রাজশাহীতে ছুটিতে সন্দেহভাজন বুকিং সহকারীরা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

 

রাজশাহীতে ট্রেনের টিকিট চোখের পলকেই শেষ হয়ে যাওয়ার বিষয়টি কয়েকদিন ধরেই আলোচনায়। অভিযোগ উঠেছে, রাজশাহী স্টেশন ঘিরে থাকা কালোবাজারি চক্রের অপতৎপরতায় সাধারণ যাত্রীদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে টিকিট। আর এই চক্রে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনের প্রধান বুকিং সহকারী আবদুল মমিনেরই জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।

টানা কয়েকদিন অনুসন্ধান চালিয়ে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। অভিযোগ পাওয়া গেছে, এই চক্রের পেছনে সহযোগী হিসেবে কাজ করছেন মমিন ছাড়াও আরও গুটিকয়েক অসৎ বুকিং সহকারী। সম্প্রতি এই চক্রকে ধরতে বিভিন্ন মহল থেকে পশ্চিমাঞ্চল রেল কর্তৃপক্ষসহ প্রশাসনকে তাগাদা দেওয়া হয়। অবস্থা বেগতিক দেখে সন্দেহভাজন কয়েকজন বুকিং সহকারী গা-বাঁচাতে ছুটি নিয়েছেন। ছুটিতে গেছেন প্রধান বুকিং সহকারীও।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, রাজশাহী রেল স্টেশনের কাউন্টারের দায়িত্বে আছেন ২৬ জন বুকিং সহকারী। এরমধ্যে প্রধান বুকিং সহকারী আবদুল মমিনসহ পাঁচজন এখন ছুটিতে। মমিন এই স্টেশনে বছরের পর বছর দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। এর আগে অনিয়মের অভিযোগের কারণে তাঁকে রাজশাহী স্টেশনের বাইরে বদলি করা হলেও ৬ মাসের ব্যবধানে আবারও রাজশাহী স্টেশনে ফিরে আসেন। তিনি তাঁর দুই জন সহযোগী বুকিং সহকারীকে নিয়ে টিকেট কালোবাজারী নেটওয়ার্ক গুছিয়ে রেখেছেন বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে।

মমিন ছুটিতে যাওয়ার আগে স্টেশনে দেখা গেছে, তিনি সাধারণত ৬ নম্বর কাউন্টারে থাকেন। এই কাউন্টারে টিকিট নিতে যাওয়া অনেককেই মমিনের কাছে গিয়ে ‘অমুক ভাই’ পাঠিয়েছেন বলতে দেখা গেছে। আর সঙ্গে সঙ্গেই মমিন বের করে দিয়েছেন টিকিট। তবে একই সময় লাইনে দাঁড়ানো অন্যদেরকে টিকিট নেই বলে ফিরিয়ে দিতে দেখা গেছে। মমিন সারাদিন স্টেশনে না এলেও রোজ রাত ৮টা থেকে এই কাউন্টারে থাকেন।

টিকিট কালোবাজারি চক্রে জড়িয়ে পড়া বিষয়ে কথা বলতে প্রধান বুকিং সহকারী আবদুল মমিনকে একাধিকবার ফোন করা হলেও ধরেননি। পরিচয় জানিয়ে এসএমএস দেওয়ার পরও তিনি ফোন ধরেননি। তাই অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সম্প্রতি দেশে করোনার প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় ট্রেনের ধারণ ক্ষমতার চাইতে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে যাতায়াতের নির্দেশনা দেয় রেল কর্তৃপক্ষ। টিকিট নিয়ে সংকট বহুদিনের হলেও রেল কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তের পর তা প্রকট আকার ধারণ করে। আর সেই সুযোগকে কাজে লাগাচ্ছে টিকিট কালোবাজারি চক্র। ট্রেনের টিকিট যাত্রার ৫ দিন আগে অনলাইনে ও স্টেশন কাউন্টারে বিক্রি করা হয়। নির্ধারিত মোট আসনের ৫০ শতাংশ অনলাইনে এবং ৫০ শতাংশ কাউন্টারে বিক্রি করা হচ্ছে। তবে টিকেট বিক্রি শুরুর কিছু সময়ের মধ্যেই তা ফুরিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে ঢাকামুখি চারটি ট্রেনের ক্ষেত্রে টিকিট সংকট প্রকট। অনলাইনে টিকিট নিতে যাত্রীর জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর প্রয়োজন পড়ে। আর কালোবাজারি চক্র নানাভাবে অন্যদের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর সংগ্রহ করে অনলাইন থেকে টিকিট নামিয়ে নিচ্ছে। আর ট্রেনে টিকিট যাচাইয়ের ব্যবস্থা থাকলেও জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর যাচাইয়ের ব্যবস্থা না থাকায় সেই সুযোগকে কাজে লাগাচ্ছে এই চক্র।

রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন ঘিরে সক্রিয় স্থানীয় কয়েকজন টিকিট কালোবাজারীর সাথে কথা হলে তারা জানান, টিকিট কালোবাজারির সাথে রাজশাহী নগরীর কয়েকটি কম্পিউটারের দোকান, বিমানের টিকেট বিক্রির দোকানসহ শিরোইল, মঠপুকুর, শিরোইল কলোনী ও দড়িখরবোনা এলাকার কয়েকজন যুবক জড়িত। তারা অন্যের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর সংগ্রহ করে অনলাইনে টিকিট সংগ্রহের পাশাপাশি রাজশাহী স্টেশনের প্রধান বুকিং সহকারীসহ আরও কয়েকজনের সহযোগিতায় দিব্বি চাহিদামত টিকিট পেয়ে যাচ্ছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঢাকা-রাজশাহী রুটে ৪টি ট্রেন নিয়মিত চলাচল করছে। এই ট্রেনগুলোতে শোভন চেয়ারের ভাড়া ৩৪০ থেকে ৩৭৫ টাকা, স্নিগ্ধা চেয়ারের ভাড়া ৬৫৬ থেকে ৭২৫ টাকা। তবে কাউন্টার থেকে বুকিং সহকারীর মাধ্যমে দালালদের হাতে পৌঁছে তা হয়ে যায় যথাক্রমে ৪২০ থেকে ৪৫০ টাকা এবং ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা, আর ৭৮২ থেকে ৮৬৫ টাকার কেবিনের ভাড়া হয়ে যায় ১ হাজার টাকা। বিশেষ দিন বা ঢাকায় সরকারি চাকরির পরীক্ষার তারিখ থাকলে কালোবাজারে এই টিকিটের দাম আরও বৃদ্ধি পায়।

সম্প্রতি রাজশাহী স্টেশনে টিকিট সংকট নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে অসন্তোষ প্রকাশিত হবার পর কালোবাজারি রোধে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নগর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উদ্যোগী হয়ে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক (জিএম), নগর পুলিশের কমিশনার ও র‌্যাব-৫ এর পরিচালক বরাবর লিখিত আবেদন দিয়েছেন। পশ্চিম রেলের  জিএম অসীম কুমার তালুকদার রেলের টিকেট কালোবাজারি রোধে তৎপরতাও শুরু করেছেন। তিনি নিজেও ঢুঁ মারছেন স্টেশনে। এ অবস্থায় ছুটিতে চলে গেছেন সন্দেহভাজন বুকিং সহকারীরা।

পশ্চিম রেলের  জিএম অসীম কুমার তালুকদার বলেন, করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকারি নির্দেশনা মতো নির্ধারিত আসনের চাইতে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে ট্রেন চলাচল করছে। টিকিট কালোবাজারি রোধে রেল কর্তৃপক্ষ তৎপর রয়েছে। এই কাজে রেলের কেউ জড়িত থাকলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান পশ্চিম রেলের এই শীর্ষ কর্তা।

শাক-সবজি উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষ দশে বাংলাদেশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
শাক-সবজি উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষ দশে বাংলাদেশ

শাক-সবজি উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষ দশে বাংলাদেশ

  • Font increase
  • Font Decrease

কৃষি মন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বাংলাদেশ গত এক দশকে কৃষি ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতা ও উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে এবং বিভিন্ন শস্য ও শাক-সবজি উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষ ১০ দেশের তালিকায় স্থান পেয়েছে।

