নবাবগঞ্জ ফায়ার স্টেশনের নির্ধারিত জায়গায় সাইনবোর্ড স্থাপন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
নবাবগঞ্জ ফায়ার স্টেশনের নির্ধারিত জায়গায় সাইনবোর্ড স্থাপন

নবাবগঞ্জ ফায়ার স্টেশনের নির্ধারিত জায়গায় সাইনবোর্ড স্থাপন

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় ফায়ার স্টেশন নির্মাণের নির্ধারিত জায়গায় সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে এলাকাবাসী।

গত বুধবার (১৯ জানুয়ারি)বিকেল ৩টায় নবাবগঞ্জ উপজেলার কলাকোপা ইউনিয়নের আমতলায় এই সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়।

সাইনবোর্ড স্থাপন করায় দীর্ঘদিন মামলার কারণে আটকে থাকা ফায়ার স্টেশনের নির্মাণকাজের জট খুললো বলে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে এলাকাবাসী।

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন মামলা চলমান থাকায় নবাবগঞ্জ ফায়ার স্টেশনের নির্মাণকাজ স্থগিত থাকে। সম্প্রতি কোর্টের রায় সরকার পক্ষে আসায় এখন ওই স্থানে ফায়ার স্টেশন নির্মাণে আর কোনো আইনগত বাধা নেই।

ফায়ার সার্ভিস অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজ্জাদ হোসাইন, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, এমফিল মহোদয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী ১৯ জানুয়ারি এই সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়।

এ সময় নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আলহাজ নাসির উদ্দিন আহম্মেদ ঝিলু, নবাবগঞ্জ উপজেলার থানা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচ এম সালাউদ্দীন মনজু, নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান আহ্বায়ক মো. মিজানুর রহমান কিসমত, যুগ্ম আহ্বায়ক দেওয়ান আওলাদ হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক ও নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. আরিফুর রহমান শিকদার, নবাবগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি ও কলাকোপা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. ইব্রাহীম খলিল, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক এনায়েত হোসেন ও হাফিজুর রহমান, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অর্থনীতি সমিতির ২০ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য ২০ লাখ ৫০ হাজার ২৬ কোটি টাকার বিকল্প বাজেটের প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি।

রোববার (২২ মে) ঢাকায় সমিতির অডিটোরিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলন এ বিকল্প বাজেট প্রস্তাব তুলে ধরেন সমিতির সভাপতি অর্থনীতিবিদ আবুল বারকাত।বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির বিকল্প বাজেট প্রস্তাবনা ২০২২-২৩: একটি জনগণতান্ত্রিক বাজেট শিরোনামে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

আবুল বারকাত বলেন, প্রস্তাবিত জনগণতান্ত্রিক ২০ লাখ ৫০ হাজার ৩৬ কোটি টাকার বিকল্প বাজেট প্রস্তাব করছি। যা বর্তমান বাজেটের তুলনায় ৩ দশমিক ৪ গুণ বেশি।

আগামী ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য প্রাথমিকভাবে ছয় লাখ ৭৭ হাজার ৮৬৪ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাবনা তৈরি হয়েছে। নতুন এই বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ। এতে মূল্যস্ফীতি ধরা হয়েছে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ। আগামী ৯ জুন (বৃহস্পতিবার) জাতীয় সংসদে নতুন অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী।

এর আগে চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটের আকার বা মোট ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছিল ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা, যা জিডিপির ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ।

;

পানিতে ভাসছে কৃষকের সোনালী স্বপ্ন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, টাঙ্গাইল
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

পানি বৃদ্ধির ফলে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন এলাকায় পাকা ধান ডুবে যাচ্ছে।

রোববার (২২ মে) সকালে বাসাইল উপজেলার কাঞ্চনপুর ও বাসাইল সদর ইউনিয়নের রাশড়া, মিরিকপুর, হান্দুলী, জিকাতলী পাড়া, সৈয়দামপুর, পৌলী, যৌতুকীতে গিয়ে দেখা যায়, হাঁটু পানিতে নেমে ধান কাটছে কৃষকরা। আবার কেউ কাটা ধান নৌকাযোগে উঁচু স্থানে তুলছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, চলতি বোরো মৌসুমে এক লাখ ৭১ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে বোরো চাষের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়। সেখানে চাষ হয়েছে এক লাখ ৭২ হাজার ৫৫৩ হেক্টর জমিতে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ২৪ হাজার মেট্রিক টন। জেলার ১২টি উপজেলার মধ্যে ভূঞাপুর, নাগরপুর, কালিহাতী, টাঙ্গাইল সদর, দেলদুয়ার ও বাসাইলের বিভিন্ন এলাকার জমিতে পানি প্রবেশ করেছে।

