সাদুল্লাপুরে হাইব্রিড জাতের মাছে রং মিশিয়ে দেশি বলে বিক্রি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, গাইবান্ধা
সাদুল্লাপুরে হাইব্রিড জাতের মাছে রং মিশিয়ে দেশি বলে বিক্রি

সাদুল্লাপুরে হাইব্রিড জাতের মাছে রং মিশিয়ে দেশি বলে বিক্রি

  • Font increase
  • Font Decrease

‘অরজিনাল দেশি, দামটা একটু বেশি’। এমন চটকদার কথায় ক্রেতা সাধারণকে বোকা বানিয়ে হাইব্রিড জাতের মাগুর-শিং মাছে রং মিশিয়ে দেশি বলে বিক্রি করা হচ্ছে।

শনিবার (১৪ মে) দুপুরে এমন একটি দৃশ্য দেখা গেছে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট বাজারে। এখানে মাছ বিক্রেতা অনিল চন্দ্র একটি পাতিলে তরল লাল রং পানিতে মিশিয়ে অন্য একটি পাতিল থেকে হাইব্রিড জাতের শিং ও মাগুর মাছ ওই পানিতে মিশ্রিত করে দেশি মাছে রূপান্তর করার কাজে লিপ্ত রয়েছে।

এ সময়  ওই রং মিশ্রিত শিং ও মাগুর মাছ দোকানে পসরা সাজিয়ে দেশি মাছ হিসেবে চড়াদামে বিক্রি করছিলেন তিনি। আর দেশি মাছ ভেবে ক্রেতারাও আকৃষ্ট হয়ে হুমড়ি খেয়ে কিনছেন।

জানা যায়, সাদুল্লাপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাগুর-শিং মাছসহ নানা প্রজাতীর হাউব্রিড জাতের মাছ পুকুরে চাষ করা হচ্ছে। এসব মাছ স্থানীয় আড়তে বিক্রি করে মাছ চাষিরা। আর এই আড়ৎ থেকে আশপাশের ক্ষুদ্র মাছ ব্যবসায়ীরা ওইসব মাছ কিনে রং মিশ্রিত করে দেশি জাতের বলে বিক্রি করা হচ্ছে। অনেকে এই মাছ খেয়ে দেহের নানা সমস্যায় ভুগছে বলে একাধিক সুত্রে জানা গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ভেজাল মিশ্রিত ও খোলা বাজারে খাদ্যদ্রব্য বিক্রি রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে শাস্তির বিধান থাকলেও, এ এলাকার হাট-বাজারগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে কোন অভিযান হয় না। সে কারণে বিভিন্ন দোকানে বিশেষ কায়দায় খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল মিশানোর প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। শুধু ধাপেরহাট নয়, উপজেলার বকশিগঞ্জ, মিরপুর, নলডাঙ্গা, ভাতগ্রামসহ ছোট-বড় বিভিন্ন গ্রামীণ হাট-বাজারে এসব রংমিশ্রিত শিং ও মাগুর মাছসহ বিভিন্ন ভেজাল খাদ্যদ্রব্য বিক্রি হচ্ছে।

ধাপেরহাট বাজারের মাছ কিনতে আসা খলিলুর রহমান রুকু জানান, খুব সখের বশে দেশি মাছ মনে করে ১ কেজি মাগুর মাছ কিনেছিলাম। মাছগুলো দেখে মনে হচ্ছিল অনেক আগের পুরাতন কাল শিরিপড়া দেশীয় মাগুর মাছ। কিন্তু বিধিবাম! রান্না করে খাওয়ার সময় দেখি মাছ গুলো অত্যান্ত শক্ত স্বাদ বলতে কিছু নাই। আজ বুঝতে পারলাম আমিও রং করা মাছ কিনেছি।

মাছের গায়ে রং মিশানোর বিষয়ে বিক্রেতা অনিল চন্দ্রকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, মহাজনের নির্দেশে একাজ অনেকদিন থেকেই করি। তাছাড়া রং না করলে পাবলিক মাছ কিনতে চায় না। বেশি বিক্রির আশায় আমরা বাধ্য হয়ে একাজ করে থাকি।

ধাপেরহাট বাজার বণিক সমিতির সভাপতি নূর মোহাম্মদ মিলন ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক মন্ডলকে মাছে রং মেশানের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে, তারা তৎক্ষণিক মাছের বাজারে গিয়ে এরকম রংমিশ্রিত মাছ জব্দ করেন এবং বণিক সমিতির নিয়ম মোতাবেক ওই মাছ বিক্রেতার বিচার করা হবে বলে জানান।

