ওমিক্রন রোধে বেনাপোল বন্দরে সুরক্ষা জোরদার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বেনাপোল(যশোর)
ছবিঃ বার্তা২৪.কম

ছবিঃ বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনার নতুন ধরণ ওমিক্রনের সংক্রমণ  রোধে দেশের সর্ববৃহৎ বেনাপোল স্থল বন্দরে সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন জেলা প্রশাসক। এতে নিরাপত্তা বাড়িয়েছে বন্দর।  প্রথম দেশে করোনা সংক্রমণ শুরু হলে ৪ মাস এপথে আমদানি, রফতানি বাণিজ্য বন্ধ থাকায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ্ হয়েছিল ব্যবসায়ীরা। এতে এবার ব্যবসায়ীরা আগাম  সুরক্ষা জোরদারের দাবি জানালে বাড়ে বন্দরে সংক্রমণ প্রতিরোধ ব্যবস্থা। তবে আরও নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি ব্যবসায়ী নেতাদের।

সি অ্যান্ড এফ ব্যবসায়ী রুবেল হোসেন জানান, বন্দরে করোনা সংক্রমণ রোধে শতভাগ স্বাস্থ্য বিধি মানার কথা থাকলেও অনেকে তা মানছে না। ভারতীয় ট্রাকে জীবাণু নাশক স্প্রে করা হলেও মাস্ক ছাড়া অনেক শ্রমিক ও  ভারতীয় ট্রাক চালক বন্দর এলাকায় চলাফেরা করছে। নিরাপত্তা কর্মীদের তদারকিও অনেকটা গা ছাড়া ভাব। এতে চালক ও  শ্রমিকদের মাধ্যমে করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন ছড়ানোর ভয় বাড়ছে।

যশোর জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনসহ কোভিড ১৯ আক্রান্তের হার  বেড়ে যাচ্ছে। এতে সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও জোরদার করতে হবে। মাস্ক ছাড়া বন্দর ও ইমিগ্রেশন এলাকায় কোন ভাবে চলাচল করা যাবে না। বন্দর শ্রমিকরা যাতে যথাযথ ভাবে স্বাস্থ্য বিধি মানে সেদিকে নজরদারী বাড়াতে হবে। যদি সংক্রমণ বেড়ে যায় তবে ভারত ফেরত যাত্রীদের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন চালুর সব প্রস্তুতি রাখা দরকার। কেউ স্বাস্থ্য বিধি না মানলে প্রয়োজনে ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে শাস্তি মূলক ব্যবস্থা করা হবে। ইতিমধ্যে এসব বিষয়ে বেনাপোল বন্দর,কাস্টমস,পুলিশ প্রশাসন,জনপ্রতিনিধি ও আবাসিক হোটেল ব্যবসায়ীদের সাথে এক মত বিনিময় সভায় সুরক্ষা জোরদারে নির্দেশ দেওয়া  হয়েছে জানান তিনি।

বেনাপোল বন্দরের আমদানি,রফতানি সমিতির সহসভাপতি আমিনুল হক বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে হঠাৎ করে করোনা সংক্রমণ বেড়েছে। সেখানে ইতিমধ্যে ভয়াবহতা রোধে স্কুল,কলেজ বন্ধ করা হয়েছে। বেনাপোল বন্দর দিয়ে জরুরী চিকিৎসা,ব্যবসা ও শিক্ষা গ্রহণের কাজে প্রতিদিন পাসপোর্ট যাত্রী দুই দেশের মধ্যে যাতায়াত ও আমদানি,রফতানি বাণিজ্য চালু রয়েছে।  তাই এখানে সুরক্ষা আরও জোরদার করতে হবে। ভারতীয় ট্রাক চালক যেন অপ্রয়োজনে বন্দরের বাইরে না আসে এবং বাংলাদেশি ট্রাক চালকেরা ভারতে প্রবেশ কালে যেন শতভাগ সুরক্ষা মানে নিশ্চিত করতে হবে।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন বলেন, ভারতে করোনা আক্রান্তের অবস্থা আবারো ভয়াবহ অবস্থার দিকে যাচ্ছে। বন্দরে সুরক্ষা ব্যবস্থা সন্তোষ জনক না।  সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও জোরদার করতে জেলা প্রশাসককে অনুরোধ জানানো হয়েছে। সংক্রমণ বাড়লে আবারো বাণিজ্য বন্ধের শঙ্কা রয়েছে।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্য বিভাগের মেডিকেল অফিসার আজিম উদ্দিন  বলেন, ওমিক্রন রোধে ভারত ফেরত করোনার সন্দেহ ভাজন ৬৫ জন  যাত্রীদের শরীরের নমুনা নিয়ে র‍্যাপিড এন্টিজেন পরীক্ষা করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৩ জন করোনা পজিটিভ ছিল। তবে তারা শরীরে ওমিক্রন বহন করছে কিনা তা পরীক্ষার পরে বোঝা যাবে। আক্রান্তরা যশোর সদর হাসপাতালের করোনা ইউনিটের রেড জোনে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

