দেয়াল টপকে টিকা কেন্দ্রে প্রবেশ, ১০ শিক্ষার্থী অসুস্থ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম মুন্সিগঞ্জ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলার টঙ্গিবাড়ী বাজার এলাকায় টিকাকেন্দ্রের দেয়াল টপকে শিক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেখা গেছে। এ সময় প্রচন্ড হুড়োহুড়ি কারণে কমপক্ষে ১০ শিক্ষার্থী জ্ঞান হারিয়েছেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।  

টঙ্গিবাড়ী বাজার এলাকায় মেরিন টেকনোলজি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের টিকাকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) ৩টি উচ্চ বিদ্যালয় ও একটি মহিলা মাদরাসার প্রায় ৩১০০ শিক্ষার্থীকে টিকা দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছিল। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী টিকা দেওয়ার জন্য সকাল ৯টা থেকেই ভিড় জমায় কয়েক হাজার শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা।

এ সময় শিক্ষার্থীদের প্রচণ্ড চাপের কারণে কমপক্ষে ১০ জন শিক্ষার্থী জ্ঞান হারায়। এদিকে ওই প্রতিষ্ঠানের দেয়াল টপকে শিক্ষার্থীদের টিকাকেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেখা গেছে। ছাত্রদের পাশাপাশি এমনকি ছাত্রী শিক্ষার্থীরাও দেয়াল টপকে টিকা দেওয়ার জন্য কেন্দ্রে প্রবেশ করতে থাকে।

প্রত্যক্ষদর্শী রিয়াদ হোসেন নামে এক শিক্ষার্থী জানান, সকাল ৯ টায় টিকাকেন্দ্রে টিকা দিতে এসেছি। এসেই দেখি কমপক্ষে ৩/৪হাজার শিক্ষার্থী টিকা দেওয়ার জন্য এখানে জড়ো হয়েছে। সকাল হতে দুপুর পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে এখনো কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারিনি।

এ ব্যাপারে টঙ্গিবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা প্রণয় মান্না বলেন, আজকে চারটি প্রতিষ্ঠানের ৩১০০ জন শিক্ষার্থীকে টিকা দেওয়ার কথা রয়েছে। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের একটি করে নির্দিষ্ট সময়ে টিকাকেন্দ্রে আসতে বলা হয়েছিল। কিন্তু সকল শিক্ষার্থীরা সকাল ৯টার দিকে একসাথে চলে আসায় এখানেও শিক্ষার্থীদের জট সৃষ্টি হয়। আমরা প্রথমে ১০টি বুথের মাধ্যমে টিকা দেয়া শুরু করলেওপরে শিক্ষার্থীদের হুড়োহুড়ি দেখে এখন ১৫টি বোথ প্রতিস্থাপন করে টিকা দিচ্ছি। টিকা দেওয়ার জন্য এসি রুমের প্রয়োজন হওয়ায় টঙ্গিবাড়ী উপজেলাল অন্য কোন প্রতিষ্ঠানে এসি রুম না থাকায় এই একটি প্রতিষ্ঠানেই টিকা দিতে বাধ্য হচ্ছি।

রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা-ছেলের মৃত্যু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা-ছেলের মৃত্যু

রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা-ছেলের মৃত্যু

  • Font increase
  • Font Decrease

রংপুরের মিঠাপুকুরে ট্রাক ও সিমেন্ট বোঝাই কার্গোর মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর আহত দুই গরু ব্যবসায়ীর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বড় দরগাহ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইয়ামিন আলী।

এর আগে, বুধবার (২৬ জানুয়ারি) রাত ১১টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাদের মৃত্যু হয়।

নিহতরা হলেন- বগুড়ার সদর উপজেলার নামুজা শাহাপাড়া গ্রামের সুধীর চন্দ্র (৪৫) ও তার বাবা লাল চাঁদ (৭০)।

পুলিশ জানায়, সুধীর চন্দ্র ও তার বাবা লাল চাঁদ গত বুধবার দুপুরে গরু কিনে অন্য ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ট্রাক যোগে বাড়ি ফিরছিলেন। ট্রাকটি মিঠাপুকুর উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি সিমেন্ট বোঝাই কার্গোর সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ট্রাকে থাকা চার গরু ব্যবসায়ী গুরুতর আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১১টার দিকে সুধীর ও তার বাবা লাল চাঁদের মৃত্যু হয়।

