বরই চাষ করে সফলতার মুখ দেখেন আবদুল করিম



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট,বার্তা২৪.কম, লক্ষ্মীপুর
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ইউটিউবে কৃষি উন্নয়ন ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজের অনুপ্রেরণামূলক প্রতিবেদন দেখে লক্ষ্মীপুরে কৃষক আবদুল করিম বরই চাষ শুরু করেছেন। চারা রোপনের ১১ মাসেই তার বাগানে বাম্পার ফলন হয়েছে। ইতিমধ্যে তিনি প্রায় ৫০ হাজার টাকার বরই বিক্রিও করেছেন। তবে বরই চাষে তাকে উদ্বুদ্ধ করেছেন জামাল উদ্দিন নামে এক গ্রাম্য চিকিৎসক।

এদিকে বাগানটিতে বরই কিনতে ছবি তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে ক্রেতারা। পরে ফেসবুকে জুড়ে দেওয়া ছবি দেখে অন্যরা অনুপ্রাণিত হয়ে ছুটে যাচ্ছেন বরই কিনতে বাগানে। এতে কৃষক আবদুল করিমের মুখে হাসি ফুটে উঠে এবং ক্রেতাদের সঙ্গে ফেসবুকে বন্ধু হয়ে যান।


জানা গেছে, গেল ফাল্গুনে সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের সূতার গোপটার ইজতেমা মাঠ এলাকা ৬৬ শতাংশ জমিতে তিনি বরই গাছের চারা রোপন করেন। খুলনা থেকে তিনি কুরিয়ারযোগে চারাগাছগুলো ক্রয় করে আনেন। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা তাকে চাষাবাদে সহযোগীতা করেছেন বলে জানা গেছে।

বরই চাষী আবদুল করিম সদর উপজেলার লাহারকান্দি ইউনিয়নের শহীদপুর গ্রামের মৃত রুহুল আমিনের ছেলে। তার সংসারে স্ত্রী ও এক মেয়ে রয়েছে। মেয়ে ফাইজা আক্তারকে এবার স্থানীয় বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি করিয়েছেন।


আবদুল করিমের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তার বাগানে প্রতিদিন ৫০০ টাকা হারে ৩ জন শ্রমিক কাজ করেন। মাঝে মাঝে ২ জন নারী শ্রমিককেও নিয়োগ দেওয়া হয়। বার্ষিক চুক্তিতে জমিটি লিজ নেওয়া হয়েছে। বাগানটিতে কাষ্মেরী ও বল সুন্দরী বরই উৎপাদন করা হয়েছে। গাছ থেকেই পাকা বরই সংগ্রহ করে বিক্রি করা হয়। এতে বরইগুলো স্বাদও বেশি হচ্ছে।

আবদুল করিম বলেন, প্রায় ১৫ বছর আমি কৃষি কাজের সঙ্গে জড়িত। মৌসুম বেদে সবজি চাষই আমার একমাত্র কাজ ছিল। এবারও টমেটো চাষ করেছি। আল্লাহর রহমতে টমেটোতে লাভবান হয়েছি। কিন্তু এর আগে বিভিন্ন সবজি চাষে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। এতে জামাল উদ্দিন নামে একজন গ্রাম্য চিকিৎসক আমাকে বরই চাষ করার জন্য উদ্বুদ্ধ করেন। এরআগে ইউটিউব দেখে বরই চাষের ব্যাপারে দিক নির্দেশনামূলক তথ্য জানতে বলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, জামাল উদ্দিনের কথামত আমি ইউটিউবে শাইখ সিরাজের বিভিন্ন প্রতিবেদন দেখা শুরু করে। শাইখ সিরাজের প্রতিবেদনগুলো দেখেই আল করে আমি জমি তৈরি করি। গেল ফাল্গুনের ২০ তারিখে ১ ফুট আকারে বরই চারা পুরো জমিতে রোপন করি। ৯ মাসের মাথায় বরইগাছগুলোতে মাশআল্লাহ ভালো ফলন দিয়েছে। গাছ থেকে পাকা বরই সংগ্রহ করেই স্থানীয় বাজারে বিক্রি করি। অনেকেই বাগানে এসে বরই কিনে নিয়ে যান। এখন আমার এক একটি বরই গাছ ১০-১২ ফুট লম্বা।

স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল খালেক বলেন, আমাদের ভবানীগঞ্জ সবজি চাষে পুরো জেলাতেই সুনাম রয়েছে। এখানে যে বরই চাষ হবে তা কেউই কখনো কল্পনা করেনি। আবদুল করিমের বরই বাগানে ভালোই উৎপাদন হয়েছে। আশা করি এ বছরই তিনি তার খরচ উঠাতে পারবেন।

