তামাক আইন সংশোধন করে দ্রুত সংসদে উপস্থাপন করব: স্বাস্থ্যমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনটি সংশোধন করে খুব শিগগির সংসদে উপস্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জনাব জাহিদ মালেক এমপি।

সোমবার (৬ ডিসেম্বর) বিকেলে জাতীয় সংসদের শপথকক্ষে ‘বাংলাদেশ পার্লামেন্টারি ফোরাম ফর হেলথ এন্ড ওয়েলবিং’ আয়োজিত, ‘২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে তিনি এ কথা জানান।

পাশাপাশি তিনি ই-সিগারেট নিষিদ্ধ করা, তামাকপণ্য বিক্রিতে লাইসেন্সিং ব্যবস্থা প্রণয়ন করার ব্যাপারে জোর দেন।

বাংলাদেশকে তামাকমুক্ত করতে সেমিনারে পার্লামেন্টারি ফোরামের পক্ষ থেকে ৭টি প্রস্তাবনা দেওয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে ​সকল পাবলিক প্লেস, পাবলিক ট্রান্সপোর্টসহ সকল ‘ধূমপানের জন্য নির্ধারিত স্থান’ বিলুপ্ত করা, বিক্রয়স্থলেও তামাকজাত পণ্য প্রদর্শন বন্ধ করা, তামাক কোম্পানির সকল স্পন্সরশিপ ও কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা, তামাকজাত পণ্যের মোড়কে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবার্তার আকার ৯০% এর বেশি রাখা, খুচরা ও কম সংখ্যক সিগারেট বা বিড়ি বিক্রি বন্ধ করা, ই-সিগারেটসহ সকল ধরণের হিটেড ট্যোবাকোর বিক্রি, আমদানি বন্ধ করা এবং ১৯৫৬ সালের নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন করে তামাক পণ্যকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের তালিকা থেকে বাদ দেয়া।

ফোরামের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবে মিল্লাত এমপির সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সকলকে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে। তামাক থেকে আমরা যে রেভ্যিনিউ পাই তারচেয়েও অনেক বেশি খরচ হয় আমাদের চিকিৎসা খাতে। তাই তামাকমুক্তির কোন বিকল্প নেই। তবে একদিনে এগুলো বন্ধ করার উপায় নেই। অনেকে বলেন তামাক সংশ্লিষ্টরা অনেক শক্তিশালী। তবে তারা সরকারের চেয়ে শক্তিশালী নয়। ইতোমধ্যে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা তামাকের ব্যবহার অনেকটা কমিয়ে আনতে পেরেছি। আরও কমাতে হবে। আমরা খুব দ্রুত আপনাদের প্রস্তাবনা মোতাবেক আইনটি সংশোধন করে সংসদে আনবো। সংসদ সদস্যদের মাধ্যমেই তা পাশ হবে।’

সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি বলেন, ‘সংশোধিত আইনে অবশ্যই স্মোকলেস ট্যোবাকো বন্ধের ব্যাপারে জোর দিতে হবে। এগুলো যে করেই হোক বন্ধ করতে হবে। যারা ধূমপায়ী, দীর্ঘদিন ধরে ধূমপান করছেন তাদেরকে নিয়ে সেমিনার করতে হবে। তাদের সমস্যাগুলো জানতে হবে। তাহলে গবেষণায় ফল পাওয়া যাবে। পাশাপাশি স্কুল শিক্ষার্থীদের মাঝে সচেতনতা বাড়াতে হবে।’

বাংলাদেশ পার্লামেন্টারি ফোরাম জনস্বাস্থ্য উন্নয়নের নানান দিক নিয়ে কাজ করে। তার মধ্যে তামাক নিয়ন্ত্রণ অন্যতম। ফোরামের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবে মিল্লাত এমপি সে বিষয় উল্লেখ করে বলেন, ‘পার্লামেন্টারি ফোরামের পক্ষ থেকে মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে তামাক আইন সংশোধনের দাবি জানিয়ে ১৫২ জন মাননীয় সংসদ সদস্যের স্বাক্ষরিত একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ জাতীয় বাজেটে তামাকপণ্যের মূল্য বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছিলাম আমরা। সেখানেও মাননীয় অর্থমন্ত্রী বরাবর চিঠি দিয়েছি, যেখানে আমাদের সাথে ছিলেন ৫২ জন সংসদ সদস্য। আমাদের অন্যতম অর্জন, আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বরাবর টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে তামাক নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব ও ই-সিগারেট নিষিদ্ধের বিষয়ে ১৫৩ জন মাননীয় সংসদ সদস্যের স্বাক্ষরিত চিঠি দিয়েছি।’

