‘নির্বাচনের পরিবেশ সুষ্ঠু না হলে নারায়ণগঞ্জ অচল করে দেয়া হবে’



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নারায়ণগঞ্জ
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামি আন্দোলনের আমির এবং চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ রেজাউল করীম বলেছেন, আগামী ১৬ জানুয়ারি ২০২২ নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ দিতে না পারলে নারায়ণগঞ্জ অচল করে দেয়া হবে।

শনিবার (১ জানুয়ারি) বিকাল ৩টায় চিটাগাংরোড ট্রাক স্ট্যান্ড এ মুফতি মাসুম বিল্লাহর হাতপাখার নির্বাচনী পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা নির্বাচিত হলে বিধর্মীরাসহ সকল স্তরের মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারবে। যার বাস্তব নমুনা হলো আমাদের চরমোনাই ইউনিয়ন। সেখানে এবার আ’লীগ ও বিএনপি জোটবদ্ধ হওয়ার পরও হাতপাখার দূর্গ ভাঙ্গতে পারেনি।

এ থেকে এটাই প্রতীয়মান হয়, মানুষ আমাদের খেদমত সম্পর্কে অবগত, বিশ্বস্ত এবং মানুষের যে সুযোগ সুবিধা বা প্রয়োজন তা আমরা পূরণ করতে সক্ষম হয়েছি। পাশাপাশি মেয়র হতে পারলে আমরাও নারায়ণগঞ্জ সিটিকে একটি মডেল সিটি হিসবে গঠন করব, ইনশাআল্লাহ।

মুফতি মাসুম বিল্লাহ নির্বাচন কমিশনকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ভোটের রেজাল্ট সঠিকভাবে দিতে না পারলে নারায়ণগঞ্জ থেকে কাউকে যেতে দেয়া হবে না। ইভিএম মেশিন দিয়ে কোন দুর্নীতি বা কারচুপি করলে আমাদের কর্মী বাহিনী তার যথোপযুক্ত জবাব দিতে বাধ্য হবে। সোজা আঙুলে ঘি না উঠলে আমরা আঙুল বাঁকা করতে জানি।

পথসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন নাসিক ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী হাজী আব্দুল মালেক, ২নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আলহাজ্ব সোহরাব হোসেন, ৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী মো. ইরান হোসেন, ৪নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী মো. বিল্লাল হোসেন, ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হাজী মো. ইসমাইল, ৬নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী ডা. মিজানুর রহমান, ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী নুরুল আমিন দুলাল, ৮নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী মো. সোহেল রানা, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সভাপতি এম. শফিকুল ইসলামসহ থানা ও ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।

নদীতে নিখোঁজের পর নাসা গ্রুপের মহাব্যবস্থাপকের মরদেহ উদ্ধার



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, মানিকগঞ্জ
নাসা গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক আশ হাবিব

নাসা গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক আশ হাবিব

  • Font increase
  • Font Decrease

মানিকগঞ্জের শিবালয়ে যমুনা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হন নাসা গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক আশ হাবিব। নিখোঁজের দুইদিন পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার (২২ মে) দুপুরে স্থানীয়রা নদীতে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পান। পরে পাটুরিয়া নৌ-থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।

ঢাকার আশুলিয়ার ঘোষবাগ এলাকায় অবস্থিত নাসা গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক আশ হাবিবের (৪৩) গ্রামের বাড়ি বগুড়া শহরের ফুলবাড়ি এলাকায়। স্ত্রী ও ১০ বছরের ছেলেকে নিয়ে তিনি সাভারের রেডিও কলোনি এলাকায় থাকতেন।

