এমভি অভিযান-১০ লঞ্চের আগুন: একমাসেও খোঁজ মেলেনি ৩০ জনের



জহির রায়হান, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বরিশাল
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

যাত্রীবাহী এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার একমাস পূর্ণ হয়েছে। একমাসেও খোঁজ মেলেনি নিখোঁজ ৩০ যাত্রীর। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে অজ্ঞাত পরিচয়ে ২৪ জন সমাহিত করা হয়েছে। আজও নিখোঁজদের খুঁজে বেড়াচ্ছেন স্বজনরা।

বরগুনা জেলা প্রশাসনের কন্ট্রোলরুম সূত্রে জানা গেছে, সদ্য শেষ হওয়া  বছরের ২৩ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত পৌনে তিনটার দিকে ঝালকাঠর সুগন্ধা নদী পার হওয়ার সময় বরগুনাগামী এমভি অভিযান-১০ লঞ্চের ইঞ্জিন রুমের মেশিনারি বিস্ফোরণ হয়ে আগুনের সূত্রপাত ঘটে।

ঘটনার পরপরই নিহত-আহতদের উদ্ধার, নিহতদের মরদেহ হস্তান্তর শেষে দাফনকার্য সম্পন্ন, আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা সেবা, নিখোঁজদের উদ্ধার অভিযান এবং লঞ্চ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দায়ের ও  গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়।

আরো জানা গেছে, নিখোঁজ ৩০ জনের বিপরীতে ৪৮ জন স্বজনের ডিএনএ নমুনা পরীক্ষা করেছে সিআইডি ফরেনসিক বিভাগ।

আর ঝালকাঠীর সুগন্ধা ও বিষখালী নদীর আশপাশের এলাকা থেকে ৪১ জনের মরদেহ উদ্ধার এবং বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতাল ও ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮ জনের মৃত্যুসহ মোট ৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

লঞ্চের অগ্নিকাণ্ডের দুর্ঘটনায় সর্বশেষ  ১৮ জানুয়ারি শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দগ্ধ মনিকা রানী হালদার (৪০) নামে শিক্ষিকা মারা যান।

রোববার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে এসব তথ্য বার্তা২৪.কমকে নিশ্চিত করেছেন বরগুনা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেহেদী হাসান।

চলতি মাসের ১৯ জানুয়ারি বুধবার এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নৌ আদালতের মামলায় কারাগারে থাকা সাত আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন নৌ আদালতের বিচারক স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জয়নাব বেগম এ আদেশ দেন।

মামলার আসামিরা হচ্ছেন লঞ্চটির স্বত্বাধিকারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স আল আরাফ অ্যান্ড কোম্পানির চার মালিক মো. হামজালাল শেখ, মো. শামিম আহম্মেদ, মো. রাসেল আাহাম্মেদ ও ফেরদৌস হাসান, লঞ্চের ইনচার্জ মাস্টার মো. রিয়াজ সিকদার, ইনচার্জ চালক মো. মাসুম বিল্লাহ, দ্বিতীয় মাস্টার মো. খলিলুর রহমান ও দ্বিতীয় চালক আবুল কালাম।

এর আগে অভিযান-১০ লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গত ২৬ ডিসেম্বর নৌ আদালতে মামলা করে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের প্রধান পরিদর্শক মো শফিকুর রহমান ।

এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ত্রুটিপূর্ণ ইঞ্জিন থেকেই লঞ্চে আগুন লেগেছে। আর এর জন্য লঞ্চের চার মালিক, দুই ইনচার্জ মাস্টার, সুকানি, দুই ইঞ্জিনচালক ও চালকের সহকারী কে সরাসরি দায়ী করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন নৌ-মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি।

গত ৩ জানুয়ারি সোমবার রাতে নৌপরিবহন সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরীর কাছে এ প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়।

প্রতিবেদনে ইঞ্জিন ত্রুটিপূর্ণ থাকার পরও লঞ্চের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়ায় কারণে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের সদরঘাটের সার্ভেয়ার ও ইন্সপেক্টও এবং মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্স সংক্রান্ত বিধিবিধান লঙ্ঘনের জন্য ইঞ্জিন পরিবর্তন করা ডকইয়ার্ডের মালিককেও দায়ী করা হয়েছে।

পাশাপাশি প্রতিবেদনে টিকিট কেটে যাত্রী তোলা ও লঞ্চের রোটেশন প্রথা বাতিলসহ বেশ কিছু সুপারিশ করেছে নৌ-মন্ত্রণালয়ের এই তদন্ত কমিটি।

