রোগীকে চিকিৎসা না দিয়ে রাস্তায় ফেলে দেওয়ার অভিযোগ!



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ফরিদপুর
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

চিকিৎসা না দিয়ে রোগীকে রাস্তার পাশে ফেলে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্মচারীদের বিরুদ্ধে।

শুক্রবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের দিকে ঘটনাটি ঘটে। ওই রোগীর নাম মোশারফ হোসেন। তার বাড়ি ঝিনাইদাহ জেলার শৈলকোপা এলাকায়। 

ফরিদপুর কোতয়ালী থানার এসআই সুজন জানান, মোশারফ হোসেন ঝিনাইদাহ থেকে ফরিদপুরে দিন মুজুরের কাজে এসেছিল। গত ২৫দিন আগে জেলার মধুখালী উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় মারাত্মক আহত হয়ে মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি হন। এ সময় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। এরপর থেকে ওই রোগী ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। শুক্রবার সকালে হাসপাতালে আয়া ট্রলিতে তাকে নিয়ে এসে মেডিকেল কলেজের প্রধান ফটকের সামনে ফরিদপুর-বরিশাল সড়কের পাশে ফেলে দিয়ে যায়।

ওই স্থানে অবস্থানকারীরা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে। পরবর্তীতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ টেলিভিশনের ক্যামেরা দেখে তড়িঘরি করে তাকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্ঠা করে।

অসুস্থ মোশারফ হোসেন জানায়, আমি অনেক অনুনয় বিনয় করলেও হাসপাতালের ডাক্তার আমাকে কোন চিকিৎসা সেবা দেয় নাই। আমাকে একটি ট্যাবলেটও না দিয়ে রাস্তার মধ্যে ফেলে দিয়ে গেছে।

স্থানীয়রা মনে করেন, একজন আসহায় মানুষকে সেবা না দিয়ে উল্টো রাস্তায় ফেলে দেয়া মানবাধিকার লংঘন। এ ঘটনায় তারা দায়ীদের শাস্তি দাবি করেন।

২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত ১৭২৮, মৃত্যু ৪



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত ১৭২৮, মৃত্যু ৪

২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত ১৭২৮, মৃত্যু ৪

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনাভাইরাসে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ২৯ হাজার ১৮৫ জনে।

একই সময়ে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৭২৮ জনের। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৮৪ হাজার ৭০০ জনে।

বুধবার (৬ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয় ১০ হাজার ১৭৫টি। পরীক্ষা করা হয় ১০ হাজার ২৩৩টি নমুনা। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হওয়া রোগীর সংখ্যা ৫২৬ জন। দেশে মোট সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৯ হাজার ৭৯৯ জন।

;

ইউনিয়ন ব্যাংকের ৯ম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ইউনিয়ন ব্যাংকের ৯ম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

ইউনিয়ন ব্যাংকের ৯ম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেডের ৯ম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উপস্থিত থেকে সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান আহসানুল আলম। এজিএমে ব্যাংকের পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডাররা অংশ গ্রহণ করেন। ব্যাংকের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও এ বি এম মোকাম্মেল হক চৌধুরী সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন। এ সময় অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. হাবিবুর রহমানসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় ২০২১ সালের আর্থিক বিবরণীসহ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ অনুমোদন করা হয়।

স্বাগত বক্তব্যে ব্যাবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও এ বি এম মোকাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, গত দুই বছর বাংলাদেশসহ সমগ্র পৃথিবী করোনাভাইরাসে বিপর্যস্ত হয়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্যের স্থবিরতাসহ নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও ২০২১ সালে ইউনিয়ন ব্যাংক সবকটি আর্থিক সূচকে ভালো করেছে। যথাযথ ব্যবস্থাপনা ও মানসম্মত ব্যাংকিং সেবা প্রদানের ফলে আমরা সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখতে পেরেছি। গত বছর ইউনিয়ন ব্যাংকের মোট সম্পদ ১৫ দশমিক ৪২ শতাংশ বেড়েছে। ২০২১ সাল শেষে আমাদের ব্যাংকের মোট সম্পদের পরিমান ছিল ২১ হাজার ৩ কোটি টাকা, যা চলতি বছরের ৩০ জুন ২৪ হাজার ৯৪৪ কোটি টাকায় উর্ন্নিত হয়েছে। দেশের চতুর্থ প্রজন্মের ব্যাংকগুলোর মধ্যে ইউনিয়ন ব্যাংকই সবচেয়ে সফল।

