মালয়েশিয়ায় শ্রমিক রফতানিতে সিন্ডিকেট নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বায়রার চিঠি



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মালয়েশিয়ায় শ্রমিক রফতানিতে দুই দেশের একটি সিন্ডিকেট কাজ করছে বলে অভিযোগ করেছে সম্মিলিত সমন্বয় ফ্রন্ট, বায়রা। জনশক্তি রফতানিকারকদের এই সংগঠনটি তদন্ত করে সিন্ডিকেট সদস্যদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে। একই সঙ্গে মালয়েশিয়ায় সকল বৈধ জনশক্তি রফতানিকারকদের ব্যবসা করার সুযোগ প্রদানের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সম্মিলিত সমন্বয় ফ্রন্ট, বায়রা’র সভাপতি ড. মোহাম্মদ ফারুক. মহাসচিব মোস্তফা মাহমুদ এবং সিনিয়র সহ-সভাপতি রিয়াজ-উল-ইসলাম স্বাক্ষরিত একটি আবেদন গত ১৩ জানুয়ারি, ২০২২ বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবার প্রেরণ করা হয় যা প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় গ্রহণ করে। 

চিঠিতে বলা হয়, মালয়েশিয়া বাংলাদেশের জন্য চতুর্থথ শ্রম বাজার্ এবং ষষ্ঠতম ফরেন কারেন্সি রেমিটার এবং বর্তমানে সেখানে শ্রমিক সংকট চলছে। এই প্রেক্ষাপটে দেশটির সঙ্গে শ্রমিক প্রেরণের জন্য আবারো চুক্তি হয়েছে। তবে মালয়েশিয়াতে শ্রমিক রফতানির সবচেয়ে বড় বাধা দুই দেশের কিছু দুষ্কৃতিকারি, যারা ২৫ টি এজেন্সি নিয়ে গঠিত সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কর্মী রফতানি করতে চায়। এর আগে ২০১৬ সালেও ১০টি এজেন্সির মাধ্যমে সিন্ডিকেট তৈরির কারণে শ্রমিক রফতানির চুক্তি স্থগিত হয়েছিল বলে জানানো হয়।

এই সিন্ডিকেটের কারণে তৎকালীন সময় শ্রমিকের ব্যায় ৩৭ হাজার টাকার বদলে সাড়ে ৩ লক্ষ্ টাকা নেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করে বায়রা। এছাড়াও ১৫ লক্ষ শ্রমিকের স্থলে মাত্র ২ লক্ষ ৭৪ হাজর শ্রমিক রফতানি হয়েছিল বলেও স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়। এরপরের বছরগুলোতেও শ্রমিকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ নেয়া হয় এবং সব মিলিয়ে কয়েক হাজার কোটি টাকা দেশ থেকে পাচার হয়েছে বলে অভিযোগ করেন সম্মিলিত সমন্বয় ফ্রন্টের দায়িত্বরতরা।

২০১৬ সালের এবং বর্তমান সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় এনে শাস্তি প্রদানের জন্য অনুরোধ জানিয়েছে সংগঠনটি।

স্বাস্থ্যবিধি মানাতে মাঠে নেমেছে জেলা প্রশাসন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

রংপুর নগরীতে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতকরণসহ জনসচেতনতা বাড়াতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন।

শনিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে রংপুর নগরীর সিটি বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মলিহা খানম। এ সময় রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ ও রোভার স্কাউট সদস্যরা অভিযানে সহযোগিতা করেন।

অভিযানে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের জন্য সকলকে আহ্বান জানানো হয়। এ সময় বাজারের ব্যবসায়ীসহ ক্রেতা সাধারণের মধ্যে বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ করা হয়।

রংপুর জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মলিহা খানম বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে জেলা প্রশাসনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে আমরা আগের চেয়ে বেশি তৎপর এবং মাঠে রয়েছি। জনসমাগম যেখানে বেশি হয়, সেখানে আমরা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। জনস্বাস্থ্য রক্ষাসহ প্রতিটি মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিতে আমাদের এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং পরবর্তীতে আরও জোরদার করা হবে।

;

বেনাপোলে গাঁজাসহ ৩ মাদক চোরাকারবারি আটক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বেনাপোল (যশোর)
বেনাপোলে গাঁজাসহ ৩ মাদক চোরাকারবারি আটক

বেনাপোলে গাঁজাসহ ৩ মাদক চোরাকারবারি আটক

  • Font increase
  • Font Decrease

যশোরের বেনাপোল সীমান্ত থেকে দুই কেজি গাঁজাসহ ৩ মাদক চোরাকারবারিকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

