অ্যাপেন্ডিসাইটিসের অপারেশনে মলদ্বারের নাড়ি কেটে ফেললেন চিকিৎসক!



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ফরিদপুর
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ফরিদপুরে অ্যাপেন্ডিসাইটিস অস্ত্রোপচার করার সময় এক গৃহবধূর মলদ্বারের নাড়ি কেটে ফেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই গৃহবধূ বর্তমানে বিএসএমএমসি হাসপাতালের নতুন ভবনের পাঁচতলায় নারী ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

অভিযুক্ত চিকিৎসকের নাম উৎপল নাগ। তিনি ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ (বিএসএমএমসি) হাসপাতালের চিকিৎসক। এ ঘটনায় হাসপাতালের পরিচালকের কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী গৃহবধূর স্বামী আব্দুল মান্নান ব্যাপারী।

অভিযোগ সূত্র থেকে জানা গেছে, স্ত্রী হাসনা বেগম পেটে ব্যথা অনুভব করলে গত ২২ ডিসেম্বর ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বহির্বিভাগে গাইনি চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান আব্দুল মান্নান। তাকে হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের ডা. উৎপল নাগের কাছে রেফার করা হয়। তিনি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে অ্যাপেন্ডিসাইটিস হয়েছে বলে জানান এবং দ্রুত অস্ত্রোপচার না করলে রোগীকে বাঁচানো যাবে না বলে মত দেন।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, ডা. নাগ তাদের বলেন, বিএসএমএমসি হাসপাতালে অস্ত্রোপচার করাতে অনেক দিন অপেক্ষা করতে হবে এবং এই সরকারি হাসপাতালে ভালো চিকিৎসা ব্যবস্থা নেই। পরে তিনি তার ভিজিটিং কার্ড দিয়ে তাদের শহরের রথখোলায় পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে অবস্থিত পিয়ারলেস হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেন। তিনি আরও জানান, একটু পরেই তিনি ওই হাসপাতালে যাবেন।

ভুক্তভোগী রোগীর পিতা হাশেম মল্লিক জানান, ডা. উৎপল নাগের কথামতো তার মেয়ে হাসনাকে পিয়ারলেস প্রাইভেট হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নেয়া হয়। সেখানে তিনটি পরীক্ষা করা হয়। এতে খরচ হয় ২৬০০ টাকা। ওইদিন সন্ধ্যায় অস্ত্রোপচার করা হবে বলে জানানো হয়। পরে ২৬ হাজার টাকা খরচে অ্যাপেন্ডিসাইটিস অস্ত্রোপচার করান ডা. নাগ।

তিনি আরও বলেন, অস্ত্রোপচারের চারদিন পর হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেওয়ার সময় হাসনা বেগমের সেলাই কেটে ড্রেসিং করার সময় মলদ্বার দিয়ে মল বের হতে থাকে। বিষয়টি ডা. উৎপল নাগকে জানানোর পর তিনি ফের অস্ত্রোপচার করার কথা বলেন। এজন্য আরও এক লাখ টাকা লাগবে বলেও জানান তিনি। এরপর অসুস্থ হাসনা বেগমকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

রোগীর স্বজনরা অভিযোগ করে জানান, হাসনা বেগম দিন দিন শীর্ণকায় হয়ে যাচ্ছেন। স্ত্রীর চিকিৎসার পেছনে ছুটতে গিয়ে আয়ও বন্ধ মান্নান ব্যাপারীর। এ অবস্থায় দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে পরিবারটির।

এ ব্যাপারে জানতে ডা. উৎপল নাগের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি হাসনা বেগমকে বিএসএমএমসি হাসপাতাল থেকে ক্লিনিকে অস্ত্রোপচার করানোর পরামর্শ দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন। সেই সঙ্গে ফের অস্ত্রোপচার করাতে এক লাখ টাকা দাবির অভিযোগও অস্বীকার করেন।

ডা. উৎপল নাগ জানান, ওই রোগীর অ্যাপেন্ডিসাইটিস পেকে গিয়েছিল। সৃষ্টিকর্তা তার হাত দিয়ে বাঁচিয়ে দিয়েছেন। এখন তারা কী কারণে এসব অভিযোগ করছে, তা বুঝতে পারছেন না তিনি।

এ ব্যাপারে বিএসএমএমসি হাসপাতালের পরিচালক মো. সাইফুর রহমান বলেন, বিষয়টি জানতে পেরে ওই রোগীর খোঁজ নিয়েছি। তার চিকিৎসার কোনো ত্রুটি হবে না। তিনি বলেন, ডা. উৎপল নাগের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যুবককে কুপিয়ে হত্যা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
পীরগাছা থানা