বেনাপোল বন্দরের উপ পরিচালক আব্দুল জলিলের দাবি  মাঝে করোনা রোধে বন্দরে সুরক্ষা ব্যবস্থা শিথিল থাকলেও এখন  ওমিক্রন রোধে তা জোরদার করা হয়েছে। ভারতীয় ট্রাক বন্দরে প্রবেশ কালে জীবাণু নাশক স্প্রে করা হচ্ছে। মাস্ক বিতরণ ও সতর্কতায় প্রচার প্রচারণা করা হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রতিদিন ভারত থেকে সাড়ে ৩শ ট্রাক বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি হচ্ছে। 

বেনাপোল ইমিগ্রেশন ওসি মো. রাজু জানান, ওমিক্রনের কারণে ভারত অংশে কড়াকড়িতে এপথে কমেছে পাসপোর্ট যাত্রী যাতায়াত।  টুরিস্ট ভিসা বন্ধ। মেডিকেল,বিজনেস ও শিক্ষা ভিসায় যাত্রী যাতায়াত করছে।  বর্তমানে  বাংলাদেশি পাসপোর্ট দিনে ৫ থেকে ৬শ জনের মত ভারত ভ্রমণ করছে। ভারতীয়রা দেশে আসছে দিনে দেড়শ থেকে ২শ জন। ভারত ভ্রমণে প্রয়োজন হচ্ছে আরটিপিসিার থেকে পরীক্ষা করানো ৭২ ঘণ্টার মধ্যে করোনা নেগেটিভ সনদ ও ভারতে থেকে ফিরতে লাগছে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নেগেটিভ সনদ।

  

রাজশাহীতে রেলওয়ের ওয়েম্যানকে হত্যার অভিযোগ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

 

বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে রাজশাহীতে বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের এক ওয়েম্যানকে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে নগরীর বেলদারপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। চিকিৎসকের বরাত দিয়ে পুলিশ বলছে, দুর্ঘটনায় আহত হয়ে অথবা অজানা কোনো কারণে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মৃত্যু হয়েছে। তার পায়ে ক্ষত ছিল।

নিহত ওয়েম্যানের নাম সোহেল রানা (৩৯)। তার বাবার নাম আব্দুল করিম। বাড়ি নগরীর রেলওয়ে কলোনী এলাকায়। যে ব্যক্তি তাকে বাড়ি থেকে ডেকে এনেছিলেন তাকেও একই সঙ্গে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ তাকে হাসপাতালে আটক করেছে। তিনিও অসুস্থ।

ওই ব্যক্তির নাম ফারুক হোসেন (৩৯)। তার বাবার নাম আব্দুল জলিল। একই এলাকায় তাদের বাড়ি। ফারুক ঢাকায় থাকেন। ঈদ উপলক্ষে বাড়িতে এসেছেন। তিনি মদ্যপ অবস্থায় রয়েছেন বলে পুলিশ ধারণা করছে।

বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম জানান, নিহত ব্যক্তির হাঁটুর নিচে আধা ইঞ্চি পরিমাণ ক্ষত রয়েছে। আর পায়ের কয়েকটি আঙুল থেতলে গেছে। শরীরের আর কোথাও মৃত্যু হওয়ার মতো জখম নেই। রাতে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে নেওয়া হয়। সেখান থেকে তাকে অস্ত্রোপচার কক্ষে নেওয়া হয়। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

সোহেল রানার বড় ভাই আব্দুর রহিম বলেন, ফারুক তার ভাইকে মঙ্গলবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। তার প্রায় এক ঘণ্টা পরই তিনি তার ভাইয়ের মৃত্যু সংবাদ পান। তার ভাইকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক তার মৃত্যু সনদে লিখেছেন, সড়ক দুর্ঘটনায় বা অজানা কারণে রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে।

ওসি বলেন, নিহত সোহেল রানার পরিবারের পক্ষ থেকে একটি হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে। পরিবারের দাবি, বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে এসে সোহেলকে হত্যা করা হয়েছে। আটক ফারুক দাবি করেছেন, সোহেল রানার পায়ের ওপর দিয়ে একটি মুরগির ভ্যান চলে গেছে। এতেই তিনি আহত হয়েছেন। ওসি বলছেন, তারা দুইজনের মদ্যপ ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

