দেশের পোশাক খাতে ৫-৭ লাখ বিদেশি কাজ করছে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান দুলাল কৃষ্ণ সাহা

জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান দুলাল কৃষ্ণ সাহা

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের পোশাক খাতে ৫ থেকে ৭ লাখ বিদেশি কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান (সচিব) দুলাল কৃষ্ণ সাহা। তিনি বলেন, দক্ষ জনবলের অভাবে আমাদের দেশের তরুণরা বেকার থাকছেন। তাদের জায়গা দখল করে নিচ্ছে বিদেশিরা। ফলে প্রচুর অর্থ বিদেশে চলে যাচ্ছে।

রোববার (১৯ ডিসেম্বর) রাজধানীতে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ মিলনায়তনে ‘বঙ্গবন্ধু জাতীয় দক্ষতা প্রতিযোগিতা ২০২১’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

সচিব বলেন, প্রবাসীরা বিদেশে গিয়ে কঠোর পরিশ্রম করে দেশে টাকা পাঠাচ্ছে। তাদের পাঠানো রেমিটেন্সের ওপর ভর করে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হচ্ছে কিন্তু আমরা দক্ষ জনবলের অভাবে বিদেশ থেকে কর্মী আনতে বাধ্য হচ্ছি তাদের মাধ্যমে চলে যাচ্ছে প্রচুর অর্থ।

দুলাল কৃষ্ণ সাহা বলেন, দেশে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল হচ্ছে। এখানে অনেক জনবল দরকার। পোশাক ও চামড়া শিল্পেও অনেক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে। কিন্তু দক্ষ জনবল তৈরি করতে পারছি না। দক্ষ জনবল সৃষ্টি করতে পারলে প্রবৃদ্ধি আরও বাড়বে। দেশীয় সম্পদ ধরে রাখতে এক কোটি দক্ষ জনবল দরকার। প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে হলে শ্রমিকদের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে হবে।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের যুগ্মসচিব ও সদস্য (নিবন্ধন ও সনদায়ন) মো. নূরুল আমিন এবং যুগ্ম সচিব ও সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) ড. মো. জিয়াউদ্দিন।

আগামী ২০-৩০ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু জাতীয় দক্ষতা প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব ঢাকার চারটি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে। বিভাগীয় পর্যায়ে বিজয়ী ৬৬ জন প্রতিযোগী চূড়ান্ত পর্বে অংশ গ্রহণ করবেন। চূড়ান্ত পর্বের বিজয়ীদের মধ্যে যারা কাঙ্ক্ষিত স্কোর অর্জন করবেন তারা আগামী বছরের অক্টোবর মাসে চীনের সাংহাইতে অনুষ্ঠিতব্য ৪৬তম ওয়ার্ল্ড স্কিল কম্পিটিশন ২০২২ এ অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। পরবর্তীতে চূড়ান্ত পর্বের বিজয়ীদের নিয়ে ছয় মাসব্যাপী গ্রুমিং সেশন অনুষ্ঠিত হবে।

মাত্রাতিরিক্ত গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ সেবনে মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গ্যাস্ট্রিকের চিকিৎসায় মাত্রাতিরিক্ত ওষুধ সেবনে মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে। ফার্মাকোলজিতে 'প্রোটন পাম্প ইনহিবিটরস (পিপিআই)' নামে দেশে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া ওষুধটি নির্বিচারে ব্যবহার করা হচ্ছে, যা অবিলম্বে বন্ধ করা উচিত।

রোববার 'পিপিআই-এর অতিরিক্ত ব্যবহার: উদীয়মান উদ্বেগ পর্যালোচনা' শীর্ষক সেমিনারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসকরা এসব কথা বলেন।

মূল বক্তব্যে বিএসএমএমইউ-এর গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. রাজিবুল  আলম বলেন, 'সব পেটের সমস্যাই গ্যাস্ট্রিক নয় এবং সঠিক কারণ ছাড়া গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খাওয়া উচিত নয়। বেশিরভাগ মানুষের পাশাপাশি চিকিৎসকরাও ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, বিভিন্ন ধরনের ব্যথার মতো সাধারণ সমস্যাগুলোকে গ্যাস্ট্রিকের সঙ্গে এক করে ফেলেন এবং গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খান বা লিখে দেন। এটা ঠিক নয়।'

তিনি আরও বলেন, 'এমনকি গ্যাস্ট্রিকের চিকিৎসার ক্ষেত্রেও ৮ সপ্তাহের বেশি গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খাওয়া উচিত হবে না। এটি অপুষ্টি, ডিমেনশিয়া, ক্যানসারসহ অন্যান্য অনেক স্বাস্থ্য জটিলতার কারণ হতে পারে।'

এসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, আমরা যদি সুশৃঙ্খল খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখতে পারি তাহলে অ্যাসিডিটি হবে না এবং ওষুধেরও প্রয়োজন হবে না। ওষুধ খাওয়া মানে অন্য রোগকে স্বাগত জানানো।

;

গোপালগঞ্জে করোনার টিকা তৈরিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সংসদীয় কমিটি

সংসদীয় কমিটি

  • Font increase
  • Font Decrease

গোপালগঞ্জে করোনার টিকা তৈরি ও গবেষণা প্ল্যান্ট প্রতিষ্ঠায় দ্রুতগতিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি।

রোববার (২২ মে) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ওই বৈঠক হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি শেখ ফজলুল করিম সেলিম।

