সিরাজগঞ্জে আ’লীগ নেতাকে কোপালেন দুর্বৃত্তরা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম সিরাজগঞ্জ
শহিদ সরোয়ার

শহিদ সরোয়ার

  • Font increase
  • Font Decrease

সিরাজগঞ্জের কাজিপুর থানা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদ সরোয়ার (৪৫) কে কুপিয়েছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (১৫ জানুয়ারী) বিকেলে উপজেলার গান্দাইল ইউনিয়নের বড় মসজিদ মোড়ে এ হামলার ঘটনা ঘটে। 

আহত শহিদ সরোয়ার গান্দাইল গ্রামের মৃত শাহ আলী মাস্টারের ছেলে ও থানা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। 

স্থানীয়রা জানান, আজ বিকালে ১০/১৫ মটরসাইকেল যোগে কিছু ছেলে বড় মসজিদ মোড়ে অবস্থান করছিল। শহিদ সরোয়ার ঘটনাস্থলে আসার সাথে সাথেই অতর্কিত ভাবে হামলা করে দুর্বৃত্তরা। তাদের হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে শহিদ সরোয়ারের পায়ে আঘাত করলে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। এসময় সবাই মিলে এলোপাথারি ভাবে কুপিয়ে পালিয়ে যায়। আহত অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। 

কাজীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পঞ্চানন্দ সরকার জানান, গান্দাইল ইউনিয়নের বড় মসজিদ মোড়ে মারামারির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে ছিলাম। কিন্তু ওখানে কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে শহিদ সরোয়ার নামের একজন আহত হয়েছে শুনেছি। 

তিনি আরও বলেন, এখনো কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি, পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কোরবানির গরুর প্রতি বর্গফুট চামড়া ৪৭ টাকা, খাসির ১৮



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

এবার কোরবানি হওয়া গরুর প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত চামড়া ঢাকায় ৪৭ থেকে ৫২ টাকায় এবং ঢাকার বাইরে ৪০ থেকে ৪৪ টাকা নির্ধারণ করেছে সরকার। আর খাসির লবণযুক্ত চামড়ার দাম ১৮ থেকে ২০ টাকা এবং বকরির চামড়া ১২ থেকে ১৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় এক ভার্চুয়াল মিটিং শেষে এ দাম ঘোষণা করেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

ঘোষিত দাম অনুযায়ী, এবার ঢাকা ও ঢাকার বাইরের গরুর লবণযুক্ত চামড়ার দাম গতবারের তুলনায় ৭ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছর গরুর প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত চামড়া ছিল ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। ঢাকার বাইরে গরুর চামড়া ছিল ৩৩ থেকে ৩৭ টাকা। আর প্রতি বর্গফুট খাসির চামড়া ১৫-১৭ টাকা ও বকরির চামড়া ১২-১৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, চামড়ায় লবণ দেওয়ার বিষয়টিতে গুরুত্বারোপ করতে হবে। সামনে একটি জুমার দিন রয়েছে সেদিন যদি চামড়ায় লবণ দেওয়ার বিষয়টি বলা হয়, তাহলে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়বে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন তথ্যসচিব মো. মকবুল হোসেন, শিল্পসচিব জাকিয়া সুলতানা, ভোক্তা অধিকারের মহাপরিচালক এএইচএম সফিকুজ্জামান, বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) সভাপতি শাহীন আহমেদসহ চামড়ার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত সংশ্লিষ্টরা।

;

সুন্দরবনের আত্মসমর্পণকারী জলদস্যুদের র‌্যাবের ঈদ উপহার



উপজেলা করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, মোংলা (বাগেরহাট)
জলদস্যুদের র‌্যাবের ঈদ উপহার

জলদস্যুদের র‌্যাবের ঈদ উপহার

  • Font increase
  • Font Decrease

সুন্দরবনে আত্মসমর্পণকারী ২৭টি দস্যু বাহিনীর ২৮৪ জন বন ও জলদস্যুদের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছে র‍্যাব।