তিনি বলেন, ২০২১ সালে ব্যাংকের রেটিং দীর্ঘ মেয়াদে ‘এ+’ এবং স্বল্প মেয়াদে ‘এসটি-২’, যা ইউনিয়ন ব্যাংকের শক্তিশালী আর্থিক ভিত্তি, উত্তম তারল্য অবস্থা ও কাঠামোগত স্থিতিশীলতার নির্দেশক। বিনিয়োগ বহুমুখীকরণের জন্য আমরা সময়োপযোগী কৌশলগত পদক্ষেপ নিয়েছি।  ক্ষুদ্র ও এসএমই, নারী উদ্যোক্তা এবং উৎপাদনশীল খাতে ব্যাংকের বিনিয়োগকে সম্প্রসারণ করছি। শেয়ারহোল্ডার ও পরিচালনা পর্ষদের  দিক নির্দেশনা ও সহাযোগিতায় ইউনিয়ন ব্যাংক সামনের বছরগুলোতে আরো এগিয়ে যাব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সভাপতির বক্তব্যে ইউনিয়ন ব্যাংকের চেয়ারম্যান আহসানুল আলম ব্যাংকের সকল উদ্যোক্তা, পরিচালক, শেয়ার হোল্ডার, গ্রাহক, আমানতকারী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, ডিএসই, সিএসই, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ অন্যান্য সকল নিয়ন্ত্রক সংস্থাকেও ধন্যবাদ জানান।

আহসানুল আলম বলেন, সকলের সহযোগিতায় চতুর্থ প্রজন্মের শারিয়াহ্ ভিত্তিক ইউনিয়ন ব্যাংক উত্তরোত্তর ভালো করছে। ২০২১ সমাপ্ত বছরে কর পরবর্তী মুনাফার উপর ভিত্তি করে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ৫ শতাংশ নগদ ও ও ৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ট সুপারিশ করেছে। ইউনিয়ন ব্যাংক এখন পর্যন্ত সাফল্যের পথে হেঁটেছে, ভবিষ্যতেও আরো বড় সাফল্যের পথে পদচারণা অব্যাহত রাখবে।

;

বাংলাদেশের জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে বিনিয়োগে আগ্রহী সুইজারল্যান্ড



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বাংলাদেশের জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে বিনিয়োগে আগ্রহী সুইজারল্যান্ড

বাংলাদেশের জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে বিনিয়োগে আগ্রহী সুইজারল্যান্ড

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সুইজারল্যান্ড।

বুধবার (৬ জুলাই) সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিমের সাথে তার দপ্তর কক্ষে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ আগ্রহের কথা জানান বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত নাথালি চুয়ার্ড।

এ সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, সুইজারল্যান্ডের সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার। বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ড দ্বিপাক্ষিক যেকোন বিষয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময় করতে পারে। একইসাথে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করে দুই দেশের সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও সম্প্রসারণ করা যেতে পারে।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের জিডিপি প্রবৃদ্ধিসহ অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রাকৃতিক সম্পদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের একশ বছরের উন্নয়ন পরিকল্পনা মাথায় রেখে ব-দ্বীপ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন এবং ইতোমধ্যে ডেল্টা গভর্ন্যন্স কাউন্সিল গঠন করেছেন।    দেশের উন্নয়নে প্রাকৃতিক সম্পদ আমরা কাজে লাগাচ্ছি, জনসাধারণের খাদ্য ও পুষ্টি চাহিদা পূরণ করছি। সরকারের নানা পদক্ষেপে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে অভাবনীয় পরিবর্তন হয়েছে।

রাষ্ট্রদূত নাথালি চুয়ার্ড বলেন, দুই দেশের সহযোগিতার ৫০ বছর পূর্তিতে ২০২২ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রসহ নতুন সহযোগিতার কর্মসূচি নিয়ে সুইজারল্যান্ড কাজ করতে চায়। এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা সংক্রান্ত কার্যক্রম বৃদ্ধি করা। এর মধ্যে অন্যতম জলবায়ু পরিবর্তজনিত অভিযোজন ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি হ্রাস বিষয়ক কার্যক্রমে অর্থায়ন।

