ধলেশ্বরীতে ট্রলারডুবি: ভেসে উঠল মা মেয়েসহ ৪ মরদেহ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নারায়ণগঞ্জ
ধলেশ্বরীতে ট্রলারডুবি: ভেসে উঠল মা মেয়েসহ ৪ মরদেহ

ধলেশ্বরীতে ট্রলারডুবি: ভেসে উঠল মা মেয়েসহ ৪ মরদেহ

  • Font increase
  • Font Decrease

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ধলেশ্বরী নদীতে লঞ্চের ধাক্কায় ট্রলারডুবির পাঁচদিন পর মা-মেয়েসহ নিখোঁজ চারজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ। তবে এ ঘটনায় এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ৬ জন ।

রোববার (৯ জানুয়ারি) সকালে ফতুল্লার ধর্মগঞ্জ এলাকায় ধলেশ্বরী নদী থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এদের মধ্যে একই পরিবারের নিখোঁজ চারজনের ভেতর মা-মেয়ে রয়েছে। এরা হলেন- জেসমিন ও তার মেয়ে তাসমিন। বাকি দুজনের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এর আগে গত বুধবার (৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এ ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটে।

ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের নারায়ণগঞ্জ অফিসের উপসহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল আরেফিন জানান, ট্রলারডুবির স্থান থেকে কিছুটা দূরে চারটি মরদেহ ভাসতে দেখে আমাদের খবর দেন স্থানীয় লোকজন। পরে আমরা গিয়ে উদ্ধার করি। মরদেহ শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

তিনি বলেন, অন্য নিখোঁজদের খোঁজে আমাদের ফায়ার সার্ভিস সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে। পাশাপাশি কোস্টগার্ড, নৌপুলিশও চেষ্টা চালাচ্ছে। যতক্ষণ ট্রলার ও নিখোঁজদের সন্ধান পাওয়া না যাবে ততক্ষণ আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এদিকে গত ৫ জানুয়ারি রাতে নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর নৌ নিরাপত্তা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক বাবু লাল বৈদ্য বাদী হয়ে লঞ্চ এমভি ফারহান ৬-এর মাস্টার, চালক ও সুকানিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা করেছেন।

এদিকে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে আহ্বায়ক করে সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ। আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে এ ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তদন্ত কমিটিকে।

প্রসঙ্গত, ৫ জানুয়ারি বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ফতুল্লার ধর্মগঞ্জ এলাকায় ধলেশ্বরী নদীতে ঢাকাগামী এমভি ফারহান-৬ নামের লঞ্চের ধাক্কায় ৪০-৫০ যাত্রীসহ খেয়া পারাপারের একটি ট্রলারডুবে যায়। এতে নিখোঁজ হয় অতন্ত ১০ জন।

প্রতিশ্রুতি দিলেও কথা রাখেনি কেউ!



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, গাইবান্ধা
প্রতিশ্রুতি দিলেও কথা রাখেনি কেউ!

প্রতিশ্রুতি দিলেও কথা রাখেনি কেউ!

  • Font increase
  • Font Decrease

ভোট আসলে নেতাকর্মীদের আনাগোনা বৃদ্ধি পায়। কদর বাড়ে নদী পাড়ের মানুষের। তাদের প্রতিশ্রুতি সাঁকোর স্থলে সেতু নির্মাণের। কিন্তু ভোটের পর সেই নেতাদের আর দেখা মেলে না। দুই যুগেও কথা রাখেনি কেউ। ফলে ২০ গ্রামের ৫০ হাজার মানুষের দুর্ভোগ যেন নিত্যসঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়ে।

সরেজমিনে শুক্রবার (২৭ মে) দুপুরে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নের খোর্দ্দা নামাপাতা এলাকার বড়াইল নদীর ওপরে দেখা যায় একটি ভাঙা সাঁকোর চিত্র। এখানে মানুষের চলাচলে নানা ভোগান্তি চরমে পৌঁছাছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুন্দরগঞ্জের তারাপুর, উলিপুরের গুনাইগাছ ও বজরা ইউনিয়ন বাসিন্দাদের সংযোগ সড়ক এটি। এছাড়া আরও অন্যান্য এলাকার জনসাধারণ বুড়াইল নদীর সাঁকোই তাদের একমাত্র ভরসা। দীর্ঘ প্রায় দুই যুগ ধরে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ চলাচল করছেন। ঝুঁকিপূর্ণ এই বাঁশের সাঁকো দিয়ে চলাফেরা করে আসলেও এরই মধ্যে ভেঙে পড়েছে সেটি। বিদ্যামান পরিস্থিতিতে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়েছে তাদের। এখানে একটি সেতু নির্মাণের দাবি জানানো হলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিন দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা। কিন্তু সেই আশ্বাস এখনো পূরণ করেননি কেউ। এ নিয়ে স্থানীয়দের দুর্ভোগের সঙ্গে বেড়েছে চরম ক্ষুব্ধতা।

