নিজের মেয়েকে ধর্ষণ মামলায় বিএনপি নেতা রুমি কারাগারে



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঝিনাইদহ
ইব্রাহীম রহমান রুমি

ইব্রাহীম রহমান রুমি

  • Font increase
  • Font Decrease

চার বছরের শিশুকন্যাকে ধর্ষণ মামলায় ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ডা. ইব্রাহীম রহমান রুমিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারি) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক জুলফিকার হায়াতের আদালতে আত্মসমর্পন করে জামিন আবেদন করেন আসামি। শুনানি শেষে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ইব্রাহিম রহমান রুমি বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য, ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও ঝিনাইদহ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মসিউর রহমান বড় ছেলে। তিনি ঢাকায় থাকেন কলাবাগানে।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মাহমুদা আক্তার জানান, আসামি আত্মসমর্পণের পর জামিনের আবেদন করেছিলেন, কিন্তু আদালতের নিয়মিত বিচারক না থাকায় সে বিষয়ে আদেশ হয়নি।

আসামির পক্ষে আদালতে ছিলেন কাজী নজিবুল্যাহ হিরু, মিজানুর রহমান মামুন, খন্দকার তানজীর মান্নান।

এর আগে হাই কোর্ট রুমির আগাম জামিন আবেদন নাকচ করেছিল। মঙ্গলবার শুনানির পর আদালতের বারান্দায় সাংবাদিকরা আসামির ছবি তুলতে গিয়ে বাধা পান।

সাংবাদিকরা অভিযোগ করেন, প্রকাশিতব্য দৈনিক ভোরের আকাশের সাংবাদিক সাব্বির আহমেদ সজীবকে লাঞ্ছিত এবং সারাবাংলা ডটকমের সাংবাদিক আরিফুল ইসলামের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন আসামি নিজে এবং তার একজন কনিষ্ঠ আইনজীবী। তারা ক্যামেরা কেড়ে নিয়ে ছবি মুছে ফেলেন।

আসামির আইনজীবী তানজীর মান্নানের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, এ ঘটনা আমি দেখিনি, এ বিষযে কিছু জানিও না।

এর আগে, গত ১ ডিসেম্বর নিজের চার বছরের কন্যা সন্তানকে ধর্ষণের অভিযোগ এনে কলাবাগান থানায় মামলা দায়ের করেন রুমির স্ত্রী।

মামলায় তিনি উল্লেখ করেন, ২০১৬ সালের ২৬ জুন পারিবারিকভাবে ডা. ইব্রাহীম রহমান রুমির (৩৫) বিয়ে হয়। এরপর বিবাদীর সঙ্গে সংসার জীবনে একটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। বনিবনা না হওয়ায় গত বছরের ২৬ আগস্ট রুমির সঙ্গে তার বিচ্ছেদ ঘটে।

আরও উল্লেখ করেন, রুমির সাথে বিবাহ বিচ্ছেদের পর গত বছরের ২৩ মার্চ বিকেল আনুমানিক সাড়ে চারটায় তার অনুপস্থিতিতে চার বছরের শিশু কন্যাকে উত্তরার বাসা থেকে নিয়ে যান রুমি। গত ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রুমি তার কন্যাকে কলাবাগানের বাসায় নিজের হেফাজতে রাখেন। শিশুটির মায়ের অভিযোগ, ওই সময় ফেরত চাইলেও তার কন্যাকে নিতে দেননি রুমি। পরে এ বছরের ২২ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের আদেশে কন্যা শিশুকে নিজের হেফাজতে নেন তিনি।

