মুরিদ আতঙ্কে ব্যবসায়ী পরিবার



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট,বার্তা২৪.কম,লক্ষ্মীপুর
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরের আটরশির পীরের মুরিদ কাজী জামশেদ কবির বাকী বিল্লাহ ও তার বাহিনীর হামলা সহ বিভিন্ন অত্যাচারে আতঙ্কগ্রস্ত এক ব্যবসায়ী পরিবারে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। ওই ব্যাবসায়ী পরিবারের জমিজমা দখলের অসৎ উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সময়ে বাকীবিল্লাহ দফায় দফায় হামলার ঘটন ঘটায় পরিবারের সদস্যদের উপর। এমনকি ওই ব্যবসায়ী পরিবারকে হত্যাসহ বিভিন্ন হুমকিও দিচ্ছে পীর মুরিদ বাকীবিল্লাহ। এ আতঙ্কে ব্যবসায়ী পরিবারটি বর্তমানে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে বুধবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রায়পুর আলিয়া মাদরাসা প্রাঙ্গণে ভূক্তভোগী পরিবারটি সংবাদ সম্মেলনে করেন।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ভূক্তভোগী ব্যবসায়ী সাইফুদ্দিন নয়ন, তার ভাই দলিল লেখক কামাল উদ্দিন বাহার, পরিবারের সদস্য খালেদা আক্তার, নাজমুন নাহার, শাজেদা আক্তার ও সাহেদা আক্তার। এসময় তাদের কয়েকজন প্রতিবেশীও উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আওয়ামী লীগ নেতা বাকী বিল্লাহ আটরশির মুরিদ। তিনি রায়পুর পৌর শহরে নয়নদের জমিতে আটরশির ওরসের জন্য গরুর প্যান্ডেল করতে চেয়েছিলেন। এতে বাধা দেওয়ায় বাকী বিল্লাহ প্রকাশ্যেই তাকে মারধর করে। গেল শুক্রবার বিকেলে পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড সিএনজি স্টেশন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যায় নয়ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন। এদিকে তাকে মারধরের সিসি ক্যামেরা ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়। এনিয়ে কয়েকটি গণমাধ্যমে তথ্যবহুল সংবাদ পরিবেশন হয়। কিন্তু বাকী বিল্লাহর বিরুদ্ধে ভূক্তভোগী ব্যবসায়ী রায়পুর থানায় অভিযোগ করলেও পুলিশ তা গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ রয়েছে।

সিসি ক্যামেরার ফুটেজ ও ভুক্তভুগী পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় বাকী বিল্লাহ নিজেই ব্যবসায়ী নয়নকে মারধর করে। একপর্যায়ে লোকজন নিয়ে তাকে মারতে মারতে ঘরের ভেতর নিয়ে যায়। ঘরে ভেতর ভাঙচুর শেষে আওয়ামী লীগ নেতা তার লোকজন নিয়ে বের হয়ে যায়। যাবার সময় নয়নের ভাই বাহারকেও হুমকি দিয়ে যায়। এসব ঘটনায় থানায় অভিযোগসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার ঘটনা শুনে বাকী বিল্লাহ নিজে ও বিভিন্ন মাধ্যমে ব্যবসায়ীকে হত্যা ও পরিবারের সদস্যদের মাধরসহ বিভিন্ন হুমকি দিয়ে আসছে। তারা এখন নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে। যেকোন সময় বাকী বিল্লাহ তাদের অপূরণীয় ক্ষতি করতে পারে বলে তারা আশঙ্কা করছেন। ঘটনাটির সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে তারা স্থানীয় এমপি নুরউদ্দিন চৌধুরী নয়ন ও পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।
এসময় পরিবারটি আরও জানায়,এমনকি প্রায়ই ব্যাবসায়ী পরিবারটির বাড়ীর সামনে মঞ্চ বসিয়ে দিন-রাত মাইক বাজিয়ে তাদের স্বাভাবিক জীবনকে অতীষ্ঠ করে তুলছেন বাকীবিল্লাহ। মাইকের উচ্চশব্দে বাড়ীর শিশু,বৃদ্ধরা অসুস্থ হয়ে পড়ছে। এছাড়া শিক্ষার্থীদেরও শব্দের কারনে পড়ালেখা ব্যাহত হচ্ছে।

