সাত গ্রামের পাহাড়ি মারমা মানুষদের উদ্যোগে সাঁকো তৈরি



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, খাগড়াছড়ি
সাত গ্রামের পাহাড়ি মারমা মানুষদের উদ্যোগে সাঁকো তৈরি

সাত গ্রামের পাহাড়ি মারমা মানুষদের উদ্যোগে সাঁকো তৈরি

  • Font increase
  • Font Decrease

খাগড়াছড়ি সদরের সাত গ্রামের ত্রিশ জন পাহাড়ি মারমা যুবকের স্বেচ্ছা শ্রম দিয়ে বাঁশ, কাঠ, দিয়ে চেঙ্গী নদীর ওপর সাঁকো তৈরি করছেন। চলাচল করছে খাগড়াছড়ি সদরের দক্ষিণ গোলাবাড়ি, পশ্চিম গোলাবাড়ির ত্রিপুরাপাড়া, ঠাকুরছড়া, বটতলী, কালাডেবাসহ সাত গ্রামের পাহাড়ি মারমা মানুষরা। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত শ্রম দিয়ে সাঁকো তৈরির কাজ শেষ করবেন জানান উদ্যোক্তারা।

শনিবার সকালে গিয়ে দেখা যায়, চেঙ্গী নদীর পারে মাইকে চলছে একের পর এক গান। কখনো বৌদ্ধ ধর্মীয়, আধুনিক, হিন্দীসহ ইংরেজি গান শুনে শীতে চেঙ্গী নদীর পানিতে নেমে দুইপাশে দুইটি কুঠি ঘেরে বাঁশ ও কাঠ বেঁধে সাঁকো তৈরি করছেন যুবকরা।       

সাঁকো তৈরির উদ্দ্যোক্তা ক্যাচিং মর্গ বলেন, সাত গ্রামের মানুষ যাতায়াতের জন্য ত্রিশ জন সেচ্ছা শ্রম দিয়ে আমাদের ছেলেরা সাঁকো তৈরি করছেন। রোগীদের পারাপার করতে অসুবিধা হয়। ডেলিভারি রোগীদের নদী পার হলে হাসপাতালে নিয়ে যেতে রোগীরা অনেক কষ্ট পায়। দুর্ভোগে পড়ে স্বজন ও মানুষরা। তিনি বলেন, দক্ষিণ গোলাবাড়ি, কালাডেবা, বটতলীসহ সাত গ্রামের মানুষ থেকে দশ থেকে পাঁচশ টাকা তোলে সাঁকো তৈরি করছি। তৈরি করতে পঁঞ্চাশ হাজার টাকা খরচ হবে।   


চাইহলাপ্রু মারমা ও আচাইপ্রু মারমা বলেন, সকাল থেকে আমরা সেচ্ছা শ্রম দিয়ে সবাই মিলে মিসে সাঁকো তৈরির কাজ করছি। সন্ধ্যার আগে সাঁকো তৈরি হয়ে যাবে। শীতে ঠান্ডা পানিতে নেমে কাজ চলছে। কষ্ট হলেও গ্রামবাসির সুবিধার জন্য আমরা সাঁকো তৈরির কাজ শেষ করে সবাই বাড়ি ফিরব।      

দক্ষিণগোলাবাড়ির বাসিন্দা নিওয়েন চৌধুরী বলেন, আমাদের গ্রাম থেকে নৌকা দিয়ে নদী পার করে শাক-সবজি বটতলীতে নিয়ে যেতে হয়। খাগড়াছড়ি শহরের চাহিদা মিটিয়ে চট্টগ্রাম পর্যন্ত যায়। বর্ষা মৌসুমে নৌকা ও শীত মৌসুমে সাঁকো দিয়ে পার করে সবজি বিক্রি করতে নিয়ে যেতে হয়। গ্রামবাসি থেকে টাকা তোলে যুবক, নারী ও বয়স্করা মিলে সাঁকো তৈরি করছেন। কষ্টের কোনো শেষ নেই আমাদের। একটি সেুত নিমার্ণ করা হলে দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পায় সাত গ্রামের মানুষরা। 

