রাজশাহীতে করোনার সংক্রমণ ৭০ শতাংশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজশাহীতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের হারে রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। সংক্রমণের হার বাড়তে বাড়তে ৭০ শতাংশে গিয়ে পৌঁছেছে। করোনার এমন ভয়ানক সংক্রমণেও মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা নেই বললেই চলে। সবখানেই অনেকটা গা-ছাড়া ভাব।

সোমবার রাজশাহীর দুটি পিসিআর ল্যাবে এ জেলার ৫৪৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এরমধ্যে ৩৮২টি নমুনাতেই করোনাভাইরাসের উপস্থিতি মিলেছে। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় সংক্রমণের হার ৭০ দশমিক ০৯ শতাংশ। করোনা সংক্রমণের এই হার এত বেশি আগে আর কখনই হয়নি। দেশে করোনার অমিক্রন ধরন শনাক্তের পরই রাজশাহীতে প্রাণঘাতি এ ভাইরাসের সংক্রমণের এই রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রাজশাহীর ১৭৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এতে ৯৯টি করোনা পজিটিভ হয়েছে। এখানে সংক্রমণের হার ৫৫ দশমিক ৯৩ শতাংশ। আর রাজশাহী মেডিকেল কলেজে ৫৪৫টি নমুনার মধ্যে ৩৮২টিতে করোনা শনাক্ত হয়েছে। সংক্রমণের হার ৫৫ দশমিক ৭০ শতাংশ। সংক্রমণের গড় হার ৭০ দশমিক ০৯ শতাংশ।

আগের দিন রোববার জেলার ৪৫৮টি নমুনা পরীক্ষা হয়। এতে ২২৮ জনের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট হয়। নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে করোনার সংক্রমণের হার ছিল ৬০ দশমিক ৪৯ শতাংশ। কিন্তু একদিনের মধ্যে সংক্রমণ বেড়ে গেল ১০ শতাংশ। রাজশাহীতে করোনার ডেলটা ধরনের সময়ও এত দ্রুত সংক্রমণ বাড়েনি।

এদিকে সোমবার রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ের ৯২ জন শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীর নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে ৬২ জনের করোনা শনাক্ত হয়। সংক্রমণের হার হয় ৬৭ শতাংশ। ক্যাম্পাসেও করোনার এমন সংক্রমণে উদ্বিগ্ন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

বিশ^বিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রের প্রধান ড. তবিবুর রহমান বলেন, আমাদের এখানে করোনা সংক্রমণ খুবই দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। যদি এভাবে ক্রমাগত বাড়তে থাকে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া মুশকিল হবে। শিক্ষাথীদের উচিত হবে যাদের অনলাইনে ক্লাস হচ্ছে তাদের বাড়ি চলে যাওয়া। অন্যথায় সবার মধ্যে দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে। তিনি আরও বলেন, যারা এখনো টিকার আওতায় আসেনি তাদের দ্রুত টিকার আওতায় আনতে হবে। স্বাস্থ্যবিধির বিষয়ে শিক্ষাথীদের আরও সতর্ক হওয়া উচিত।

এদিকে গোটা রাজশাহীতেই হু হু করে সংক্রমণ বাড়লেও এখনও পথে-ঘাটে মানুষ ঘুরছেন মাস্ক ছাড়া। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বিন্দুমাত্র চেষ্টাও করছেন না কেউ। তবে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত সীমিত পরিসরে অভিযান চালিয়ে পরিস্থিতির উন্নতি ঘটানোর চেষ্টা করছে। সোমবার ভ্রাম্যমাণ আদালত ৭টি মামলায় সাতজনের কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে। একজনকে কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। করোনা সচেতনতায় বিতরণ করা হয়েছে ১০৭পিস মাস্ক।

বেগমগঞ্জে কৃষি ইনস্টিটিউটের ছাত্রদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় আহত ৬



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
বেগমগঞ্জে কৃষি ইনস্টিটিউটের ছাত্রদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

বেগমগঞ্জে কৃষি ইনস্টিটিউটের ছাত্রদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

