নির্বাচন কমিশন গঠনের আইনের খসড়া সংসদে উত্থাপন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য জাতীয় সংসদে বিল বা আইনের খসড়া উত্থাপন করা হয়েছে।

রোববার (২৩ জানুয়ারি) আইনমন্ত্রী আনিসুল হক খসড়া আইনটি সংসদে উত্থাপন করেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন, ২০২২’ নামে খসড়া আইনটির মাধ্যমে সার্চ কমিটির মাধ্যমে এর আগে গঠিত সব নির্বাচন কমিশনের বৈধতাও দেওয়া হবে।

খসড়া আইনে সার্চ কমিটির (অনুসন্ধান কমিটি) কাজ সম্পর্কে বলা হয়েছে, এ কমিটি স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার নীতি অনুসরণ করে দায়িত্ব পালন করবে। আইনে বেঁধে দেওয়া যোগ্যতা, অযোগ্যতা অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও সুনাম বিবেচনা করে সিইসি ও নির্বাচন কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ করবে।

এর আগে, গত সোমবার (১৭ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশন গঠন আইনের খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন দেওয়া হয়। সেদিন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগদানের জন্য একটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হবে। সেটা রাষ্ট্রপতির অনুমোদন নিয়ে।

বাংলাদেশের সভাপতিত্বকালেই সিভিএফ ন্যায্য কণ্ঠস্বর হিসেবে আবির্ভূত হয়



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম (সিভিএফ)’ বাংলাদেশের সভাপতিত্বকালেই জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য একটি যথার্থ কণ্ঠস্বর হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমি আশা করছি এটি প্যারিস চুক্তির অধীনে উন্নত দেশগুলোকে তাদের প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণ করতে চাপ অব্যাহত রাখতে পারবে। আন্তর্জাতিক জলবায়ু পরিমন্ডলে এখন সিভিএফ’র একটি উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি রয়েছে। এটি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য বৈধ কণ্ঠস্বর হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। বাংলাদেশের সভাপতিত্বে সিভিএফ এর সদস্যপদ বৃদ্ধিই তার প্রমাণ।’ 

 

বুধবার (২৫ মে) সন্ধ্যায় তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে বাংলাদেশ থেকে ঘানার কাছে সিভিএফ সভাপতির দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি দেয়া ভাষণে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, আমাদের সভাপতিত্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায় হবে ঝুঁকিপূর্ণ সমস্যাকে জলবায়ু দুর্বলতা থেকে স্থিতিস্থাপকতা এবং সমৃদ্ধিতে রূপান্তর করা। বাংলাদেশে আমরা আমাদের ‘মুজিব জলবায়ু সমৃদ্ধি পরিকল্পনা’ তৈরি করছি। আমরা বিশ্বাস করি এটি অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য তাদের নিজস্ব প্রেক্ষাপটে একটি দিকনির্দেশনা প্রদান করতে পারে।’

সিভিএফ সদস্য দেশগুলিতে ১ দশমিক ৫ বিলিয়ন মানুষ জলবায়ু জরুরি পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও, আমরা বিশ্বকে আশংকাজনক জলবায়ু সংকট থেকে মনোযোগ সরিয়ে নিতে দিতে পারি না। উন্নত দেশগুলোকে প্যারিস চুক্তির অধীনে অর্থায়ন ও প্রযুক্তির বিষয়ে তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে হবে।’

তিনি বলেন, ঘানার নেতৃত্বে, আমরা সিভিএফ-এর ট্রেডমার্ক নৈতিক শক্তি এবং যুক্তিপূর্ণ পরামর্শ দিয়ে আমাদের যেসব দাবি পূরণ হয়নি, সেগুলোর জন্য চাপ দিতে থাকব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ ঘানার নিকট সিভিএফ প্রেসিডেন্সি হস্তান্তর করতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত। এই অনুষ্ঠানে তাঁর সদয় উপস্থিতির জন্য আমি রাষ্ট্রপতি নানা আকুফো-আডোকে ধন্যবাদ জানাই। আমি ঘানা’র প্রেসিডেন্সির সার্বিক সাফল্য কামনা করি।’

