যশোরে ৯'শত করোনা রোগীকে চিকিৎসা দিতে প্রস্তুত জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম, যশোর
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

যশোরে করোনার উর্ধ্বগতি রুখতে ইতিমধ্যে সব রকমের প্রস্তুতি গ্রহন করেছে যশোরের সিভিল সার্জন এবং যশোর জেনারেল হাসপাতাল কতৃপক্ষ। যশোরে গত কয়েকদিনে শনাক্তের সংখ্যা শতক পার করেছে। এদিকে যশোরে ফের করোনার উর্ধ্বগতি বিবেচনা করে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ফলে অধিক ঝুঁকিতে এ জেলার মানুষ।

স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করায় সাধারণ জনগনের মধ্যে মহামারী আকারে করোনা ভাইরাস সহ নতুন ধরন ওমিক্রন ছড়িয়ে পড়ার ব্যাপক শঙ্কা রয়েছে। যদিও জেলা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অর্থাৎ সিভিল সার্জন এবং জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে সচেতনতা বৃদ্ধিতে জরিমানা সহ প্রচার মাইকিং করা হচ্ছে। তবুও মাঠ পর্যায়ে দেখা গিয়েছে স্বাস্থ্যবিধি না মানার ভিন্ন চিত্র।

গত বছর যশোর জেলায় করোনার মহামারীতে জায়গা সংকটে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে বাহিরেও রেগীরা অক্সিজেন নিয়েছে এমন চিত্র বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেখা গিয়েছে। এর অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে করোনার তৃতীয় ঢেউ রুখতে সব রকমের প্রস্তুতি নিয়েছে হাসপাতাল কতৃপক্ষ।

এবারের তৃতীয় ঢেউ প্রতিহত করতে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে রেডজোনে একশত ৪৬ ও ইয়োলোজোনে ২২ টি শয্যা প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়াও করোনা রোগীর উন্নত চিকিৎসার জন্য আইসিইউতে তিনটি বেড খালি করা হয়েছে। হাসপাতালে বর্তমানে অক্সিজেনের কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন হাসপাতালে তত্বাবধায়ক ডা.আখতারুজ্জামান।

তিনি আরও বলেন, শুধু সাধারণ জনগন নয়, প্রতিদিন হাসপাতালে অনেক রোগী আসা যাওয়া করছে। সেজন্য সকলের স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। হাসপাতাল চত্তরে মাক্স পরিধানে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। মাক্স পরিধান না করলে হাসপাতালে যেমন রেগীরাও করোনা সংক্রমণের ঝুকিতে থাকবে তেমনি সেবিকা ও চিকিৎসকদেরও সংক্রমণের ঝুকি থাকবে। অতএব উভয়ের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা চিন্তা করে মাস্ক পরিধান করতে হবে।

যশোরের সিভিল সার্জন ডা. বিপ্লব কান্তি বিশ্বাস বলেন, যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে দুইশত ও জেলার সাতটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আরও একশত জন করে অর্থাৎ নয়শত জন করোনা রোগীর চিকিৎসা দেয়ার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। যদি সংক্রমণ বৃদ্ধি পায় তাহলে জেনারেল হাসপাতালের পৃথক ওয়ার্ডে ১০টি বিশেষ কেবিন ও বক্ষব্যাধি হাসপাতালে ৪০ শয্যার পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতাল ভাড়া নিয়ে রোগীর সেবা দেয়া হবে। সব মিলিয়ে করোনা পরিস্থিতি রুখতে আমরা প্রস্তুত।

বাংলাদেশ-ভারত জেসিসি বৈঠক ১৯ জুন: মোমেন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন জানিয়েছেন, বাংলাদেশ-ভারত পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের সপ্তম জয়েন্ট কনসালটেটিভ কমিশন (জেসিসি) বৈঠক ৩০ মের পরিবর্তে ১৯ জুন নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ মে বৈঠকটি  হওয়ার কথা ছিল। 

