নবাগত ডিসির সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময়



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজবাড়ী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজবাড়ীর নবাগত জেলা প্রশাসক মো. আবু কায়সার খানের সাথে রাজবাড়ীতে কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মো. আবু কায়সার খান। মতবিনিময় সভা সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মাহাবুর রহমান শেখ।

মতবিনিময় সভায় রাজবাড়ী প্রেসক্লাবের সভাপতি এড. খান মো. জহুরুল হক, সাধারণ সম্পাদক খোন্দকার আব্দুল মতিন, রাজবাড়ী রিপোটার্স ইউনিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হেলাল মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক মো. শিহাবুর রহমান সহ জেলায় কর্মরত ইলেকট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা বক্তব্য রাখেন। বক্তব্য শেষে নবাগত জেলা প্রশাসককে রাজবাড়ী প্রেসক্লাব ও রাজবাড়ী রিপোটার্স ইউনিটির পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান দুই সংগঠনের সদস্যবৃন্দ।

জেলা প্রশাসক মো. আবু কায়সার খান বলেন, আমি রাজবাড়ীতে যোগদানের পর শুনেছি এই জেলার গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে জেলা প্রশাসনের অত্যন্ত চমৎকার সম্পর্ক। আশা করব জেলা প্রশাসনের সাথে সংবাদকর্মীদের এই সম্পর্ক বজায় থাকবে। 

নবাগত জেলা প্রশাসক আবু কায়সার খান রাজবাড়ীতে ২৩ তম জেলা প্রশাসক হিসেবে গত ১৩ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) রাজবাড়ীর সাবেক জেলা প্রশাসক দিলসাদ বেগমের কাছ থেকে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। আর রাজবাড়ীর সদ্যবিদায়ী জেলা প্রশাসক দিলসাদ বেগমকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগরে উপ-সচিব হিসাবে পদায়ন করেছে।

সরকারে বিরুদ্ধে একটি মহল অসম্ভব ভাবে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত: আইভী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নারায়ণগঞ্জ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নব নির্বাচিত মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী বলেন, সরকার কি কি করছে, কি করে সেটা আপনারা জানেন। সরকার যে কাজগুলো করছে সেটা সারা বিশ্বে রোল মডেল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু একটি মহল কিন্তু বসে নাই। অসম্ভবভাবে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছে। কিভাবে এই সরকারকে ছোট করা যায়। সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করা যায়, সে ব্যাপারে আমাদের সবাইকে সোচ্চার থাকতে হবে। আমাদের এই সরকার স্বাধীনতার সপক্ষের একটি শক্তি। সেই সরকার আমাদের নেতৃত্ব দিচ্ছে। এমন কোন সেক্টর নাই যারা কম বেশি লাভবান হচ্ছে না। সেটা নারী ক্ষমতা থেকে শুরু করে মুক্তিযোদ্ধা, বয়স্কভাতা, প্রতিবন্ধীভাতাসহ প্রচুর কাজ করা হচ্ছে। কিন্তু আমাদের প্রচারটা একটু কম বলে আমরা অনেক সময় বলি যে সরকার কি করছে। সরকার বহু কিছু করেছে। সেগুলো তুলে ধরতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা পরিষদের উদ্যোগে মর্গ্যান গার্লস স্কুল এন্ড কলেজে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও সম্মাননা চেক প্রদান অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী (বীর প্রতীক)।

তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের আমি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আপনারা সব সময় আমার পাশে ছিলেন। ২০১১ সালে কঠিন একটা মূহুর্তে সর্বপ্রথম মুক্তিযোদ্ধারা আমাকে নিয়ে মাঠে নেমেছিল। আমি এই কথা কোন দিনও ভুলবো না। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মনে রাখবো। আপনাদের প্রতি সেই সম্মান-শ্রদ্ধা আমার ভিতরে লালিত হবে। ২০১৬ তেও তাই করেছিলেন, ২০২২ সালেও আমি প্রথম প্রচারণা করেছিলাম মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে। আপনাদের সাথে আমার একটা আত্মিক সম্পর্ক আছে, একটা হৃদয়ের বন্ধন আছে। সেটা আমার বাবার কারণেই হোক অথবা সিটি করপোরেশনের মেয়র হয়ে তিন বার আপনাদের সাথে আছি, পৌরসভাতেও ছিলাম সেই কারণেই হোক।