নৌ-পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস এবং পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ফেসবুকে শিবালয়ের জাফরগঞ্জ এলাকায় নদী ও প্রাকৃতিক দৃশ্যের ছবি দেখে আশ হাবিব সেখানে বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন। গত শুক্রবার ছুটির দিন থাকায় তিনি ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে সেখানে বেড়াতে যান। বেলা ৩টার দিকে তিনি স্ত্রী শামীমা নাসরিন ও ছেলে অহনকে (১০) যমুনার তীরে বসিয়ে রেখে নদীতে গোসল করতে নামেন। একপর্যায়ে তিনি নদীতে ডুবে যান। এরপর গতকাল সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জাফরগঞ্জ ও এর আশপাশে যমুনা নদীতে ফায়ার সার্ভিস ও নৌ-পুলিশের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান চালায়। তবে নিখোঁজ হাবিবের সন্ধান পাওয়া যায়নি।

সকাল ১১টার দিকে জাফরগঞ্জ এলাকায় আশ হাবিবের মরদেহ ভেসে উঠলে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে পাটুরিয়া নৌ-থানা পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।

এ বিষয়ে পাটুরিয়া নৌ-থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিক বলেন, 'স্বজনদের দেওয়া ছবি দেখে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। আশ হাবিবের স্বজনদের খবর দেওয়া হয়েছে। তারা ঘটনাস্থলে আসছেন। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।'

;

মাত্রাতিরিক্ত গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ সেবনে মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গ্যাস্ট্রিকের চিকিৎসায় মাত্রাতিরিক্ত ওষুধ সেবনে মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে। ফার্মাকোলজিতে 'প্রোটন পাম্প ইনহিবিটরস (পিপিআই)' নামে দেশে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া ওষুধটি নির্বিচারে ব্যবহার করা হচ্ছে, যা অবিলম্বে বন্ধ করা উচিত।

রোববার 'পিপিআই-এর অতিরিক্ত ব্যবহার: উদীয়মান উদ্বেগ পর্যালোচনা' শীর্ষক সেমিনারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসকরা এসব কথা বলেন।

মূল বক্তব্যে বিএসএমএমইউ-এর গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. রাজিবুল  আলম বলেন, 'সব পেটের সমস্যাই গ্যাস্ট্রিক নয় এবং সঠিক কারণ ছাড়া গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খাওয়া উচিত নয়। বেশিরভাগ মানুষের পাশাপাশি চিকিৎসকরাও ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, বিভিন্ন ধরনের ব্যথার মতো সাধারণ সমস্যাগুলোকে গ্যাস্ট্রিকের সঙ্গে এক করে ফেলেন এবং গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খান বা লিখে দেন। এটা ঠিক নয়।'

তিনি আরও বলেন, 'এমনকি গ্যাস্ট্রিকের চিকিৎসার ক্ষেত্রেও ৮ সপ্তাহের বেশি গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খাওয়া উচিত হবে না। এটি অপুষ্টি, ডিমেনশিয়া, ক্যানসারসহ অন্যান্য অনেক স্বাস্থ্য জটিলতার কারণ হতে পারে।'

এসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, আমরা যদি সুশৃঙ্খল খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখতে পারি তাহলে অ্যাসিডিটি হবে না এবং ওষুধেরও প্রয়োজন হবে না। ওষুধ খাওয়া মানে অন্য রোগকে স্বাগত জানানো।

;

গোপালগঞ্জে করোনার টিকা তৈরিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সংসদীয় কমিটি

সংসদীয় কমিটি

  • Font increase
  • Font Decrease

গোপালগঞ্জে করোনার টিকা তৈরি ও গবেষণা প্ল্যান্ট প্রতিষ্ঠায় দ্রুতগতিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি।

রোববার (২২ মে) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ওই বৈঠক হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি শেখ ফজলুল করিম সেলিম।

কমিটির সদস্য আ.ফ.ম রুহুল হক, মুহিবুর রহমান মানিক, মোহাম্মদ একরামুল করিম চৌধুরী, মো. আব্দুল আজিজ, সৈয়দা জাকিয়া নূর ও মো. আমিরুল আলম মিলন সভায় অংশগ্রহণ করেন।