পরিবারের সদস্য কামাল উদ্দিন বাহার বলেন, আমাদের বাড়ির সামনে বাকী বিল্লাহ আটরশির ওরসের জন্য গরুর প্যান্ডেল তৈরি করতে চেয়েছিলেন। এতে বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি হবে বলে তাকে প্যান্ডেল তৈরি করতে দেওয়া হয়নি। এতে তিনি আমার ভাইকে মারধর করে। আমাদের ঘরের ভেতর ভাঙচুর করে। আমি উপজেলার সাব রেজষ্ট্রার অফিসে দলিল লেখি। আমাকে সেখানে থেকে লাথি মেরে বের করে দেওয়ার হুমকি দেয়। দীর্ঘদিন ধরে সাবরেজিষ্ট্রার অফিসে বাকী বিল্লাহ প্রভাব খাটিয়ে আসছে।

অভিযোগ রয়েছে জামসেদ কবির বাকীবিল্লাহ আটরশির পীরের নেতৃত্বাধীন জেলা জাকের পার্টির সাধারন সম্পাদকের দায়িত্বে থাকায় পীর ভক্তদের নিয়ে বাহিনী তৈরী করে অপপ্রভাব বিস্তার করে চলছেন। এমনকি জলসাঘর দিয়ে রাতভর অনাচারে লিপ্ত থাকে ভক্ত খাদেমদের নিয়ে।

জানার জন্য এাধিকবার চেষ্টা করেও অভিযুক্ত জামসেদ কবির বাকী বিল্লাহর সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

জেলা জাকের পার্টির সভাপতি আজাদ হোসেন বাঙ্গালী জানান,বাকীবিল্লাহর বিভিন্ন স্বেচ্ছাচারিতা ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ থাকায় তাকে ইতিপূর্বে জাকেরপার্টি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবুও খামখেয়ালীভাবে সে এখনও পীরের নাম ভাঙ্গিয়ে বিভিন্নভাবে তৎপর রয়েছে। বিষয়টি পীরের দরবারে মহাসম্মেলনে উপস্থাপন করা হয়েছে।

রায়পুর থানা উপ পরিদর্শক আবদুল আলী পাটোয়ারী (ওসি তদন্ত) বলেন,আমি এ থানায় নতুন এসেছি। বিষয়টি ওসি সাহেব ভাল বলতে পারেন। তবে তিনি বর্তমানে ট্রেনিংএ জেলার বাইরে অবস্থান করছেন।

পদ্মাসেতু দাঁড়িয়ে যাওয়ায় বিএনপির হিংসা হচ্ছে: আইনমন্ত্রী



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের নেতৃত্বে দেশের জনগণের টাকায় স্বপ্নের পদ্মাসেতু দাঁড়িয়ে যাওয়ায় বিএনপির হিংসা হচ্ছে, যা তাদের সহ্য হচ্ছে না। তাই তারা নানা ধরণের অপপ্রচার করছে। মূলত দেশের ভাল হোক তারা (বিএনপি) চায় না। তারা মিথ্যা বলতে এবং সন্ত্রাস করতে অভ্যস্ত।

শুক্রবার (২৭ মে) সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার রাজাপুর ও চানপুর আশ্রয়ণ কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

এসময় তিনি আরো বলেন, আশ্রয়ণ প্রকল্প নিয়ে দেশের কোথাও দুর্নীতি হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না।

রাজাপুর ও চানপুর আশ্রয়ণ কেন্দ্র পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক মো. শাহগীর আলম, পুলিশ সুপার মো. আনিসুর রহমান, আখাউড়া পৌরসভার মেয়র তাকজিল খলিফা কাজলসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

;

গাইবান্ধায় হিংস্র প্রাণীর আক্রমণে আহত ৯



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, গাইবান্ধা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

গাইবান্ধা শহরের কলেজপাড়ায় অচেনা এক হিংস্র প্রাণীর আক্রমণ করছে মানুষের ওপর।

শুক্রবার (২৭ মে) সকালে এই প্রাণীর আক্রমণে ওই এলাকার অন্তত ৯ জন আহত হয়েছেন। আহতদের অনেকেই প্রাণীটিকে ‘পাগলা কুকুর’ বলে ধারণা করেছেন।