বড় দরগাহ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইয়ামিন আলী জানান, দুর্ঘটনায় আহত দুজনের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। তাদের মরদেহ আইনগত প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

;

জানুয়ারিতে এক দিনও ভালো বায়ু পায়নি ঢাকাবাসী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চলতি মাসে এখন পর্যন্ত এক দিনও রাজধানী ঢাকার বাসিন্দারা নির্মল বাতাস পায়নি। পরিবেশ নিয়ে কাজ করা সংগঠন বাপা এ তথ্য জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানায় সংগঠনটি।

আরও জানানো হয়েছে, ঢাকা শহরে রাতের বেলা মালবাহী ট্রাক প্রবেশের কারণে দিনের চেয়ে রাতে আরও বেশি বাতাসের মান খারাপ থাকে।

বিপজ্জনক মাত্রায় ঢাকার বায়ুদূষণ: জনস্বাস্থ্য ও দুর্যোগ মোকাবিলায় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি সামনে রেখে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়নকেন্দ্রের (ক্যাপস) পরিচালক আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার।

তিনি বলেন, দেশে নগর পরিকল্পনায় ঘাটতি, আইনের দুর্বলতা, আইন প্রয়োগের সীমাবদ্ধতা ঢাকার বায়ু দূষণের অন্যতম প্রধান কারণ। ২০১৬ থেকে ২০২১ সালের অর্থাৎ গত ৬ বছরের জানুয়ারি মাসের বায়ুমান সূচকের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা যায় যে, ২০২০ সালের তুলনায় ২০২১ সালে গড় বায়ু দূষণের পরিমাণ বেড়েছে ৯.৮ শতাংশ। ২০২২ সালে জানুয়ারি মাসের প্রথম ২৫ দিনের গড় বায়ুমান সূচক ২১৯.৫২ তে এসে দাঁড়িয়েছে; যা খুবই অস্বাস্থ্যকর।

এবিষয়ে অধ্যাপক মজুমদার বলেন, জানুয়ারি মাসে ঢাকার মানুষ ১ দিনের জন্যও ভালো বাতাস পাননি, বাতাসের মান বেশিরভাগ সময় ‘অস্বাস্থ্যকর’ থেকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ অবস্থায় ছিল এবং গত ৬ বছরের মধ্যে ঢাকার মানুষ মাত্র ৩৮ দিন ভালো বাতাস পেয়েছে।

ক্যাপসের তথ্য বলছে, ঢাকা শহরে বিকেল ৪টার পর থেকে বাতাসের মান খারাপ হতে শুরু করে, যা রাত ১১টা থেকে ২টার মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছে। গত ৬ বছরে বাতাসের মান বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, রাত ১টায় বায়ুমান সূচক থাকে ১৬২; যা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সর্বোচ্চ। রাত ১০টার পর উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গ থেকে প্রচুর মালবাহী ট্রাক ঢাকা শহরে প্রবেশ করে, যার কারণে এইসব যানবাহন থেকে রাতে প্রচুর বায়ুদূষণ হয়।

অধ্যাপক মজুমদার বলেন, ঢাকা শহরের রাস্তাগুলোতে রাতের বেলায় ঝাড়ু দেওয়ার নিয়ম চালু রয়েছে, যার কারণে বাতাসে ধূলোবালি উড়তে থাকে। রাতে যেহেতু দিনের চেয়ে তাপমাত্রা কম থাকে সেহেতু ধূলোবালি বাতাসে বেশি সময় ধরে অবস্থান করে।

ঢাকা শহরের ১০টি স্থানের গবেষণার তথ্য দিয়ে সংবাদ সম্মেলনে ক্যাপসের পরিচালক জানান, ২০২১ সালে ঢাকা শহরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দূষিত ছিল তেজগাঁও (প্রতি ঘনমিটারে ৭০ মাইক্রোগ্রাম)। এর পরের অবস্থানে ছিল শাহবাগ (প্রতি ঘনমিটারে ৬৮ মাইক্রোগ্রাম)।

গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে আহসান মঞ্জিল, আবদুল্লাহপুর, মতিঝিল, ধানমন্ডি-৩২, সংসদ ভবন, আগারগাঁও, মিরপুর-১০ এবং গুলশান-২ এই এলাকাগুলোতে ক্ষতিকর বস্তুকণা পিএম-২.৫-এর গড় পরিমাণ ছিল যাথাক্রমে ৫৭, ৬২, ৬০, ৬৩, ৫৯, ৬১,৬৬ এবং ৬৫ মাইক্রোগ্রাম; যা নির্ধারিত মান মাত্রার প্রায় ৪-৫ গুণ বেশি।

