কুষ্টিয়ায় আহত হনুমান উদ্ধার, বন বিভাগে হস্তান্তর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুষ্টিয়া
কুষ্টিয়ায় আহত হনুমান উদ্ধার, বন বিভাগে হস্তান্তর

কুষ্টিয়ায় আহত হনুমান উদ্ধার, বন বিভাগে হস্তান্তর

  • Font increase
  • Font Decrease

কুষ্টিয়ার কুমারখালীর জয়নাবাদ বাসিন্দাপাড়া এলাকায় আহত একটি হনুমান উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফেডারেশন (বিবিসিএফ) কুষ্টিয়া টিম।

শনিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যার পরে কুমারখালী উপজেলার জয়নাবাদ বাসিন্দা পাড়া এলাকায় লিটনের বাড়ি থেকে আহত হনুমামটিকে উদ্ধার করা হয়।

বিবিসিএফ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত বাড়োটার সময় লাহিনীপাড়া মীর মোশারফ মোড় সংলগ্ন বিদ্যুৎএর টাওয়ারের উঠতে গিয়ে দুইটি হনুমান আহত হয় এর মধ্যে একটি হনুমান ঘটনাস্থলেই মারা যায় বলে জানায় এলাকাবাসী। বাকি আহত দুইটি হনুমানের মধ্যে একটি শুক্রবার সকালে জয়নাবাদ বাসিন্দা পাড়ায় লিটনের বাড়ির উঠানে এসে অবস্থান নেয়। পরে স্থানীয়রা ও কয়েকটি শিশু মিলে আহত হনুমান কে সেবা দেয়। পরবর্তীতে শনিবার জয়নাবাদ বাসিন্দা পাড়া এলাকার জনগন মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিবিসিএফকে খবর দিলে শনিবার সন্ধার পরে বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফেডারেশন (বিবিসিএফ) কুষ্টিয়া জেলার সভাপতি দি ফক্স ম্যান শাহাবউদ্দিন মিলন, সাধারণ সম্পাদক পাখি গবেষক এস আই সোহেল ও সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক নাব্বির আল নাফিজ ও বন কর্মকর্তা মো: আব্দুল হামিদ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত হনুমাটিকে উদ্ধার করেন।

বিবিসিএফ কুষ্টিয়ার টিম লিডার শাহাবউদ্দিন মিলন বলেন, বিকালের দিকে সাংবাদিক এসএম জামাল এর কাছ থেকে জানতে পারি কুমারখালী উপজেলার জয়নাবাদ বাসিন্দাপাড়া এলাকায় একটি হনুমান আহত অবস্থায় পড়ে আছে এমন খবর জানতে পেরে সাথে সাথে আমাদের বিবিসিএফ এর টিম ও কুষ্টিয়া বন বিভাগের সদস্যরা সেখানে হাজির হয় এবং আহত অবস্থায় হনুমান টাকে উদ্ধার করে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এ সময় বিবিসিএফ কুষ্টিয়া টিমের সদস্য জয়নুল আবেদিন মুরাদ, বন বিভাগ কুষ্টিয়ার মো. জুয়েল আহম্মেদ, মো. আক্তারুজ্জামান, মো. হাসান আল মামুন উপস্থিত ছিলেন।

মিরসরাইয়ে র‌্যাবের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার ১৩



উপজেলা করেসপন্ডেন্ট,বার্তা২৪.কম, গৌরীপুর (ময়মনসিংহ)
মিরসরাইয়ে র‌্যাবের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার ১৩

মিরসরাইয়ে র‌্যাবের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার ১৩

  • Font increase
  • Font Decrease

মিরসরাইয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে র‌্যাব সদস্যের ওপর হামলার ঘটনায় ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসময় ২ হাজার পিস ইয়াবা, ৫২ বোতল ফেন্সিডিল ও ১ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় র‌্যাব-৭ মাদক ব্যবসায়ী ও দুষ্কৃতিকারীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (২৬ মে) সারাদিন চট্টগ্রাম জেলার জোরারগঞ্জ এবং ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া থানাধীন বিভিন্ন এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে। এসময় সাইদুর রহমান সাঈদ (৩৩), আনোয়ার হোসেন (৪৫), এস এম শাফায়েত হোসেন (৩৮), মিনহাজুল ইসলাম ওরফে মিঠু (৩৬), শহিদুল ইসলাম @ আকাশ (২৫), সোয়েব উদ্দিন আবির (২৯), মোঃ সাইদুল ইসলাম সুমন (৩০), নাহিদ উদ্দিন (৩৩), মোঃ আবু সাঈদ (২৮), মোঃ নাসির উদ্দিন (৩৮), মোঃ মাঈন উদ্দিন (৩২), ইমাম হোসেন (৩৩), ফাহাদ প্রকাশ ফরহাদ (২৬) আটক করে।