বাংলাদেশের মতো অন্য কোন দেশে একশ বছরের পরিকল্পনা দেখিনি উল্লেখ করে নাথালি চুয়ার্ড আরও বলেন, বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের মাইলফলক অর্জন করেছে। এক্ষেত্রে সুইজারল্যান্ড অবদান রাখতে চায়। বাংলাদেশের জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ চরাঞ্চলে প্রাণিসম্পদ খাতে সুইজারল্যান্ডের বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। সুইজারল্যান্ডের সরকারি ও বেসরকারি খাতের বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানও এক্ষেত্রে কাজ করতে আগ্রহী।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী না হলেও বিশ্বের অন্যতম জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে জলবায়ুর ক্ষতিগ্রস্ত দেশসমূহের জন্য তহবিল গঠনে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব রেখেছেন। জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিপূরণে উন্নত দেশসমূহের এগিয়ে আসা উচিত। প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিপূর্ণ দেশও বাংলাদেশ। বন্যাসহ অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগে দেশের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে। সরকার ক্ষতি কাটিয়ে জলাবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার জন্য সরকার বিশেষ প্রণোদনা ও অন্যান্য সহায়তা দিয়ে থাকে।

শ ম রেজাউল করিম যোগ করেন, বর্তমানে আমরা মাংস উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ। ঈদ-উল-আযহায় কোরবানির জন্য চাহিদার অতিরিক্ত গবাদিপশু আমাদের রয়েছে। দেশের সব মানুষের চাহিদা পূরণ করে মাংস রপ্তানির লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। বিশ্বের অনেক দেশ আমাদের কাছ থেকে মাংস আমদানি করতে চায়। সে সব দেশের চাহিদা অনুযায়ী আন্তর্জাতিক মানের মাংস সরবরাহ আমাদের লক্ষ্য। এজন্য দেশে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন মাননিয়ন্ত্রণ ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

মন্ত্রী আরও যোগ করেন, বাংলাদেশ বৈদেশিক বিনিয়োগের জন্য অত্যন্ত অনুকূল ও বন্ধুত্বপূর্ণ একটি দেশ। সুইজারল্যান্ডের সরকারি ও বেসরকারি খাত বাংলাদেশের কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে সহজেই বিনিয়োগ করতে পারে। সুইজারল্যান্ডের বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের দুগ্ধ শিল্পসহ খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পে বিনিয়োগ করতে পারে। সরকার সবধরনের সুবিধা প্রদান করবে।

;

রাজশাহীতে রেলওয়ের ওয়েম্যানকে হত্যার অভিযোগ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

 

বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে রাজশাহীতে বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের এক ওয়েম্যানকে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে নগরীর বেলদারপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। চিকিৎসকের বরাত দিয়ে পুলিশ বলছে, দুর্ঘটনায় আহত হয়ে অথবা অজানা কোনো কারণে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মৃত্যু হয়েছে। তার পায়ে ক্ষত ছিল।

নিহত ওয়েম্যানের নাম সোহেল রানা (৩৯)। তার বাবার নাম আব্দুল করিম। বাড়ি নগরীর রেলওয়ে কলোনী এলাকায়। যে ব্যক্তি তাকে বাড়ি থেকে ডেকে এনেছিলেন তাকেও একই সঙ্গে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ তাকে হাসপাতালে আটক করেছে। তিনিও অসুস্থ।

ওই ব্যক্তির নাম ফারুক হোসেন (৩৯)। তার বাবার নাম আব্দুল জলিল। একই এলাকায় তাদের বাড়ি। ফারুক ঢাকায় থাকেন। ঈদ উপলক্ষে বাড়িতে এসেছেন। তিনি মদ্যপ অবস্থায় রয়েছেন বলে পুলিশ ধারণা করছে।

বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম জানান, নিহত ব্যক্তির হাঁটুর নিচে আধা ইঞ্চি পরিমাণ ক্ষত রয়েছে। আর পায়ের কয়েকটি আঙুল থেতলে গেছে। শরীরের আর কোথাও মৃত্যু হওয়ার মতো জখম নেই। রাতে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে নেওয়া হয়। সেখান থেকে তাকে অস্ত্রোপচার কক্ষে নেওয়া হয়। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

সোহেল রানার বড় ভাই আব্দুর রহিম বলেন, ফারুক তার ভাইকে মঙ্গলবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। তার প্রায় এক ঘণ্টা পরই তিনি তার ভাইয়ের মৃত্যু সংবাদ পান। তার ভাইকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক তার মৃত্যু সনদে লিখেছেন, সড়ক দুর্ঘটনায় বা অজানা কারণে রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে।

ওসি বলেন, নিহত সোহেল রানার পরিবারের পক্ষ থেকে একটি হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে। পরিবারের দাবি, বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে এসে সোহেলকে হত্যা করা হয়েছে। আটক ফারুক দাবি করেছেন, সোহেল রানার পায়ের ওপর দিয়ে একটি মুরগির ভ্যান চলে গেছে। এতেই তিনি আহত হয়েছেন। ওসি বলছেন, তারা দুইজনের মদ্যপ ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

;