নেদারল্যান্ডসের হ্যাগে অনুষ্ঠিত ৬ মাস ব্যাপি ‘ফ্লোরিয়াডে এক্সপো ২০২২’ তে যোগদান করতে গিয়ে শুক্রবার  বাংলাদেশ ভবনে গবেষণা বিষয়ক ওয়াগেনিংগেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট ড.সুকে হিমোভারার সাথে  বাংলাদেশের কৃষি  রুপান্তর  বিষয়ে আলোচনাকালে এ কথা বলেন।

আজ ঢাকায় প্রাপ্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ওয়াগেনিংগেন বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ কৃষি গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃত। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ কৃষি পণ্যের জাত উন্নয়ন ও উন্নততর কৃষি-প্রযুক্তি উদ্ভাবনের জন্য ওয়াগেনিংগেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে নিয়মিতভাবে প্রায়োগিক গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করে।


বৈঠকে নেদারল্যান্ডসে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মু. রিয়াজ হামিদুল্লাহ বাংলাদেশের কৃষি গবেষণামূলক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে ওয়াগেনিংগেন বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ গবেষণামূলক প্রকল্প চালুর বিষয়টি উত্থাপন করলে ওয়াগেনিংগেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট প্রস্তাবকে স্বাগত জানান।

কৃষিমন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যানের কৃষি ক্ষেত্রকে বৃহত্তর অবস্থানে তুলে ধরার বিষয়ে আলোচনা করেন এবং বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

কৃষি মন্ত্রী ড. সুকে-কে ওয়াগেনিংগেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তাকে অভিনন্দন জানান।

কৃষিমন্ত্রী ড. রাজ্জাক বাংলাদেশের কৃষি ক্ষেত্রে উন্নত প্রযুক্তি ও গবেষণালব্ধ ফলাফল প্রয়োগের মাধ্যমে বিভিন্ন শস্য ও পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি, শস্য বহুমুখীকরণ, কৃষিজাত পণ্য সংরক্ষণ ও আধুনিক উপায়ে বাজারজাতকরণ ও জলবায়ু পরিবর্তন জনিত অভিযোজন সংক্রান্ত প্রায়োগিক গবেষণার বিষয়ে আলোচনা করেন।

;

কাউন্সিলরের বাসা থেকে পুত্রবধূর মরদেহ উদ্ধার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
কাউন্সিলরের বাসা থেকে পুত্রবধূর মরদেহ উদ্ধার

কাউন্সিলরের বাসা থেকে পুত্রবধূর মরদেহ উদ্ধার

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রামের পাহাড়তলী থেকে স্থানীয় কাউন্সিলর নুরুল আমিনের পূত্রবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (২ জুলাই) মধ্যম সরাইপাড়ার আমিন ভবন থেকে মারদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত ২২ বছর বয়সী রেহনুমা ফেরদৌস ওই এলাকার নওশাদ আমিনের স্ত্রী এবং সরাইপাড়া ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নুরুল আমিনের পুত্রবধূ। এছাড়াও নিহতের বাবা তারেক ইমতিয়াজ ইমু আলকরন ওয়ার্ড আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি।

পাহাড়তলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমরা সকালে নিজ বাসার খাটে মরদেহটি পেয়েছি। নিহতের গলায় ওড়না পেছানো ছিলো, তবে শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। শ্বশুরপক্ষের দাবি তিনি আত্মহত্যা করেছেন। নিহতের পরিবার থেকে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি।’

মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানান ওসি মোস্তাফিজুর।

এদিকে নিহত রেহনুমাকে বিয়ের পর থেকে শ্বশুরবাড়িতে যৌতুক সহ বিভিন্ন কারণে মানসিক নির্যাতন করা হতো বলে দাবি পরিবারের।

রেহনুমার বাবা তারেক ইমতিয়াজ বলেন, ‘তারা বিয়ের পর থেকে যৌতুক সহ বিভিন্ন কারণে আমার মেয়েকে মামসিক নির্যাতন করতো। কয়েকবার পারিবারিক ভাবে বৈঠক করে এটা সমাধানের চেষ্টা করেছি আমরা। এমনকি ইদের তিনদিন পর সর্বশেষ বৈঠকটা করেন নাছির ভাই (সাবেক সিটি মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক)। তারপরও ওরা আমার মেয়েকে নির্যাতন করতো। এটা পরিকল্পিত হত্যা,  আমরা মামলা করবো।’