আহতরা হলেন- পৌর শহরের কলেজপাড়ার বাসিন্দা মো. আরশাদ মিয়া, গাইবান্ধা সরকারি কলেজের নৈশপ্রহরী অসীম কুমার সরকার শংকর, মৎস্যজীবী (জেলে) নেপাল দাস, রিকসাচালক ঝন্টু, কলেজপাড়া জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি আব্দুল মজিদ মাস্টার এবং ঝালাইকর ও স্থানীয় একটি মাদ্রাসার শিক্ষকসহ দু’জন পথচারী।

এরমধ্যে মো. আরশাদ মিয়া (৬৫) নামের আহত একজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান তার স্বজনরা।

স্থানীয়রা জানান, আজ সকাল ৬টা থেকে সাড়ে ৭টার মধ্যে মুসল্লি, জেলে, মাদ্রাসা শিক্ষক, গাইবান্ধা সরকারি কলেজের নৈশপ্রহরী, রিক্সাচালক, ঝালাইকর এবং প্রাত:ভ্রমণে বের হওয়া স্থানীয় বাসিন্দাসহ ৯ জন প্রাণীটির আক্রমণে আহত হয়েছেন।

তারা অভিযোগ করে বলেন, ইদানীং এই এলাকায় বেওয়ারিশ কুকুরের অবাধ বিচরণ দেখা যাচ্ছে। ভোর থেকে শুরু হয় কুকুরের উৎপাত। কুকুরের ঘেউ ঘেউ শব্দে ফজরের নামাজ পড়াও দায় হয়ে পড়েছে। কুকুরের বিশৃঙ্খল দৌঁড়াদৌড়ি প্রাত:ভ্রমণকারীদের হাঁটাহাঁটিতে বিঘ্ন ঘটায়। স্কুলগামী শিশু এবং নারীরা কুকুরের ভয়ে আতঙ্কগ্রস্ত থাকেন। তারা বেওয়ারিশ কুকুর সরিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ কামনা করেন।

স্থানীয় বাসিন্দা হাবিবুজ্জামান রঞ্জু বলেন, সকালে বাড়ির সামনে লোকজনের হৈ-হট্টোগোল শুনে বেরিয়ে এসে হিংস্র প্রাণীর আক্রমণে পাড়ার ৯ জন আহত হওয়ার খবর জানতে পারি। আহতদের মধ্যে প্রতিবেশী মো. আরশাদ মিয়াকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায় তার স্বজনরা। তিনি জানান, এ ঘটনায় এলাকার মানুষের মধ্যে এখন আতঙ্ক বিরাজ করছে।

আহতরা বলছেন, কুকুরের মতো দেখতে লাল ও সাদা রঙের মিশ্রনে ধারালো দাঁতের ছোটখাট গড়নের প্রাণীটি ভীষণ হিংস্র এবং ক্ষিপ্র গতি সম্পন্ন। তবে আহত অনেকেই এটিকে একটি কুকুর হিসেবেই ধারণা করেছেন।

প্রাণীটির আক্রমণের শিকার অসীম কুমার সরকার শংকর জানান, সকালে প্রাত:ভ্রমণের জন্য বাড়ি থেকে বের হলে, পাড়ার একটি রাস্তায় প্রাণীটির আক্রমণের শিকার হন তিনি। তবে প্রাণীটিকে একটি ‘পাগলা কুকুর’ বলে জানান তিনি।

গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. শর্মিষ্ঠা রানী বর্মনজানান, শুক্রবার সকাল থেকে সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত শতাধিক ব্যক্তিকে জলাতঙ্কের ইনজেকশন, ক্ষতস্থান ড্রেসিংসহ প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছেন তারা। এদের মধ্যে পৌর এলাকার কলেজপাড়া ও আর্দশপাড়া এলাকার বাসিন্দা রয়েছেন অন্তত ৪০ জন।

;