আসামের গুয়াহাটিতে এশিয়ান কনফ্লুয়েন্স রিভার কনক্লেভ-২০২২ (এনএডিআই) এর তৃতীয় সভায় অংশ নেয়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী গণমাধ্যমকে ব্রিফকালে বলেন, ‘আমরা এটি (জেসিসি সভা) পুনঃনির্ধারণ করেছি। আমাদের মনে হয়েছে এটি ঠিক আছে, এটিই  ভাল হবে।’

মোমেন জানান, কনক্লেভ বৈঠকে অংশ নিতে গুয়াহাটিতে অবস্থান করা ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সাথে আলোচনা শেষে তারিখ পুনঃনির্ধারণ  করা হয়েছে।

বৈঠকের তারিখ পুনঃনির্ধারণের কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত উল্লেখ না করে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন,  দুই দেশের মধ্যে কিছু সমস্যা রয়েছে যা এখনও সমাধান হয়নি।

আগামী ১৮ জুন দুই পক্ষ প্রস্তুতিমূলক আলোচনায় মিলিত হবে ইঙ্গিত করে মোমেন বলেন, মূলত জেসিসি বৈঠকটি  ১৯ জুন অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে গত সন্ধ্যায়, মোমেন বলেছিলেন, তিনি ভারতীয় প্রতিপক্ষের সাথে কিছু ‘জটিল’ দ্বিপাক্ষিক বিষয়  নিয়ে  আলোচনা করেছেন।

;

দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াকে সংযুক্ত করার বিষয়ে বাংলাদেশ-ভারতের সম্মতি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জল, রেল ও সড়কপথে আঞ্চলিক প্রকল্পের পাশাপাশি জ্বালানি, পর্যটন ও টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াকে সংযুক্ত করার বিষয়ে একটি অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।

শনিবার আসামের গুয়াহাটিতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন এবং ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর 'এনএডিআই কনক্লেভ' শীর্ষক ২ দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক নদী বিষয়ক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন।

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি এবং কোভিড-পরবর্তী পরিস্থিতিতে সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থার ওপর আঘাত হানায় জীবন ও জীবিকাকে যে ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছিল, সেই পরিপ্রেক্ষিতে আঞ্চলিক একীকরণ এবং সহযোগিতার বিষয়টি আগের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে জানান তারা।

;

কলকাতা-বেনাপোল-খুলনা রুটে রোববার থেকে চলবে 'বন্ধন এক্সপ্রেস'



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বেনাপোল (যশোর)
কলকাতা-বেনাপোল-খুলনা রুটে রোববার থেকে চলবে 'বন্ধন এক্সপ্রেস'

কলকাতা-বেনাপোল-খুলনা রুটে রোববার থেকে চলবে 'বন্ধন এক্সপ্রেস'

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনাভাইরাসের কারণে দুই বছর বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে আবারও আন্তঃদেশীয় যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হচ্ছে। রোববার (২৯ মে) থেকে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে যাত্রীবাহী 'বন্ধন এক্সপ্রেস' চলাচল শুরু হতে যাচ্ছে।

বেনাপোল রেল স্টেশন মাস্টার সাইদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ২৯ মে সকালে ৪৫৬ আসনের 'বন্ধন এক্সপ্রেস' সকাল ৭টা ১০ মিনিটে কলকাতা থেকে যাত্রী নিয়ে সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে বেনাপোল স্টেশনে পৌঁছাবে। পরে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম শেষে সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে খুলনার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়ে পৌঁছাবে ১২টা ৩০ মিনিটে। খুলনা থেকে আবার যাত্রী নিয়ে দুপুর দেড় টায় রওনা দিয়ে বেনাপোল পৌঁছাবে বিকাল ৩টা ১৫ মিনিটে। পরে বেনাপোলে রেলওয়ে ইমিগ্রেশনে পাসপোর্টের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিকাল ৪টা ১৫ মিনিটে রওনা দিয়ে কলকাতা পৌঁছাবে সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে।