শনিবার (২২ জানুয়ারি) সকালে বেনাপোলের ভবারবেড় গ্রাম থেকে পুলিশ তাদের আটক করে।

আটককৃতরা হল- বেনাপোল বন্দর থানার সরবাংহুদা গ্রামের জামাত আলী মোড়লের ছেলে জামাল মোড়ল কুশই (৪৫), ভবেরবেড় মধ্যপাড়ার আবেদ আলী ঘরামীর ছেলে শওকত (৪৩) ও একই এলাকার রুস্তম আলীর ছেলে জাকির (৪২)।

যশোরের ডিবির অফিসার ইনচার্জ রুপন কুমার সরকার জানান, মাদক কারবারিরা মাদকের চালান পাচার করছে, এমন গোপন খবরে বেনাপোল সীমান্তে অভিযান চালানো হয়। এসময় ভবেরবেড় পুকুরপাড়া জামে মসজিদ এলাকা থেকে ২ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক বিক্রেতাকে আটক করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকের মূল্য ৬০ হাজার টাকা। এ বিষয়ে বেনাপোল বন্দর থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।

;

ফেল থেকে ‘এ প্লাস’ পেল ১৮ শিক্ষার্থী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

এসএসসি পরীক্ষার খাতা পুনঃনিরীক্ষণে রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের ১৮ শিক্ষার্থী কোন বিষয়ে ফেল থেকে ‘এ প্লাস’ পেয়েছে।

শুক্রবার (২ে১ জানুয়ারি) রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের খাতা পুনঃনিরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এতে এমন চিত্র দেখা গেছে।

এবার মোট ১১৬ জন শিক্ষার্থীর ১২০টি বিষয়ের ফলাফল পরিবর্তন হয়েছে। ফেল থেকে পাস করেছে ৭৯ জন শিক্ষার্থীর। এর মধ্যে ১৮ জন কোনো কোনো বিষয়ে ফেল থেকে পেয়েছে ‘এ প্লাস’। এ গ্রেড থেকে ফল পাল্টে উচ্চতর গ্রেড পেয়েছে ২২ জন। এ ছাড়া এ মাইনাস থেকে উচ্চতর গ্রেড পেয়েছে ১২ জন, বি গ্রেড থেকে ৭ জনের ফল পাল্টে উচ্চতর গ্রেড হয়েছে।

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ফল প্রকাশের পর এবার এসএসসি পরীক্ষার ৯ হাজার ৪৪৩টি খাতা পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করে ৮ হাজার ৩৮৭ জন শিক্ষার্থী। সবচেয়ে বেশি ৩ হাজার ৪৭৭টি পদার্থ বিজ্ঞান খাতা পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন পড়ে।

এ ছাড়া ভূগোল ও পরিবেশের ১ হাজার ২৮১টি, উচ্চতর গণিতের ৩১৮টি, রসায়নের ২ হাজার ১৭০টি, জীব বিজ্ঞানের ৫৭৭টি, পৌরনীতি ও নাগরিকতার ১০২টি, অর্থনীতির ৬৭টি, ব্যবসা উদ্যোগের ৬৯টি, হিসাববিজ্ঞানের ৩৫৫টি, ফিন্যান্স ও ব্যাংকিংয়ের ৩৭৯টি এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতার ৬৪৮টি খাতা পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন জমা পড়ে।

পুনঃনিরীক্ষণে বেশিরভাগ খাতার ফল একই থাকলেও ১১৬ জনের ১২০টি বিষয়ের পরীক্ষার ফলাফল পাল্টে গেছে। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আরিফুল ইসলাম বলেন, পরীক্ষকদের যোগ করতে ভুল হওয়া কিংবা কম্পিউটার সিস্টেমে না তোলার কারণে ফলাফল খারাপ দেখাচ্ছিল। এগুলো পুনঃনিরীক্ষণে ঠিক হয়ে গেছে।

তিনি জানান, আন্তঃবোর্ডের সিদ্ধান্ত আনুযায়ী প্রতিটি বিষয়ের পুনঃনিরীক্ষণের জন্য ১২০ টাকা নেওয়া হয়। এই টাকা শিক্ষার্থীরা ফেরত পায় না। এটা আনেক আগে থেকেই চলে আসছে।

;

‘সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণে র‌্যাব প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেছে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

