ইনসেপ্টা নিয়ে এলো ফাইজারের অ্যান্টি-কোভিড ট্যাবলেট ‘জুপিটাভির’



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ইনসেপ্টা নিয়ে এলো ফাইজারের অ্যান্টি-কোভিড ট্যাবলেট ‘জুপিটাভির’

ইনসেপ্টা নিয়ে এলো ফাইজারের অ্যান্টি-কোভিড ট্যাবলেট ‘জুপিটাভির’

  • Font increase
  • Font Decrease

***উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি এবং মৃত্যু প্রতিরোধে ওষুধটি প্রায় ৯০ শতাংশ কার্যকর

দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ওষুধ কো¤পানি ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড কোভিড-১৯-এর চিকিৎসার জন্য ফাইজার-এর মুখে খাওয়ার অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ প্যাক্সলোভিড বাজারে আনার ঘোষণা দিয়েছে। ‘জুপিটাভির’ ব্রান্ড নামে ওষুধটি বাজারজাত শুরু করেছে ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড।

ওষুধ প্রসাশন অধিদপ্তর (ডিজিডিএ) প্রাপ্তবয়স্ক এবং ১২ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুদের মৃদু থেকে মাঝারি কোভিড-১৯ সংক্রমণের চিকিৎসার জন্য  ওষুধটির জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে। এর আগে ২২ ডিসেম্বর ২০২১, ইউএস ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (ইউএস এফডিএ) কোভিড-১৯ চিকিৎসার জন্য মুখে খাওয়ার প্রথম ওষুধ হিসাবে ওষুধটিকে জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেয়।

এই নোভেল অ্যান্টিভাইরাল ওষুধটি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি এবং মৃত্যু প্রতিরোধে প্রায় ৯০% কার্যকারিতা দেখিয়েছে এবং সাম্প্রতিক গবেষণার তথ্য অনুযায়ী ওষুধটি করোনাভাইরাসের দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ধরন ওমিক্রন-এর  বিরুদ্ধেও কার্যকর।

জুপিটাভিরে দুই ধরনের ওষুধ রয়েছে- নির্মাট্রেলভির এবং রিটোনাভির। নির্মাট্রেলভিরের সাথে অবশ্যই  রিটোনাভির সেবন করতে হবে।

নির্মাট্রেলভিরের দুইটি ট্যাবলেট এবং রিটোনাভিরের একটি ট্যাবলেট এক সাথে দিনে দুইবার করে মোট পাঁচ দিন সেবন করতে হবে। জুপিটাভির শুধুমাত্র চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী সেবন করতে হবে এবং কোভিড-১৯ শনাক্তের পর যত দ্রুত সম্ভব এবং লক্ষণ শুরু হওয়ার পাঁচ দিনের মধ্যে জুপিটাভির সেবন শুরু করলে কার্যকর ফলাফর পাওয়া যাবে।

বিজ্ঞপ্তি

৫৪২ বস্তা সরকারি চাল উদ্ধার, গোডাউন সিলগালা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

রংপুরে একটি গোডাউনে অভিযান চালিয়ে প্রধানমন্ত্রীর খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি এবং ওএমএসের ৫৪২ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় গোডাউনের মালিক মাহফুজার রহমান ও কর্মচারী মিন্টু মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ। একইসঙ্গে গোডাউনটি সিলগালা করে দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৬ মে) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (রাজস্ব শাখা, ভূমি অধিগ্রহণ শাখা) আমিনুল ইসলাম।

এর আগে বুধবার নগরীর উত্তর আশরতপুর এলাকায় গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআইয়ের তথ্যের ভিত্তিতে বিকাল ৪টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (রাজস্ব শাখা, ভূমি অধিগ্রহণ শাখা) আমিনুল ইসলাম। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের রংপুর বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আরিফ মিয়া, জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (আর এম শাখা, রেকর্ডরুম শাখা ও ব্যবসা বাণিজ্য ও বিনিয়োগ শাখা) শেখ তাকী তাজওয়ার প্রমুখ।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই সূত্রে খবর পেয়ে বুধবার দুপুরে নগরীর উত্তর আশরতপুর এলাকায় একটি গোডাউনে অভিযান শুরু করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। দীর্ঘ ৫ ঘণ্টাব্যাপী গোডাউনে তল্লাশি চালিয়ে সেখান থেকে ৩০ কেজির ৩৭৪ বস্তা চাল এবং ৫০ কেজির ১৬৮ বস্তা মোট ৫৪২ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয়। এসব চালের বস্তায় ওএমএস ও প্রধানমন্ত্রীর খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল লেখা রয়েছে।

গোডাউনের মধ্যে অন্যান্য চালের ভেতরে এই বস্তাগুলো লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। এরমধ্যে বেশ কিছু বস্তার চাল অন্য বস্তার মধ্যে ভরা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গোডাউনের মালিক মাহফুজ জানিয়েছেন, তারা লালমনিরহাট থেকে বিজিবির চাল কিনেছেন। তবে ওএমএসের চালের ব্স্তা সম্পর্কে কোনো সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি তিনি। দীর্ঘ অভিযান শেষে ৫৪২ বস্তা চাল উদ্ধার করে গোডাউনটি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। এ সময় গোডাউনের মালিক মাহফুজার রহমান ও তার কর্মচারী মিন্টু মিয়াকে আটক করা হয়।

