'লও ঠেলা' গ্রুপের মূলহোতাসহ গ্রেফতার ৯



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
'লও ঠেলা' গ্রুপের মূলহোতাসহ গ্রেফতার ৯

'লও ঠেলা' গ্রুপের মূলহোতাসহ গ্রেফতার ৯

  • Font increase
  • Font Decrease

'লও ঠেলা' গ্রুপের মূলহোতা দশের বাবু ও তার ৮ সহযোগীকে রাজাধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-২।

গেফতারকৃতরা হলেন- বাবু ওরফে দশের বাবু (২৬), মো. ফোরকান (২২), মো. পলাশ (২৩), মো. সুমন (২২), মো. সাগর, মো. রাজন (২৩), মো. নাজিম (২৪), শাকিল (২০), মিলন (২১)।

বুধবার (১৯ জানুয়ারি) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গ্রেফতারের এ তথ্য জানান র‌্যাব।

র‌্যাবের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তারা সবাই 'লও ঠেলা' গ্রুপের সক্রিয় সদস্য। এরা মোহাম্মদপুর ও তার আশেপাশের এলাকা সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদক কেনাবেচা, আধিপত্য বিস্তারসহ বিভিন্ন অপরাধ করে আসছে।

র‌্যাবের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গত ৩১ ডিসেম্বর রাতে মোহাম্মদপুর থানার নবী নগর হাউজিং এলাকায় একদল সন্ত্রাসী দোকানপাট, বাড়িঘর ভাঙচুর এবং ছিনতাই করে। পরবর্তীতে র‍্যাবের কাছে স্থানীয়দের থেকে একটি অভিযোগ পাওয়া যায়। এরপর গোয়েন্দা তৎপরতা ও ছায়া তদন্ত বৃদ্ধি করে র‌্যাব ।

পরবর্তীতে গত ১৬ জানুয়ারি আবারও মোহাম্মদপুর থানার নবী নগর হাউজিং এলাকায় একদল সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মারামারি, ভাঙচুর, ছিনতাই কার্যক্রমের অভিযোগ পাওয়া যায়। পরে র‌্যাব-২ এর অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

'লও ঠেলা' গ্রুপের প্রধান বাবু ওরফে দশের বাবুকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়- ২০০০ সালে তার মায়ের সাথে নড়াইল থেকে ঢাকায় আসে। ঢাকায় এসে প্রথমে তার মায়ের সাথে থাকতে শুরু করে। পরবর্তীতে সে গাড়ির হেলপার, হোটেল পরিষ্কারের চাকরিসহ বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত ছিল। পরবর্তীতে মাদকের টাকার জন্য ছোট ছোট চুরি, ছিনতাই এর মাধ্যমে অপরাধ জগতে হাতেখড়ি হয়। ২০১৪ সালে 'ভাইব্বা ল কিং' কিশোর গ্যাং এর সঙ্গে পরিচয় হয়। পরবর্তীতে এই বাহিনীতে যোগ দিয়ে অপরাধের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। সে ওই বাহিনীর সঙ্গে মোহাম্মদপুরের বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং মাদক কেনাবেচায় জড়িয়ে পড়ে। এক সময় তার কুখ্যাতি চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে অপরাধ জগতে সে 'দশের বাবু' নামে খেতাব পায় বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরবর্তীতে তাদের নিজেদের মধ্যে বিরোধে 'ভাইব্বা ল কিং' গ্রুপ থেকে আলাদা হয়ে ২০১৭ সাল হতে 'লও ঠেলা' গ্রুপে গড়ে তোলে। বাবু বখে যাওয়া ছেলেদের তার গ্রুপে যোগদান করাত। মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যান, বসিলা, চাঁদ উদ্যান এলাকায় ডাকাতি, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপরাধে সম্পৃক্ত 'লও ঠেলা' গ্রুপ। এ ছাড়াও, জবর দখল, ভাড়ায় শক্তি প্রদর্শন এবং আধিপত্য বিস্তারসহ নানা অপকর্মে তাদের ব্যবহার করে বাবু। বাবুর বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় অস্ত্র, ডাকাতি, দস্যুতা, মাদক, ছিনতাইসহ ৬টি মামলা আছে।