পরবর্তীতে আটককৃত আসামি ফাহাদ প্রকাশ ফরহাদ এর প্যান্টের পকেট থেকে ২,০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং তার দেখানো ও শনাক্ত মতে একটি বস্তার ভিতর হতে ৫২ বোতল ফেন্সিডিল ও ০১ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

ডাকাত আখ্যা দিয়ে র্যাবের উপর হামলার ঘটনার সাথে আটককৃত আসামিরা সকলে সরাসরি সম্পৃক্ত এবং এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও দুষ্কৃতিকারী বলে অকপটে স্বীকার করেছে বলে দাবি করেছে র‌্যাব।

এদিকে ঘটনাস্থানের সিসি টিভির ফুটেজ এবং গোপন তথ্যের ভিত্তিতে দুষ্কৃতিকারীদের পরিচয় শনাক্ত করে উপরোক্ত আসামিদের গ্রেফতার করা হয় এবং সিসি টিভির ফুটেজ পর্যালোচনা করে আসামি সাইদুর রহমান সাঈদ ঘটস্থান থেকে একজন র‌্যাব সদস্যের নিকট হতে একটি অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে যায় বলে প্রমাণ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে সাঈদের দেয়া তথ্য মতে আসামি এস এম শাফায়েত হোসেন এর নিকট হতে উক্ত ছিনিয়ে অস্ত্রটি উদ্ধার করা হয়।

এছাড়াও উল্লেখিত ঘটনায় সাথে সারাসরি জড়িত এমন আরো কিছু দুষ্কৃতিকারীদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে তাদের’কে গ্রেফতারের কার্যক্রম অব্যহত আছে বলে জানানো হয়। র‌্যাবের উপর হামলার বিষয়ে জানানো হয়, একটি বিশেষ তথ্যের ভিত্তিতে কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে মাদকদ্রব্যসহ চট্টগ্রাম জেলার জোরারগঞ্জ থানাধীন ধুমঘাট এলাকার ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়ের পার্শ্বে অবস্থান করছে।

তথ্যের ভিত্তিতে গত ২৫ মে রাত সাড়ে ৭টায় র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম এর একটি আভিযানিক দল বর্ণিত এলাকায় পৌছালে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে উক্ত মাদক ব্যবসায়ীরা কয়েকটি দল একত্রিত হয়ে ও কিছু দুস্কৃতিকারীরা র‌্যাবের গাড়িকে বেরিকেট দেওয়ার চেষ্টা করে। সেখানা তারা বেরিকেট দিতে ব্যর্থ হলে পরবর্তীতে বারইয়ারহাট পৌরবাজারের ফ্রুটওভার ব্রিজের নিচে ০২টি কার্ভাডভ্যান রেখে রাস্তা বন্ধ করে ডাকাত ডাকাত বলে চিৎকার করে গুজব ছড়িয়ে আতংক সৃষ্টি করে ও দুষ্কৃতিকারীরা পূর্ব-পরিকল্পিতভাবে র‌্যাবের উপর অতর্কিত সশস্ত্র হামলা করে। উক্ত হামলায় দুষ্কৃতিকারীরা র‌্যাবের ব্যবহিত একটি প্রাইভেটকার ভাংচুর এবং ০২ জন র‌্যাব সদস্যকে গুরুতর আহত করে। আহত র‌্যাব সদস্যের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য র‌্যাবের হেলিকপ্টার যোগে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসাপাতালে প্রেরণ করা হয়। যেখানে তারা বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

র্যাব-৭ এর সিনিঃ সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মোঃ নূরুল আবছার বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামিদের’কে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা দলবদ্ধভাবে দীর্ঘদিন যাবৎ তাদের অন্যান্য সহযোগীদের সহায়তায় অবৈধভাবে মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট, ফেন্সিডিল এবং গাঁজা কুমিল্লা ও ফেনী জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে সংগ্রহ পূর্বক বিভিন্ন কৌশলে তা চট্টগ্রাম জেলার জোরারগঞ্জ ও ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া থানা এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গার মাদক সেবনকারী ও  বিক্রেতাদের নিকট খুচরা ও পাইকারী বিক্রয় করে আসছে। গ্রেফতারকৃত আসামি এবং উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জোরারগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

;

প্রতিশ্রুতি দিলেও কথা রাখেনি কেউ!