ক্ষুধা-অত্যাচার সইতে না পেরে লাঠিতে ভর করে থানায় বৃদ্ধা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিরাজগঞ্জ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সন্তানদের নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখেন মা-বাবা। তেমনই সিরাজগঞ্জের ছেবাতন বেওয়ার ঘরে একটি পুত্র সন্তান জন্মগ্রহণে ভীষণ খুশি হয়ে ছিলেন। ভেবেছিলেন আর দুঃখ থাকবে না তার। প্রায় ১৫ বছর আগে স্বামী মারা যায়। সেই থেকে ছেলের সংসারেই আছেন তিনি। কিন্তু শেষ বয়সে এসে কপালে জোটে না চিকিৎসা-ওষুধ।

যাকাতের কাপড়ে সারা বছর পার করেন ছেবাতন। এরপরেও খেতে চাইলে জোটে নানা কথা। তবুও উপায় না থাকায় ছেলের বউয়ের ইচ্ছেমতো খাবারে বেঁচে আছেন ছেবাতন বেওয়া (৭০)।

কাজিপুরের সোনামুখী ইউনিয়নের স্থলবাড়ী গ্রামের ছেবাতন বেওয়া ক্ষুধার জ্বালা ও পুত্র-পুত্রবধুর অত্যাচার সইতে না পেরে ২৬ মে সকাল ১১ টায় লাঠিতে ভর করে কাজিপুর থানায় হাজির হন তিনি।

কাজিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্তকর্তা (ওসি) শ্যামল কুমার দত্ত বৃদ্ধাকে দেখে নিজেই এগিয়ে যায় তার কাছে। বৃদ্ধাকে সাথে করে নিজের কক্ষে নিয়ে বসান। এ সময় ক্ষুধায় ছটফট করছিলেন বৃদ্ধা। তাৎক্ষনিক ওসি তার জন্য খাবার এনে দেন। খাবার শেষে শোনেন কিভাবে ছেলে আর ছেলের বউয়ের অত্যাচার সহ্য করে ওই সংসারে পড়ে আছেন বৃদ্ধা। সব শুনে পুলিশের একটি টিমকে তাঁর বাড়িতে পাঠান। এর আগে ছেবাতনকে তিনি একটি শাড়ি ও নগদ অর্থ সহায়তা করেন।

কাজিপুর থানার টিম বৃদ্ধাকে তাঁর বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে ছেলে আসাদুল ইসলাম এবং ছেলে বউ চুম্বলী খাতুনকে সতর্ক করে দেন। তাঁরা বৃদ্ধা মায়ের সঙ্গে আর কোনদিন খারাপ আচরণ ও ভাত কাপড়ের কষ্ট দেবেন না বলে পুলিশকে কথা দেন।

কাজিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্তকর্তা (ওসি) শ্যামল কুমার দত্ত বলেন, অসহায়দের সহযোগিতা করাই পুলিশের নৈতিক দায়িত্ব। ভিষণ দুঃখ ও কষ্ট পেয়েছি। শেষ বয়সেও ছেলের অত্যাচার সহ্য করতে হয় বৃদ্ধা মাকে। এই কথা শুনামাত্র
বৃদ্ধা মাকে সামান্য সহায়তা করেছি। সেই সাথে ছেলের সংসারে যাতে তিনি আর কষ্ট না পান সে বিষয়ে তাঁর ছেলে ও ছেলের বউকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।

;

যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। সভাপতি হয়েছেন সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মোনায়েম মুন্না।

শুক্রবার (২৭ মে) দলের জ্যেষ্ঠ মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটি ঘোষণা করেন।

কমিটিতে আছেন সভাপতি-সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু, সিনিয়র সহ-সভাপতি-মামুন হাসান, সহ-সভাপতি-নুরুল ইসলাম নয়ন, সাধারণ সম্পাদক-মোনায়েম মুন্না, ১নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-শফিকুল ইসলাম মিল্টন, ২নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-গোলাম মওলা শাহীন, সাংগঠনিক সম্পাদক-ইসাহাক সরকার, দফতর সম্পাদক-কামরুজ্জামান দুলাল (সহ-সভাপতির পদ মর্যাদায়)।

২০১৭ সালের ১৭ জানুয়ারি গঠিত আগের কমিটিতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন সাইফুল আলম নীরব ও টুকু।

;