স্ত্রী-সন্তান হারা বরগুনার সুমন হোসেন বলেন, লঞ্চ চলাচলকারী কর্তৃপক্ষের কারণেই লঞ্চে আগুন লেগে এত লোক মারা গেছে। আগুন লাগার সাথে সাথে লঞ্চটি নদীর পাড়ে থামালে এত লোক মারা যেত না। দুর্ঘটনার একমাস হলেও লঞ্চে থাকা আমার স্ত্রী, দুই কন্যা ও শ্যালকের ছেলের আজও সন্ধান পাইনি। থানা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, ঝালকাঠী ও বরগুনা ডিসি অফিসে বাববার নিখোঁজের তথ্য দিলে তারা খুঁজে বের করে দিতে পারেনি।

স্থানীয় গবেষক ও প্রবীণ সাংবাদিক আনিসুর রহমান খান স্বপন বলেন, লঞ্চে একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটছে। এতে যাত্রী সাধারণ ও লঞ্চ কর্তৃপক্ষ উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।  প্রতিদিন লঞ্চ ছাড়ার সময় লঞ্চের ফিটনেস পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা এবং গ্যাসসিলেন্ডার ব্যবহার না করার প্রতি খেয়াল বাড়তে হবে। পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ আর নজরদারী না থাকায় দিনে দিনে বাড়ছে নৌদুর্ঘটনা।

লঞ্চ পরিচালনা স্টাফদের মধ্যে সর্তকতা ও সচেতনতা সৃষ্টি না হলে কোন মামলা দিয়ে যাত্রীসেবা নিশ্চিত এবং দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করা সম্ভব নয় বলে মনে করছেন এই গবেষক।

অভ্যন্তরীণ লঞ্চ মালিক সমিতির সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টু বলেন, লঞ্চ মালিক ও স্টাফরা সব সময়ই সর্তক থাকি। যাতে কোন দুর্ঘটনা না ঘটে। যাত্রীসেবা ব্যাহত না হয়। কিন্তু তারপরও কিছু না কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটছে।

বরিশাল অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষের যুগ্ম পরিচালক ও নৌবন্দর কর্মকর্তা  মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, নৌ পথে পুরোপুরি শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা ও যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে আমরা নিষ্ঠা-স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করি। পাশাপাশি  নৌ পথে যেকোন ধরনের  বিশৃঙ্খলা পেলে তাৎক্ষণিক যে ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকি।বর্তমানে লঞ্চমালিক-স্টাফদের বিরুদ্ধে যেসব মামলা হয়েছে বর্তমানে ২টি মামলা মেরিন কোর্টে বিচারাধীন রয়েছে।

আর সেই মামলাগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে কোর্ট। আমরা চাই ঢাকা-বরিশাল রুটটি সুন্দর ও সুশৃঙ্খল রুটে পরিণত হোক, পুরোপুরি শৃঙ্খলা ফিরে আসুক জানান তিনি।

বাংলাদেশি দুই শান্তিরক্ষী মরণোত্তর পেলেন ‘দ্যাগ হ্যামারশোল্ড’



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
বাংলাদেশি দুই শান্তিরক্ষী মরণোত্তর পেলেন ‘দ্যাগ হ্যামারশোল্ড’

বাংলাদেশি দুই শান্তিরক্ষী মরণোত্তর পেলেন ‘দ্যাগ হ্যামারশোল্ড’

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কর্তব্যরত অবস্থায় নিহত বাংলাদেশের দুই শান্তিরক্ষী সর্বোচ্চ ত্যাগের জন্য মরণোত্তর ‘দ্যাগ হ্যামারশোল্ড পদক’ দিয়ে সম্মান জানিয়েছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৬ মে) বাংলাদেশের পক্ষে পদক গ্রহণ করেন। বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন এই দুই পদক নিহতদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করবে।

এ সময় রাবাব ফাতিমা বলেন, শান্তিরক্ষীদের আত্মত্যাগ শুধু শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যেতে আমাদের সংকল্পকে শক্তিশালী করে।

কর্তব্যরত অবস্থায় আত্মোৎসর্গকারী দুইজন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী মেজর একেএম মাহমুদুল হাসান ও ল্যান্স কর্পোরাল মো. রবিউল মোল্লা এ মেডেল পান। মেজর একেএম মাহমুদুল হাসান সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে নিয়োজিত মিনুসকা মিশনে এবং ল্যান্স কর্পোরাল মো. রবিউল মোল্লা দক্ষিণ সুদানে নিয়োজিত আনমিস (UNMISS) মিশনে কর্তব্যরত অবস্থায় নিহত হন।

এবারের আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষী দিবসে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে কর্তব্যরত অবস্থায় আত্মোৎসর্গকারী ৪২টি দেশের ১১৭ জন শান্তিরক্ষীকে বিশ্ব শান্তিরক্ষায় সর্বোচ্চ ত্যাগের জন্য ‘দ্যাগ হ্যামারশোল্ড’ মেডেল প্রদান করা হয়।

জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তেনিও গুতেরেজ বাংলাদেশসহ ৪২টি দেশের স্থায়ী প্রতিনিধিদের হাতে স্ব স্ব দেশের পদক তুলে দেন।

;

‘কুমিল্লা সিটি নির্বাচন সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ করার সক্ষমতা ইসির রয়েছে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আসন্ন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য করতে নির্বাচন কমিশনকে সরকার সবধরনের সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম।

মন্ত্রী বলেন, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করার সক্ষমতা নবগঠিত নির্বাচন কমিশনের রয়েছে।

কুমিল্লা টাউন হলে কুমিল্লা জেলা প্রশাসন আয়োজিত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৩ তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে তিনদিনব্যাপী অনুষ্ঠানের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন করার জন্য নির্বাচন কমিশন অঙ্গীকারাবদ্ধ। গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার জন্য নির্বাচন কমিশনকে সরকার সবধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে।

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন দেশ বিদেশে অত্যন্ত প্রশংসিত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন বর্তমান নির্বাচন কমিশন একটি সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

এর আগে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোঃ তাজুল ইসলাম বলেন, নজরুল ইসলাম ছোটবেলা থেকে সংগ্রাম করেছেন। তাঁর প্রতিটি দিন কেটেছে সংগ্রামের মাধ্যমে। মানুষের মধ্যে যে কোনো ভেদাভেদ নেই তা তাঁর কাব্য ও রচনায় ফুটে উঠেছে। কাজী নজরুল ইসলাম বিভিন্ন অনিয়ম, অসঙ্গতি, অন্যায় এবং উপনিবেশিকতার বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। সামাজিক অসাম্য, শোষণ-বঞ্চনা, ধর্মান্ধতা, বর্ণবাদ এবং নারী পুরুষের বৈষম্যের বিরুদ্ধেও ছিলেন সোচ্চার।

তাঁর জাগরণী ও উদ্দীপনামূলক সাহিত্য ও সঙ্গীত যুগে যুগে মানুষের মাঝে অনাবিল অনুপ্রেরণা যোগাবে বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, আমরা সত্যিকার অর্থে নজরুলের মূল্যায়ন তুলে ধারতে পারছি না। আমাদের নতুন প্রজম্মের উচিত নজরুলের আর্দশ ধারণ করে তা অনুসরণ করা। জীবনে বড় হতে হলে কঠোর পরিশ্রমের বিকল্প নেই। তিনি বলেন প্রতিটি রাজনীতিবিদদের নজরুলের আর্দশ অনুসরণ করা উচিত।

অনুষ্ঠানে কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসানের সভাপতিত্বে স্মারক বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়ন কপোরেশনের চেয়ারম্যান  এ এফ হায়াতুল্লাহ।

বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধো নাজমুল হাসান পাখি, কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক রিয়াল অ্যাডমিরাল আবু তাহের, কুমিলা ভিক্টোরিয়া কলেজের অধ্যক্ষ ড.আবু জাফর খান।

;

কৃষি-খাদ্য শিল্পের টেকসই উন্নয়নে ডাচ কৃষি উদ্ভাবন ও প্রযুক্তির মেলবন্ধন



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশি কৃষি উদ্যোক্তাদের সাথে নেদারল্যান্ডের কৃষি ও প্রযুক্তি  উদ্যোক্তাদের মাঝে  Horticulture, Livestock, Poultry ও Fisheries খাতে সুস্পষ্ট অংশিদারিত্ব তৈরিতে বাংলাদেশ দূতাবাস আগামী ৩০মে এগ্রি-বিজনেস Conclave আয়োজন করছে।

এ কনক্লেভে বাংলাদেশ হতে কৃষি ও খাদ্যশিল্পে নিয়োজিত ৪০ জন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী/উদ্যোক্তা  যোগ দিবেন। এ পর্যন্ত প্রায় ৩০টি ডাচ প্রতিষ্ঠান এ কনক্লেভে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছে। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কৃষি গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয় Wageningen University and Research এর সহযোগিতায় কনক্লেভটি ওয়ার্ল্ড ক্যাফে ফরমেটে অনুষ্ঠিত হবে। ডাচ উদ্যোক্তাবৃন্দ বাংলাদেশি ব্যবসায়ি/উদ্যোক্তাদের সাথে বাংলাদেশে সম্ভাব্য ডাচ প্রযুক্তি-সমাধান-উদ্ভাবন ব্যবহারের মাধ্যমে নতুন বিনিয়োগ চূড়ান্তে আলোচনা করবেন।

