করিম উদ্দিন ভরসা নিখোঁজ নাকি অবরুদ্ধ?



আমিনুল ইসলাম জুয়েল, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
নিখোঁজ সাবেক সাংসদ করিম উদ্দিন ভরসাকে নিয়ে বাড়ছে উৎকণ্ঠা

নিখোঁজ সাবেক সাংসদ করিম উদ্দিন ভরসাকে নিয়ে বাড়ছে উৎকণ্ঠা

  • Font increase
  • Font Decrease

সম্পদ নিয়ে সন্তানদের দ্বন্দ্বের জেরে প্রায় সাত মাস ধরে নিখোঁজ রয়েছেন রংপুরের বিশিষ্ট শিল্পপতি, তিনবারের নির্বাচিত সাবেক সাংসদ আলহাজ্ব করিম উদ্দিন ভরসা। তিনি কোথায় কি ভাবে আছেন কেউ জানেন না। ফলে তার নিরাপত্তা নিয়ে পরিবারের সদস্যদের মাঝে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে।

এদিকে করিম উদ্দিন ভরসার ১৬ সন্তানের মধ্যে ৯ সন্তানের করা রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে এক ছেলের জিম্মায় রাখা জাতীয় পার্টির সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য করিম উদ্দিন ভরসাকে আগামী ৬ মার্চ হাইকোর্টে হাজির করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

করিম উদ্দিন ভরসা নিখোঁজ নাকি অবরুদ্ধ? 

আদালতে হাজিরের সময় যত ঘনিয়ে আসছে ততই তাঁর পরিবারের সদস্যসহ অধীনস্ত কর্মচারী, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মাঝে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বেড়েই চলছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, করিম উদ্দিন ভরসার এক সন্তান শিমুল ভরসা জোরপূর্বক তার বেশ কিছু সম্পত্তি নিজ নামে লিখে নিয়ে বা ভুয়া দলিল সৃষ্টি করে বেদখল করে চলেছেন। শিমুল ভরসা ও তার অপর ভাই সিরাজুল ভরসা যোগসাজশ করে ইতোমধ্যে  রংপুর নগরীর সেন্ট্রাল রোডস্থ কোটি টাকার সম্পত্তি জোর করে দখলের চেষ্টা করছেন। হারাগাছের পৈতৃক বাড়ির একটি অংশ জবরদখল করেছেন।

করিম উদ্দিন ভরসার এক সন্তান শিমুল ভরসা জোরপূর্ব সম্পত্তি নিজ নামে লিখে বেদখল করে চলেছেন।

জানা গেছে, ভরসা গ্রুপ প্রায় ১৫/২০ আইটেম পণ্য বাজারজাত করে। এছাড়া বিড়ি, ম্যাচ, সিগারেটসহ বিভিন্ন পণ্যের কলকারখানা রয়েছে। রংপুর নগরীর সেনপাড়ার বহু মূল্যবান বাসভবন, শেয়ারবাজারের কোটি কোটি টাকার শেয়ার, রংপুর ও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে স্থাপিত কোটি কোটি টাকার শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান জবর দখল করার চেষ্টা চালাচ্ছেন শিমুল ভরসা ও সিরাজুল ভরসা। তারা ১৬ ভাইবোনের মধ্যে ১৪ ভাইবোন এবং মাকে বঞ্চিত করে তাদের পিতাকে অজ্ঞাত স্থানে লুকিয়ে রেখেছেন। পরিবারের অপর কোন সদস্যকে তার সন্ধান কিংবা দেখা করতে দিচ্ছে না। করিম উদ্দিন ভরসাকে প্রাণনাশের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

একাধিক সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যে জানা যায়, করিম উদ্দিন ভরসা জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য, রংপুর জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সভাপতি এবং তিন মেয়াদে বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৯১ সালের নির্বাচনে রংপুর-১ (গঙ্গাচড়া) আসনে, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসন থেকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছিলেন। রংপুরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা স্থাপন এবং গরিব দুঃখী মানুষের কল্যাণে বিশাল আর্থিক সাহায্য করার জন্য তিনি রংপুর এলাকায় ব্যাপক জনপ্রিয়। কাজেই তার খোঁজ না থাকার বিষয়ে এ অঞ্চলের মানুষের মধ্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

বর্তমানে তার বয়স ৮৭ বছর। তিনি বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছেন এবং তিনি মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছেন। অসহয়াত্বের সুযোগ নিয়ে তার বিশাল সম্পত্তি কৌশলে হাতিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে তাদের অপর এক ভাই সাইফুল উদ্দিন ভরসা (শিমুল), বড় ভাই সিরাজুল ইসলাম ভরসার সঙ্গে যোগসাজশ করে করিম উদ্দিন ভরসাকে অজ্ঞাত স্থানে লুকিয়ে রেখেছেন বলে অভিযোগ।