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, গাইবান্ধা
প্রতিশ্রুতি দিলেও কথা রাখেনি কেউ!

প্রতিশ্রুতি দিলেও কথা রাখেনি কেউ!

  • Font increase
  • Font Decrease

ভোট আসলে নেতাকর্মীদের আনাগোনা বৃদ্ধি পায়। কদর বাড়ে নদী পাড়ের মানুষের। তাদের প্রতিশ্রুতি সাঁকোর স্থলে সেতু নির্মাণের। কিন্তু ভোটের পর সেই নেতাদের আর দেখা মেলে না। দুই যুগেও কথা রাখেনি কেউ। ফলে ২০ গ্রামের ৫০ হাজার মানুষের দুর্ভোগ যেন নিত্যসঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়ে।

সরেজমিনে শুক্রবার (২৭ মে) দুপুরে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নের খোর্দ্দা নামাপাতা এলাকার বড়াইল নদীর ওপরে দেখা যায় একটি ভাঙা সাঁকোর চিত্র। এখানে মানুষের চলাচলে নানা ভোগান্তি চরমে পৌঁছাছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুন্দরগঞ্জের তারাপুর, উলিপুরের গুনাইগাছ ও বজরা ইউনিয়ন বাসিন্দাদের সংযোগ সড়ক এটি। এছাড়া আরও অন্যান্য এলাকার জনসাধারণ বুড়াইল নদীর সাঁকোই তাদের একমাত্র ভরসা। দীর্ঘ প্রায় দুই যুগ ধরে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ চলাচল করছেন। ঝুঁকিপূর্ণ এই বাঁশের সাঁকো দিয়ে চলাফেরা করে আসলেও এরই মধ্যে ভেঙে পড়েছে সেটি। বিদ্যামান পরিস্থিতিতে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়েছে তাদের। এখানে একটি সেতু নির্মাণের দাবি জানানো হলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিন দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা। কিন্তু সেই আশ্বাস এখনো পূরণ করেননি কেউ। এ নিয়ে স্থানীয়দের দুর্ভোগের সঙ্গে বেড়েছে চরম ক্ষুব্ধতা।

ভুক্তভোগি আমিনুল ইসলাম জানান, বুড়াইল এই নদীর ওপর বাঁশ-কাঠের সাঁকো স্থানীয় বাসিন্দাদের অর্থায়নে ও স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মাণ করা হয়। এরই মধ্যে পানির চাপে সাঁকোটি ভেঙে গেছে। একারণে প্রায় ৫০ হাজার মানুষের চলাফেরা বন্ধ রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সরকারের নির্বাচনে প্রার্থীরা ভোট চাইতে এসে এখানে সেতু নির্মাণের আশ্বাস দিয়ে থাকেন। কিন্তু ভোটে নির্বাচিত হলে তাদের আর দেখা পাওয়া যায় না।  

সুন্দরগঞ্জের তারাপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম জানান, এখানে একটিু সেতু নির্মাণের জন্য উপজেলা পরিষদ সভায় একাধিকবার দাবি জানানো হয়েছে। হয়তো সেতুর কাজ হতে পারে।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মো. শামছুল আরেফীন জানান, ওইস্থানে সেতু স্থাপনের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের জানানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলে কাজ করা হবে।

সুন্দরগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, আপাতত ভাঙা সাঁকোটি নতুন করে নির্মাণ করা হবে। সেই সঙ্গে সেতু নির্মাণের তালিকা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।  

;

পদ্মাসেতু দাঁড়িয়ে যাওয়ায় বিএনপির হিংসা হচ্ছে: আইনমন্ত্রী



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের নেতৃত্বে দেশের জনগণের টাকায় স্বপ্নের পদ্মাসেতু দাঁড়িয়ে যাওয়ায় বিএনপির হিংসা হচ্ছে, যা তাদের সহ্য হচ্ছে না। তাই তারা নানা ধরণের অপপ্রচার করছে। মূলত দেশের ভাল হোক তারা (বিএনপি) চায় না। তারা মিথ্যা বলতে এবং সন্ত্রাস করতে অভ্যস্ত।

শুক্রবার (২৭ মে) সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার রাজাপুর ও চানপুর আশ্রয়ণ কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

এসময় তিনি আরো বলেন, আশ্রয়ণ প্রকল্প নিয়ে দেশের কোথাও দুর্নীতি হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না।

রাজাপুর ও চানপুর আশ্রয়ণ কেন্দ্র পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক মো. শাহগীর আলম, পুলিশ সুপার মো. আনিসুর রহমান, আখাউড়া পৌরসভার মেয়র তাকজিল খলিফা কাজলসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