২০২০ সালে বাংলাদেশ দ্বিতীয়বারের মতো সিভিএফ-এর সভাপতিত্ব গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা কোভিড-১৯ মহামারীর মধ্যেও ফোরামের কাজ পরিচালনা করতে পেরেছি। আমরা স্বস্তি বোধ করি যে, আমরা আমাদের বেশিরভাগ উদ্দেশ্যসহ আরও অনেক কিছু অর্জন করতে পেরেছি। শুরু থেকেই, আমাদের প্রেসিডেন্সি কপ২৬ ফলাফলের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ রেখেছিল।’ তিনি বলেন, মহামারী থাকা সত্ত্বেও, আমরা জলবায়ু সংকটের দিকে বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি এবং দেশগুলির জন্য তাদের জলবায়ু উচ্চাকাঙ্ক্ষা বাড়াতে মিডনাইট সারভাইভাল ডেডলাইন চালু করেছি।

তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের ৩১ ডিসেম্বর ২০২০ এর মধ্যে তাদের এনডিসি জমা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছি। প্রায় ৭০টি দেশ আমাদের আহ্বানে সাড়া দিয়েছে। আমরা সিভিএফ-ভি২০ জয়েন্ট মাল্টি-ডোনার ফান্ডও তৈরি করেছি, যাতে সদস্যদের জলবায়ু সংক্রান্ত পদক্ষেপে সহায়তা করা যায়। বাংলাদেশ এবং মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ যাতে সীডমানি প্রদান করেছে।

শেখ হাসিনা বলেন যে, তারা ২০২১ সালে ক্লাইমেট ভালনারেবলস ফাইন্যান্স সামিট আয়োজন করেছিলেন, যা পরবর্তী পাঁচ বছরে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার জলবায়ু অর্থায়নের জন্য একটি ডেলিভারি পরিকল্পনার জন্য চাপ দেয়। তিনি বলেন, ‘আমরা গ্লাসগোতে এটি উপলব্ধি করেছি যে, ঢাকা-গ্লাসগো ঘোষণা প্রকৃতপক্ষে সিভিএফ-এরই মূল দাবি এবং প্রতিশ্রুতির সারসংক্ষেপ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস (অনধিক নিঃসরণ) প্রতিশ্রুতি বাঁচিয়ে রাখার এবং বার্ষিক তাদের জলবায়ু উচ্চাকাঙ্ক্ষা বাড়াতে উচ্চ নির্গমনকারী দেশগুলির প্রতি আমাদের আহ্বান পুণর্ব্যক্ত করেছি। আমরা বর্ধিত অভিযোজন অর্থায়ন এবং ক্ষতি ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে আন্তর্জাতিক সংলাপের জন্য প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছি।’ তিনি বলেন, বাংলাদেশের মেয়াদে নিযুক্ত সিভিএফ-এর পাঁচজন থিম্যাটিক অ্যাম্বাসেডরের কাজের জন্য তারা গর্বিত। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তন এবং মানবাধিকারের জন্য ম্যান্ডেট-ধারকের কাছে আমাদের অনেক প্রত্যাশা রয়েছে। আমরা জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাস্তুচ্যুতি এবং অভিবাসনের বিষয়ে আমাদের অগ্রগতি বজায় রাখব। সিভিএফ- ভি২০ পার্লামেন্টারি গ্রুপের জলবায়ু কর্মের জন্য জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘আমি আত্মবিশ্বাসী যে সিভিএফ নেতৃত্ব শক্ত হাতে থাকবে প্রেসিডেন্ট আকুফো-আডোর অধীনে এবং ট্রোইকার সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ ঘানাকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।’

প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের প্রাক্তন মহাসচিব প্রয়াত কফি আনানের সাথে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পৃক্ততার কথা স্মরণ করে বলেন, ‘আমি নিশ্চিত যে তিনি বাংলাদেশ ও ঘানার মধ্যে সিভিএফের মাধ্যমে এই সংযোগ দেখে খুশি হতেন।’ শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের প্রোসিডেন্সি কালিন অক্লান্ত পরিশ্রমের জন্য আমরা সিভিএফ এবং জিসিএ সচিবালয়ের প্রতি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। আমরা ট্রোইকা সদস্য, ইথিওপিয়া এবং মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের আমাদের উপর আস্থা রাখাকে স্বীকার করি। সিভিএফকে পর্যাপ্ত জায়গা দেওয়ার জন্য আমরা কপ২৬ প্রেসিডেন্সির কাছে ঋণী।’