এসিতে খুলনা থেকে কলকাতা ভ্রমণ করসহ প্রত্যেক যাত্রীর ভাড়া ১ হাজার ৫৩৫ টাকা। আর কেবিনে ভাড়া নির্ধারণ হয়েছে ২ হাজার ৫৭ টাকা। ১ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের জন্য ৫০ শতাংশ ছাড় প্রযোজ্য হবে। তবে তা নির্ধারিত হবে পাসপোর্ট অনুযায়ী। খুলনা, যশোর ও বেনাপোল স্টেশনে যাত্রীদের উঠা-নামা করার সুযোগ থাকবে।

বেনাপোল রেলস্টেশন ইমিগ্রেশন ওসি মো: রাজু জানান, যাত্রীদের পাসপোর্ট আনুষ্ঠানিকতা সম্পূর্ণের জন্য ইতিমধ্যে তারা সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন।

পাসপোর্ট যাত্রী খুলনার অনিমেষ বলেন, বন্ধন চালুতে তারা সড়ক পথের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবে। ৮ ঘণ্টার রাস্তা তারা মাত্র সাড়ে ৪ ঘণ্টায় পৌঁছাতে পারবেন।

পাসপোর্ট যাত্রী যশোরের উত্তম জানান, যশোর থেকে ভ্রমণ করসহ সাড়ে ৭০০ টাকা খরচ হয় সড়ক পথে কলকাতা যেতে। এক্ষেত্রে বন্ধনে ১ হাজার ৫৩৫ টাকা বেশি হয়ে যায়। 

রেলের সূত্রে জানা যায়, করোনা সংক্রমণ কমে আসায় যাত্রীরা দাবি তোলেন বন্ধন রেল চালুর। এতে দুই দেশের মধ্যে ট্রেন চালুর জন্য বাংলাদেশ থেকে ভারত সরকারের কাছে চিঠি পাঠিয়েছিল রেলপথ মন্ত্রণালয়।

বাংলাদেশ রেলওয়ের সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ১৬ নভেম্বর খুলনা-কলকাতা পথে ‘বন্ধন এক্সপ্রেস’ চলাচল শুরু হয়। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কলকাতার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় এই ট্রেন সার্ভিসের উদ্বোধন করেন। প্রাথমিকভাবে একদিন করে চালু হলেও পরে বাড়ানো হয় উভয় ট্রেনের ট্রিপ।

 

;

প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সময়োপযোগী কারিকুলাম প্রণয়নের নির্দেশ রাষ্ট্রপতির



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

যুগের সাথে তাল মিলিয়ে দেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সময়োপযোগী কারিকুলাম প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

শনিবার সন্ধ্যায় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস  বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যগণ বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন বাসসকে জানান, প্রথমে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সামসুদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে  একটি প্রতিনিধিদল এবং পরে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এয়ার ভাইস মার্শাল মো. নজরুল ইসলাম।

প্রেস সচিব জানান, সাক্ষাৎকালে উপাচার্যগণ তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও অবকাঠামো উন্নয়নসহ সার্বিক কর্মকান্ড সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।

রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, বিশ্বায়নের এই যুগে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি।

তিনি বলেন  বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে এবং বাংলাদেশকে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করতে দেশের নতুন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে হবে।

গতানুগতিক কারিকুলামে বর্তমান যুগের চাহিদা মেটানো সম্ভব নয় উল্লেখ রাষ্ট্রপতি বলেন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে  সময়োপযোগী কারিকুলাম প্রণয়ন করতে হবে।

এছাড়া, গবেষণা কার্যক্রম জোরদার করার পাশাপাশি সকল স্তরে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি বন্ধের নির্দেশ দেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম, রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন এবং সচিব (সংযুক্ত) মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।

;