কমিটির সদস্য আ.ফ.ম রুহুল হক, মুহিবুর রহমান মানিক, মোহাম্মদ একরামুল করিম চৌধুরী, মো. আব্দুল আজিজ, সৈয়দা জাকিয়া নূর ও মো. আমিরুল আলম মিলন সভায় অংশগ্রহণ করেন।

সভায় বেসরকারি কলেজ ও ডেন্টাল কলেজ বিল, ২০২২ সম্পর্কে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে আলোচনা করা হয়। কতিপয় সংযোজন, সংশোধন ও পরিমার্জনের পর বিলটি জাতীয় সংসদে পাশের উদ্দেশ্যে সংশোধিত আকারে রিপোর্ট প্রদানের জন্য কমিটি থেকে সুপারিশ করা হয়।

স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিবসহ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কমকর্তাবৃন্দ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

;

৮ লাখ কোটি টাকা পাচার: অর্থনীতি সমিতি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশ থেকে প্রতি বছর বিপুল অর্থ পাচার হচ্ছে। বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি জানিয়েছে, ১৯৭২-৭৩ অর্থবছর থেকে শুরু করে ২০১৮-২০১৯ বছর পর্যন্ত অর্থপাচারের পরিমাণ ৮ লাখ কোটি টাকা।

রোববার (২২ মে) ঢাকায় সমিতির অডিটোরিয়ামে ‘বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির বিকল্প বাজেট প্রস্তাবনা ২০২২-২৩: একটি জনগণতান্ত্রিক বাজেট প্রস্তাব’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে সমিতির সভাপতি অর্থনীতিবিদ আবুল বারকাত এতথ্য জানান।

দেশ থেকে বিদেশে অর্থপাচার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১৯৭২-৭৩ অর্থবছর থেকে শুরু করে ২০১৮-২০১৯ বছর পর্যন্ত ৪৬ বছরে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে অর্থপাচার হয়েছে ৮ লাখ কোটি টাকা। আমরা তার ১০ শতাংশ উদ্ধার করে বাজেটে আয় খাতে ব্যবহার করার জন্য প্রস্তাব করেছি। যার পরিমাণ ৭৯ হাজার ৮৩২ কোটি টাকা। দুর্নীতি, অর্থপাচার ও কালো টাকা উদ্ধারে আমরা একটি স্বাধীন কমিশন গঠনেরও প্রস্তাব করছি।

দেশের আয় বৃদ্ধি ও বাজেট ঘাটতি পূরণের বিষয়ে তিনি বলেন, অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণে অন্যতম উৎস হলো সম্পদ কর ও অতিরিক্ত মুনাফার ওপর কর। এছাড়া কালো টাকা উদ্ধার থেকে প্রাপ্ত অর্থ এবং পাচার ও বিদেশি নাগরিক থেকে প্রাপ্ত কর। তাই আমরা ওই টাকা সংগ্রহের কথা বলছি

আবুল বারাকাত বলেন, বৈষম্য-অসমতা-দারিদ্র্য দূর করতে শুধু আসন্ন বাজেটে নয়, আগামী অন্তত ৫ বছর সমাজ থেকে আয়, সম্পদ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা বৈষম্য ক্রমাগত হ্রাস করে এক সময় নির্মূল করার লক্ষ্যে যেতে হবে। বাজেটে আয় ও ব্যয়ের মৌলিক কাঠামোগত পরিবর্তন হতে হবে। বাজেটে অর্থায়নের উৎস নির্ধারণে দরিদ্র, নিম্নবিত্ত, বিত্তহীন, প্রান্তিক, নিম্ন মধ্যবিত্ত এবং মধ্য মধ্যবিত্ত শ্রেণির ওপর কোনো ধরনের কর দাসত্ব আরোপ করা যাবে না।

এর আগে, ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য ২০ লাখ ৫০ হাজার ৩৬ কোটি টাকার বিকল্প বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি। এসময় আবুল বারকাত বলেন, জনগণতান্ত্রিক ২০ লাখ ৫০ হাজার ৩৬ কোটি টাকার বিকল্প বাজেট প্রস্তাব করছি। যা বর্তমান বাজেটের তুলনায় ৩ দশমিক ৪ গুণ বেশি।

;

স্থান-কাল বুঝে উন্নয়ন পরিকল্পনা নেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের একেক এলাকার বৈশিষ্ট্য একেক রকম, তাই সবকিছু মাথায় রেখে বুঝে-শুনে উন্নয়ন পরিকল্পনা হাতে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

রোববার (২২ মে) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সরকারের শতবর্ষী মহাপরিকল্পনা বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ বাস্তবায়নে গঠিত ডেল্টা গভর্ন্যান্স কাউন্সিলের প্রথম সভায় তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের একেক এলাকার বৈশিষ্ট্য একেক রকম। সে অনুযায়ী উন্নয়ন পরিকল্পনা সাজাতে হবে। প্রকল্প নেওয়ার আগে ভালোভাবে জেনে বুঝে নিতে হবে।

ডেল্টা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে একটি নীতিমালা তৈরির কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ডেল্টা প্ল্যানটা যদি আমরা ভালোভাবে একটা গাইডলাইন তৈরি করে প্ল্যান ভালোভাবে বাস্তবায়ন করতে পারি, আর যেহেতু এটা ২১০০ সাল পর্যন্ত, তাই সময়ের সঙ্গে এটা পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংশোধন করতে হবে।

সেইভাবেই কিন্তু আমাদের সব প্ল্যান হাতে নিতে হবে। তিনি আরও বলেন, পরিকল্পিতভাবে কোনো পদক্ষেপ নিতে পারলে যে কোনো কঠিন কাজ সমাধান করা যায়।

;