বর্তমানে সিলগালা করা গোডাউনটি দেখাশোনার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রহমত উল্লাহ বাবলাকে।

;

আ.লীগের অফিস ভবনের জন্য ৭০ লাখ টাকার জমি কিনলেন ইব্রাহিম



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
নোয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য এইচ এম ইব্রাহিম

নোয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য এইচ এম ইব্রাহিম

  • Font increase
  • Font Decrease

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলা আওয়ামী লীগের অফিস ভবনের জন্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতির নামে ৭০ লাখ টাকা ব্যয়ে ব্যক্তিগত উদ্যেগে জমি কিনলেন নোয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য এইচ এম ইব্রাহিম।

বুধবার (২৫ মে) দুপুরে চাটখিল উপজেলায় ০৬ ডিং সম্পত্তি ৭০ লাখ টাকা ব্যয়ে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতির নামে রেজিঃ করেন সংসদ সদস্য এইচ এম ইব্রাহিম। স্থানীয় নুর জাহান বেগম নামে এক নারীর থেকে এই জমি ক্রয় করেন। একটি সুন্দর ও নান্দনিক পরিবেশে উপজেলা সদরে দলীয় অফিস করবেন তিনি।

এই ব্যাপারে জানতে চাইলে নোয়াখালী -১ আসনের সংসদ সদস্য এইচ এম ইব্রাহিম জানান, দীর্ঘদিন থেকে চাটখিল উপজেলায় আওয়ামী লীগের নিজস্ব ভবন নেই। এজন্য আমি ব্যক্তি তহবিল থেকে ৭০ লাখ টাকা ব্যয় করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতির নামে এই ০৬ ডিং জমি কিনেছি। এখানে একটি সুন্দর অফিস নিমার্ণের জন্য সঙ্গে এই সম্পত্তি ক্রয় করা হয়।

;

বগুড়ায় হত্যা মামলার আসামিকে গলা কেটে খুন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বগুড়া
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বগুড়ার শেরপুরে এনামুল হক (৩৫) নামের হত্যা মামলার আসামিকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

বৃহস্পতিবার (২৬ মে) সকাল ৯টায় গাড়িদহ ইউনিয়নের হাপুনিয়া মহাবাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত এনামুল হক হাপুনিয়া কলোনি এলাকার মোতালেবের ছেলে।

স্থানীয় জানান, সাত বছর আগে হাপুনিয়া এলাকার সালমা খাতুন নামের এক নারীকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছিল এনামুল হক। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হলে সেই মামলায় তিন বছর কারা ভোগ করে। এরপর ৪ বছর আগে জামিনে মুক্তি পায়। জামিনে মুক্তি নিয়ে আসার পর থেকে মানসিক ভারসাম্যহীন ভাবে এলাকায় চলাফেরা করে। এনামুল অনেক রাত পর্যন্ত বাজার এলাকার আশেপাশে ঘোরাফেরা করে সকালে বাড়িতে ফিরত। বুধবার রাতেও এনামুল স্থানীয় বাজার এলাকায় ঘোরাফেরা করে।

বৃহস্পতিবার সকালে স্কুল মাঠে শহীদ মিনারের পাশে তার মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

নিহত এনামুল হক তার খালা জাহানারা খাতুন এর বাড়িতে থাকতেন।

জাহানারা খাতুন জানান, এনামুল মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। তাকে একটি টিনের ঘর দেওয়া হয়েছিল সেই ঘরটি বিক্রি করেছে। পরে আবারও একটি ছোট্ট কুঁড়ে ঘর দেওয়া হয়েছে সারা রাত বাজার এলাকায় ঘোরাফেরা করে সকাল বেলা বাড়িতে এসে সে ওই কুঁড়ে ঘরে ঘুমাতেন। আজ সকালে সে আর বাড়িতে ফেরেনি। সকাল সাড়ে ৮টায় এলাকাবাসী তার মরদেহ দেখে আমাকে খবর দেয়।

শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)শহীদুল ইসলাম জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মরদেহের গলায় ও পেটে ছুরির আঘাত পাওয়া গেছে। জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ করছে।

;

সিরাজগঞ্জে ট্রাক-লেগুনার সংঘর্ষ, নিহত ৫



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিরাজগঞ্জ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ট্রাক-লেগুনার মুখোমুখি সংঘষে লেগুনার চার যাত্রী নিহত হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় ৫ জন আহত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ মে) ভোরে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের জেলার সলঙ্গা থানার রামারচর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলো, নাটোর জেলার ছোটপাকা গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে মকুল হোসেন (৩৫), আবুল হোসেনের ছেলে মনির হোসেন (৩২), বাসাবাড়িয়া গ্রামের জমির উদ্দিনের ছেলে মকবুল হোসেন (৩৫), জুমাইগর গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে হায়দার আলী (৪০) ও আব্দুল হালিম (৩৬)।

হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. লুৎফর রহমান বলেন, ভোরে সিরাজগঞ্জ রোড এলাকা থেকে একটি লেগুনা নাটোরের দিকে যাচ্ছিল। লেগুনাটি সলঙ্গার রামারচর এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পাথরবোঝাই ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই চার জনের মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। ট্রাক ও লেগুনা থানা আনার হয়েছে। মরদেহগুলো সিরাজগঞ্জ হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।

;