এ ব্যাপারে কথা বলতে নিহতের শ্বশুর কাউন্সিলর নুরুল আমিনের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও সাড়া পাওয়া যায়নি।

;

রাজবাড়ী হেল্পলাইন ফাউন্ডেশনের দ্বি- বার্ষিক কমিটি গঠন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজবাড়ী
রাজবাড়ী হেল্পলাইন ফাউন্ডেশনের দ্বি- বার্ষিক কমিটি গঠন

রাজবাড়ী হেল্পলাইন ফাউন্ডেশনের দ্বি- বার্ষিক কমিটি গঠন

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজবাড়ীর সবচেয়ে জনপ্রিয় মানবিক সংগঠন রাজবাড়ী হেল্পলাইলন ফাউন্ডেশনের ৪৫ সদস্য বিশিষ্ট দ্বি বার্ষিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে রংপুর গণপূর্ণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ্ আল মামুন রনিকে সভাপতি এবং বেথুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক আফরোজা বানু মিথুনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

শনিবার (২ জুলাই) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কমিটি গঠনের বিষয়টি রাজবাড়ী হেল্পলাইনের নব-নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক আফরোজা বানু মিথুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কার্যনিবাহী কমিটির প্রধান উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম মতিউর রহমান। কমিটির অনান্য উপদেষ্টারা হলেন-ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উইমেন সার্পোট এন্ড ইনভেস্টিগেশন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার হামিদা পারভীন পিপিএম, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক (শিশু) ডা. খালিদ আহম্মেদ সাইফুল্লাহ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ডেপুটি কমিশনার আরজিনা খাতুন, পুলিশ সুপার মো. মশিউদ্দৌলা রেজা পিপিএম, গাজীপুর জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার মো. মাসুদুর রহমান।

কার্যনির্বাহী কমিটির সহ সভাপতি হলেন- ডা. নুরুল ইসলাম আযম, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম সবুজ, কোষাধ্যক্ষ আল মামুন।

কার্যনির্বাহী কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- মো. কামরুজ্জামান খান সুইট, মো. রাতুল হাসান, মোহাম্মদ সোহেল মিয়া, ডা. শরীফ ইসলাম, ডা.শরিফুল ইসলাম, খ. ম মুহতাশিম মাহমুদ হাসিব, ডা. নিশাদ আলমগীর ও মোহম্মদ সোলায়মান হোসেন হিমেল।

কমিটির সাধারণ পরিষদের সদস্যরা হলেন- উত্তম কুমার গোস্বামী, মো. শিপন আলম, মো. আসিফ আল মামুন, ডা. আফরোজা আক্তার রুমি, মিল্টন কুমার দেব দাস, মো. জাকির হোসেন, মাসুদুর রহমান রুবেল, ডা. মো. এনামুল হক, মো. আনোয়ার হোসেন, মো. মিলন হাসান, মো. মিজানুর রহমান, মো. সুজন মাহমুদ, ডা. আহমেদ আমীমুল ইসলাম (কুশল), মো. জুয়েল রানা, মো.ফরিদুজ্জামান,  রাকিবুজ্জামান মামুন, পিয়াস শিকদার, মো. আবিদ হাসান, মো. রনি আহমেদ, মো. রবিউল ইসলাম, মো. ইউনুছুর রহমান,  মো. সালমান শেখ, জেসমিন আক্তার, তানজিয়া মেহজাবিন, মো. আব্দুল্লাহ আল নোমান. আবু নাঈম নয়ন, নাজমিন আক্তার, শাহাদাত হোসেনে, ফারিয়া সুলতানা, শাকিল মাহমুদ, নূরে জান্নাত সুজানা, আজমীর হোসাইন।