আমরা সংঘাত চাই না, উন্নতি চাই: প্রধানমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যুদ্ধ না, আমরা শান্তি চাই। সংঘাত না, আমরা উন্নতি চাই।

রোববার (২৯ মে) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস-২০২২ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী এবং পুলিশ বাহিনীর সব শান্তিরক্ষীদের বিশ্বব্যাপী শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে পেশাদারিত্ব-সততা বজায় রেখে নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে স্ব স্ব দায়িত্ব পালন করবেন এবং নিজেদের সুরক্ষিত রাখার যেমন চেষ্টা করবেন, দেশের ভাবমূর্তি যাতে উজ্জ্বল হয় সেভাবে আপনারা কাজ করবেন সেটাই আমরা চাই। জাতিসংঘের আহ্বানে সাড়া দিয়ে প্রয়োজনে আরও শান্তিরক্ষী পাঠাতে আমরা প্রস্তুত। বিশ্ব করোনাভাইরাসের মতো মহামারি অতিক্রম করতে করতে আরেকটা যুদ্ধের দামামা বেজে উঠেছে, যা আজকে বিশ্বে অর্থনীতির ওপর বিরাট প্রভাব ফেলেছে। আমরা কোনো সংঘাত চাই না, যুদ্ধ চাই না। আমরা শান্তি চাই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কেবল বাঙালি জাতিরই নন, তিনি ছিলেন বিশ্বের নির্যাতিত, নিপীড়িত ও শোষিত মানুষের মুক্তির ও শান্তির দূত। এজন্য বিশ্ব শান্তি পরিষদ তাকে জুলিও কুরি শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করে। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।

তিনি বলেন, বিশ্ব আজ দুভাগে বিভক্ত—শোষক ও শোষিত। আমি শোষিতের পক্ষে। তিনি (বঙ্গবন্ধু) সব সময় শোষিত, নির্যাতিত, নিপীড়ত মানুষের পক্ষে কাজ করেছেন। বাংলাদেশের মানুষকে শোষণ, বঞ্চনা, নির্যাতন, নিপীড়ন থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য তিনি নিজের জীবন উৎসর্গ এবং স্বাধীন জাতি হিসেবে আমাদের প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন।

তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭৪ সালে আমরা জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করি এবং জাতিসংঘে তিনি ২৫ সেপ্টেম্বর ভাষণ দেন। সেই ঐতিহাসিক ভাষণে তিনি বিশ্বের সর্বত্র শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অব্যাহত সমর্থনের বিষয়ে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরীতা নয়' এই নীতি তিনি ঘোষণা করেছিলেন। যে নীতি আমরা এখনো মেনে চলি। বাংলাদেশ সব সময় চায় শান্তি প্রতিষ্ঠা হোক। যুদ্ধ না, আমরা শান্তি চাই। সংঘাত না, আমরা উন্নতি চাই। জাতির পিতার শান্তি সেনানীরূপে ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় 'ব্লু হেলমেট' পরিবারের সদস্য হয়। আজ আমরা 'সর্বোচ্চ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ' হিসেবে গৌরবের ৩৪ বছর উদযাপন করছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে গত ৩৪ বছর ধরে বাংলাদেশের প্রতিটি শান্তিরক্ষী তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব দক্ষতা ও সফলতার সঙ্গে পালন করে যাচ্ছেন। সমগ্র বিশ্বে শান্তিরক্ষায় সক্রিয় অংশগ্রহণকারী হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান সর্বজনবিদিত। ৯৬ সালে প্রায় ২১ বছর পর আমি যখন সরকার গঠন করি, তখনই জানি আমাদের দেশ থেকে শান্তিরক্ষী মিশনে আমাদের সদস্যরা যাচ্ছেন; সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনী থেকে। তাই তারা যাতে উপযুক্তভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারেন এবং তাদের প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি করার জন্য, যিনি যে দেশে যাচ্ছেন সেই দেশ সম্পর্কে জানা, সেখানে কী করণীয় সে সম্পর্কে প্রশিক্ষণ নেওয়া এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সে জন্য আমি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে দেই। জাতিসংঘ মিশনে কার্যকর অংশগ্রহণ বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় আমাদের অবস্থানকে সুসংহত করেছে। একইসঙ্গে সামরিকভাবে শক্তিশালী দেশগুলোর সঙ্গে আমাদের দেশের পারস্পরিক কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এ ছাড়াও, শান্তিরক্ষী বাহিনীর সদস্যরা দেশের জন্য বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছেন, যা আমাদের জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে যাচ্ছে।