  • Font increase
  • Font Decrease

খেলাকে কেন্দ্র করে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের কৃষি ইনস্টিটিউটের ছাত্রদের সঙ্গে স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ৬ জন আহত হয়েছেন।

আহতরা হলো, কৃষি ইনস্টিটিউটের সপ্তম সেমিস্টারের ছাত্র নাহিদ, নাজিম, রিয়াদ ও মো. আশরাফুল। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ছাড়া তৃতীয় বর্ষের ছাত্র মো.আশরাফুল নামের এক শিক্ষার্থীকে আহত অবস্থায় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার (২৮ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে বেগমগঞ্জ উপজেলার কৃষি ইনস্টিটিউট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি। তিনি বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোন পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তবে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় দুই পক্ষের লোকজনই আহত হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেগমগঞ্জের কুমিল্লা-নোয়াখালী মহাসড়কের পশ্চিম পাশে (চৌরাস্তা থেকে দক্ষিণ দিকে) কৃষি ইনস্টিটিউটের ছাত্ররা কৃষি ইনস্টিটিউটের পূর্বদিকে অবস্থিত হেলিপ্যাড মাঠে খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় কয়েকজন যুবকের সঙ্গে শনিবার বিকেলে খেলার মাঠে কথাকাটাকাটি হয়। এর জের ধরে শনিবার রাতে কৃষি ইনস্টিটিউটের হোস্টেলে থাকা ছাত্রদের সঙ্গে স্থানীয় যুবকদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

ওসি আরও জানায়, এটা অনেক পুরনো সমস্যা। কৃষি ইনস্টিটিউটের ছাত্ররা বাহিরে যায়, বাহিরের লোকজন ভিতরে আসে। এরা পরস্পর বন্ধুবান্ধব, এক সাথে খেলাধুলা করে। কৃষি ইনস্টিটিউটের মাঝখান দিয়ে একটি রাস্তা থাকায় গ্রামবাসী অবাধে আসা যাওয়া করে। একটি ঘটনা থেকে এমন ঘটনা ঘটেনি। কয়েকটি ঘটনার জের ধরে গতকালের ঘটনা ঘটে। ইনস্টিটিউটের নিরাপত্তায় জনবল সংকট রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত প্রদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

;

সিরাজগঞ্জে শেয়াল মারার ফাঁদে শিশুর মৃত্যু



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিরাজগঞ্জ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে মুরগি বাঁচাতে খামারে জেইআই তার দিয়ে বেড়া দেওয়া ফাঁদে বিদ্যুতায়িত হয়ে জান্নাতি (৭) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

নিহত জান্নাতী তাড়াশ উপজেলার তালম ইউনিয়নের শিব পাড়ার জিল্লুর রহমানের মেয়ে।

রবিবার (২৯ মে) সকালে উপজেলার তালম ইউনিয়নের তালম গ্রামের শিব পাড়ায় এ ঘটনা ঘটেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার শিবপাড়ায় আবু তালেবের নিজ বাড়িতে মুরগির ফার্মে শেয়াল তাড়াতে রাতের বেলায় জেইআই তারের বেড়ায় বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে রেখেছিলো। আজ ভোরে জান্নাতি আম কুড়াতে গিয়ে মুরগির ফার্মের বিদ্যুৎ স্পর্শে বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা যায়।

তালম ইউনিয়নের ৮ নাম্বার ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য তালেব হোসেন জানান, খামারি আবু তালেব আমাকে সকালে মুঠো ফোনে বলেন, তার মুরগির খামারের শেয়াল মারা ফাঁদে একটি শিশু মারা গেছে। এরপর তাকে খামারের পাশের একটি পরিত্যক্ত জায়গায় আবর্জনা দিয়ে ঢেকে রেখেছেন। পরে আমি পুলিশকে খবর দেয়।

তাড়াশ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, আবু তালেব তার মুরগির ফার্মে শেয়াল তাড়াতে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে রেখেছিলো। তাতে স্পর্শ হয়ে জান্নাতির মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ফার্মের মালিক তালেবকে খোঁজা হচ্ছে। ঘটনার মুল কারন উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। অভিযোগ করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিশুটির মরদেহ থানায় আনার প্রস্তুতি চলছে।