বাসাইল কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের কৃষক প্রদীপ সরকার বলেন, দুই বছর আগে পানিতে ধান ডুবে গেছিল। এবারও জমিতে পানিতে ঢুকছে। এবছর ৩০০ শতাংশ জমিতে ধান চাষ করেছিলাম। এক বিঘা জমি আবাদ করতে খরচ হয়েছে ৫-৬ হাজার টাকা। আর ধান কাটতে ৮-৯ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। এই ধান যদি ডুবে যায় আমরা কি খামু। আমরা বছরে দুইটা ফসল ফলাই। চকে সব ধান রয়ে গেছে। কি করুম কিছু বুঝতাছি না। দু-তিন দিনের মধ্যে পানি এসে পরলো। ধান কাটা এখনো শেষ করতে পারি নাই। ১০০০-১২০০ টাকা করেও শ্রমিক পাওয়া যায় না।

কাটা ধান নৌকাযোগে উঁচু স্থানে নেওয়া হচ্ছে

জিকাতলী পাড়া গ্রামের চাষি সাধন সরকার বলেন, আমার প্রায় জমিতে পানি উঠেছে। এক হাজার টাকা মজুরিতে শ্রমিক দিয়ে ধান কাটতে হচ্ছে। যেভাবে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে উঁচু জমিগুলোতে পানি উঠে যাবে। আর নিচু জমির ধান না কাটতে পারলে ডুবে যাবে। বাতাসে ধান নুয়ে গেছে। ধানের দাম কম আর শ্রমিকের দাম বেশি।

কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী বিজয় সরকার বলেন, জমিতে পানি উঠেছে, হাঁটু জলের মধ্যে ধান কাটতেছে। যদি ধান না কাটতে পারি তাহলে জমির ধান ডুবে যাবে।১২০০ টাকা করে শ্রমিক তাও পাওয়া যায় না। যেভাবে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে উঁচু জমিতেও পানি উঠবে। এবার ধান আবাদে কৃষক লোকসানের মুখে পড়বে।

;

ট্রেনের নিচে ঝাঁপ, প্রাণ গেল মৎস্যজীবীর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজবাড়ী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজবাড়ী সদর উপজেলার ড্রাই আইস ফ্যাক্টরি এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে আনন্দ সরকার (৫৫) নামে এক মৎসজীবী নিহত হয়েছেন।

রোববার (২২ মে) সকাল ৮টার দিকে রাজবাড়ী থেকে কুষ্টিয়াগামী সাটল ট্রেনে কাটা পড়ে তিনি নিহত হন। আনন্দ সরকার ট্রেনের নিচের ঝাঁপ দিয়েছিলেন বলে জানা যায়।

নিহত আনন্দ সরকার পৌর সভার ৮ নং ওয়ার্ডের ড্রাই আইস ফ্যাক্টরি এলাকার সুবল চন্দ্র সরকারের ছেলে। তিনি খালে বিলে কুইচা মাছ ধরে সংসার চালাত।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ৮টার দিকে ট্রেন আসতে দেখে আনন্দ সরকার ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেন। এ সময় তার মৃত্যু হয়। পারিবারিক কলহ বা অসুস্থতার কারণে তিনি এমন কাজ করে থাকতে পারেন। তিনি অনেক দিন ধরেই শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন।

জিআরপি থানার এসআই মো. আসাদুজ্জামান মৃত্যুর বিষযটি নিশ্চিত করে তিনি বলেন, লাশের সুরতহাল রিপোর্ট শেষে ময়নাতদন্তের জন্য রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

;

যমুনার পানি বিপৎসীমা ছুঁইছুঁই



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিরাজগঞ্জ
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

অতিবর্ষণে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি বেড়েই চলছে। এতে করে নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছে তীব্র নদীভাঙন। যেভাবে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে এতে বন্যার আশঙ্কা করছেন শহর ও নদী পাড়ের মানুষ।

গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ এলাকায় ৬ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। এখনও বিপৎসীমার ১ দশমিক ১১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

এদিকে, পানি বৃদ্ধি ও তীব্র স্রোতের কারণে নদী-তীরবর্তী অঞ্চল কাজীপুর, সদর, বেলকুচি, শাহজাদপুর, এনায়েতপুর ও চৌহালীতে নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙনে ঘর-বাড়ি, ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে জেলার চৌহালী, শাহজাদপুর, কাজীপুর ও এনায়েতপুরে ভাঙনের তীব্রতা বেশি। এতে করে বন্যার আশঙ্কা করছে শহরবাসী। ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে বালুর বস্তা ফেলা হচ্ছে।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নাসির উদ্দিন বলেন, সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধসহ সব এলাকাতেই যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও এখন পর্যন্ত বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে আরও কয়েকদিন এভাবেই পানি বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদি এভাবেই পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকে তাহলে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে যমুনার পানি প্রবাহিত হবে।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম বলেন, যমুনা নদীতে পানি বাড়ার কারণে নিম্নাঞ্চলের নতুন নতুন এলাকায় পানি প্রবেশ করেছে। এতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে। কিছু স্থানে নদী ভাঙন রয়েছে। তবে ভাঙন রোধে বালুর বস্তা ফেলা হচ্ছে। সেই সাথে ভাঙন রোধে ৩০ হাজার জিও ব্যাগ প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়াও ৯৬ হাজার জিও ব্যাগের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে।

;