তারা আরও বলেন, আমরা এখন নিয়মিত বাজারে তদারকি করব। যাতে করে কেউ এ ধরনের কাজ আর না করতে পারে।

কথা হয় ধাপেরহাট হাট-বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল কবির মিন্টুর সঙ্গে। তিনি জানান, বিষয়টি আমি শুনেছি এবং ভেজাল মিশ্রিত খাদ্যদ্রব্য বিক্রি বন্ধে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলা হবে। যাতে রং মিশ্রিত মাছ বা অন্যকোন খাদ্যদ্রব্যে কেউ যেন ভেজাল মিশাতে না পারে।

সাদুল্লাপুর উপজেলা মৎস কর্মকর্তা সিরাজাম মনিরা সুমি বলেন, রং মিশিয়ে মাছ বিক্রির বিষয়টি জানা নেই। খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মোংলায় জেলি পুশকৃত চিংড়ি জব্দ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, মোংলা (বাগেরহাট)
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

মোংলা কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন সদর দফতরের আওতাধীন রুপসা স্টেশনের অভিযানে ৬ হাজার ৫০ কেজি জেলি পুশকৃত চিংড়ি জব্দ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সদর দফতরের (ঢাকা) মিডিয়া কর্মকর্তা লে. কমান্ডার লাবিব উসামা আহমাদুল্লাহ্ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (১৭ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে মোংলা কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের অধীনস্থ রুপসা স্টেশনের সদস্যরা খুলনার রুপসার খান জাহান আলী টোল প্লাজা এলাকায় অভিযান চালান। এসময় অভিযানকারীরা ওই এলাকায় একটি ট্রাক থেকে ৬ হাজার ৫০ কেজি জেলি পুশকৃত চিংড়ি জব্দ করেন। পুশকৃত চিংড়িসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করে কোস্ট গার্ড সদস্যরা।

আটককৃতরা হলেন- সাতক্ষীরা সদরের উত্তর কাঠিয়া গ্রামের আব্দুর রহমান (৩৫) ও মানিকতলার ফারুক গাজী (২০)। জব্দকৃত এ মাছ ওই ট্রাকে বাজারজাত করার জন্য চট্টগ্রামে পাঠানো হচ্ছিল।

জেলি পুশকৃত চিংড়ি জব্দের ঘটনায় আটককৃত ওই দুই ব্যক্তিকে নগদ ৩০ হাজার টাকা, মেসার্স সাব্বির ট্রান্সপোর্টকে (সাতক্ষীরা) ৫০ হাজার টাকা, মেসার্স যমুনা জাফর ফিসকে (সাতক্ষীরা) ২৫ হাজার ও মেসার্স মনোয়ারা জাফর ফিসকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া জব্দকৃত ৬ হাজার ৫০ কেজি জেলি পুশকৃত চিংড়ি এফআইকিউসি প্রতিনিধির উপস্থিতিতে মাটিতে পুঁতে বিনষ্ট করা হয়।

এ কোস্ট গার্ড কর্মকর্তা আরো বলেন, অপদ্রব্য মিশ্রিত জেলি পুশকৃত চিংড়ি দিয়ে আর্ন্তজাতিক বাজারেই শুধু দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করা হচ্ছে না, বরং দেশের বাজারে বিক্রি করার মাধ্যমে এদেশের জনসাধারণকে অপদ্রব্য খাওয়ানো হচ্ছে।

;

সয়াবিন তেলের দাম বেশি নেওয়ায় দোকানিকে জরিমানা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
সয়াবিন তেলের দাম বেশি নেওয়ায় দোকানিকে জরিমানা

সয়াবিন তেলের দাম বেশি নেওয়ায় দোকানিকে জরিমানা

  • Font increase
  • Font Decrease

সয়াবিন তেলের দাম বেশি নেওয়ায় রাজশাহীর এক দোকানিকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। দুই ক্রেতার লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে উভয়পক্ষের শুনানি শেষে নগরীর সাহেববাজারের মোহিনী ট্রেডার্স নামের দোকানটিকে জরিমানা করা হয়।

বুধবার (১৮ মে) সকালে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের বিভাগীয় কার্যালয়ে এই শুনানি হয়।