ড. প্রাণ গোপাল দত্ত এমপি বলেন, ‘তামাক নিয়ন্ত্রণ নীতি এবং সুরক্ষায় তামাক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ লাইসেন্স করতে হবে। জরিমানা বাড়াতে হবে। সম্ভব হলে পাঠ্যবইতে তামাকের বিরুদ্ধে সচেতনতার বিষয়গুলোকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। ধূমপায়ীদের কাউন্সেলিং, পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।’

অ্যাডভোকেট পীর ফজলুর রহমান এমপি বলেন, ‘তামাক আইন সংশোধনের ক্ষেত্রে যে ধারাগুলোর কথা বলা হয়েছে, সেগুলোর সবই সঠিক। এ বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রী মহোদয় এবং সচিব একমত হলেই কাজটি করা সম্ভব।’

জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের পরিচালক জনাব কাজী জেবুন্নেছা বেগম বলেন, ‘সংসদ সদস্যবৃন্দ যেসব সুপারিশ জানালেন, সেগুলো নিয়ে আমরা কাজ করবো। এছাড়াও তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের পাশাপাশি তামাক উৎপাদনের বিষয়টিও আমাদের দেখতে হবে। এক্ষেত্রে কৃষি মন্ত্রণালয়কে সমন্বয় করতে হবে।’

এসময় সংসদ সদস্যবৃন্দ তামাক চাষের বিকল্প ব্যবস্থা, তামাক কোম্পানির বাঁধা ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি প্রস্তাবিত প্রতিটি সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত করার ব্যাপারে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান।

এর আগে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি। তিনি দেশের বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের দুর্বলতা এবং তামাকমুক্ত জাতি হিসেবে গড়ে উঠতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগের বিষয়ে আলাপ করেন। তিনি তার উপস্থাপনায় বিদ্যমান আইনের বিশ্লেষণ, তামাক নিয়ন্ত্রণে সরকার ও সংসদের উদ্যোগ, তামাক নিয়ন্ত্রণে বিচারব্যবস্থার দৃষ্টিভঙ্গি এবং তামাক নিয়ন্ত্রণে আন্তর্জাতিকভাবে সফল অনুশীলনগুলো নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি তামাক নিয়ন্ত্রণের প্রস্তাবগুলো তুলে ধরেন।

সেমিনারে বক্তারা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মাননীয় সংসদ সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বেগম হোসনে আরা এমপি, আদিবা আনজুম মিতা এমপি, বাসন্তী চাকমা এমপি, আফতাব উদ্দিন সরকার এমপি, ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল এমপি, পীর ফজলুর রহমান এমপি, কাজী কানিজ সুলতানা এমপি, হাবিবা রহমান খান এমপি, সৈয়দা রুবিনা আক্তার এমপি, উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম এমপি, খ. মমতা হেনা লাভলী এমপি, নাদিরা ইয়াসমিন জলি এমপি, আরমা দত্ত এমপি, শবনম জাহান এমপি, অ্যাডভোকেট খোদেজা নাসরীন এমপি, অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল আজিজ এমপি। উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সচিব, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. লোকমান হোসেন মিয়া, জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের কর্মকর্তাবৃন্দ, ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রি-কিডস (সিটিএফকে) এর কর্মকর্তাবৃন্দ এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের পরিচালকবৃন্দ।

উল্লেখ্য, স্থানীয় উন্নয়ন সংস্থা স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশন, 'বাংলাদেশ পার্লামেন্টারি ফোরাম ফর হেলথ এন্ড ওয়েলবিং' এর সাচিবিক দায়িত্ব পালন করছে।