বাপার নির্বাহী কমিটির সদস্য এম এস সিদ্দিকী বলেন, রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি ও নির্মাণ কাজের ফলে ঢাকার দূষণ বেশি হচ্ছে এবং এই দূষণ কমানোর জন্য ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ব্যবহার করা যেতে পারে। তিনি আরও বলেন, সরকার নিজেদের পরিকল্পনা ও বাজেট যথাযথ খরচ করলে নির্মাণের যে দূষণ সেটা নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে।

রাজধানীর এই ভয়াবহ বায়ু দূষণ থেকে বাঁচতে বাপা ১৫টি সুপারিশ তুলে ধরে বাপা।

সুপারিশগুলো হলো-

>> শুষ্ক মৌসুমে সিটি করপোরেশন, ফায়ার সার্ভিস, ওয়াসা এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের সমন্বয়ে ঢাকা শহরে প্রতি দিন দুই থেকে তিন ঘণ্টা পর পর পানি ছেটানোর ব্যবস্থা করতে হবে।

>> নির্মাণ কাজের সময় নির্মাণ স্থান ঘেরাও দিয়ে রাখতে হবে ও নির্মাণ সামগ্রী পরিবহনের সময় ঢেকে নিতে হবে।

>> রাস্তায় ধূলা সংগ্রহের জন্য সাকশন ট্রাকের ব্যবহার করা যেতে পারে।

>> অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বিকল্প ইটের প্রচলন বাড়াতে হবে।

>> ব্যক্তিগত গাড়ি এবং ফিটনেসবিহীন গাড়ি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। প্রয়োজনে নম্বর প্লেট অনুযায়ী জোড়-বিজোড় পদ্ধতিতে গাড়ি চলাচলের প্রচলন করা যেতে পারে।

>> সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে প্রচুর পরিমাণ গাছ লাগাতে হবে এবং ছাদ বাগান করার জন্য সকলকে উৎসাহিত করতে হবে।

>> ঢাকার আশপাশে জলাধার সংরক্ষণ করতে হবে।

>> আলাদা সাইকেল লেনের ব্যবস্থা করতে হবে।

>> আগুনে পোড়ানো ইটের বিকল্প হিসাবে স্যান্ড ব্লক-এর ব্যবহার ক্রমান্বয়ে বাড়াতে হবে।

>> সিটি গভর্নেন্সের প্রচলনের মাধ্যমে উন্নয়নমূলক কার্যকলাপের সমন্বয় সাধন করতে হবে। সেবা সংস্থার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড স্বল্প সময়ে সম্পন্ন করতে হবে।

>> নির্মল বায়ু আইন-২০১৯ যতদ্রুত সম্ভব বাস্তবায়ন করতে হবে।

>> পরিবেশ সংরক্ষণ ও সচেতনতা তৈরির জন্য পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক বাজেট বরাদ্দ বাড়াতে হবে। নিয়মিত বায়ু পর্যবেক্ষণ স্টেশনের (ক্যামস) ব্যাপ্তি বাড়িয়ে ঢাকা শহরের সব এলাকাকে এর আওতাধীন করতে হবে। এছাড়াও বায়ু দূষণের পূর্বাভাস দেওয়ার প্রচলন করতে হবে।

>> সর্বোপরি সচেতনতা তৈরির জন্য বিভিন্ন গণমাধ্যমে বায়ু দূষণ সম্পর্কে আরও বেশি তথ্যনির্ভর অনুষ্ঠান প্রচারের ব্যবস্থা করার মাধ্যমে ঢাকাসহ সারা দেশের বায়ু দূষণের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে।

>> ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়ন করা।

>> পরিবেশ ক্যাডার সার্ভিস এবং পরিবেশ আদালত চালু ও কার্যকর করতে হবে।

;

স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, যশোর
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