মঙ্গলবার (০৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় মোংলা বন্দর এলাকায় বনবিভাগের ফুয়েল জেটি চত্বরে তাদেরকে এই ঈদ উপহার সামগ্রী দেন র‍্যাব-০৮।

র‍্যাব-০৮ এর অধিনায়ক ডিআইজি মো. জামিল হাসান জানান, গত ২০১৮ সালের ১ নভেম্বর সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত ঘোষণার পর থেকে পুরো বন ও সাগর জুড়ে এখন শান্তির সুবাতাস বইছে। আত্মসমর্পণকারী বন ও জলদস্যুরা পুনর্বাসিত হয়ে স্বাভাবিক জীবন যাপন করছেন। এসব দস্যুদের ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন সময় ঈদ উপহারসহ খাদ্য সামগ্রী দিয়ে যাচ্ছে র‍্যাব-০৮। তারই ধারাবাহিকতায় আসন্ন ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে এবারও তাদেরকে ঈদের উপহার স্বরূপ খাদ্য সামগ্রী দেওয়া হয়েছে।

২৭টি দস্যু বাহিনীর ২৮৪ জনকে মঙ্গলবার সকালে চাল, তেল, সেমাই, ঘি, চিনি, দুধ, লবণ, বাদাম, কিসমিস, মসলা ও পেঁয়াজসহ তাদের যাতায়াত ভাড়াও দেওয়া হয় বলে জানান ডিআইজি জামিল হাসান। তিনি বলেন, সুন্দরবনে দস্যুরা আত্মসমর্পণ করায় মৌওয়ালী, বাওয়ালী, বনজীবী ও বন্যপ্রাণী সবই এখন নিরাপদে রয়েছে। নির্ভয়ে নির্বিঘ্নে সুন্দরবনে আসছে দর্শনার্থী-পর্যবেক্ষক ও জাহাজ বণিকেরা। এভাবেই সরকারের দূরদর্শিতায় সুন্দরবন কেন্দ্রিক অর্থনৈতিক গতিশীলতার ব্যাপক সম্ভবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে বলেও জানান র‍্যাবের এই কর্মকর্তা।

;

সুন্দরবনের করমজলে ১৩ বন্যপ্রাণী অবমুক্ত



উপজেলা করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, মংলা (বাগেরহাট)
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটের বিভিন্ন জায়গা থেকে জব্দকৃত ৮ প্রজাতির ১৩টি বন্যপ্রাণী সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী ও পর্যটক কেন্দ্রে অবমুক্ত করা হয়েছে।

বেশ কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন এলাকার মিনি পার্ক, রিসোর্ট ও ধনী ব্যক্তিদের বাড়িতে বেআইনিভাবে রাখা এ প্রাণীগুলো জব্দ করে বনবিভাগের বন্যপ্রাণী অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ইউনিট। পরে মঙ্গলবার (০৫ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ প্রাণীগুলো করমজলে অবমুক্ত করা হয়।

বনবিভাগের বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ খুলনার পরিদর্শক মো. রাজু আহমেদ জানান, বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ এবং বন্যপ্রাণী অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ইউনিট দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন জায়গা বেআইনিভাবে আটকে রাখা সুন্দরবনের নানা প্ররজাতির প্রাণী উদ্ধার ও তার সঠিক পরিবেশে ফিরে দেওয়ার কাজ করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় গত কয়েকদিন ধরে খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটের কয়েকটি জায়গায় অভিযান চালিয়ে ৮ প্রজাতির ১৩টি বন্যপ্রাণী উদ্ধার করে। এরমধ্যে রয়েছে ১টি মদনটাক, ৩টি কালিম পাখি, ১টি মাছ মোরাল, ১টি অজগর সাপ, ১টি কেউটে সাপ, ২টি বানর, ১টি মেছো বিড়াল ও ৩টি তক্ষক। এগুলো মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের করমজল পর্যটন ও বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রে অবমুক্ত করা হয়েছে।