ফটিকছড়িতে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে ২ জনের মৃত্যু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
ফটিকছড়িতে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে ২ জনের মৃত্যু

ফটিকছড়িতে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে ২ জনের মৃত্যু

  • Font increase
  • Font Decrease

 

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির দাঁতমারায় বাস-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে প্রাণ হারিয়েছে ২ জন। এ সময় আহত হয় আরও ৪ জন।

বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার হেয়াকো-ফটিকছড়ি আঞ্চলিক সড়কের দাঁতমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত দুজন হলেন- রুবেল ত্রিপুরা(৫০) এবং অভি ত্রিপুরা (১০)। আহতদের নাম পরিচয় জানা যায়নি তবে সকলে একই এলাকার বাসিন্দা।

মো. নাহিদ নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, হারুয়ালছড়িতে একটি বিবাহ অনুষ্ঠান শেষ করে উনারা জোরারগঞ্জ থানার নলখা এলাকায় সিএনজি যোগে যাচ্ছিল। দাঁতমারা পুলিশ ফাঁড়ির সামনে গেলে বিপরীত দিক থেকে আসা বাসটির সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলে তত্তরি ত্রিপুরা ও অভি ত্রিপুরা ২ জন মারা যায়। গুরুত্বর আহত হয়েছে আরও ৪ জন। স্থানীয়রা আহতদের ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে নাজিরহাটস্থ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

এদিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আরেফিন আজিম জানান, প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে গুরুত্বর আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে প্রেরণ করা হয়েছে।

;

উপকূলজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব অকল্পনীয়: তথ্যমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

'উপকূলজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের যে ক্ষতিকর প্রভাব তা খুলনার উপকূলে না আসলে কেউ অনুমান করতে পারবেনা' বলেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

'এখানে প্রতি বছর বন্যা হয়, জলোচ্ছ্বাস হয়, যা আমাদের নিত্যসঙ্গী; আমরা জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত কিভাবে মোকাবেলা করছি জাতিসংঘ মহাসচিবের এসডিজি বিষয়ক বিশেষ দূত হিসেবে বেলজিয়ামের রানি সেটি নিজের চোখে দেখার জন্য এখানে এসেছেন এবং এখানকার মানুষের সাথে কথা বলেছেন' জানান তিনি।

বেলজিয়ামের রানি মাতিলদ মেরি ক্রিস্টিন জিলেইন আজ (বুধবার) দুপুরে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারযোগে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত খুলনার উপকূলীয় দাকোপ উপজেলার সুতারখালী ইউনিয়নের ঝুলন্তপাড়া এলাকা পরিদর্শনে যান। তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ মিনিস্টার ইন ওয়েটিং হিসেবে রাষ্ট্রাচার দায়িত্ব পালনে তাঁর সাথে ছিলেন। স্থানীয় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন মন্ত্রী।

পরিবেশবিদ ড. হাছান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশ। আর দেশের উপকূলীয় অঞ্চলেই সবচেয়ে ক্ষতির প্রভাব দৃশ্যমান।

রানি মাতিলদ ঝুলন্তপাড়ার স্থানীয় মানুষদের সাথে মতবিনিময় করেন। খুলনার উপকূলীয় এলাকায় বসবাসরত মানুষদের জীবন-সংগ্রাম, সমস্যা ও সম্ভাবনা বিষয়ে অধিবাসী ও সেখানে কর্মরত দেশি-বিদেশি সংস্থার প্রতিনিধিদের কাছ থেকে বিস্তারিত ধারণা নেন তিনি।

খুলনার জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

;

দেশে এখন ১৯ লাখ টন খাদ্য মজুদ রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশে এই মুহূর্তে ১৯ লাখ টন খাদ্য মজুদ আছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার টাকার দিকে তাকাচ্ছে না বলেও জানান তিনি।