;

মৃত-আহত কর্মচারীদের পরিবারের সদস্যরা পেলেন ছয় কোটি টাকা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
মৃত-আহত কর্মচারীদের পরিবারের সদস্যরা পেলেন ছয় কোটি টাকা

মৃত-আহত কর্মচারীদের পরিবারের সদস্যরা পেলেন ছয় কোটি টাকা

  • Font increase
  • Font Decrease

 

বেসামরিক প্রশাসনে কর্মরত অবস্থায় ৭৮ জন মৃত ও আহত সরকারি কর্মচারীদের পরিবারের সদস্যদের মাঝে রাজশাহীতে ৬ কোটি ১৬ লাখ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার বেলা ১২টায় আনুষ্ঠানিকভাবে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই অনুদান বিতরণ করা হয়।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল চেক বিতরণ করেন।

উপস্থিত ছিলেন- রাজশাহীর সিভিল সার্জন ডা. আবু সাইদ মোহাম্মদ ফারুক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) কল্যাণ চৌধুরী, জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলম ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আব্দুস সালাম।

;

ঢাকা-আশুলিয়া সড়ক এড়িয়ে চলার অনুরোধ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ডিএমপি

ডিএমপি

  • Font increase
  • Font Decrease

তীব্র যানজট সৃষ্টির কারণে ঢাকা-আশুলিয়া সড়ক এড়িয়ে বিকল্প সড়ক ব্যবহারের অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিট পুলিশ (ডিএমপি)।

বুধবার (৬ জুলাই) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. ফারুক হোসেন এ তথ্য জানান।

ফারুক হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ঢাকা-আশুলিয়া রোডে বৃষ্টির কারণে গাড়ির ধীরগতি এবং প্রচণ্ড যানজট হচ্ছে। এ জন্য ওই রাস্তা ব্যবহারকারীদেরকে বিকল্প রাস্তা ব্যবহারের জন্য অনুরোধ করা হলো।

;

‘বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের বই দেওয়ার পর এসএসসি পরীক্ষা’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি

  • Font increase
  • Font Decrease

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেছেন, সারা দেশে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলে এবং ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেওয়ার পর এসএসসি পরীক্ষা নেওয়া হবে।

বুধবার (৬ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা খোঁজ রাখছি নিয়মিত। এখনো কিছু কিছু এলাকায় শহর থেকে পানি নেমে গেছে, একদম গ্রাম পর্যায়ে এখনো হয়তো কোথাও কোথাও আছে। সেটাও হয়তো নেমে যাবে। কিন্তু ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বেশ কিছু জায়গায়। আমাদের কাছে তথ্য আসছে আমাদের অনেক পরীক্ষার্থীর বইপত্র...স্বাভাবিক, ওই বন্যার মধ্যে লোকে তার একেবারে গুরুত্বপূর্ণ যা জিনিস সেটা নিয়ে, কোনো রকমে জানটুকু নিয়ে বেরিয়ে আসতে পেরেছেন অনেকে কোনোমতে। সেখানে বই নিয়ে আসার হয়তো সুযোগ হয়নি।

তিনি বলেন, আমরা এখন পুরোটা অ্যাসেস করছি আমাদের কত পরীক্ষার্থীকে নতুন করে বই দিতে হবে। আমাদের কাছে প্রতি বছর কিছু বাফার স্টক থাকে। এ রকম একটা বড় অঞ্চল নিয়ে বন্যা হয়ে পরীক্ষার্থী বই হঠাৎ এই পর্যায়ে হারিয়ে যাবে সেই রকমটা আসলে আমাদের বিবেচনায় ছিল না। আর সেটা প্রতি বছর রাখা হয়তো সম্ভবও না।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা দেখছি, হিসাব করছি। যদি প্রয়োজন হয় আমরা নতুন বই ছাপিয়েও ফেলবো। তারপরও আমরা পরীক্ষার্থীদের হাতে তাদের বইগুলো পৌঁছে দেবো, যাদের বই নষ্ট হয়েছে। তাদের হাতে বই পৌঁছে দেওয়ার পরে অন্তত ২ সপ্তাহ সময় দিতে হবে, তারা বিরাট একটা ট্রমার মধ্যে দিয়েও গেছে। ঘর-বাড়ি ছেড়ে আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে হয়েছে। অনেক পরিবার নিঃস্বপ্রায় হয়ে গেছে এই সময়ে। এটা হলো আমাদের মোটামুটি টাইমলাইন। সেটা গিয়ে কোন মুহূর্তে ঠেকবে সেটা বলা সম্ভব না।

;