তিনি আরও বলেন, সরকার কিন্তু শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের খুঁজে খুঁজে শনাক্ত করে তাদের কবরকে বাঁধাই করে দিচ্ছে। এই যে সরকার আমাদের জন্য এত কিছু করছে আমাদেরও কিন্তু কিছু দায়বদ্ধতা আছে দেশের জন্য কিছু করার। আপনারা জীবনের বাজি রেখে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে এই দেশকে স্বাধীন করেছেন। এখন নিশ্চয় আপনারা যে অর্থনীতিক মুক্তি আমাদের প্রধানমন্ত্রী দিতে চাচ্ছেন, তার জন্য আমারা আরেকবার প্রয়োজন হলেও যেন নিজের জীবন দিতেও প্রস্তুত থাকি। এটাও যেন আমাদের মাথায় থাকে যে ২০২৩ সালে প্রধানমন্ত্রীকে পুনরায় আমরা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই। যতই ষড়যন্ত্র হোক না কেন এই ষড়যন্ত্রকে ছিন্ন করে আমরা এই উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখবো। আমাদের সর্ব সেক্টরের যে কাজ গুলো চলছে সেই ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য আমাদের এ সরকারকে প্রয়োজন। এটার জন্য আমরা যে যেখানেই থাকি না কেন সেখানে থেকে আমরা এই কাজগুলো করবো। সরকারের ভালো কাজগুলো তুলে ধরবো।

এই সময় এসপিকে অনুরোধ করে তিনি বলেন, ইদানিং একটু ছিনতাই-টিনতাই বেড়েছে এদিকে একটু খেয়াল রাখবেন। কারণ অনেক বড় বড় কাজ হচ্ছে, এই ছোট ছোট কাজের জন্য যেন আমাদের বদনাম না হয় সেদিকে একটু খেয়াল রাখবেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা মন্ত্রী মহদোয়ের নেতৃত্বে নারায়ণগঞ্জ জেলায় শুধু মুক্তিযোদ্ধ না, আমরা সব সেক্টরে খুব সুন্দরভাবে কাজ করতে চাই। বিশেষ করে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আমরা আগাতে চাই। এই জন্য মন্ত্রীর সহযোগীতা চাই। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানসহ সকলের সহযোগীতা চেয়ে আপনারা আমাকে যখন যেভাবে যেভাবে ডাকবেন আমি যেন সেখানে আপনাদের হয়ে কাজ করতে পারি।

জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ছিলেন জেলা প্রশাসক মঞ্জুরুল হাফিজ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার নুরুল হুদা।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য আনিসুর রহমান দিপু, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদির, যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।

এই সময় জেলার ১৬১ জন মুক্তিযোদ্ধাকে সংবর্ধনা ও সম্মাননা স্বরূপ ১০ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়।

;

‘বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর প্রতিবাদ করেন কবি-আবৃত্তিকারকরা’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

কবিতা, গান, নাটক তথা সংস্কৃতি চর্চার মধ্য দিয়ে যেভাবে মানুষ উদ্বুদ্ধ হয়- তা আর কোন কিছুতে হয় না বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর যখন রাজনীতি নিষিদ্ধ ছিল তখনও প্রতিবাদ করেছেন কবি ও আবৃত্তিকারকরা।

বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে ‘বঙ্গবন্ধু জাতীয় আবৃত্তি উৎসব ২০২০-২০২২’ এর উদ্বোধন এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব জাতীয় আবৃত্তি পদক ২০২০-২২’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি’র ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, নাট্যকার দীন বন্ধু মিত্রের ‘নীল দর্পন’ নাটকের মধ্য দিয়ে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন যেভাবে এগিয়ে গিয়েছিল-একটি কবিতার শক্তি যে কত বেশি সেটাতো আমরা নিজেরাই জানি। ’৭৫ এর ১৫ আগস্টের পর যখন কোন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড করা যাচ্ছিল না তখন আমাদের কবিতার মধ্য দিয়েই প্রতিবাদের ভাষা বেরিয়ে আসে এবং মানুষ সেখানে উদ্বুদ্ধ হয়।

সরকারপ্রধান বলেন, আমাদের ওপর কত বার আঘাত এসেছে কিন্তু বাঙালি বসে থাকেনি, প্রতিবারই প্রতিবাদ করেছে। কারণ, আমাদের সাহিত্য চর্চাতো বৃথাই হয়ে যেতো। এক একজন কবি, শিল্পী, সাহিত্যিক, আবৃত্তিকার আমাদেরকে যা কিছু দিয়ে গেছেন এগুলো আমাদের সম্পদ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর আমি বলবো যে এ দেশের আন্দোলনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি অবদান রয়েছে এ দেশের কবিদের এবং আবৃত্তিকারকদের। আমি কৃতজ্ঞতা জানাই তাদের সকলের প্রতি।

