারাত্মক দুর্ভোগে পড়েছেন।

মঞ্জু লাল দাস বলেন, পুটিপশী গ্রামের সেতু ভেঙে যাওয়ার পর এলাকাবাসী চাঁদা তোলে বাঁশ কাঠ দিয়ে যাতায়াতের সুবিধা করেছেন। তবুও সব মানুষ এই সাঁকো দিয়ে আসা-যাওয়া করতে পারে না। যারা চলাচল করেন তারা ঝুঁকি নিয়ে আসা-যাওয়া করেন।

দুলন দাস বলেন, পুটিপশী গ্রামের সেতু ভেঙে যাওয়ার পর এলাকায় কোনো প্রকার যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। এই সড়কে রোগী ও বয়স্ক মানুষের আসা-যাওয়া একেবারে বন্ধ রয়েছে।

অনিল চন্দ্র দাস বলেন, পুটিপশী গ্রামে নির্মিত সেতু খুবই দুর্বল করে নির্মাণ করায় বন্যায় ঢলের পানির তোরে ভেঙে যায়। এই সেতু ভেঙে যাওয়ার পর এখনও নির্মাণ করা হচ্ছে না। সেতুটি দ্রুত নির্মাণ করার দাবি আমাদের।

দোয়ারা বাজারের ঠিকাদার মিলন কান্তি দাস জানান, পুটিপশী গ্রামের সেতুটি নির্মাণ করতে প্রায় ২০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছিল। আমি সাব ঠিকাদার হিসেবে এই সেতু নির্মাণ করেছিলাম।

দোয়ারা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আম্বিয়া আহমদ বলেন, আমি কিছুদিন হয় দোয়ারা উপজেলায় এসেছি। সেতুটি সম্ভবত: ১৩ বা ১৪ সালে নির্মাণ করা হয়েছে। সেতু নির্মাণ এলাকায় অনেক বড় আকারের খাল রয়েছে। এখন এখানে গার্ডার সেতু নির্মাণ করা হবে। এই সেতু নির্মাণের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

;