গোলাবাড়ি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও হেডম্যান অংখ্যচিং চৌধুরী বলেন, জেলা পরিষদ, উন্নয়ন বোর্ড, এলজিইডি ও পানি উন্নয়ন বোর্ড ইচ্ছে করলে এখানে একটি ব্রিজ নিমার্ণ করতে পারে। তাঁরা ফিরে থাকায় না। সেতু হলে গ্রামের উন্নয়ন হত। তিনি বলেন, দক্ষিণগোলাবাড়ি এলাকায় পাঁচ হাজার একর জমিতে সবজি চাষ করেন দুই হাজর পাহাড়ি চাষিরা চাষ করে সংসার চালান।


সাঁকো তৈরি করতে পনের হাজার টাকা দান করেন সুজিত দেওয়ান। তিনি বলেন, সাত গ্রামের মানুষদের দুঃখ দেখে সাঁকো তৈরি করতে পনের হাজার টাকা দিয়ে তাঁদের সহযোগিতা করি।

খাগড়াছড়ি সদরের গোলাবাড়ি ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড মেম্বার রাম কুমার ত্রিপুরা বলেন, পাকিস্তান আমলে দক্ষিণগোলাবাড়ির মারমাপাড়া হয়ে নদী পার হয়ে আমাদের বাজারে যেতে পুরানো রাস্তা ছিল এটা। প্রতি পরিবার তিন থেকে চার কানি জমিতে সবজি চাষ করে। সবজি শহরে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করতে হয় কষ্ট করে। আমাদের এখানে ব্রিজ দরকার। তিনি বলেন, সাবেক এমপি যতিন্দ্রলাল ত্রিপুরা থাকা কালিন ব্রীজের জন্য আবেদন করেছে। নানান সদস্যার কারণে হয়নি।

খাগড়াছড়ি জেলা সদর গোলাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জ্ঞান রঞ্জন ত্রিপুরা বলেন, খাগড়াছড়ি পৌরসভা ও ইউনিয়নের মধ্যে পড়ে এই স্থানটি। দক্ষিণগোলাবাড়িসহ বেশ কয়েকটি গ্রামবাসিদের টাকা দিয়ে তাঁরা সাঁকো তৈরি করেন। শীতের সময়ে লোকজন ওইখানে সাঁকো তৈরি করে দক্ষিণ গোলাবাড়ি হয়ে বটতলী পারাপার করেন। বর্ষা মৌসুমে তাঁরা দুরে ঠাকুরছড়া দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। সময় বাচাঁনোর জন্য তাঁরা নদীর পার হয়ে শহরের বটতলী এলাকার বাজারে যায়। এদের সময়ের প্রয়োজনে চেঙ্গী নদী পার হলে শহরের বটতলী এলাকা। এই সুবিধা। তিনি বলেন, আমরা যে বরাদ্দ পায় তা দিয়ে ব্রিজ নিমার্ণ করা সম্ভব নয়। এখানে ব্রিজ দেওয়া জরুরি।

আবদুল হককে জাপানের ‘দ্য অর্ডার অব দ্য রাইজিং সান’ অ্যাওয়ার্ড প্রদান



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
আবদুল হককে জাপানের ‘দ্য অর্ডার অব দ্য রাইজিং সান’ অ্যাওয়ার্ড প্রদান

আবদুল হককে জাপানের ‘দ্য অর্ডার অব দ্য রাইজিং সান’ অ্যাওয়ার্ড প্রদান

  • Font increase
  • Font Decrease

জাপান দুতাবাসে অনুষ্ঠিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে দেশের রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানি খাতের পথিকৃৎ ব্যবসায়ী আবদুল হককে জাপানের ‘দ্য অর্ডার অব দ্য রাইজিং সান’ (the Order of the Rising Sun, Gold Rays with Rosette) অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়েছে। বাংলাদেশে জাপানের রাষ্ট্রদুত মি. ইতো নাওকি গত ২৩ জুন জাপান দুতাবাসে অনুুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে আবদুল হককে এ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করেন।

জাপান ও বাংলাদেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং পারস্পরিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে নিরলস ও বিশেষ অবদানের জন্য জাপান সরকার এ বছর আরও দুই বাংলাদেশীর সাথে আবদুল হককে এই ‘অর্ডার’ দিয়েছে। বাংলাদেশে জাপানী ব্যবসায়ীদের জন্য উন্নত বিনিয়োগ ও ব্যবসা পরিবেশ সৃষ্টি এবং বাংলাদেশি ও জাপানী ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের জন্য জাপান সরকার তাকে এই ‘অর্ডার’ দিয়েছে।