সরকার প্রধান বলেন, সমসাময়িক বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বিশ্ব শান্তি নিশ্চিত করা অতীতের যে কোনও সময়ের চেয়ে অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রযুক্তির দ্রুত প্রসার ও অগ্রযাত্রার সঙ্গে সঙ্গে রাষ্ট্রীয় এবং অরাষ্ট্রীয় অপশক্তিগুলো নতুন হুমকি হিসেবে দেখা দিয়েছে। ফলে বর্তমানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনগুলোতে শান্তিরক্ষীদের বহুমাত্রিক ও জটিল পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হচ্ছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা অপারেশনে এই নতুন চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় আমরা আমাদের শান্তিরক্ষীদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জামাদি দিয়ে প্রস্তুত করে তুলছি।

তিনি আরও বলেন, 'পিপল পিস প্রোগ্রেস: দ্য পাওয়ার অব পার্টনারশিপ' ২০২২ সালের জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসের প্রতিপাদ্যকে আমরা সামনে রেখে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ আরও জোড়ালো ভূমিকা পালন করবে সেই অঙ্গীকার আমরা করছি।

;

সিরাজগঞ্জে বিদ্যুতায়িত হয়ে বিক্রয় প্রতিনিধির মৃত্যু



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিরাজগঞ্জ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সিরাজগঞ্জে একটি আবাসিক হোটেলে বিদ্যুতায়িত হয়ে আব্দুর রাজ্জাক নামের এক বিক্রয় প্রতিনিধির মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (২৯ মে) সকালে শহরের এসএস রোডস্থ হাফিজ প্লাজার ৪র্থ তলায় অবস্থিত নিরব আবাসিক গেস্ট হাউজের ৪০১ নম্বর কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রাজ্জাক পঞ্চগড়ের তেতুলিয়া উপজেলার মানিকডোবা গ্রামের শফিকুল ইসলাম ছেলে। সে সিরাজগঞ্জে প্রাণ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে চাকরি করতো।

সিরাজগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার আতাউর রহমান জানান, বিক্রয় প্রতিনিধি আব্দুর রাজ্জাক শনিবার রাতে ওই হোটেলে ছিলেন। সকালে নিজ কক্ষের বেলকুনিতে গিয়ে মোবাইলে কথা বলছিলেন তিনি। এমন সময় তার হাতে থাকা স্টিলের একটি পাইপ বেলকুনির বাইরে থাকা বিদ্যুতের তারে লাগে। এতে বিদ্যুতায়িত হয়ে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। সংবাদ পেয়ে লাশ উদ্ধারের পর সিরাজগঞ্জ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাজ্জাদুর রহমান জানান, নিহতের মরদেহ হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। তার ডান হাত ঝলছে গেছে। স্বজনদের খবর দেওয়া হয়েছে। তারা আসলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

;

বেগমগঞ্জে কৃষি ইনস্টিটিউটের ছাত্রদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় আহত ৬



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
বেগমগঞ্জে কৃষি ইনস্টিটিউটের ছাত্রদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

বেগমগঞ্জে কৃষি ইনস্টিটিউটের ছাত্রদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

  • Font increase
  • Font Decrease

খেলাকে কেন্দ্র করে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের কৃষি ইনস্টিটিউটের ছাত্রদের সঙ্গে স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ৬ জন আহত হয়েছেন।