পীরগাছা থানা

  • Font increase
  • Font Decrease

রংপুরের পীরগাছায় দেলোয়ার হোসেন (৩৫) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

শনিবার (২৮ মে) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন পীরগাছা থানার ওসি সরেস চন্দ্র। এর আগে শুক্রবার রাত ১১টার দিকে উপজেলার কুড়ারপার ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত দেলোয়ার হোসেন পীরগাছা সদর ইউনিয়নের কসাইটারী গ্রামের ছফুর উদ্দিনের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, সন্ধ্যার পর স্থানীয় বাজার থেকে বাড়িতে যান দেলোয়ার হোসেন। রাত ১১টার দিকে প্রতিবেশী ফারুক নামে এক যুবক তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরে তারা কুড়ারপার ব্রিজ এলাকায় রেল লাইনের কাছে পৌঁছালে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা দেলোয়ারকে কোপাতে থাকেন। এ সময় দেলোয়ারের চিৎকারে আশেপাশের লোকজন ছুটে আসলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।

পরে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় রাতেই প্রতিবেশী সবুজ নামে এক যুবকসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।

পীরগাছা থানার ওসি সরেস চন্দ্র বলেন, দেলোয়ার নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বর্তমানে তার মরদেহ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

;

সিরাজগঞ্জে গৃহকর্মী নির্যাতনের অভিযোগে গৃহবধূ আটক



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিরাজগঞ্জ
সিরাজগঞ্জে গৃহকর্মী নির্যাতনের অভিযোগে গৃহবধূ আটক

সিরাজগঞ্জে গৃহকর্মী নির্যাতনের অভিযোগে গৃহবধূ আটক

  • Font increase
  • Font Decrease

সিরাজগঞ্জে একটি বাসায় ১১ বছর বয়সী এক গৃহকর্মীকে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় জুথি খাতুন নামে এক গৃহবধূকে আটক করেছে পুলিশ।

লিপি খাতুন কুড়িগ্রাম জেলার কচাকাটা উপজেলার পূর্বকেদার গ্রামের বাচ্চু মিয়া ও আমিনা খাতুন দম্পতির মেয়ে।

শুক্রবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার সয়াধানগড়া মধ্যপাড়া গ্রামে এঘটনা ঘটে। আটক জুথি খাতুন সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার সয়াধানগড়া মধ্যপাড়া গ্রামের তারেক গোলামের স্ত্রী।

শনিবার (২৮ মে) সিরাজগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তদন্ত মো. সাজ্জাদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মৃত হযরত আলীর ছেলে মো. আলি আজাহারের বাড়িতে লিপি খাতুন গত তিন বছর যাবৎ কাজ করে। প্রত্যেক দিন শিশুটিকে নির্যাতন করে গৃহবধূ জুথি খাতুন। যে কাজ বয়স্ক মানুষকে দিয়ে করানো উচিত, তা চাপিয়ে দেওয়া হতো লিপির ওপর।

এলাকাবাসী শুক্রবার এঘটনাটি পুলিশকে অবগত করলে পুলিশ এসে লিপিকে উদ্ধার করে।

লিপি জানান, বিভিন্ন সময়ে লাঠি, গরম ইস্ত্রি দিয়ে ছ্যাকা ও কিল ঘুষি মারতো। আমি কাউকে কিছুই বলতে পারি না। কাউকে কিছু বললে আমাকে নানা ভাবে মেরে ফেলার হুমকি দিতো খালাম্মা।

সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, ইতিমধ্যে নির্যাতনের শিকার মেয়েটিকে পুলিশ উদ্ধার করেছে। শুক্রবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার দেওয়া হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে নির্যাতনের চিহ্ন পাওয়া গেছে। নির্যাতিত শিশুটির পরিবার থানায় অভিযোগ করেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে গৃহবধূর নামে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের হয়েছে। সেই মামলায় জুথি খাতুনকে আটক করা হয়েছে।

;

বগুড়ায় তাঁত বস্ত্র মেলায় চলছে লটারির নামে জুয়া!