নব-নির্বাচিত সভাপতি আল মামুন রনি বার্তা২৪.কমকে বলেন, করোনাকালীন সময়ে ২০২০ সালে ক্যাপ্টেন ডাঃ সুমন হুসাইনের হাতে যাত্রা শুরু হয় মানবিক সংগঠন রাজবাড়ী হেল্পলাইন ফাউন্ডেশনের। সেই সময়ে করোনা মহামারীর মধ্যে যেভাবে ফাউন্ডেশনটি কাজ করেছে রাজবাড়ীবাসীর জন্য তা সবার কাছে দারুণ ভাবে প্রশংসিত হয়েছিল। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এই সংগঠনটি যেভাবে কাজ শুরু করেছিলো, তা এখনো দারুণ ভাবে চলমান রয়েছে। রাজবাড়ীর কিছু মানবিক মানুষের সহায়তা ও দিক নির্দেশনায় সংগঠনটি রাজবাড়ীর অসহায় মানুষের কাছে একটি আস্থার জায়গা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আরো সুন্দরভাবে ফাউন্ডেশনের অগ্রযাত্রা ত্বরান্বিত করে রাজবাড়ীর শিক্ষা, সেবা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে এই সংগঠনটি নিরলস ভাবে কাজ করে যাবে।

;

প্রধানমন্ত্রীর কাছে বুয়েট ছাত্রলীগের নেতা দীপ হত্যার বিচার চাইলেন বাবা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রীর কাছে বুয়েট ছাত্রলীগের নেতা দীপ হত্যার বিচার চাইলেন বাবা

প্রধানমন্ত্রীর কাছে বুয়েট ছাত্রলীগের নেতা দীপ হত্যার বিচার চাইলেন বাবা

  • Font increase
  • Font Decrease

 

আরিফ রায়হান দীপ বুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ও বুয়েট ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন। যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে শাহবাগে গড়ে ওঠা গণজাগরণ মঞ্চের অন্যতম সংগঠক ছিলেন দীপ। মৌলবাদ ও জঙ্গিবাদের বিপক্ষে সোচ্চার হওয়ায় ২০১৩ সালের ৯ এপ্রিল বুয়েটের নজরুল ইসলাম হলে দীপ'কে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করে বুয়েটের ধর্মান্ধ মৌলবাদী ছাত্র মেজবাহ উদ্দিন। হাসপাতালে ৮৪ দিন কোমায় থাকার পরে একই বছরের ২ জুলাই মৃত্যুবরণ করেন দীপ।

এরপর থেকে ২ জুলাই কে 'শহীদ আরিফ রায়হান দপ দিবস' হিসেবে পালন করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। এ উপলক্ষে শনিবার (০২ জুলাই) বুয়েটের নজরুল ইসলাম হলে স্থাপিত দীপের ভাষ্কর্যে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও বুয়েট ছাত্রলীগের প্রাক্তন নেতৃবৃন্দ। এসময় সেখানে দীপের বাবার উপস্থিতিতে এক আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

এছাড়াও বিকেলে বুয়েট ছাত্রলীগের প্রাক্তন নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে দীপের স্মৃতিতে ভার্চুয়াল স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ভার্চুয়াল আলোচনায় আরিফ রায়হান দীপের বাবাও অংশ নেন।

তিনি বলেন, 'বুয়েটে গেলে দীপের ঘ্রাণ পাই এখনো। দীপকে কবর দিয়েছি ঠিকই কিন্ত আমার দীপ জেগে আছে ছাত্রলীগের আরো হাজার সন্তানের বুকে। আক্ষেপ একটাই- সুষ্ঠু বিচারের জন্য আমি এখনো দ্বারে দ্বারে ঘুরছি। আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার সন্তানের হত্যার সুষ্ঠু বিচার চাই।

ভার্চুয়াল স্মরণ সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বুয়েটের সাবেক ছাত্রনেতা খন্দকার মঞ্জুর মোর্শেদ, এস এম মঞ্জুরুল হক মঞ্জু, আতাউল মাহমুদ, মনিরুজ্জামান মোহন, কাজী খায়রুল বাশার, হাবিব আহমেদ হালিম মুরাদ, মনিরুজ্জামান মনির, রনক আহসান, তন্ময় আহমেদ, রোদসী আলমগীর, এম এ সাইদ, তানভীর মাহমুদুল হাসান, ইমরান খান, ইমরুল কায়েস রাফি, জয় প্রকাশ, আরিফুর রহমান, সফিউল আলম, তরফদার মাহমুদ, মুন্সী আব্দুস সালেক প্রমুখ। বক্তারা মৌলবাদ ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হওয়ার জন্য আহবান জানান।

;