তিনি কারো নাম উল্লেখ না করে বলেন, সে সময় অনেকেই যে যেভাবে পেরেছেন, লিখেছেন, নাটক করেছেন, সাহিত্য রচনা করেছেন, বই ছাপিয়েছেন, প্রতিবাদ করে গ্রেফতারও হতে হয়েছে কাউকে কাউকে। কিন্তু থেমে থাকেননি কেউ।

কবিতার অমোঘ শক্তির কথা উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, আমরা যখন আন্দোলন শুরু করলাম স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন, তখনও কত নাটক, কবিতা-বিভিন্ন আবৃত্তির মধ্য দিয়েই এগিয়ে যেতে হয়েছে আমাদের। সেখানে অনেক বাধা বিপত্তিও এসেছে। তখনকার কবিতার উৎসব অনেক বাধার মধ্যদিয়েই করতে হতো।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব কবিতা পাঠের আয়োজন বা উৎসবে যাওয়া তাঁর অভ্যাস ছিল, কখনো দূরে বসে বা গাড়িতে বসেও তিনি শুনেছেন। তিনি বলেন, এই কবিতার মধ্য দিয়ে আমাদের অনেক না বলা কথা বলা হয়। অনেক সংগ্রামের পথও দেখানো হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, আমি কথা বলে একটি মানুষকে যতটুকু উদ্বুদ্ধ করতে পারি, তার চেয়ে অনেক বেশি উদ্বুদ্ধ হয় মানুষ একটা কবিতা, গান, নাটক বা সংস্কৃতি চর্চার মধ্য দিয়ে। যার মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ের কাছে পৌঁছনো যায়।

গ্রাম বাংলার চিরায়ত ‘কবি গান’র আসরের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আমাদের দেশে আগে কবিয়ালদের লড়াই হতো। আসলে বাঙালিরা সহজাত ভাবেই কবি, এটা হলো বাস্তবতা।

;

সিরাজগঞ্জে চোরাই মদসহ আটক ১



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিরাজগঞ্জ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে অভিযান চালিয়ে ৫৫লিটার চোরাই মদসহ শ্রী দেবেন বড়াই (৬০) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাপিট এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব-১২ সদস্যরা। আটককৃত দেবেন বড়াই তাড়াশের শুভার মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত সুরিন বড়াইয়ের ছেলে।

বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-১২’র কোম্পানী কমান্ডার ও সহকারী পুলিশ সুপার মি. জন রানা।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে র‌্যাবের একটি চৌকষ আভিযানিক দল তাড়াশে অভিযান চালিয়ে দেবন বড়াইকে আটক করে। এ সময় তার কাছ থেকে ৫৫ লিটার দেশীয় চোরাই মদ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত আলামত ও আসামিকে তাড়াশ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। আসামির বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

;

কবরস্থানের জায়গায় বৈদ্যুতিক খুঁটি স্থাপনের অভিযোগ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম,নোয়াখালী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

নোয়াখালীতে একটি পারিবারিক কবরস্থানের জায়গায় বৈদ্যুতিক খুঁটি স্থাপনের অভিযোগ উঠেছে নোয়াখালী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) বিরুদ্ধে ।

ভুক্তভোগী পরিবার এ ঘটনায় গত ৩০ডিসেম্বর নোয়াখালী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, নোয়াখালী পৌরসভাধীন প্রধান সড়কে ও বিভিন্ন ওয়ার্ডে বৈদ্যুতিক খুঁটি স্থাপনে পিডিবির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রভাব খাটিয়ে এবং কবরস্থানে পাশে অবস্থিত মার্কেটের মালিক পক্ষ থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়ে নিজেদের ইচ্ছেমত কবরস্থানের জায়গায় দুটি বৈদ্যুতিক খুঁটি স্থাপন করে।

জানা যায়, নোয়াখালীর পৌরসভার বিতরে জহুরুল হক মিয়া গ্যারেজের পশ্চিম পাশে প্রধান সড়কের ১৪৭ নং বাসায় প্রয়াত সাংবাদিক এবং নোয়াখালী প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদেরের পারিবারিক কবরস্থানের জায়গাতে কাউকে কিছু না জানিয়ে দুটি খুঁটি স্থাপন করে চলে যায় নোয়াখালী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) কর্মকর্তা ও ঠিকাদারের লোকজন। কিন্তু এর আগে এর পাশে সরকারি জায়গায় ওই দুটি খুঁটি স্থাপনের জন্য গর্তও করা হয়। রহস্যজনক কারণে পরে তা সরিয়ে কবরের মাঝখান বরাবর জায়গায় নিয়ে আসা হয়।