বাদী অভিযোগ করেন, গত ১২ অক্টোবর রাত আনুমানিক ৮টায় আবারও শিশু সন্তানটিকে নিজের কলাবাগানের বাসায় আনেন ইব্রাহিম রহমান রুমি। পরদিন ১৩ অক্টোবর দুপুর ১২টার দিকে শিশুর মা কলাবাগান থেকে চার বছরের শিশুটিকে উত্তরায় নিজের বাসায় ফিরিয়ে আনেন। বাসায় আনার পর পরনের পোশাক পরিবর্তনকালে মেয়ের শরীরে নির্যাতনের ছাপ দেখতে পান তিনি। এজাহারে শিশুটির ওপর শারীরিক নিপীড়ন ও নিগ্রহের অভিযোগ বর্ণনা করেন বাদী।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ২৩ মার্চ থেকে ২১ সেপ্টেম্বর এবং ১২ অক্টোবর থেকে ১৩ অক্টোবর দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিবাদীর বর্তমান ঠিকানার বাসায় আমার মেয়ের অবস্থানকালে বিভিন্ন সময়ে মেয়েকে যৌন নির্যাতন করেন। এরপর গত ২৭ নভেম্বর বিকালে নিপীড়নের শিকার শিশু সন্তানকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান তার মা। চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর শিশুটিকে ওসিসিতে (ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার) ভর্তির জন্য রেফার করেন। ২৭, ২৮ ও ২৯ নভেম্বর নির্যাতনের শিকার শিশুটির যাবতীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।

মাটি বোঝায় ট্রলি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চালকের মৃত্যু



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নওগাঁ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলায় মাটি বোঝায় ট্রলি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আব্দুল ওয়াহাব নামে এক চালকের মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার আগ্রাদ্বিগুন ইউনিয়নের এন্দোয়া নামক এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। মৃত আব্দুল ওয়াহাব ওই এলাকার ইয়াসিন আলীর ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, দুপুরে ওই এলাকার মাঠ থেকে আব্দুল ওয়াহাব একটি ট্রলিতে করে নিজ বাড়িতে মাটি নিয়ে যাচ্ছিলেন। এসময় ঘটনাস্থলে পৌঁছলে ট্রলিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায় এবং ট্রলিতে থাকা মাটির নিচে চাপা পড়ে চালক গুরত্বর আহত হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে এলাকার পল্লী চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে ওই পল্লী চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেএম রাকিবুল হুদা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে মরদেহ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ না থাকলে মরদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হবে বলেও জানান তিনি।

;

পাইকগাছায় ইট বোঝাই ট্রলিচাপায় বৃদ্ধের মৃত্যু



উপজেলা করেসপন্ডেন্ট , বার্সাতা২৪.কম, পাইকগাছা (খুলনা)
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

খুলনার পাইকগাছায় বেপরোয়া গতির যান্ত্রিক দানব ইট বোঝাই ট্রলির ধাক্কায় অমূল্য রায় নামে ষাটোর্ধ্ব এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকালে লাশের সুরোতহাল রিপোর্ট শেষে পুলিশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বৃহস্পতিবার আনুমানিক সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার চাদঁখালীর গড়েরডাঙ্গা গ্রামের অমূল্য রায় (৬২) তার বাড়ীর সামনে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে রোদ পোহাচ্ছিলেন। এ সময় স্থানীয় আ. মান্নান গাজীর ইটভাটা থেকে কালীদাশ পুরের মৃত. মোকছেদ গাজীর দু’ ছেলে ইউসুফ ও খানজাহান গাজী বেপরোয়া গতিতে ইট বোঝাই ট্রলি চালিয়ে যাচ্ছিল। এক পর্যায়ে ট্রলির তেমন কোন ব্রেক না থাকায় নিয়ন্ত্রন হারিয়ে ষাটোর্ধ্ব ওই বৃদ্ধের গায়ের উপর দিয়ে উঠে গেলে তিনি মারাত্মকভাবে জখম হন। স্থানীয় ও বাড়ির লোকজন তাৎক্ষণিক তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিন দুপুর ৩টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

সর্বশেষ এ ঘটনায় নিহতের ছেলে রঞ্জন রায় বাদী হয়ে বেপরোয়া গতির যান্ত্রিক দানব ট্রলির চালক ইউসুফ ও সহোদর খানজাহান গাজীর বিরুদ্ধে সড়ক পরিবহণ আইন ২০১৮ এর ৯৮/১০৫ ধারায় পাইকগাছা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার নং-১১।