প্রধানমন্ত্রী তার মন্ত্রিসভার সহকর্মী এবং তাদের নিজ নিজ মন্ত্রণালয়ের ভূমিকারও প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের কিছু সংসদ সদস্য এবং একাডেমিক বিশেষজ্ঞদের দেওয়া সমর্থনকেও আমি স্বীকার করি। আমি বিশেষভাবে আমার সিভিএফ বিশেষ দূতকে সফল ভাবে কাজ সম্পন্নের জন্যও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ থেকে ঘানার কাছে সিভিএফ এর সভাপতিত্ব হস্তান্তর করেন। ঘানার প্রেসিডেন্ট নানা আকুফো-আদ্দো, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন, পরিবেন, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়কমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, ঘানার পররাষ্ট্রমন্ত্রী শার্লি আয়োর্কোর বোচওয়ে, গ্লোবাল কমিশন অন অ্যাডাপটেশন বান-কি মুনও ভার্চুয়ালি এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

সিভিএফ এর থিমেটিক অ্যাম্বাসেডর ও বাংলাদেশের ন্যাশনাল অ্যাডভাইসরি কমিটি ফর অটিজম অ্যান্ড নিউরোডেভেলপমেন্ট ডিজঅর্ডার্স এর চেয়ারপার্সন সাইমা ওয়াজেদ অনুষ্ঠানে একটি ভিডিও বার্তা প্রদান করেন।

প্রধানমন্ত্রীর সিভিএফ প্রায়োরিটিজ বিষয়ক বিশেষ দূত আবুল কালাম আজাদ পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে সিভিএফ প্রেসিডেন্সি রিপোর্ট উপস্থাপন করেন।

এ সময় সিভিএফ এর বাংলাদেশের সভাপতিত্ব থাকাকালীন দুই বছর মেয়াদকালের কিছু গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমের প্রামাণ্যচিত্র দেখানো হয়।

;

সমন্বয় সভায় চড় দেওয়ায় প্যানেল মেয়র গ্রেফতার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, মানিকগঞ্জ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

মানিকগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা মিটিং এবং মাসিক সমন্বয় সভায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে প্রকাশ্যে চড়-থাপ্পড়ের ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে।

বুধবার (২৫ মে) রাত পৌনে ৮টার দিকে ভাড়ারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল সদর থানায় মারধরের বিষয় উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন।

মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রউফ সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মামলার পর প্যানেল মেয়র ও জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক রাজাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তিনি জানান, সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে মানসম্মত শিক্ষা, জনসেবা ও দুর্নীতিসহ মাসিক আইনশৃঙ্খলা ও সন্বয়ন সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা চলাকালে দুপুরের দিকে সদরের ভাড়ারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল জলিলের সাথে প্যানেল মেয়র ও জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাকের সাথে কথা কাটাকাটি হয় এবং এক পর্যায়ে সভা চলাকালে তাদের মধ্যে হাতাহাতি হয়।

তিনি আরও জানান, ঘটনার পর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফোন করে পুলিশ পাঠাতে বলেন এবং পুলিশ গিয়ে আব্দুর রাজ্জাক রাজাকে থানায় নিয়ে আসেন। এ ঘটনায় রাতে ভাড়ারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সদর থানায় মারধরের বিষয় উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় প্যানেল মেয়র ও জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক রাজাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, মানিকগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো. রমজান আলী সরকারি ছুটিতে থাকায় পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর এবং প্যালেন মেয়র ও জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক রাজা উক্ত মাসিক সভায় অংশগ্রহণ করেন।

;

কুষ্টিয়ায় নান্না বিরিয়ানির মালিককে জরিমানা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুষ্টিয়া
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

কুষ্টিয়ায় নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার পরিবেশনের দায়ে নান্না বিরিয়ানি হাউজকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পঁচা বাসী মাংস ফ্রিজে সংরক্ষণের অপরাধে এ জরিমানা করেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর।

এছাড়া মেয়াদোত্তীর্ণ সিলিন্ডার ব্যবহার করে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রয় করা এবং কোন প্রকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা না রাখার অপরাধে মেসার্স এ আর এন্টারপ্রাইজকে ৮ হাজার জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (২৫ মে) দুপুরে শহরের এনএস রোড এলাকায় ভেজাল খাদ্যবিরোধী এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর কুষ্টিয়া জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুচন্দন মন্ডল।