যশোরে শহরের হাসপাতাল মোড়ে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে শহরের হাসপাতাল মোড়ে এ অভিযান পরিচালনা করেন সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নারায়ন চন্দ্র পাল। এ সময় মাক্স না পরার অপরাধে হাসপাতাল মোড়ের দুটি ফার্মেসী কর্মচারীর কাছ থেকে চারশত টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের পেশকার শেখ জালাল উদ্দীন জানান, করোনা সচেতনতা বৃদ্ধিতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এ সময় জেনারেল হাসপাতালের বিপরীত পাশে জামান মেডিসিন ফার্মেসীর হাফিজুর রহমান এবং ইবনে সিনা হাসপাতালের বিপরীত পাশে সখিনা ড্রাগ এন্ড সার্জিক্যাল হাউসের কর্মচারী ওলিদের কাছ থেকে দুইশত করে মোট চারশত টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এ সময় ওই এলাকায় অবস্থানরত সকল ফার্মেসী, দোকান, যানবহন চালকদের মাক্স পরিধানে উদ্বুদ্ধ করা হয়।

এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নারায়ন চন্দ্র পাল বলেন, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পুনরায় বৃদ্ধি পেয়েছে। করোনা প্রতিরোধে সকলকে সচেতন হতে হবে মাক্স পরিধান করতে হবে, স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে এবং অন্যকে মাক্স পরতে ও ভ্যাকসিন নিতে উৎসাহিত করতে হবে। করোনা প্রতিরোধে সকলের সচেতনতা প্রয়োজন।

;

ঘুরতে গিয়ে বখাটেদের মারধরের শিকার কিশোর-কিশোরী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
ভাইরাল হওয়া ভিডিও থেকে নেয়া

ভাইরাল হওয়া ভিডিও থেকে নেয়া

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজশাহীর তানোর উপজেলায় প্রকাশ্যে বখাটেরা এক কিশোর-কিশোরীকে মারধর করেছে। বুধবার দুপুরে উপজেলার তালন্দ-চৌবাড়িয়া প্রধান সড়কে লবাতলা ব্রিজ সংলগ্ন রাস্তায় এ ঘটনা ঘটে। এই মারধরের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে।

ভিডিওতে দেখা যায়, তানোর উপজেলার তালন্দ-সমাসপুর গ্রামের মইনুল ও রাজু নামে দুজন মিলে ঘুরতে আসা অপরিচিত এক কিশোর ও এক কিশোরীর বেধড়ক মারপিট এবং অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করছে। ওই কিশোর-কিশোরী রাস্তার পাশে অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িয়েছে এমন অভিযোগ তুলে তাদের মারধর করা হয়। এ সময় সারুয়ার হোসেনসহ আরও দুই স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী ওই রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় বিষয়টি দেখে বখাটেদের বাঁধা দেন ও মুঠোফোনে মারপিটের সেই ভিডিও ধারণ করেন।

এদিকে ধারণকৃত ভিডিওতে মারধরের শিকার দুজনের বিষয়ে বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি। তবে তালন্দ বাজারের কয়েকজন জানান, মারধরের শিকার ওই তরুণ-তরুণীরা সকালের দিকে তালন্দ কলেজের দিকে যায় এবং ঘণ্টাখানেক পর কলেজের রাস্তা থেকে ফিরে হাঁটতে হাঁটতে লবাতলা ব্রিজের রাস্তার দিকে তাদের দুজনকেই যেতে দেখেন। 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে তালন্দ ললিত মোহন কলেজে অধ্যয়নরত কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, ‘ভুক্তভোগী ওই তরুণ-তরুণীকে সকালে কলেজ চত্বরের আশপাশে ঘুরতে দেখেছি। হয়তোবা তারা কলেজে ভর্তি সংক্রান্ত কাজে এসেছিলেন। কিন্তু পরে তারা মাদকসেবীদের হামলার শিকার হয়েছেন।

এদিকে ঘটনার ব্যাপারে জানতে অভিযুক্ত বখাটে মইনুল ও রাজুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। অভিযুক্ত মইনুল বলেন, ‘এই বিষয়ে আপনাদের নিউজ করার প্রয়োজন নেই।’ ঘটনার সময় আপনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন কিনা জানতে চাইলে মইনুল বলেন, ‘আমি কিছু বলতে পারব না।’

এ বিষয়ে আরেক অভিযুক্ত রাজু কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। এমনকি স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাসির উদ্দীন এ ঘটনার ব্যাপারে কিছুই জানেন না বলেই ফোন কেটে দেন।

বিষয়টি নিয়ে তানোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসান বলেন, ‘খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। যেই দোষী হোক না কেন, ওই ভুক্তভোগীরা থানায় অভিযোগ করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

;