আহতরা হলো, কৃষি ইনস্টিটিউটের সপ্তম সেমিস্টারের ছাত্র নাহিদ, নাজিম, রিয়াদ ও মো. আশরাফুল। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ছাড়া তৃতীয় বর্ষের ছাত্র মো.আশরাফুল নামের এক শিক্ষার্থীকে আহত অবস্থায় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার (২৮ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে বেগমগঞ্জ উপজেলার কৃষি ইনস্টিটিউট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি। তিনি বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোন পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তবে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় দুই পক্ষের লোকজনই আহত হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেগমগঞ্জের কুমিল্লা-নোয়াখালী মহাসড়কের পশ্চিম পাশে (চৌরাস্তা থেকে দক্ষিণ দিকে) কৃষি ইনস্টিটিউটের ছাত্ররা কৃষি ইনস্টিটিউটের পূর্বদিকে অবস্থিত হেলিপ্যাড মাঠে খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় কয়েকজন যুবকের সঙ্গে শনিবার বিকেলে খেলার মাঠে কথাকাটাকাটি হয়। এর জের ধরে শনিবার রাতে কৃষি ইনস্টিটিউটের হোস্টেলে থাকা ছাত্রদের সঙ্গে স্থানীয় যুবকদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

ওসি আরও জানায়, এটা অনেক পুরনো সমস্যা। কৃষি ইনস্টিটিউটের ছাত্ররা বাহিরে যায়, বাহিরের লোকজন ভিতরে আসে। এরা পরস্পর বন্ধুবান্ধব, এক সাথে খেলাধুলা করে। কৃষি ইনস্টিটিউটের মাঝখান দিয়ে একটি রাস্তা থাকায় গ্রামবাসী অবাধে আসা যাওয়া করে। একটি ঘটনা থেকে এমন ঘটনা ঘটেনি। কয়েকটি ঘটনার জের ধরে গতকালের ঘটনা ঘটে। ইনস্টিটিউটের নিরাপত্তায় জনবল সংকট রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত প্রদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

;

সিরাজগঞ্জে শেয়াল মারার ফাঁদে শিশুর মৃত্যু



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিরাজগঞ্জ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে মুরগি বাঁচাতে খামারে জেইআই তার দিয়ে বেড়া দেওয়া ফাঁদে বিদ্যুতায়িত হয়ে জান্নাতি (৭) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

নিহত জান্নাতী তাড়াশ উপজেলার তালম ইউনিয়নের শিব পাড়ার জিল্লুর রহমানের মেয়ে।

রবিবার (২৯ মে) সকালে উপজেলার তালম ইউনিয়নের তালম গ্রামের শিব পাড়ায় এ ঘটনা ঘটেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার শিবপাড়ায় আবু তালেবের নিজ বাড়িতে মুরগির ফার্মে শেয়াল তাড়াতে রাতের বেলায় জেইআই তারের বেড়ায় বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে রেখেছিলো। আজ ভোরে জান্নাতি আম কুড়াতে গিয়ে মুরগির ফার্মের বিদ্যুৎ স্পর্শে বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা যায়।

তালম ইউনিয়নের ৮ নাম্বার ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য তালেব হোসেন জানান, খামারি আবু তালেব আমাকে সকালে মুঠো ফোনে বলেন, তার মুরগির খামারের শেয়াল মারা ফাঁদে একটি শিশু মারা গেছে। এরপর তাকে খামারের পাশের একটি পরিত্যক্ত জায়গায় আবর্জনা দিয়ে ঢেকে রেখেছেন। পরে আমি পুলিশকে খবর দেয়।

তাড়াশ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, আবু তালেব তার মুরগির ফার্মে শেয়াল তাড়াতে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে রেখেছিলো। তাতে স্পর্শ হয়ে জান্নাতির মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ফার্মের মালিক তালেবকে খোঁজা হচ্ছে। ঘটনার মুল কারন উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। অভিযোগ করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিশুটির মরদেহ থানায় আনার প্রস্তুতি চলছে।

;