‘দ্য অর্ডার অব দ্য রাইজিং সান’ হচ্ছে ১৮৭৫ সাল থেকে জাপান সরকারের দেয়া সে দেশের প্রথম জাতীয় ডেকোরেশন।  

হক’স বে অটোমোবাইলস এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব আবদুল হক দেশের রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানিকারকদের সংগঠন বারভিডার প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট। তিনি ৩ মেয়াদে বারভিডার প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

আবদুল হক বাংলাদেশে রিপাবলিক অব জিবুতির অনারারি কনসুল। তিনি ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের ৮ টি মেয়াদে পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি জাপানিজ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি এসোসিয়েশন ইন ঢাকা (জেসিএআইড) এর বিশেষ উপদেষ্টা এবং ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড (IDCOL) এর সরকার কর্তৃক নিযুক্ত পরিচালক। তিনি জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (জেবিসিসিআই) এর প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট।

;

পদ্মা সেতু: চালুর প্রথম দিনেই স্বস্তি দৌলতদিয়া ঘাটে



সোহেল মিয়া, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজবাড়ী
চালুর প্রথম দিনেই স্বস্তি দৌলতদিয়া ঘাটে

চালুর প্রথম দিনেই স্বস্তি দৌলতদিয়া ঘাটে

  • Font increase
  • Font Decrease

শনিবার (২৫ জুন) স্বপ্নের পদ্মা সেতুর শুভ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর উদ্বোধনের একদিন পর রোববার (২৬ জুন) সকাল ৬টা থেকে চালু হয় যান চলাচল। পদ্মা সেতু চালু হওয়ার প্রথম দিনেই পাল্টে গেছে দৌলতদিয়া ঘাটের চিরচেনা রূপ। যেখানে নদী পার হতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হতো ফেরির অপেক্ষায়, সেখানে এখন ফেরিই অপেক্ষা করছে যানবাহনের জন্য।

নদী পারের জন্য আসা যানবাহনগুলো টিকিট সংগ্রহ করে ১০ মিনিটের মধ্যেই উঠে যাচ্ছে ফেরিতে। ঘাট এলাকাতেও নেই তেমন একটা বাড়তি গাড়ির চাপ। যে নৌরুট দিয়ে প্রতিদিন চরম ভোগান্তি পোহাতে হতো যাত্রী, চালক ও হেলপারদের সেই নৌরুটে এখন স্বস্তি ফিরে এসেছে পদ্মা সেতুর প্রভাবে।

তবে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহনের (বিআডব্লিউটিসি) কর্তৃপক্ষ বলছে ভিন্ন কথা। তারা বলছেন, কয়েক দিন না গেলে বোঝা যাবে না আসলে কতটুকু প্রভাব পড়বে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে। দৌলতদিয়া ঘাটের চিত্র দেখতে হলে আরো কয়েক দিন সবাইকে অপেক্ষা করতে হবে।

রোববার (২৬ জুন) সারাদিনই রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ঘাটে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। যে ঘাট দিয়ে প্রতিদিন লাখো মানুষ ও হাজার হাজার যাত্রীবাহী বাস, ব্যক্তিগত ছোট গাড়ী, কাভার্ড ভ্যান ও পণ্যবাহী ট্রাক নদী পার হওয়ার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে অপেক্ষা করতো আজ আর অপেক্ষা করা লাগছেনা। সরাসরি ঘাটে এসে কোন রকম ভোগান্তি ছাড়াই ফেরিতে উঠে যাচ্ছে।

কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা একটি যাত্রীবাহী বাসের চালক বার্তা২৪.কমকে বলেন, মনে হচ্ছে পদ্মা সেতুর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে দৌলতদিয়া ঘাটে। পদ্মা সেতু চালুর প্রথম দিনেই এতো স্বস্তিতে নদী পাড়ি দিতে পারব বুঝতেই পারিনি। ঘাট এলাকায় আসার সাথে সাথেই ফেরির টিকিট হাতে পেয়েছি এবং ১০ মিনিটের মধ্যেই ফেরিতে উঠেছি।