এ সময় করমজলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আজাদ কবিরসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

;

ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে বেড়েছে হাতপাখার চাহিদা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বগুড়া
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

তাল পাখার গ্রাম আড়োলায় নতুন করে ব্যস্ততা বেড়েছে বিদ্যুতের ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের কারণে। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে বাসা বাড়িতে হাতপাখার চাহিদা বেড়ে গেছে। ফলে হাতপাখা বিক্রেতারা ভিড় করছেন কাহালু উপজেলার পাইকড় ইউনিয়নে আড়োলা গ্রামে। এই গ্রামের প্রতিটি ঘড়ে ঘড়ে নারী- পুরুষ থেকে শুরু করে শিশুরাও তালের পাতা দিয়ে তৈরি করে থাকে রকমারি হাতপাখা।

সাধারণত ফাল্গুন-চৈত্র মাস থেকে হাত পাখা তৈরির কাজ শুরু হয়ে চলে ভাদ্র মাস পর্যন্ত। জৈষ্ঠ্য মাস পার হলে কাজের চাপ কমতে থাকে। কিন্তু এবার ব্যতিক্রম।

আড়োলা গ্রামের পাশাপাশি আতালপাড়া, যোগীরভবনসহ আশে পাশের গ্রামগুলোতে বিভিন্ন প্রকারের তালপাতার পাখা তৈরির কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন কারিগররা।

হাতপাখা তৈরির গ্রামগুলে ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ফাল্গুন মাস থেকে তালপাতার পাখা তৈরির কাজ শুরু করেছে এখানকার পাখা তৈরির কারিগররা। ঠিক কত বছর আগে এই এলাকায় হাতপাখা তৈরির কাজ শুরু হয় তার কোন সুনির্দিষ্ট তথ্য না থাকলেও প্রবীণ ব্যক্তিদের মতে একশ বছর বা তারও বেশি আগে আড়োলা গ্রামে তাল পাতা দিয়ে হাতপাখা তৈরির কাজ শুরু হয়। আর তখন থেকেই গ্রামের পেশা হিসেবে বেছে নেয় হাতপাখা তৈরির কাজ। এক সময় হাত পাখা তৈরির কাজ ছড়িয়ে পড়ে পাশের গ্রামগুলোতে।

গ্রামগুলো ঘুরে দেখা যায়, শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ পর্যন্ত বসে নেই। নারী-পুরুষ মিলে সবাই তৈরি করছে বিভিন্ন প্রকারের সৌখিন তালপাতার হাতপাখা।পুরুষেরা কাঁচা বাশের কাজ করছেন। আর নারীরা সুই-সুতা দিয়ে পাখা বাঁধানো ও রঙের কাজ করছেন। পাখার চাহিদা মেটাতে গরম মৌসুমে নারী-পুরুষের নিশ্বাস ফেলার সুযোগ নেই। চুলায় ভাত-তরকারি তুলে দিয়ে পাখা তৈরির কাজ নিয়ে বসেন তারা। শিশু-কিশোরেরাও লেখাপড়া ও খেলাধুলার পাশাপাশি মা-বাবার সঙ্গে পাখার কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকারেরা আসেন পাখা নিতে। আবার অনেকে কারিগরদের আগাম টাকা দিয়ে পাখা তৈরি করিয়ে নেন।