সভায় বেসরকারি কলেজ ও ডেন্টাল কলেজ বিল, ২০২২ সম্পর্কে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে আলোচনা করা হয়। কতিপয় সংযোজন, সংশোধন ও পরিমার্জনের পর বিলটি জাতীয় সংসদে পাশের উদ্দেশ্যে সংশোধিত আকারে রিপোর্ট প্রদানের জন্য কমিটি থেকে সুপারিশ করা হয়।

স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিবসহ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কমকর্তাবৃন্দ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

;

৮ লাখ কোটি টাকা পাচার: অর্থনীতি সমিতি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশ থেকে প্রতি বছর বিপুল অর্থ পাচার হচ্ছে। বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি জানিয়েছে, ১৯৭২-৭৩ অর্থবছর থেকে শুরু করে ২০১৮-২০১৯ বছর পর্যন্ত অর্থপাচারের পরিমাণ ৮ লাখ কোটি টাকা।

রোববার (২২ মে) ঢাকায় সমিতির অডিটোরিয়ামে ‘বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির বিকল্প বাজেট প্রস্তাবনা ২০২২-২৩: একটি জনগণতান্ত্রিক বাজেট প্রস্তাব’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে সমিতির সভাপতি অর্থনীতিবিদ আবুল বারকাত এতথ্য জানান।

দেশ থেকে বিদেশে অর্থপাচার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১৯৭২-৭৩ অর্থবছর থেকে শুরু করে ২০১৮-২০১৯ বছর পর্যন্ত ৪৬ বছরে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে অর্থপাচার হয়েছে ৮ লাখ কোটি টাকা। আমরা তার ১০ শতাংশ উদ্ধার করে বাজেটে আয় খাতে ব্যবহার করার জন্য প্রস্তাব করেছি। যার পরিমাণ ৭৯ হাজার ৮৩২ কোটি টাকা। দুর্নীতি, অর্থপাচার ও কালো টাকা উদ্ধারে আমরা একটি স্বাধীন কমিশন গঠনেরও প্রস্তাব করছি।

দেশের আয় বৃদ্ধি ও বাজেট ঘাটতি পূরণের বিষয়ে তিনি বলেন, অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণে অন্যতম উৎস হলো সম্পদ কর ও অতিরিক্ত মুনাফার ওপর কর। এছাড়া কালো টাকা উদ্ধার থেকে প্রাপ্ত অর্থ এবং পাচার ও বিদেশি নাগরিক থেকে প্রাপ্ত কর। তাই আমরা ওই টাকা সংগ্রহের কথা বলছি

আবুল বারাকাত বলেন, বৈষম্য-অসমতা-দারিদ্র্য দূর করতে শুধু আসন্ন বাজেটে নয়, আগামী অন্তত ৫ বছর সমাজ থেকে আয়, সম্পদ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা বৈষম্য ক্রমাগত হ্রাস করে এক সময় নির্মূল করার লক্ষ্যে যেতে হবে। বাজেটে আয় ও ব্যয়ের মৌলিক কাঠামোগত পরিবর্তন হতে হবে। বাজেটে অর্থায়নের উৎস নির্ধারণে দরিদ্র, নিম্নবিত্ত, বিত্তহীন, প্রান্তিক, নিম্ন মধ্যবিত্ত এবং মধ্য মধ্যবিত্ত শ্রেণির ওপর কোনো ধরনের কর দাসত্ব আরোপ করা যাবে না।

এর আগে, ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য ২০ লাখ ৫০ হাজার ৩৬ কোটি টাকার বিকল্প বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি। এসময় আবুল বারকাত বলেন, জনগণতান্ত্রিক ২০ লাখ ৫০ হাজার ৩৬ কোটি টাকার বিকল্প বাজেট প্রস্তাব করছি। যা বর্তমান বাজেটের তুলনায় ৩ দশমিক ৪ গুণ বেশি।

;