এ নিয়ে একাধিক মামলা চলমান রয়েছে বলেও জানা গেছে। মামলা সূত্রে জানা যায়, সাবেক সাংসদ করিম উদ্দিন ভরসা কয়েক বছর আগে আপলাতুন নেছা নামে এক নারীকে বিয়ে করেন। করিম উদ্দিন ভরসার পাশের গ্রাম হারাগাছ পোদ্দার পাড়া আফলাতুন নেসার বাবার বাড়ি। বিয়ের পর করিম উদ্দিন ভরসাকে আপলাতুন নেছা অজ্ঞাত স্থানে লুকিয়ে রেখে বেশ কিছু সম্পত্তি নিজ নামে লিখে নেন। পরে তার সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় তাকে তালাক দেন। করিম উদ্দিন ভরসার সন্তানেরা তাকে নিজেদের জিম্মায় নেয়ার জন্য আদালতে মামলা দায়ের করেন। রংপুরের একটি বিজ্ঞ আদালত ২০২০ সালের ৭ সেপ্টেম্বর করিম উদ্দিন ভরসাকে সন্তানদের জিম্মায় দেয়ার আদেশ দিলে শিমুল ভরসা আদালতের মাধ্যমে তাকে নিজ জিম্মায় নেন।

শিমুল ভরসার জিম্মায় থাকাকালীন পরিবারের সকলেই তার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পান। কিন্তু ২০২১ সালের জুন মাস থেকে হঠাৎ করিম উদ্দিন ভরসার কোন খোঁজ পাচ্ছেন না পরিবারের সদস্যরা। জিম্মাদার শিমুল ভরসাও পরিবারের অন্য সদস্যদের কোন তথ্য দিচ্ছেন না। নিরুপায় হয়ে গত বছরের ৮ সেপ্টেম্বর মতিঝিল ডিএমপি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (নং-৫৬১, ৮.০৯.২১) এবং ২৯ সেপ্টেম্ব  বনানী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি(নং-২৭২০, ২৯.০৯.২১) করেন করিম উদ্দিন ভরসার দ্বিতীয় পুত্র শফিকুল ইসলাম ভরসা। কিন্তু অদ্যাবধি পিতার সন্ধান না পেয়ে চরম উৎকণ্ঠা আর হতাশায় ভুগছেন তারা।

এদিকে করিম উদ্দিন ভরসার বাকি ৯ সন্তানের করা রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে এক ছেলের জিম্মায় রাখা করিম উদ্দিন ভরসাকে আগামী ৬ মার্চ হাইকোর্টে হাজির করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

করিম উদ্দিন ভরসার ছেলে কামরুল ইসলাম ভরসার সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। মোবাইল ফোনে মেসেজ পাঠানো হলে তিনি পরে কথা বলবেন বলে জানান।

পিতাকে লুকিয়ে রাখার অভিযোগে অভিযুক্ত সাইফুল উদ্দিন শিমুল ভরসা ও সিরাজুল ইসলাম ভরসার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাদেরকেও পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে রংপুর জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক বার্তা২৪.কমকে বলেন, করিম উদ্দিন ভরসা এ অঞ্চলের কৃতি সন্তান। ওনার এবিষয়টি অত্যান্ত অসম্মান জনক। এক সময় রংপুরে জাতীয় পার্টির অভিভাবক ছিলেন। তিনি তিন বারের সংসদ সদস্য। দেশে দানবীর হিসাবে পরিচিত। সম্পদের কারণে তার সাথে যে ঘটনা ঘটানো হচ্ছে তা দুঃখ জনক ও ন্যাক্কারজনক। এমন ঘটনা মেনে নেয়া যায় না।

পদ্মাসেতু দাঁড়িয়ে যাওয়ায় বিএনপির হিংসা হচ্ছে: আইনমন্ত্রী



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের নেতৃত্বে দেশের জনগণের টাকায় স্বপ্নের পদ্মাসেতু দাঁড়িয়ে যাওয়ায় বিএনপির হিংসা হচ্ছে, যা তাদের সহ্য হচ্ছে না। তাই তারা নানা ধরণের অপপ্রচার করছে। মূলত দেশের ভাল হোক তারা (বিএনপি) চায় না। তারা মিথ্যা বলতে এবং সন্ত্রাস করতে অভ্যস্ত।

শুক্রবার (২৭ মে) সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার রাজাপুর ও চানপুর আশ্রয়ণ কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