অধিদফতরের বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক হাসান-আল-মারুফ জানান, গত ১ মে নুরুজ্জামান মিল্টন ও ফরহাদ হোসেন নামের দুই ক্রেতা মোহিনী ট্রেডার্স থেকে সয়াবিন তেল কেনেন।

বাজারে তখন পাঁচ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ৭৬০ টাকা থাকলেও নুরুজ্জামানের কাছে নেওয়া হয় ৯২৫ টাকা। আর ফরহাদের কাছে ৫০০ মিলি লিটার খোলা সয়াবিন তেলের দাম ধরা হয় ২০০ টাকা হিসেবে। শুনানিতে অভিযোগ প্রমাণিত হয়।

তাই মোহিনী ট্রেডার্সকে ১৫ হাজার করে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী, অভিযোগকারী দুজন জরিমানার ২৫ শতাংশ হিসেবে ৩ হাজার ৭৫০ টাকা করে পেয়েছেন। বাকি টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান হাসান-আল-মারুফ।

;

১৬ দাবিতে রাজশাহী ডিসি অফিস ঘেরাও আদিবাসীদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সেচের পানি না পেয়ে দুই সাঁওতাল কৃষকের আত্মহত্যার প্ররোচনাকারীর কঠোর শাস্তি, আদিবাসীদের আদিবাসী হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি, পৃথক মন্ত্রণালয় ও ভূমি কমিশন গঠনসহ ১৬ দফা দাবিতে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের (ডিসি) অফিস ঘেরাও কর্মসূচি পালিত হয়েছে। এ ছাড়া জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি স্মারকলিপিও দেওয়া হয়েছে।

জাতীয় কৃষক সমিতি ও জাতীয় আদিবাসী পরিষদ রাজশাহী জেলা ও মহানগর শাখার উদ্যোগে বুধবার (১৮ মে) বেলা ১১টার দিকে রাজশাহী ডিসি অফিসের সামনে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। কর্মসূচিতে অংশ নিতে আদিবাসীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে রাজশাহী ডিসি অফিসের সামনে জড়ো হন। পরে সেখানে সমাবেশ হয়। সমাবেশে শেষে স্মারকলিপি দেওয়া হয়। জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল অফিসে উপস্থিত না থাকায় তার পক্ষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জয়া মারীয়া পেরেরা স্মারকলিপিটি গ্রহণ করেন।

আদিবাসীদের দাবিগুলো হলো- আদিবাসীদের ‘আদিবাসী’ হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া।

সমতলের আদিবাসীদের জন্য পৃথক মন্ত্রণালয় ও ভূমি কমিশন গঠন করা।

দখলি শর্তে খাস জমি, বসতভিটা, কবরস্থান, পুকুর আদিবাসীদের নামে প্রদান করা।

প্রাকৃতিক বনে আদিবাসীদের প্রথাগত অধিকারকে নিশ্চিত করা, বনায়ন ও প্রকল্পের নামে প্রাকৃতিক বন ও বননির্ভর আদিবাসী জীবন বিপন্ন না করা, আদিবাসীদের নামে মিথ্যা বন মামলা ও হয়রানি বন্ধ এবং বনায়নের নামে আদিবাসীদের জমি কেড়ে না নেওয়া।

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে সেচের পানি না পেয়ে বিষপানে আত্মহত্যা করা অভিনাথ মার্ডি ও রবি মার্ডির মৃত্যুর ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা করা এবং বরেন্দ্র অঞ্চলের খাস পুকুরগুলো উদ্ধার করে কৃষকদের সেচের পানি নিশ্চিত করাসহ কৃষিকাজে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিশেষ প্রণোদনা চালু করা।

আদিবাসীদের জমি আদিবাসীদের কাছে হস্তান্তরের রক্ষাকবচকে আরও কঠোর করাসহ বিনা অনুমতিতে যেসব দলিল তৈরি হয়েছে সেগুলো বাতিল করা।

সকল আদিবাসীদের নিজস্ব ভাষায় প্রাথমিক স্তরে শিক্ষা নিশ্চিত করা ও আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে কমপক্ষে একজন করে আদিবাসী শিক্ষক নিয়োগ, আদিবাসীদের জন্য উচ্চ শিক্ষা ও প্রথম-দ্বিতীয় শ্রেণিসহ সকল সরকারি চাকরিতে আদিবাসীদের জন্য বিশেষ ৫% কোটা সংরক্ষণ ও বাস্তবায়ন করা।