  • Font increase
  • Font Decrease

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বাংলাদেশের বিপক্ষে যারা দেশ-বিদেশ থেকে ষড়যন্ত্র করছে, তারা র‌্যাবের ভূমিকা নিয়ে অনেক কথা বলছে। অথচ এই র‌্যাব বাংলাদেশে মাদক-সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেছে। সেই কারণে মাদক-সন্ত্রাস এবং জঙ্গিবাদ অনেক উন্নত দেশের তুলনায় আমরা কার্যকরভাবে মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছি।

তিনি বলেন, যারা আজকে র‌্যাবের ভূমিকা নিয়ে কথা বলছেন, তারা আসলে চান এখানে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের অভয়ারণ্য হোক এবং মাদক আরও ছড়িয়ে পড়ুক, অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে এভাবে তারা ঢালাওভাবে কথা বলতে পারেন না।

শনিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে নবীন আইনজীবীদের বরণ ও কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মুহাম্মদ এনামুল হকের সভাপতিত্বে ও এড. আবদুল্লাহ আল মামুনের সঞ্চালনায় বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের এডহক কমিটির সদস্য মো. মুজিবুল হক, বিশেষ অতিথি ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এএইচএম জিয়াউদ্দিন স্বাগত বক্তার বক্তব্য দেন। সভাশেষে নবীন আইনজীবীদের হাতে সনদ তুলে দেন মন্ত্রী।

ড. হাছান বলেন, র‌্যাবের কোন সদস্য যদি ভুল করেন, তাদের বিচার হয়েছে এবং হয়। যে কেউ ভুল করতে পারে, তাদের বিচার হয়, তদন্ত হয়, শাস্তিও দেওয়া হয়। র‌্যাবকে অব্যাহতভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমের অনেক দেশ কারিগরি সহায়তা দিয়েছে। ২০০৪ সালে বেগম খালেদা জিয়াই র‌্যাব প্রতিষ্ঠা করেছিল। তারা যখন সহায়তা দিয়েছে র‌্যাব তো তখন থেকে কাজ করছে, তখন তো এ প্রসঙ্গগুলো আসে নাই। হঠাৎ এখন কেন আসছে, এটার পেছনে নিশ্চয়ই কিন্তু আছে।

যখন কোন দেশ এগিয়ে যেতে থাকে তখন আন্তর্জাতিক বিভিন্ন শক্তি সেই দেশের পা’টা টেনে ধরতে চায়, তখন মানবাধিকার বিষয়গুলোকে সামনে নিয়ে আসে, অথচ তাদের দেশে মানবাধিকারের কোন খবর নাই উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবছর হাজার হাজার মানুষ নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে নিখোঁজ হয়, গুলিতে মৃত্যুবরণ করে। সেগুলো নিয়ে মানবাধিকার সংগঠনগুলো কখনো বিবৃতি দেয় না। ক’দিন আগে জাতিসংঘের ইন্ডিপেন্ডেন্ট হিউম্যান রাইটস এক্সপার্ট যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহবান জানিয়েছে, গুয়ান্তানামো বে’তে যে বন্দি নির্যাতন হচ্ছে, সেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে, সেই কারাগার বন্ধ করে দেওয়ার জন্য। সেটি নিয়ে তো কোন মানবাধিকার সংগঠন বিবৃতি দেয়নি।

বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার সরকার দেশে আইনের শাসন, ন্যায় ও জ্ঞানভিত্তিক বহুমাত্রিক গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় নিরলস কাজ করছে, আর যারা বন্দুক উঁচিয়ে গণতন্ত্র হরণ করে মানুষের লাশের ওপর পা দিয়ে ক্ষমতা দখল করে দেশ পরিচালনা করেছে, তারা যখন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কথা বলে তখন মানুষ আবার সেই অস্ত্রের ঝনঝনানি শুনতে পায়, আতঙ্কিত হয় বলেন হাছান মাহমুদ।

নবীন আইনজীবীদের অভিনন্দন জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আইন পেশাটা শুরুতে খুব কুসুমাস্তীর্ণ নয়। শুরুতে অর্থের পেছনে দৌড়ালে অনিয়মের সাথে যুক্ত হয়ে যেতে হয়। সেটি ভালো আইনজীবী হবার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা। অনেকের মধ্যে দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকবে, কিন্তু যিনি ধৈর্য্য ধরে লেগে থাকেন তিনি পরবর্তীতে ভালো আইনজীবী হন। আইনজীবীরা সমাজের স্বাভাবিক নেতা এবং মানুষকে আইনি সহায়তা দিয়ে সমাজে ন্যায় ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখেন। সেজন্য আইনজীবী পেশায় সৎ থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

;