বুধবার (৮ ফেব্রুয়াারি) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা জানান। এ সময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত করতে সক্ষম হয়েছি। প্রতি ঘরে বিদ্যুৎ দেবো বলেছিলাম, দিয়েছি। আমরা যখন সরকার গঠন করি ৩৫ হাজার টন খাদ্য ঘাটতি ছিল দেশে। আমরা কৃষিতে গবেষণার ওপর জোর দিয়ে খাদ্যে স্বয়ংস্পূর্ণতা অর্জন করেছি। এই মুহুর্তে বাংলাদেশে ১৯ লাখ টন খাদ্য মজুদ আছে। খাদ্য উৎপাদনের উপর জোর দিয়েছি।
তিনি বলেন, সারা বিশ্বে এখন অর্থনৈতিক মন্দা, বাংলাদেশও তা থেকে বিছিন্ন নয়। এত ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্যে বিশ্বে যেখানে মুল্যস্ফীতি ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে, সেখানে আমরা যেখানেই যা পাচ্ছি, আমাদের দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য দেশে উৎপাদন বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বিদেশ থেকে যে সব ভোগ্যপণ্য আমদানি করতে হয়, যত টাকাই লাগুক আমরা কিন্তু তা আমদানি করছি।

সরকারপ্রধান বলেন, জ্বালানি তেল, গ্যাস, চিনি, গম ও ভুট্টা- সবই আমাদের আমদানি করতে হয়। আমরা কিন্তু টাকা-পয়সার দিকে তাকাচ্ছি না। মানুষের যাতে খাদ্য নিরাপদ থাকে, মানুষের জীবন সচল থাকে, সেই ব্যবস্থা আমরা নিতে পারছি। মূল্যস্ফীতি বেড়ে গিয়েছিল, তা কিছুটা এখন কমেছে, যেটা ভালো লক্ষণ আমরা মনে করি।

সরকারের উন্নয়ন তুলে ধরে তিনি বলেন, এত কিছুর পরই প্রবৃদ্ধি ৭ ভাগের বেশি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি। জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আমরা ব্যাপক কর্মসূচি নিয়েছি। প্রকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় আমরা যথেষ্ট দক্ষ, এখন সে ব্যবস্থাও নিয়েছি। বাংলাদেশের প্রত্যেকের জন্য আওয়ামী লীগ সরকার কাজ করে যাচ্ছে। কাউকে আমরা বাদ দিচ্ছি না। প্রতিটি ক্ষেত্রে মানুষের উন্নয়নে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

;

বেনাপোলে টাইম ট্রাভেল এন্ড ট্যুরিজমের অফিস উদ্বোধন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, বেনাপোল (যশোর)
বেনাপোলে টাইম ট্রাভেল এন্ড ট্যুরিজমের অফিস উদ্বোধন

বেনাপোলে টাইম ট্রাভেল এন্ড ট্যুরিজমের অফিস উদ্বোধন

  • Font increase
  • Font Decrease

বেনাপোল স্থলবন্দর বাস টার্মিনালের সামনে নাসির সেন্টারে অবস্থিত টাইম ট্রাভেল এন্ড ট্যুরিজমের অফিস উদ্বোধন করা হয়েছে।

বুধবার (৮ জানুয়ারি) সকালে প্রধান অতিথি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজ সেবক ও রাজনীতিবিদ পৌর আ. লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব নাসির উদ্দীন ফিতা কেটে প্রতিষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন।

এসময় বিশেষ অতিথি ছিলেন- ইউএস বাংলার যশোর জেলা সেলস এক্সকিউটিভ অফিসার নাজমুল হাসান ও যশোর ট্রাভেল এজেন্টের সহসভাপতি আবুল হাসনাত।

আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন- বেনাপোল আমদানি সমিতির সহসভাপতি আমিনুল হক ও বন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ কাজিম উদ্দীন, চেকপোষ্ট বাজার কমিটির সভাপতি জসিম উদ্দীন, সেক্রেটারী মিলন খান।

টাইম ট্রাভেল এন্ড ট্যুরিজম বিমান বাংলাদেশ, ইউএস বাংলা ও নভোএয়ার লাইন্সের অনুমোদিত এজেন্ট অফিস। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আজিজুল হক বলেন, দেশ, বিদেশ ভ্রমণে স্বল্প মূল্যে বিমান টিকেট সরবরাহ ও দর্শনীয় স্থান ভ্রমণে প্যাকেজ ট্যুর পরিচালনা করবে তার প্রতিষ্ঠান। তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

;