এসময় তিনি আরো বলেন, আশ্রয়ণ প্রকল্প নিয়ে দেশের কোথাও দুর্নীতি হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না।

রাজাপুর ও চানপুর আশ্রয়ণ কেন্দ্র পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক মো. শাহগীর আলম, পুলিশ সুপার মো. আনিসুর রহমান, আখাউড়া পৌরসভার মেয়র তাকজিল খলিফা কাজলসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

;

গাইবান্ধায় হিংস্র প্রাণীর আক্রমণে আহত ৯



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, গাইবান্ধা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

গাইবান্ধা শহরের কলেজপাড়ায় অচেনা এক হিংস্র প্রাণীর আক্রমণ করছে মানুষের ওপর।

শুক্রবার (২৭ মে) সকালে এই প্রাণীর আক্রমণে ওই এলাকার অন্তত ৯ জন আহত হয়েছেন। আহতদের অনেকেই প্রাণীটিকে ‘পাগলা কুকুর’ বলে ধারণা করেছেন।

আহতরা হলেন- পৌর শহরের কলেজপাড়ার বাসিন্দা মো. আরশাদ মিয়া, গাইবান্ধা সরকারি কলেজের নৈশপ্রহরী অসীম কুমার সরকার শংকর, মৎস্যজীবী (জেলে) নেপাল দাস, রিকসাচালক ঝন্টু, কলেজপাড়া জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি আব্দুল মজিদ মাস্টার এবং ঝালাইকর ও স্থানীয় একটি মাদ্রাসার শিক্ষকসহ দু’জন পথচারী।

এরমধ্যে মো. আরশাদ মিয়া (৬৫) নামের আহত একজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান তার স্বজনরা।

স্থানীয়রা জানান, আজ সকাল ৬টা থেকে সাড়ে ৭টার মধ্যে মুসল্লি, জেলে, মাদ্রাসা শিক্ষক, গাইবান্ধা সরকারি কলেজের নৈশপ্রহরী, রিক্সাচালক, ঝালাইকর এবং প্রাত:ভ্রমণে বের হওয়া স্থানীয় বাসিন্দাসহ ৯ জন প্রাণীটির আক্রমণে আহত হয়েছেন।

তারা অভিযোগ করে বলেন, ইদানীং এই এলাকায় বেওয়ারিশ কুকুরের অবাধ বিচরণ দেখা যাচ্ছে। ভোর থেকে শুরু হয় কুকুরের উৎপাত। কুকুরের ঘেউ ঘেউ শব্দে ফজরের নামাজ পড়াও দায় হয়ে পড়েছে। কুকুরের বিশৃঙ্খল দৌঁড়াদৌড়ি প্রাত:ভ্রমণকারীদের হাঁটাহাঁটিতে বিঘ্ন ঘটায়। স্কুলগামী শিশু এবং নারীরা কুকুরের ভয়ে আতঙ্কগ্রস্ত থাকেন। তারা বেওয়ারিশ কুকুর সরিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ কামনা করেন।

স্থানীয় বাসিন্দা হাবিবুজ্জামান রঞ্জু বলেন, সকালে বাড়ির সামনে লোকজনের হৈ-হট্টোগোল শুনে বেরিয়ে এসে হিংস্র প্রাণীর আক্রমণে পাড়ার ৯ জন আহত হওয়ার খবর জানতে পারি। আহতদের মধ্যে প্রতিবেশী মো. আরশাদ মিয়াকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায় তার স্বজনরা। তিনি জানান, এ ঘটনায় এলাকার মানুষের মধ্যে এখন আতঙ্ক বিরাজ করছে।

আহতরা বলছেন, কুকুরের মতো দেখতে লাল ও সাদা রঙের মিশ্রনে ধারালো দাঁতের ছোটখাট গড়নের প্রাণীটি ভীষণ হিংস্র এবং ক্ষিপ্র গতি সম্পন্ন। তবে আহত অনেকেই এটিকে একটি কুকুর হিসেবেই ধারণা করেছেন।

প্রাণীটির আক্রমণের শিকার অসীম কুমার সরকার শংকর জানান, সকালে প্রাত:ভ্রমণের জন্য বাড়ি থেকে বের হলে, পাড়ার একটি রাস্তায় প্রাণীটির আক্রমণের শিকার হন তিনি। তবে প্রাণীটিকে একটি ‘পাগলা কুকুর’ বলে জানান তিনি।

গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. শর্মিষ্ঠা রানী বর্মনজানান, শুক্রবার সকাল থেকে সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত শতাধিক ব্যক্তিকে জলাতঙ্কের ইনজেকশন, ক্ষতস্থান ড্রেসিংসহ প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছেন তারা। এদের মধ্যে পৌর এলাকার কলেজপাড়া ও আর্দশপাড়া এলাকার বাসিন্দা রয়েছেন অন্তত ৪০ জন।

;

ক্ষুধা-অত্যাচার সইতে না পেরে লাঠিতে ভর করে থানায় বৃদ্ধা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিরাজগঞ্জ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সন্তানদের নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখেন মা-বাবা। তেমনই সিরাজগঞ্জের ছেবাতন বেওয়ার ঘরে একটি পুত্র সন্তান জন্মগ্রহণে ভীষণ খুশি হয়ে ছিলেন। ভেবেছিলেন আর দুঃখ থাকবে না তার। প্রায় ১৫ বছর আগে স্বামী মারা যায়। সেই থেকে ছেলের সংসারেই আছেন তিনি। কিন্তু শেষ বয়সে এসে কপালে জোটে না চিকিৎসা-ওষুধ।

যাকাতের কাপড়ে সারা বছর পার করেন ছেবাতন। এরপরেও খেতে চাইলে জোটে নানা কথা। তবুও উপায় না থাকায় ছেলের বউয়ের ইচ্ছেমতো খাবারে বেঁচে আছেন ছেবাতন বেওয়া (৭০)।

কাজিপুরের সোনামুখী ইউনিয়নের স্থলবাড়ী গ্রামের ছেবাতন বেওয়া ক্ষুধার জ্বালা ও পুত্র-পুত্রবধুর অত্যাচার সইতে না পেরে ২৬ মে সকাল ১১ টায় লাঠিতে ভর করে কাজিপুর থানায় হাজির হন তিনি।

কাজিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্তকর্তা (ওসি) শ্যামল কুমার দত্ত বৃদ্ধাকে দেখে নিজেই এগিয়ে যায় তার কাছে। বৃদ্ধাকে সাথে করে নিজের কক্ষে নিয়ে বসান। এ সময় ক্ষুধায় ছটফট করছিলেন বৃদ্ধা। তাৎক্ষনিক ওসি তার জন্য খাবার এনে দেন। খাবার শেষে শোনেন কিভাবে ছেলে আর ছেলের বউয়ের অত্যাচার সহ্য করে ওই সংসারে পড়ে আছেন বৃদ্ধা। সব শুনে পুলিশের একটি টিমকে তাঁর বাড়িতে পাঠান। এর আগে ছেবাতনকে তিনি একটি শাড়ি ও নগদ অর্থ সহায়তা করেন।

কাজিপুর থানার টিম বৃদ্ধাকে তাঁর বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে ছেলে আসাদুল ইসলাম এবং ছেলে বউ চুম্বলী খাতুনকে সতর্ক করে দেন। তাঁরা বৃদ্ধা মায়ের সঙ্গে আর কোনদিন খারাপ আচরণ ও ভাত কাপড়ের কষ্ট দেবেন না বলে পুলিশকে কথা দেন।

কাজিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্তকর্তা (ওসি) শ্যামল কুমার দত্ত বলেন, অসহায়দের সহযোগিতা করাই পুলিশের নৈতিক দায়িত্ব। ভিষণ দুঃখ ও কষ্ট পেয়েছি। শেষ বয়সেও ছেলের অত্যাচার সহ্য করতে হয় বৃদ্ধা মাকে। এই কথা শুনামাত্র
বৃদ্ধা মাকে সামান্য সহায়তা করেছি। সেই সাথে ছেলের সংসারে যাতে তিনি আর কষ্ট না পান সে বিষয়ে তাঁর ছেলে ও ছেলের বউকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।

;

যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। সভাপতি হয়েছেন সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মোনায়েম মুন্না।

শুক্রবার (২৭ মে) দলের জ্যেষ্ঠ মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটি ঘোষণা করেন।

কমিটিতে আছেন সভাপতি-সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু, সিনিয়র সহ-সভাপতি-মামুন হাসান, সহ-সভাপতি-নুরুল ইসলাম নয়ন, সাধারণ সম্পাদক-মোনায়েম মুন্না, ১নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-শফিকুল ইসলাম মিল্টন, ২নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-গোলাম মওলা শাহীন, সাংগঠনিক সম্পাদক-ইসাহাক সরকার, দফতর সম্পাদক-কামরুজ্জামান দুলাল (সহ-সভাপতির পদ মর্যাদায়)।

২০১৭ সালের ১৭ জানুয়ারি গঠিত আগের কমিটিতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন সাইফুল আলম নীরব ও টুকু।

;