বরই কিনতে যাওয়া চাকরিজীবী মো. হাসান আলী বলেন, এ ধরণের একক বরই বাগান লক্ষ্মীপুরে আর কোথাও নজরে পড়েনি। বরইগুলোও ক্ষেতে দারুণ মিষ্টি। ঝুঁকি নিয়েই আবদুল করিম বরই বাগানে সফলতা দেখছেন। তার মতো অন্যরাও যদি ঝুঁকি নেয় তাহলে মেঘনা উপকূলীয় এ অঞ্চল কৃষিক্ষেত্রে আরও এগিয়ে যাবে।


কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্র জানায়, লক্ষ্মীপুরে জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষিপ্তভাবে প্রায় ৯৬ হেক্টর জমিতে বরই চাষ হয়। এতে সাড়ে ৯০০ মেট্টিক টন বরই উৎপাদন হয়। তবে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ৫-৬ হেক্টর জমিতে বরই চাষ করা হয়। তবে অল্প সময়ে পর্যাপ্ত বরই উৎপাদন হয় বাগানগুলোতে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক বলেন, আবদুল করিম প্রায় ১১ মাস আগে বরই চাষ শুরু করেন। তার বাগানে পর্যাপ্ত বরই উৎপাদন হয়েছে। তিনি এ বাগান থেকে ৬-৭ লাখ টাকা আয় করতে পারবেন বলে আমরা আশবাদি। আরও ২-৩টি বাগান রয়েছে। কৃষকরা এখন ফল চাষে এগিয়ে আসছে।

তিনি আরও বলেন, এ জেলায় কাষ্মেরি, বাউল ও বল সুন্দরী বরই উৎপাদন হয়। কিভাবে চারা উৎপাদন করে তা সম্প্রসারণ করতে হয় সে ব্যাপারে আমরা কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেছি। কৃষকদের বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়ার জন্য উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার কাজ করছেন। বরই চাষে প্রচুর খরচ রয়েছে। যাদের অর্থের সমস্যা আছে, তাদেরকে ব্যাংক থেকে স্বল্প সুদে ঋণ নিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করবো বলেছি। আগ্রহী কৃষকদেরকে সকল ধরণের সহযোগীতা আমাদের পক্ষ থেকে করা হবে।

রাজশাহীতে সড়ক দুর্ঘটনায় কিশোর নিহত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
রাজশাহীতে সড়ক দুর্ঘটনায় কিশোর নিহত

রাজশাহীতে সড়ক দুর্ঘটনায় কিশোর নিহত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় ট্রাকের সাথে বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই এক কিশোর নিহত হয়েছে। তার নাম আলী আহসান (১৪)। সে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চর অনুপনগর গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে। আলী আহসান নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

সোমবার দুপুরে রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহাসড়কে গোদাগাড়ীর অভয়া ব্রীজে এই দুর্ঘটনা ঘটে। গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর থেকে পাথর নিয়ে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে আলী আহসানের মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

ওসি জানান, দুর্ঘটনার পর ট্রাকের চালক-হেলপার পালিয়েছেন। তবে ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। এ নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।#

;

পেঁয়াজ চাষি মরছে আমদানিতে আর পোয়াবারো পুঁজিপতিদের



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, মেহেরপুর
পেঁয়াজ চাষি মরেছে আমদানীতে আর পোয়া বারো পুঁজিপতিদের

পেঁয়াজ চাষি মরেছে আমদানীতে আর পোয়া বারো পুঁজিপতিদের

  • Font increase
  • Font Decrease

মেহেরপুর জেলায় কৃষকের ঘরে পেঁয়াজ নেই। পেঁয়াজ তোলার সাথে সাথেই চাষিদের ৮০ ভাগের উপরে পেঁয়াজ বিক্রি করে থাকেন। বিত্তবান চাষিদের ঘরে কিছু পেঁয়াজ থাকলেও তার পরিমাণ খুব বেশি নয়। পেঁয়াজ সংরক্ষণকারী ব্যবসায়ীদের হাতে রয়েছে পেঁয়াজ। ফলে পেঁয়াজের দর বৃদ্ধির সুবিধা পাচ্ছেন সংরক্ষণকারীরা। অপরদিকে পেঁয়াজ তেলার ভরা মৌসূমে পেঁয়াজ আমদানী করায় লোকসান গুনতে হয়েছে  চাষিদের।

জানা গেছে, ভরা মৌসূমে অথাৎ মার্চের শুরুতে পেঁয়াজ আমদানির ফলে পেঁয়াদের দর পতন হয়। ফেব্রুয়ারীর শেষ সপ্তাহ থেকে মার্চের প্রথম সপ্তাহ পেঁয়াজ তোলার ভরা মৌসূম। এসময় পাইকারীতে ১৭-১৯ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি করেছেন চাষিরা। আমদানী বন্ধ হওয়ায় এখন পেঁয়াজের দর বেড়েছে।  মেহেরপুর জেলায় পাইকারীতে ৩২-৩৩ টাকা এবং খুচরা ৪০-৪৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। তবে এর সুফল পাচ্ছেন না পেঁয়াজ উৎপাদনকারী চাষিরা। দরিদ্র চাষিদের কাছ থেকে পেঁয়াজ কিনে যারা সংরক্ষণ করেছেন তারাই মূলত বেশি দরের সুবিধা পাচ্ছেন।