;

গাইবান্ধায় হিংস্র প্রাণীর আক্রমণে আহত ৯



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, গাইবান্ধা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

গাইবান্ধা শহরের কলেজপাড়ায় অচেনা এক হিংস্র প্রাণীর আক্রমণ করছে মানুষের ওপর।

শুক্রবার (২৭ মে) সকালে এই প্রাণীর আক্রমণে ওই এলাকার অন্তত ৯ জন আহত হয়েছেন। আহতদের অনেকেই প্রাণীটিকে ‘পাগলা কুকুর’ বলে ধারণা করেছেন।

আহতরা হলেন- পৌর শহরের কলেজপাড়ার বাসিন্দা মো. আরশাদ মিয়া, গাইবান্ধা সরকারি কলেজের নৈশপ্রহরী অসীম কুমার সরকার শংকর, মৎস্যজীবী (জেলে) নেপাল দাস, রিকসাচালক ঝন্টু, কলেজপাড়া জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি আব্দুল মজিদ মাস্টার এবং ঝালাইকর ও স্থানীয় একটি মাদ্রাসার শিক্ষকসহ দু’জন পথচারী।

এরমধ্যে মো. আরশাদ মিয়া (৬৫) নামের আহত একজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান তার স্বজনরা।

স্থানীয়রা জানান, আজ সকাল ৬টা থেকে সাড়ে ৭টার মধ্যে মুসল্লি, জেলে, মাদ্রাসা শিক্ষক, গাইবান্ধা সরকারি কলেজের নৈশপ্রহরী, রিক্সাচালক, ঝালাইকর এবং প্রাত:ভ্রমণে বের হওয়া স্থানীয় বাসিন্দাসহ ৯ জন প্রাণীটির আক্রমণে আহত হয়েছেন।

তারা অভিযোগ করে বলেন, ইদানীং এই এলাকায় বেওয়ারিশ কুকুরের অবাধ বিচরণ দেখা যাচ্ছে। ভোর থেকে শুরু হয় কুকুরের উৎপাত। কুকুরের ঘেউ ঘেউ শব্দে ফজরের নামাজ পড়াও দায় হয়ে পড়েছে। কুকুরের বিশৃঙ্খল দৌঁড়াদৌড়ি প্রাত:ভ্রমণকারীদের হাঁটাহাঁটিতে বিঘ্ন ঘটায়। স্কুলগামী শিশু এবং নারীরা কুকুরের ভয়ে আতঙ্কগ্রস্ত থাকেন। তারা বেওয়ারিশ কুকুর সরিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ কামনা করেন।

স্থানীয় বাসিন্দা হাবিবুজ্জামান রঞ্জু বলেন, সকালে বাড়ির সামনে লোকজনের হৈ-হট্টোগোল শুনে বেরিয়ে এসে হিংস্র প্রাণীর আক্রমণে পাড়ার ৯ জন আহত হওয়ার খবর জানতে পারি। আহতদের মধ্যে প্রতিবেশী মো. আরশাদ মিয়াকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায় তার স্বজনরা। তিনি জানান, এ ঘটনায় এলাকার মানুষের মধ্যে এখন আতঙ্ক বিরাজ করছে।

আহতরা বলছেন, কুকুরের মতো দেখতে লাল ও সাদা রঙের মিশ্রনে ধারালো দাঁতের ছোটখাট গড়নের প্রাণীটি ভীষণ হিংস্র এবং ক্ষিপ্র গতি সম্পন্ন। তবে আহত অনেকেই এটিকে একটি কুকুর হিসেবেই ধারণা করেছেন।

প্রাণীটির আক্রমণের শিকার অসীম কুমার সরকার শংকর জানান, সকালে প্রাত:ভ্রমণের জন্য বাড়ি থেকে বের হলে, পাড়ার একটি রাস্তায় প্রাণীটির আক্রমণের শিকার হন তিনি। তবে প্রাণীটিকে একটি ‘পাগলা কুকুর’ বলে জানান তিনি।

গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. শর্মিষ্ঠা রানী বর্মনজানান, শুক্রবার সকাল থেকে সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত শতাধিক ব্যক্তিকে জলাতঙ্কের ইনজেকশন, ক্ষতস্থান ড্রেসিংসহ প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছেন তারা। এদের মধ্যে পৌর এলাকার কলেজপাড়া ও আর্দশপাড়া এলাকার বাসিন্দা রয়েছেন অন্তত ৪০ জন।

;