দিনাজপুর ও নওগাঁয় প্রতিষ্ঠিত আদিবাসী সাংস্কৃতিক একাডেমিতে দ্রুত জনবল নিয়োগ করা এবং রাজশাহী বিভাগীয় আদিবাসী সাংস্কৃতিক একাডেমির উপ-পরিচালক পদে আদিবাসীদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেওয়া।

শুধুমাত্র থোক বরাদ্দ নয়, জাতীয় বাজেটের অংশ হিসেবে সমতল অঞ্চলের আদিবাসীদের উন্নয়নের জন্য পৃথক বাজেট প্রণয়ন করতে হবে। প্রয়োজনে ‘সমতল আদিবাসী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠনসহ আদিবাসী কমিশন গঠন করা।

আদিবাসীদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগ থেকে আদিবাসী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিতের জন্য আইন প্রণয়ন ও সংরক্ষিত আদিবাসী নারী আসনের ব্যবস্থা করা। পাশাপাশি স্থানীয় সরকার কাঠামোতে নির্দিষ্টভাবে সদস্য পদ আদিবাসী নারীদের জন্য সংরক্ষণ করা।

আদিবাসীদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির পাশাপাশি এ ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসনকে সক্রিয় করা।

বর্তমান সরকারের ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে বর্ণিত আদিবাসীদের দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন করা।

আদিবাসীদের ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি রক্ষা এবং চর্চার অনুকূল পরিবেশ, গবেষণার ক্ষেত্র প্রস্তুতসহ আদিবাসী একাডেমি গঠন করা।

গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সাহেবগঞ্জ-বাগদাফার্মের ১৮৪২.৩০ একর সম্পত্তি প্রকৃত জমি মালিকদের ফিরিয়ে দেওয়া এবং সেই জমিতে সরকার কর্তৃক ইপিজেড স্থাপনের ষড়যন্ত্র বন্ধ করা।

আদিবাসীদের মালিকানাধীন কোন জমি অধিগ্রহণ চিরতরে বন্ধ করতে আইন প্রণয়ন করা এবং সরকারি গেজেটে বাদপড়া আদিবাসীদের জাতিসত্ত্বাগুলোকে অন্তর্ভূক্ত করা।

এর আগে অনুষ্ঠিত সমাবেশে জাতীয় আদিবাসী পরিষদ রাজশাহী জেলা শাখার সভাপতি বিমল চন্দ্র রাজোয়াড় সভাপতিত্ব করেন। বক্তব্য রাখেন, জেলা কৃষক সমিতির আহ্বায়ক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম পিয়ারুল, জাতীয় আদিবাসী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক গণেষ মার্ডি, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল হক তোতা, মহানগর সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ প্রামানিক দেবু, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা পরিবর্তনের পরিচালক রাশেদ রিপন, জাতীয় আদিবাসী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য রাজ কুমার শাও, দপ্তর সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র হেমব্রম প্রমুখ।

;

ধানের ব্লাস্ট রোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতিপূরণের দাবি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ধানের ব্লাস্ট রোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতিপূরণের দাবি

ধানের ব্লাস্ট রোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতিপূরণের দাবি

  • Font increase
  • Font Decrease

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে ধানের ব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতিপূরণসহ বিভিন্ন দাবিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা কৃষি অফিসার বরবার স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

বুধবার (১৮ মে) দুপুরে উপজেলা কৃষক সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত মিছিল ও সমাবেশে শেষে এই স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

দাবিগুলো হল- উপজেলায় ব্রি-২৮ ও ব্রি ৮১ ধানে ব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতিপূরণ, উৎপাদিত কৃষিপণ্যের লাভজনক দাম নিশ্চিত, কৃষকদের সেচের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল সংশোধন, ধান বিক্রয়ে ঢলতা প্রথা বাতিল ও প্রতি ইউনিয়নে খাজনামুক্ত কৃষি বাজার চালু।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা কৃষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন, উপজেলা সিপিবির সাধারণ সম্পাদক কমরেড হারুন আল বারী, উপজেলা কৃষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান ফকির, যুগ্ম সম্পাদক রিয়াজুল হাসনাত, উপজেলা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপাতি এনামুল হাসান অনয় প্রমুখ।

;