গাংনীর গোপালনগর গ্রামের বর্গা চাষি আব্দুল জাব্বার এ মৌসূমে ৪ বিঘা জমিতে পেঁয়াজ আবাদ করেছিলেন। এবার তার বড় ধরনের লোকজন হয়েছে বলে জানান এই পেঁয়াজ চাষি।

তিনি জানান, জমি লিজ থেকে শুরু করে পেঁয়াজ ঘরে তোলা পর্যন্ত বিঘায় খরচ প্রায় ৩০ হাজার টাকা। বিঘায় এবার ফলন ছিল প্রায় ৮০ মণ। পেঁয়াজ তোলার সাথে সাথেই বিক্রি করেছেন ১৭ টাকা কেজি। ফলে প্রতি বিঘায় তার লোকসানের পরিমাণ প্রায় ২৫ হাজার টাকা। 

নওপাড়া গ্রামের পেঁয়াজ চাষি রুবেল হোসেন জানান, তিনি ৬ বিঘা জমিতে পেঁয়াজ আবাদ করেছিলেন। তার ঘরে দুই বিঘা জমির পেঁয়াজ রয়েছে। চাষের খরচ জোগানোর জন্য তিনি কিছু বিক্রি করেছেন। আর বাড়তি দরের আশায় কিছু পেঁয়াজ সংরক্ষণ করেন।

রুবেল হোসেন বলেন, পেঁয়াজ বীজ, সার ও কীটনাশক বাকিতে কেনা হয়। ফলে পেঁয়াজ তোলা শুরু হলেই বাকি পরিশোধ করা হয়ে থাকে। যার কারণে চাষিরা পেঁয়াজ সংরক্ষণে রাখতে পারে না।

পেঁয়াজ আমদানী বন্ধের পর হঠাৎ দর বৃদ্ধি পেলেও তা স্থীতিশীল। দুই সপ্তাহ আগে দর বৃদ্ধির পর ৪০ টাকার নিচে রয়েছে পাইকারী দর।

চাষিরা জানান, গেল বছর পেঁয়াজের দর বেশি থাকায় চাষিরা আবাদ বৃদ্ধি  করেছেন। প্রতি বছর কতো উৎপাদন আর চাহিদা সেই হিসেবে করে আমদানী করতে হবে। আর কখন আমদানী করতে হবে সেই বিষয়টিও মূখ্য। দেশের চাষিরা সুযোগ পেলে পেঁয়াজে স্বংসম্পূর্ণতা অর্জন করা সম্ভভ বলে মনে করেন চাষিরা।

;

হাতে মেহেদী না শুকাতেই বিষ পানে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
হাতে মেহেদী না শুকাতেই বিষ পানে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

হাতে মেহেদী না শুকাতেই বিষ পানে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

  • Font increase
  • Font Decrease

হাতের মেহেদী না শুকাতেই বিয়ের তিন মাস পর ময়মনসিংহের সদর উপজেলায় বিষপানে স্বামী-স্ত্রীর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।

ময়মনসিংহের সদর উপজেলার ভাটি দাপুনিয়ায় নবদম্পতি রনি মিয়া (২২) এবং সেতু আক্তার (১৯) গতকাল (২২ মে) রোববার  মধ্যরাতে নিজ বাড়িতে বিষ পান করেন। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। এমন আত্মহত্যার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ জানিয়েছেন নিহতদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর বিষয়টি রহস্যজনক। তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তিন মাস আগে ময়মনসিংহ নগরীর বলাশপুর কসাইপাড়ার তারা মিয়ার মেয়ের সাথে ভাটি দাপুনিয়া গ্রামের মৃত শামসুল হকের ছেলে রনি মিয়ার বিয়ে হয়। রনি মিয়া রাজমিস্ত্রি ছিলেন।

;

নোয়াখালীতে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় আবুল বাশার বসু (৫৫) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (২৩ মে) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার খিলপাড়া ইউনিয়নের খিলপাড়া এলাকার চন্দ্রগঞ্জ-চাটখিল সড়কের বড়পোল সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আবুল বাশার বসু উপজেলার খিলপাড়া ইউনিয়নের শ্রী হাটি গ্রামের মৃত মহরম আলীর ছেলে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, নিহত বসু মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। সোমবার দুপুরের দিকে চন্দ্রগঞ্জ-চাটখিল সড়কের বড়পোল সংলগ্ন পোল হয়ে বাড়ি ফিরছিল। তখন বেপরোয়া গতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় সে গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দত্তেরবাগ ওয়াহাব তৈয়বা মেমোরিয়াল হসপিটালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বিষয়টিি নিশ্চিত করেন চাটখিল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হুমায়ন কবির। তিনি জানান, মোটরসাইকেল চালককে শনাক্ত করা হয়েছে। তাকে আটক করতে চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

;