তিনি বলেন, কুষ্টিয়া শহরে যত্রতত্র গড়ে উঠেছে হোটেল-রেস্তোরাঁ। ঢাকার নামিদামি রেস্তোরাঁর নাম দিয়ে কুষ্টিয়া শহরের বেশকিছু এলাকায় গড়ে তোলা হয় বিরিয়ানির দোকান। যার মধ্যে হাজীর বিরিয়ানি এবং নান্না বিরিয়ানির হেঁসেল ঘরে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুত চলছিল। এসব নিয়ে এর আগে মিডিয়ায় সংবাদ প্রচার হলে প্রশাসনের টনক নড়ে। এর ফলে আজকের এই অভিযান।

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ও পঁচা ও বাসি মাংস দিয়ে বিরিয়ানি তৈরির অপরাধে নান্না বিরিয়ানি হাউজকে ১০ হাজার টাকা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ সিলিন্ডার ব্যবহার করে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রয় করা এবং কোন প্রকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা না রাখার অপরাধে মেসার্স এ আর এন্টারপ্রাইজকে ৮ হাজার জরিমানা করা হয়েছে। আগামীতে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

অভিযানে জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর (ভারপ্রাপ্ত) সুলতানা রেবেকা নাসরীন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সহায়তা করেন।

;

কাপ্তাই হ্রদে ড্রেজিংয়ের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: পার্বত্যমন্ত্রী



আলমগীর মানিক, ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাঙামাটি
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ কৃত্রিম হ্রদ রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদের নাব্যতা ফিরিয়ে এনে অত্রাঞ্চলের বাসিন্দাদের জীবন মানোন্নয়নে শিগগিরই নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে কাপ্তাই হ্রদে ড্রেজিং কাজ শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর ঊশৈসিং এমপি।

মন্ত্রী বলেন, কাপ্তাই হ্রদে ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নাব্যতা ফিরিয়ে আনা হলে আমাদের জলবিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে, হ্রদে মৎস্য সম্পদ বাড়বে এবং নৌ যোগাযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে পাহাড়ের মানুষের আত্মসামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।

বুধবার (২৫ মে) রাঙামাটি জেলা পরিষদের আয়োজন পরিষদের নিজস্ব সম্মেলন কক্ষে জেলা পরিষদের সদস্য, কর্মকর্তা এবং হস্তান্তরিত বিভাগ সমূহের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

রাঙামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুই প্রু চৌধুরীর সভাপতিত্বে উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য মন্ত্রণালয় বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর ঊশৈসিং এমপি। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সতিন্দ্র নাথ রায়, জেলা পরিষদের মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডাঃ বিপাস খীসা, কৃষি বিভাগের উপপরিচালক তপন কুমার পাল, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী বিভাগের নির্বাহী কর্মকর্তা অনুপম দে’সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ বক্তব্য রাখেন।

মতবিনিময়কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর আরো বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের দীর্ঘ দুই যুগের সমস্যা নিরসনে জাতির জনকের কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই উদ্যোগ নিয়েছিলেন। একমাত্র তিনি অনুধাবন করেছিলেন যে সেসময়ে পাহাড়ে চলমান সমস্যাটি একটি রাজনৈতিক সমস্যা, এটাকে রাজনৈতিকভাবেই সমাধান করতে হবে। তিনি নিজেই উদ্যোগ নিয়ে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর পার্বত্য চুক্তি করেন। যার ফল এখন পার্বত্যবাসী ভোগ করছেন। একসময় পার্বত্য চট্টগ্রামে কিছুই ছিল না।

বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিকতায় পার্বত্য চট্টগ্রামে মেডিকেল কলেজ, প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ শিক্ষা ক্ষেত্রসহ প্রতিটি সেক্টরে বর্তমান সরকার ব্যাপক উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম একটি সম্ভাবনাময় অঞ্চল। এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর জন্য বর্তমান সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। সরকারের চলমান এই উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়নে সরকারের প্রতিটি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের আন্তরিকভাবে কাজ করার আহবান জানিয়েছেন পার্বত্যমন্ত্রী।

;