ভুক্তভোগি আমিনুল ইসলাম জানান, বুড়াইল এই নদীর ওপর বাঁশ-কাঠের সাঁকো স্থানীয় বাসিন্দাদের অর্থায়নে ও স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মাণ করা হয়। এরই মধ্যে পানির চাপে সাঁকোটি ভেঙে গেছে। একারণে প্রায় ৫০ হাজার মানুষের চলাফেরা বন্ধ রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সরকারের নির্বাচনে প্রার্থীরা ভোট চাইতে এসে এখানে সেতু নির্মাণের আশ্বাস দিয়ে থাকেন। কিন্তু ভোটে নির্বাচিত হলে তাদের আর দেখা পাওয়া যায় না।  

সুন্দরগঞ্জের তারাপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম জানান, এখানে একটিু সেতু নির্মাণের জন্য উপজেলা পরিষদ সভায় একাধিকবার দাবি জানানো হয়েছে। হয়তো সেতুর কাজ হতে পারে।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মো. শামছুল আরেফীন জানান, ওইস্থানে সেতু স্থাপনের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের জানানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলে কাজ করা হবে।

সুন্দরগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, আপাতত ভাঙা সাঁকোটি নতুন করে নির্মাণ করা হবে। সেই সঙ্গে সেতু নির্মাণের তালিকা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।  

;

পদ্মাসেতু দাঁড়িয়ে যাওয়ায় বিএনপির হিংসা হচ্ছে: আইনমন্ত্রী



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের নেতৃত্বে দেশের জনগণের টাকায় স্বপ্নের পদ্মাসেতু দাঁড়িয়ে যাওয়ায় বিএনপির হিংসা হচ্ছে, যা তাদের সহ্য হচ্ছে না। তাই তারা নানা ধরণের অপপ্রচার করছে। মূলত দেশের ভাল হোক তারা (বিএনপি) চায় না। তারা মিথ্যা বলতে এবং সন্ত্রাস করতে অভ্যস্ত।

শুক্রবার (২৭ মে) সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার রাজাপুর ও চানপুর আশ্রয়ণ কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

এসময় তিনি আরো বলেন, আশ্রয়ণ প্রকল্প নিয়ে দেশের কোথাও দুর্নীতি হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না।

রাজাপুর ও চানপুর আশ্রয়ণ কেন্দ্র পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক মো. শাহগীর আলম, পুলিশ সুপার মো. আনিসুর রহমান, আখাউড়া পৌরসভার মেয়র তাকজিল খলিফা কাজলসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

;

গাইবান্ধায় হিংস্র প্রাণীর আক্রমণে আহত ৯



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, গাইবান্ধা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

গাইবান্ধা শহরের কলেজপাড়ায় অচেনা এক হিংস্র প্রাণীর আক্রমণ করছে মানুষের ওপর।

শুক্রবার (২৭ মে) সকালে এই প্রাণীর আক্রমণে ওই এলাকার অন্তত ৯ জন আহত হয়েছেন। আহতদের অনেকেই প্রাণীটিকে ‘পাগলা কুকুর’ বলে ধারণা করেছেন।

আহতরা হলেন- পৌর শহরের কলেজপাড়ার বাসিন্দা মো. আরশাদ মিয়া, গাইবান্ধা সরকারি কলেজের নৈশপ্রহরী অসীম কুমার সরকার শংকর, মৎস্যজীবী (জেলে) নেপাল দাস, রিকসাচালক ঝন্টু, কলেজপাড়া জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি আব্দুল মজিদ মাস্টার এবং ঝালাইকর ও স্থানীয় একটি মাদ্রাসার শিক্ষকসহ দু’জন পথচারী।

এরমধ্যে মো. আরশাদ মিয়া (৬৫) নামের আহত একজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান তার স্বজনরা।

স্থানীয়রা জানান, আজ সকাল ৬টা থেকে সাড়ে ৭টার মধ্যে মুসল্লি, জেলে, মাদ্রাসা শিক্ষক, গাইবান্ধা সরকারি কলেজের নৈশপ্রহরী, রিক্সাচালক, ঝালাইকর এবং প্রাত:ভ্রমণে বের হওয়া স্থানীয় বাসিন্দাসহ ৯ জন প্রাণীটির আক্রমণে আহত হয়েছেন।

তারা অভিযোগ করে বলেন, ইদানীং এই এলাকায় বেওয়ারিশ কুকুরের অবাধ বিচরণ দেখা যাচ্ছে। ভোর থেকে শুরু হয় কুকুরের উৎপাত। কুকুরের ঘেউ ঘেউ শব্দে ফজরের নামাজ পড়াও দায় হয়ে পড়েছে। কুকুরের বিশৃঙ্খল দৌঁড়াদৌড়ি প্রাত:ভ্রমণকারীদের হাঁটাহাঁটিতে বিঘ্ন ঘটায়। স্কুলগামী শিশু এবং নারীরা কুকুরের ভয়ে আতঙ্কগ্রস্ত থাকেন। তারা বেওয়ারিশ কুকুর সরিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ কামনা করেন।