ঐ বাসেরই যাত্রী জোবায়ের হোসেন বার্তা২৪.কমকে বলেন, আমরা সাধারণত এই নৌরুটটিই ব্যবহার করি। নদী পার হতে গেলে যে ভোগান্তি পোহাতে হতো তা কল্পনাও করা যায় না। কিন্তু আজ আমাদের বাসটি ফেরির টিকিট নিয়েই সরাসরি ফেরিতে উঠে গেল। মনে হচ্ছে পদ্মা সেতুর জন্য আমরাও বেঁচে গেলাম।

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক প্রফুল্ল চৌহান বার্তা২৪.কমকে বলেন, আজ রোববার (২৬ জুন) অন্যান্য দিনের তুলনায় ঘাটের অবস্থা খুবই ভালো ছিল। আজ নদী পার হওয়ার জন্য কাউকে অপেক্ষা করতে হয়নি। কোন ভোগান্তিও নেই। আপাতত মনে হচ্ছে পদ্মা সেতুর সুফল এ ঘাটেও পড়বে। তবে এজন্য আরো কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। তারপর বোঝা যাবে আসল বিষয়টি।

;

চট্টগ্রামে ভবন থেকে পড়ে প্রকৌশলীর মৃত্যু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রামে ভবন থেকে পড়ে প্রকৌশলীর মৃত্যু

চট্টগ্রামে ভবন থেকে পড়ে প্রকৌশলীর মৃত্যু

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রামের খুলশীতে নির্মাণাধীন একটি ভবনের সাততলা থেকে পড়ে মো. ইউসুফ (৪০) নামে এক প্রকৌশলীর মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (২৬ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে খুলশীর পলিটেকনিক্যাল সড়কে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. ইউসুফ ডিপ্লোমা প্রকৌশলী। তিনি নির্মাণাধীন ভবনে সাইট ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

এসব তথ্য নিশ্চিত করে পাঁচলাইশ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাদেকুর রহমান বলেন, খুলশী থানার পলিটেকনিক্যাল রোডে এয়াকুব আলীর নির্মাণাধীন সপ্তম তলা ভবনে কাজ করছিলেন মো. ইউসুফ। অসাবধনতাবশত নিচে পড়ে মারাত্মকভাবে আহত হন তিনি।

গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ময়নাতদন্তের পর মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

;

পদ্মা সেতুতে ৮ ঘণ্টায় টোল আদায় ৮২ লাখ



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
পদ্মা সেতুতে ৮ ঘণ্টায় টোল আদায় ৮২ লাখ

পদ্মা সেতুতে ৮ ঘণ্টায় টোল আদায় ৮২ লাখ

  • Font increase
  • Font Decrease

পদ্মা সেতুতে যানবাহন চলাচলের প্রথমদিনে ৮ ঘণ্টায় ৮২ লাখ ১৯ হাজার ৫০ টাকা টোল আদায় করা  হয়েছে। রোববার (২৬ জুন) ভোর ৬টা থেকে সাধারণ যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। এছাড়া এই সময়ের মধ্যে প্রায় ১৫ হাজার ২০০ যানবাহন চলাচল করেছে সেতুর ওপর দিয়ে।

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবুল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এর মধ্যে সেতুর জাজিরা প্রান্তে মোট ৩৫ লাখ ২৯ হাজার ৫০০ টাকা। মাওয়া প্রান্তে ৪৬ লাখ ৮৯ হাজার ৫৫০ টাকা টোল আদায় হয়।

এর আগে শনিবার (২৫ জুন) মুন্সিগঞ্জের মাওয়ায় ১২টায় এক বণার্ঢ্য অনুষ্ঠানে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । অনুষ্ঠানে বিদেশি কূটনীতিকসহ হাজার হাজার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী টোলপ্লাজায় প্রথম টোল দেন এবং তার গাড়িবহর নিয়ে পদ্মা সেতু পাড়ি দেন।

৬.১৫০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য এবং ১৮.১০ মিটার প্রস্থ পরিকল্পনায় নির্মিত হয়েছে স্বপ্নের এ সেতু। খরস্রোতা পদ্মা নদীর ওপর ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা নিজস্ব অর্থায়নে ২০১৪ সালে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়।

;