এই কবরস্থানটি ১৯৫৫ সালের দিকে তৈরি করেন সাংবাদিক কাদের সাহেবের পিতা মাইজদী শহরের ব্যবসায়ী প্রয়াত আব্দুর রব ডিলার। মাইজদী শহরের সবচাইতে পুরোনো কবরের মধ্যে এই কবরটি অন্যতম যা দেশ স্বাধীনের আগে তৈরি করা হয়।

পরে খুঁটি স্থাপনের বিষয়ে জানতে পেরে,প্রয়াত সাংবাদিক আবদুল কাদেরের বড় মেয়ে রাবেয়া ফেরদাউস পপি (৩৮) গত ৩০ ডিসেম্বর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নোয়াখালী পিডিবিতে। তার দাবি ছিল তার বাবার কবরের সামনে থেকে খুঁটি দুটি সরিয়ে আরাফ ফার্নিচার প্লাজার সামনের সরকারি খালি জায়গায় স্থাপন করা হয়।

ভুক্তভোগী সাংবাদিকের ছোট ছেলে প্রবাসী নূর আল আহাদ জানান,আমাদের কবরের পাশে একটু ডান দিকে আরাফ ফার্নিচার নামক দোকানটি যে প্লাজাতে অবস্থিত। সেই প্লাজার সৌন্দর্য্য রক্ষার্থে পূর্বের ড্রয়িং অনুযায়ী ট্রান্সফরমার উক্ত স্থানে না বসিয়ে তাদের থেকে মোটা আর্থিক সুবিধা নিয়ে পিডিবির সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার রফিক ও পিডিবির আরো কয়েকজন কর্মকর্তার যোগসাজশে সত্তর বছরের পুরোনো আমাদের এই পারিবারিক কবরের সামনে খুঁটি দুটি স্থাপন করেছেন আমাদের অগোচরে। খুঁটি স্থাপন করার পর সরানোর জন্য লিখিত অভিযোগ দিলে সেই জন্য ইঞ্জিনিয়ার রফিক নতুন নতুন তালবাহানা তৈরি করে অশোভন আচরণ পর্যন্ত করেছে আমার বড় বোনের সাথে। আমাদের ভূমি,আমাদের পারিবারিক কবরস্থানের জায়গাতে কিছু করতে হলে,আমাদের পরামর্শ নেওয়া উচিত ছিল পিডিবির ।

তিনি আরো অভিযোগ করে বলেন, স্বাধীনের এতগুলো বছরে আমাদের পারিবারিক কবরস্থান নিয়ে কোন প্রকার ঝামেলা পোহাতে হয়নি। কিন্তু পিডিবি নোয়াখালীর এহেন কর্মকাণ্ডের কারণে প্রায় সত্তর বছরের পুরোনো এই কবরস্থানের সম্মাান হানি হয়েছে। বর্তমানে দেখা যায়, আরাফ ফানির্চারের প্লাজার সামনে বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার আছে বসানো। আবার প্লাজার সামনের পুরো জায়গাটুকুই সরকারি। তাহলে এত সরকারি জায়গা খালি রেখে ট্রান্সফরমার অন্যদিকে সরানোর পেছনে যে অর্থনৈতিক লেনদেন জড়িত তা বুঝার আর বাকি নেই।

এবিষয়ে নোয়াখালী পিডিবি'র নির্বাহী প্রকৌশলী নুরুল আমিন জানান, খুঁটি স্থাপনের করলে ওই খুঁটি সরানোর জন্য একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে সত্য। তবে তাদের কবর স্থানের জায়গায় খুঁটি স্থাপন করা হয়নি। ওই জায়গার মালিক রোডস। এরপরও অভিযোগাকারীকে বলা হয় জায়গার মালিকানার কাগজ নিয়ে আসার জন্য। তাহলে খুঁটি সরিয়ে ফেলা হবে। তারা জায়গার মালিকানার কাগজ নিয়ে আসেনি। তবে এ কবরস্থানের মূল মালিক দাবিদার ৭জন। এদের মধ্যে বেলায়েত হোসেন নামে একজন তার জায়গায় খুঁটি স্থাপন করলে কোন আপত্ত্বি নেই বলে লিখিত দেয়।

তিনি আরও বলেন, পিডিবির কর্মকর্তা রফিকের বিরুদ্ধে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ মিথ্যা। এ বিষয়ে অভিযোগকারীরা কোন প্রমাণ দেখাতে পারেনি।

;