স্থানীয় বাসিন্দা হাবিবুজ্জামান রঞ্জু বলেন, সকালে বাড়ির সামনে লোকজনের হৈ-হট্টোগোল শুনে বেরিয়ে এসে হিংস্র প্রাণীর আক্রমণে পাড়ার ৯ জন আহত হওয়ার খবর জানতে পারি। আহতদের মধ্যে প্রতিবেশী মো. আরশাদ মিয়াকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায় তার স্বজনরা। তিনি জানান, এ ঘটনায় এলাকার মানুষের মধ্যে এখন আতঙ্ক বিরাজ করছে।

আহতরা বলছেন, কুকুরের মতো দেখতে লাল ও সাদা রঙের মিশ্রনে ধারালো দাঁতের ছোটখাট গড়নের প্রাণীটি ভীষণ হিংস্র এবং ক্ষিপ্র গতি সম্পন্ন। তবে আহত অনেকেই এটিকে একটি কুকুর হিসেবেই ধারণা করেছেন।

প্রাণীটির আক্রমণের শিকার অসীম কুমার সরকার শংকর জানান, সকালে প্রাত:ভ্রমণের জন্য বাড়ি থেকে বের হলে, পাড়ার একটি রাস্তায় প্রাণীটির আক্রমণের শিকার হন তিনি। তবে প্রাণীটিকে একটি ‘পাগলা কুকুর’ বলে জানান তিনি।

গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. শর্মিষ্ঠা রানী বর্মনজানান, শুক্রবার সকাল থেকে সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত শতাধিক ব্যক্তিকে জলাতঙ্কের ইনজেকশন, ক্ষতস্থান ড্রেসিংসহ প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছেন তারা। এদের মধ্যে পৌর এলাকার কলেজপাড়া ও আর্দশপাড়া এলাকার বাসিন্দা রয়েছেন অন্তত ৪০ জন।

;

ক্ষুধা-অত্যাচার সইতে না পেরে লাঠিতে ভর করে থানায় বৃদ্ধা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিরাজগঞ্জ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সন্তানদের নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখেন মা-বাবা। তেমনই সিরাজগঞ্জের ছেবাতন বেওয়ার ঘরে একটি পুত্র সন্তান জন্মগ্রহণে ভীষণ খুশি হয়ে ছিলেন। ভেবেছিলেন আর দুঃখ থাকবে না তার। প্রায় ১৫ বছর আগে স্বামী মারা যায়। সেই থেকে ছেলের সংসারেই আছেন তিনি। কিন্তু শেষ বয়সে এসে কপালে জোটে না চিকিৎসা-ওষুধ।

যাকাতের কাপড়ে সারা বছর পার করেন ছেবাতন। এরপরেও খেতে চাইলে জোটে নানা কথা। তবুও উপায় না থাকায় ছেলের বউয়ের ইচ্ছেমতো খাবারে বেঁচে আছেন ছেবাতন বেওয়া (৭০)।

কাজিপুরের সোনামুখী ইউনিয়নের স্থলবাড়ী গ্রামের ছেবাতন বেওয়া ক্ষুধার জ্বালা ও পুত্র-পুত্রবধুর অত্যাচার সইতে না পেরে ২৬ মে সকাল ১১ টায় লাঠিতে ভর করে কাজিপুর থানায় হাজির হন তিনি।

কাজিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্তকর্তা (ওসি) শ্যামল কুমার দত্ত বৃদ্ধাকে দেখে নিজেই এগিয়ে যায় তার কাছে। বৃদ্ধাকে সাথে করে নিজের কক্ষে নিয়ে বসান। এ সময় ক্ষুধায় ছটফট করছিলেন বৃদ্ধা। তাৎক্ষনিক ওসি তার জন্য খাবার এনে দেন। খাবার শেষে শোনেন কিভাবে ছেলে আর ছেলের বউয়ের অত্যাচার সহ্য করে ওই সংসারে পড়ে আছেন বৃদ্ধা। সব শুনে পুলিশের একটি টিমকে তাঁর বাড়িতে পাঠান। এর আগে ছেবাতনকে তিনি একটি শাড়ি ও নগদ অর্থ সহায়তা করেন।

কাজিপুর থানার টিম বৃদ্ধাকে তাঁর বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে ছেলে আসাদুল ইসলাম এবং ছেলে বউ চুম্বলী খাতুনকে সতর্ক করে দেন। তাঁরা বৃদ্ধা মায়ের সঙ্গে আর কোনদিন খারাপ আচরণ ও ভাত কাপড়ের কষ্ট দেবেন না বলে পুলিশকে কথা দেন।

কাজিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্তকর্তা (ওসি) শ্যামল কুমার দত্ত বলেন, অসহায়দের সহযোগিতা করাই পুলিশের নৈতিক দায়িত্ব। ভিষণ দুঃখ ও কষ্ট পেয়েছি। শেষ বয়সেও ছেলের অত্যাচার সহ্য করতে হয় বৃদ্ধা মাকে। এই কথা শুনামাত্র
বৃদ্ধা মাকে সামান্য সহায়তা করেছি। সেই সাথে ছেলের সংসারে যাতে তিনি আর কষ্ট না পান সে বিষয়ে তাঁর ছেলে ও ছেলের বউকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।

;