ইতোমধ্যে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোল্যা শাহাদাৎ ঘাতক ট্রলিটি জব্দ করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জিয়াউর রহমান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পরিদর্শন শেষে ঘাতক ট্রলিটি জব্দ করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে লাশের সুরোতহাল রিপোর্ট শেষে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।

সর্বশেষ বৃদ্ধের মৃত্যুর ঘটনায় নিহতের ছেলে রঞ্জন রায়ের দায়েরকৃত মামলায় আসামিদের গ্রেফতারের জোর চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।

;

দেশের ৪৯ উপজেলায় বিলুপ্ত প্রজাতির ছোট মাছ চাষ



তরিকুল ইসলাম সুমন, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগ্রহীত

ছবি: সংগ্রহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

এলাকা ভিত্তিক দেশীয় প্রজাতির বিলুপ্ত প্রায় মাছ চাষাবাদে উদ্বুদ্ধকরন, শামুক ও ঝিনুক সংরক্ষণ এবং মুক্তাচাষ সম্প্রসারণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয়। এরই ধারাবাহিকতায় মৎস্য অধিদফতর বাস্তাবয়ন করছে দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্প।

দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের তিনটি বিভাগের ১০ জেলার ৪৯ টি উপজেলায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। যা চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য অধিদফতরের মাহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক।

তিনি বার্তা২৪.কমকে বলেন, পুষ্টি চাহিদা পূরণে দেশীয় ছোট মাছের গুরুত্ব অপরিসীম। কিন্তু এসব মাছ খাবার প্লেটে এখন আর খুব একটা দেখা যায় না। নানা প্রাকৃতিক কারণে আজ এসব মাছ বিলুপ্তির পথে। এসব মাছের প্রয়োজনীয়তা এবং পুষ্টিমানের বিষয়টি বিবেচনায় এনে আমরা এলাকা ভিত্তিক ছোট মাছ চাষাবাদ ও সম্প্রারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মাছের প্রাপ্যতার ভিত্তিতে অভয়াশ্রম ঘোষণা করা হবে। এছাড়াও এ প্রকল্পে আওতায় খাঁচায় মাছ চাষ, ধানক্ষেতে মাছ চাষ, বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি, মৎস্যচাষ প্রশিক্ষণ, নিরাপদ মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনবল গড়ে তোলা হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রকল্প এলাকায় ৩৯২ টি দেশীয় মাছ চাষ প্রদর্শনী কেন্দ্র স্থাপন, ৩১৪ টি পেনে মাছ চাষ প্রদর্শনী স্থাপন, ১০০ ইউনিটে খাঁচায় মাছ চাষ প্রদর্শনী স্থাপন, ৪৯ টি ধানক্ষেতে মাছ চাষ প্রদর্শনী কেন্দ্রস্থাপন, ২০ টি শামুকের চাষ প্রদর্শনী স্থাপন, ১০০ টি ঝিনুকের চাষ প্রদর্শনী স্থাপন, ২০০ টি মুক্তা চাষ প্রদর্শনী স্থাপন করা হবে।

তিনি আশা করেন, এ প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্পন্ন হলে দেশের মানুষ কিছুটা হলেও দেশী মাছের স্বাদ নিতে পারবেন। পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিও সৃদৃঢ় হবে।

সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালক এসএম আশিকুর রহমান বার্তা২৪ কমকে জানান, ঢাকা, বরিশাল এবং খুলনা বিভাগের ১০ টি জেলার ৪৯ টি উপজেলা এটি বাস্তবায়ন হবে। এগুলো হলো- গোপালগঞ্জ জেলার গোপালগঞ্জ সদর, টুঙ্গিপাড়া, কোটালীপাড়া, মুকসুদপুর ও কাশিয়ানী উপজেলা, ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা ও সালথা উপজেলা, মাদারীপুর জেলার মাদারীপুর সদর, রাজৈর, শিবচর ও কালকিনি উপজেলা, শরীয়তপুরজেলার শরীয়তপুর সদর, ভেদরগঞ্জ, গোসাইরহাট, জাজিরা, নড়িয়া ও ডামুড্যা উপজেলা, বরিশাল জেলার বরিশাল সদর, আগৈলঝাড়া, বাবুগঞ্জ, হিজলা, বাকেরগঞ্জ, বানারীপাড়া, উজিরপুর, মুলাদী, গৌরনদী ও মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা, ঝালকাঠি জেলার ঝালকাঠি সদর, রাজাপুর, নলছিটি ও কাঠালিয়া উপজেলা, পিরোজপুর জেলার পিরোজপুর সদর, মঠবাড়িয়া, নাজিরপুর, ইন্দুরকানি, নেছারাবাদ, ভান্ডারিয়া ও কাউখালি উপজেলা, বরগুনা জেলার বরগুনা সদর, আমতলী, পাথরঘাটা, তালতলী, বামনা ও বেতাগী উপজেলা, বাগেরহাট জেলার মোল্লাহাট ও ফকিরহাট উপজেলা এবং নড়াইল জেলার নড়াইল সদর, লোহাগড়া ও কালিয়া উপজেলা।

প্রকল্প পরিচালক আরও বলেন, প্রকল্পে মাধ্যমে ৪৯ টি উপজেলায় ৩০হাজার সুফলভোগী মৎস্যজীবী তৈরি করা। এদোর মধ্যমে সুবিধাভোগী ও জেলেদের নিয়ে ৬ হাজার গ্রুপ গঠন করা হবে। যাদের সরকারিভাবে বিভিন্ন সহায়তা দিয়ে এই ছোটপ্রজাতির মাছকে টিকিয়ে রাখা হবে।

;

পুলিশের পিকআপ ভ্যানের চাকা ফেটে দুর্ঘটনা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ফরিদপুর
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার মনসুরাবাদ বাসস্ট্যান্ডে পুলিশের দায়িত্বরত একটি পিকআপ ভ্যান দুর্ঘটনার শিকার হয়। এসময় ভাঙ্গা থানা পুলিশের এক সদস্য আহত হয়েছেন।

জানা যায়, শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে সামনের ডান পাশের চাকা ফেটে হলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুলিশের পিকআপ ভ্যান সামনে থাকা ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে হয়, এতে পিক-আপ ভ্যানের সামনের অংশ দুমড়ে মুচড়ে যায় ।

দুর্ঘটনার শিকার ফরিদপুরের ভাঙ্গা হাইওয়ে থানা পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর সোহানুর রহমান জানান, ভাঙ্গা থানা পুলিশের পিক-আপ ভ্যান টির সামনের ডান পাশের চাকা হঠাৎ ফেটে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। এসময় রাস্তার পাশে দাড়িয়ে থাকা ট্রাকে গিয়ে সজোরে আঘাত করে। পিক-আপ ভ্যানটি সামনের অংশ কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয় ও একজন পুলিশ সদস্য সামান্য আহত হন। দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এই ব্যাপারে ফরিদপুরের ভাঙ্গা হাইওয়ে থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ জাহাঙ্গীর আরিফ জানান, ভাঙ্গা থানা পুলিশের একটি পিক-আপ ভ্যান দুর্ঘটনায় পরার সংবাদ পাওয়া মাত্রই আমদের একটি টিম পাঠাই। পরবর্তীতে পুলিশের পিকআপ ভ্যান টি উদ্ধার করে ফরিদপুর পুলিশ লাইনে পাঠিয়ে দেই এবং ক্ষতিগ্রস্থ ট্রাকটিকে তার মালিকের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

এই বিষয়ে ভাঙা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ সেলিম রেজা শনিবার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আমাদের একটি পিক-আপ ভ্যান মনসুরাবাদ এলাকায় দুর্ঘটনায় পরে। আমাদের একজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

;