কনক্লেভের দ্বিতীয় দিন (৩১ মে) চারটি উপখাত সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা Wageningen, Friesland, Boxmeer, World Horti Centre-এ ডাচ প্রযুক্তির প্রায়োগিক দিকগুলি দেখতে যাবেন।

উল্লেখ্য, গত বছর দূতাবাসের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ হতে নেদারল্যান্ডসে বাণিজ্যিকভাবে আম রফতানি করা হয়। দূতাবাসের এ কনক্লেভ আয়োজন এ বছরের শেষের দিকে বাংলাদেশে একটি Dutch Trade Mission প্রেরণের ক্ষেত্রে সহায়ক হবে বলে আশা করা যাচ্ছে ।

নেদারল্যান্ডস বাংলাদেশের আয়তনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশের কম। তথাপি কৃষিজাত পণ্য রফতানিতে বিশ্বে দ্বিতীয় শীর্ষস্থানীয়। ২০২১-এ কৃষি পন্য ও খাদ্য রফতানি করে নেদারল্যান্ড ১১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি আয় করে।

কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবনে নেদারল্যান্ড শীর্ষে। অন্যদিকে বাংলাদেশ গত পাঁচ দশকে কৃষি উৎতপাদনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করলেও বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ করে কৃষি প্রবৃদ্ধি অর্জন ও কৃষিখাতকে একটি রফতানিমুখী খাতে উন্নীত করতে উন্নত ডাচ কৃষি প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তাই উন্নত ডাচ কৃষি প্রযুক্তি বাংলাদেশে সূচনা করার জন্য দুই দেশের  ব্যবসায়িক সংযোগ সুদৃঢ় করতে দূতাবাস নতুন উদ্যোগ হিসেবে এই কনক্লেভ আয়োজন করছে।

এই কনক্লেভ বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডের বেসরকারি খাতে সৃ ও দায়িত্বশীল উদ্যোক্তাদের মাঝে দীর্ঘমেয়াদী সংযোগ সৃষ্টি করবে বলে নেদারল্যান্ডসে বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত রিয়াজ হামিদুল্লাহ মনে করেন। কনক্লেভে নিরাপদ ও গুনগত খাদ্য, সত্যায়িত কাঁচা পণ্য পরিবহন, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য রফতানি করতে যে ক্রম-পরিবর্তনশীল প্রযুক্তির প্রয়োজন তা নিয়ে আলোচনা হবে।

Conclave-টি আয়োজনে প্রথমবারের মত দূতাবাসের সাথে অংশীদার হয়েছে নেদারল্যান্ডসের কৃষি মন্ত্রণালয়, নেদারল্যান্ড এন্টারপ্রাইজ এজেন্সি, নেদারল্যান্ড ফুড পার্টনারশিপ, ডাচ-গ্রিন-হাইজ ডেল্টা, লারিভ ইন্টারন্যাশনাল, স্টান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ এবং লাইট-ক্যাসেল পার্টনার্স। বাংলাদেশের কৃষি মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দূতাবাসের এ উদ্যোগ সমর্থন করছে।

;

পিকে হালদার আরো ১১ দিনের রিমান্ডে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
পিকে হালদার আরো ১১ দিনের রিমান্ডে

পিকে হালদার আরো ১১ দিনের রিমান্ডে

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতে গ্রেফতার এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক এমডি প্রশান্ত কুমার (পিকে) হালদারসহ মোট ছয়জনকে আরো ১১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে কলকাতার একটি আদালত।

শুক্রবার কলকাতার নগর দায়রা আদালতের বিচারপতি সৌভিক ঘোষ এ আদেশ দেন।

কয়েক হাজার কোটি টাকা আত্মসাত করে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া পিকে হালদার গত ১৪ মে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশপরগনা জেলার অশোকনগর থেকে গ্রেফতার হন। পিকেসহ ছয়জনকে ওই দিন গ্রেফতার করে ভারতের কেন্দ্রীয় সংস্থা ইনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।

গ্রেফতারের পর পিকে হালদারকে আদালতে হাজির করলে প্রথম দফায় তার ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। সেই রিমান্ড শেষে গত ১৭ মে তাকে আদালতে হাজির করলে তাকে দ্বিতীয় দফায় আরও ১০ দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়।

এক নারীসহ মোট পাঁচজনের বিরুদ্ধে ‘হাওয়ালা’ পদ্ধতিতে বাংলাদেশ থেকে ভারতে টাকা পাচারের অভিযোগে ২০০২ সালের আইনে মামলা করা হয়। পিকে হালদার ও তার সহযোগীরা পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন ব্যবসা ও সম্পত্তিতে এসব অর্থ বিনিয়োগ করেছেন।

;