;

নোয়খালীতে গাড়ি চাপায় যুবকের মৃত্যু



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী পৌরসভা এলাকায় রাস্তা পার হতে গিয়ে অজ্ঞাত গাড়ির চাপায় এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

নিহত মোসলে উদ্দিন রানা (১৮) সোনাইমুড়ী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রামপুর এলাকার মৃত আব্দুস সালামের ছেলে।

শনিবার (২৮ মে) রাত সাড়ে ১০টার দিকে নোয়াখালী টু কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের সোনাইমুড়ী পৌরসভার রামপুর এলাকার ভূঞা বাড়ির সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

চন্দগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মৃদুল কান্তি কুরি বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, দুর্ঘটনার পর খবর পেয়ে পুলিশ রাত ১২টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। এরপর আইনগত প্রক্রিয়া শেষে নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়

ওসি আরো জানায়, রানা রাতে উপজেলার চাটখিল বাজার থেকে একা বাড়িতে ফিরছিলেন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে সোনাইমুড়ী পৌরসভার ৯নম্বর ওয়ার্ডের রামপুর এলাকার ভূঞা বাড়ির সামনের সড়ক পার হওয়ার সময় কুমিল্লা থেকে নোয়াখালী গামী একটি অজ্ঞাত পিকআপ ভ্যান তাঁকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে এবং রাত ২টার দিকে পরিবারের কাছে লাশটি হস্তান্তর করে।

 

;

২ বছর পর খুলনা-কলকাতা রুটে বন্ধন এক্সপ্রেস চালু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘ ২ বছরের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর অবশেষে চালু হল কলকাতা থেকে খুলনার মধ্যে যাতায়াতকারী বন্ধন এক্সপ্রেস ট্রেন। মাত্র ১৯ জন যাত্রী নিয়েই রোববার (২৮ মে) সকাল ৭.১০ মিনিটে বন্ধন (কলকাতা-খুলনা) এক্সপ্রেস ট্রেনটি কলকাতা স্টেশন থেকে খুলনার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। সবুজ পতাকা নাড়িয়ে এই ট্রেন যাত্রার শুভ সূচনা করা হয়।

এদিন সকালে ট্রেন ছাড়ার আগে প্রত্যেকটি যাত্রীদের ভালো করে চেক করা হয়। তাদের মোবাইল, ওয়ালেট, ঘড়ি সবকিছু একটি নির্দিষ্ট স্থানে রেখে গোটা শরীর চেক করেন বিএসএফ কর্মকর্তারা। এসময় অতিরিক্ত মালপত্র বহনের জন্য অতিরিক্ত শুল্ক ধার্য করা হয়। সেক্ষেত্রে কোন যাত্রীর কাছে ৩৫ কেজি থেকে ৫০ কেজি পর্যন্ত মালামাল থাকলে, প্রতি কেজিতে ২ মার্কিন ডলার অতিরিক্ত ফি দিতে হচ্ছে। এরপর সেখানে তাদের টিকিটে সিল মেরে ইমিগ্রেশন কাউন্টারে পাঠানো হয়। সেখানেও আবার পরীক্ষা করে ট্রেনে প্রবেশ করানো হয়। ট্রেন ছাড়ার আগে স্নিফার ডগ দিয়ে পুরো ট্রেনেও তল্লাশি চালায় বিএসএফ কর্মকর্তারা।

কলকাতা-বেনাপোল-খুলনা রুটে রোববার থেকে চলবে 'বন্ধন এক্সপ্রেস'

উল্লেখ্য, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বন্ধুত্বের প্রতীক হিসেবে ২০১৭ সালের নভেম্বর মাসে এই শীততাপ নিয়ন্ত্রিত ট্রেন সার্ভিস চালু হয়। বন্ধন এক্সপ্রেসের যাত্রীদের দুইটি ক্যাটাগরি আসন রয়েছে- একটি এক্সিকিউটিভ ক্লাস এবং অন্যটি চেয়ার কাট। এক্সিকিউটিভ ক্লাসে ভাড়া ১২০০ রুপির মতো, চেয়ার কাটে ভাড়া ৮০০ রুপির মত।

;