প্রতি বছরের মতো এবারও ভাদ্র মাস পর্যন্ত এখানকার পাখা তৈরি কারিগরদের এই ব্যস্ততা থাকবে জানা গেছে। গরমের তীব্রতা যত বাড়বে ততই বাড়বে পাখা তৈরি কারিগরদের ব্যস্ততা। কারণ এ বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় মানুষজন যখন গরম সইতে না পারে তখন একমাত্র ভরসা এই তালপাতার পাখা। বর্তমানে রোদের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় এবং লোডশেডিংয়ের ফলে অতিষ্ট হয়ে পড়েছে বগুড়াসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা। যার ফলে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন জেলার ব্যবসায়ীরা ছুটে আসছেন পাখা কেনার জন্য। এখানকার ৪/৫টি গ্রামের প্রায় ৫’শ পরিবার তালপাতার পাখা তৈরি করে থাকে। এদের মধ্যে কেউ শ্রমিক হিসেবে আবার কেউ নিজের তহবিলে পাখা তৈরি করেন। আবার স্থানীয় কয়েকজন মহাজন শ্রমিক খাটিয়ে প্রতি মৌসুমে ৩০/৪০ হাজার পাখা তৈরি করে নিয়ে বড় বড় ব্যাবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে থাকে।

এখানে ৫ প্রকারের পাখা তৈরি হয়। এসব পাখার নাম দেওয়া হয়েছে ডাটা পাখা, হরতন পাখা, ঘুরকি পাখা, পকেট পাখা ও আমান পাখা। এখানে পাখা তৈরির কাজে নারীরা অনেকটা এগিয়ে রয়েছে। নারীরা সংসারের কাজের পাশাপাশি এই পাখা তৈরি করে বাড়তি আয় করে থাকেন। নারীরা বাড়তি আয়ের জন্য বিভিন্ন মহাজনের পাখা তৈরি করে। চুক্তি ভিত্তিক ১’শ পাখা তৈরি করলে তারা পাখার প্রকারভেদে ৬০ থেকে ১০০ টাকা পায়। চুক্তিভিত্তিক পাখা তৈরিকারক পারভীন, সহিদা, বৃষ্টি সহ একাধিক মহিলা বলেন, পাখা তৈরি থেকে শুরু করে পাখা তৈরির আনুষঙ্গিক কাজের উপর নির্ভর করে তারা পারিশ্রমিক পায়।

মহাজন সালাম জানান, তারা সারা বছরই ব্যস্ত থাকেন তালপাতা সংগ্রহ করাসহ পাখা তৈরির কাজে। পাখা তৈরির শুরুর ২/৩ মাস আগে থেকে নওগাঁ ও জয়পুরহাট জেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে তালপাতা কিনে এনে মজুদ করেন। পাখা তৈরি করে বড় বড় ব্যবসায়ীদের কাছে পাইকারি দরে বিক্রি করেন। সালাম বলেন, এখানকার তৈরি করা তালপাখা রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্রি হয়। প্রতি মৌসুমে এখানকার স্থানীয় মহাজনেরা এই ব্যবসায় ৫০ থেকে ৭৫ হাজার টাকা পর্যন্ত লাভ করে।

পাবনা জেলা থেকে পাখা কিনতে আসা ব্যবসায়ী মামুন শেখ ও মিরাজুল ইসলাম জানান, বাংলাদেশে যত তালপাতার পাখা তৈরি হয় তার বেশির ভাগই এখানকার। সালামের মতো আজগর শেখ বলেন, তালপাতার এই সৌখিন পাখাগুলো সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় বিভিন্ন মেলাতে। আগে শখের বসে এলাকরা নারীরা পাখা তৈরি করতো, সেগুলো কেউ কেউ মেলাতে বিক্রি করতো। আর এখন এই পাখা তৈরির কাজ অনেকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছে। এলাকার লোকজন বলে এই এলাকায় তাল গাছ বেশি। তাদের বাপ দাদার আদি পেশা এই তাল পাতা দিয়ে পাখা তৈরির কাজ। এখানে ৭/ ৮ বছরের শিশু পর্যন্ত পাখা তৈরি করতে পারে।

পাখা তৈরির কারিগররা বলেন, আধুনিকতার ছোঁয়া সব জায়গাতে ছড়িয়ে পরলেও তাদের তৈরি করা পাখার চাহিদা এখনও কমেনি।

;