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বগুড়া
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বগুড়ায় মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র, কুটির শিল্প ও পণ্য মেলায় লটারির নামে চলছে জুয়া খেলা। মোটরসাইকেলসহ আকর্ষণীয় বিভিন্ন পণ্য লটারিতে পুরস্কার ঘোষণা করায় প্রতিদিন শহর ছাড়াও গ্রাম গঞ্জে লটারির টিকেট বিক্রি করে হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে লাখ লাখ টাকা। প্রকাশ্যে এসব অবৈধ লটারির টিকেট বিক্রি হলেও প্রশাসনের ভূমিকা রহস্যজনক।

গত সোমবার (২৩ মে) বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল মাঠে বগুড়া মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন, বগুড়া কালেক্টরেট কল্যাণ সমবায় সমিতি লিমিটেড ও বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী পরিষদ জেলা প্রশাসক কার্যালয় বগুড়ার আয়োজনে মাসব্যাপী এই মেলা শুরু হয়।

মেলা উদ্বোধনের পরদিন থেকেই শুরু হয় লটারির টিকেট বিক্রি। মেলার গেট ছাড়াও শহরের বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে চেয়ার টেবিল বসিয়ে মেলার আয়োজক কমিটির লোকজন ২০ টাকা মূল্যের লটারির টিকেট বিক্রি করে আসছেন সকাল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত।

এছাড়াও বিভিন্ন উপজেলা পর্যায়ে অটোরিকশা যোগে ঘুরে ঘুরে লটারির টিকেট বিক্রি করা হচ্ছে। সারাদিন টিকেট বিক্রি শেষে রাত সাড়ে ১০টায় মেলা চত্বরে লটারি অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিদিন মোটরসাইকেল,ফ্রিজসহ আকর্ষণীয় পুরস্কার ঘোষণা করায় নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকজন টিকেট কিনতে হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন। রিকশা চালক ছাড়াও দিনমজুর শ্রেণির লোকজন যা আয় করছেন সেই টাকায় বাড়ির বাজার না করে লটারির টিকেট কিনে বাড়ি ফিরছেন। আবার অনেকেই মোটরসাইকেল পুরস্কার পাওয়ার আশায় প্রতিদিন অসংখ্য টিকেট কিনেও মোটরসাইকেল পাচ্ছেন না।

বগুড়া বারের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল লতিফ পশারী বলেন, আকর্ষণীয় পুরস্কারের ফাঁদে ফেলে লটারির নামে জুয়া চলছে বগুড়ায়। অথচ বগুড়ার সুশীল সমাজ নিরব।

তিনি বলেন, জেলা প্রশাসনের কর্মচারীদের আয়োজনে চলা মেলায় জুয়া চালানোর দায় জেলা প্রশাসন এড়াতে পারেন না। এভাবে প্রতিদিন লটারি চলতে থাকলে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে সাধারণ মানুষ নিঃস্ব হয়ে বিভিন্ন অপকর্মে জড়িয়ে পড়বে।

মেলার নামে লটারি প্রসঙ্গে বগুড়া সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু সুফিয়ান সফিক বলেন, আকর্ষণীয় পুরস্কারের প্রলোভন দিয়ে লটারির নামে জুয়া চলতে থাকলে সামাজিক অস্থিরতা বেড়ে যাবে। নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকজন নিঃস্ব হয়ে পড়লে চুরি ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ বেড়ে যাবে।

বগুড়ার পুলিশ সুপার সুদীপ চক্রবর্তী বলেন, জেলা প্রশাসনের কর্মচারীদের আয়োজনে চলমান মেলায় লটারির বিষয়টি নজরে এসেছে। এবিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

;

৩০ মে হচ্ছে না ঢাকা-দিল্লি বৈঠক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ‘যৌথ কনসালটেটিভ কমিশন’ (জেসিসি) বৈঠক আগামী ৩০ মে হচ্ছে না।

শনিবার (২৮ মে) আসামে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সাক্ষাতে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে।

আরও সময় নিয়ে বৈঠকের প্রস্তুতি নিতে চায় দুই দেশ। তবে, শিগগিরই নতুন তারিখ ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন।

এদিকে, আসামের গুয়াহাটির রেডিসন হোটেলে শুরু হয়েছে এশিয়ান কনফ্লুয়েন্স রিভার কনক্লেভ বা নদী সম্মেলন। স্থানীয় সময় শনিবার (২৮ মে) সকাল পৌনে দশটায় দু'দিনের আন্তর্জাতিক এ সম্মেলন উদ্ধোধন করেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখবেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। সরকার, কূটনৈতিক সম্প্রদায়, বিজ্ঞানী, করপোরেট, সুশীল সমাজ এবং নদীতে বসবাসকারী বিভিন্ন বৈচিত্র্যময় সম্প্রদায়ের মতো নানা পর্যায়ের সুবিধাভোগীরা এতে উপস্থিত থাকবেন।

নদী সম্মেলনে-যোগাযোগ, সংস্কৃতি, বাণিজ্য, সংরক্ষণ এবং গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা অববাহিকায় সহযোগিতার ওপর জোর দেওয়ার পাশাপাশি নদীর পানি বণ্টনের বিষয়ে আলোচনা হবে।

;