দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় পক্ষাঘাতগ্রস্থ রোগী বাড়ছে



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে সড়ক দুর্ঘটনা বাড়ছে আশঙ্কাজনক হারে। ফলে পক্ষাঘাতগ্রস্থ চিকিৎসায় সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে ভূমিকা রাখতে হবে।

বাংলাদেশে সার্জনদের জন্য থোরাকো-লাম্বার স্পাইনের অস্ত্রপাচার সম্পর্কিত এক কর্মশালার সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তারা এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নিটোর সাবেক পরিচালক ও বাংলাদেশ স্পাইন সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. খ. আব্দুল আওয়াল রিজভী বলেন, বিকলাঙ্গতা চিকিৎসায় সার্জনদের দক্ষতা অর্জনের বিকল্প নেই।

বাংলাদেশ স্পাইন এন্ড অর্থোপেডিক হসপিটালের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মুসাররাত হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নিটোর পরিচালক এবং বাংলাদেশ অর্থোপেডিক সোসাইটির (বিওএস) সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল গনি মোল্লাহ, নিটোরের একাডেমিক পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. মোনায়েম হোসেন, বিওএস এর মহাসচিব অধ্যাপক. ডা. মো. ওয়াহিদুর রহমান, বাংলাদেশ স্পাইন সোসাইটির মহাসচিব অধ্যাপক ডা. মো. আনোয়ারুল ইসলাম।

'বেসিক টেকনিকস অব থোরাকো-লাম্বার স্পাইন ফিক্সেসন' শীর্ষক এই কর্মশালার কোর্স করডিনেটর অধ্যাপক ডা. মো. শাহ আলম বলেন, ২ দিনের কর্মশালা বাংলাদেশের স্পাইন সার্জনদের জন্য খুবই কার্যকর হয়েছে, যা তাদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়েছে।

তিনি বলেন, দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় যেভাবে পক্ষাঘাতগ্রস্থ রোগী বাড়ছে সেটা আশঙ্কাজনক। এক্ষেত্রে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বেসরকারি হাসপাতালগুলোকেও সেবা ও দক্ষতা বাড়াতে হবে। তা নাহলে এতো সংখ্যক রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হবে না।

অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল গনি বলেন, গত ঈদে প্রায় ৬০০ বাইক এক্সিডেন্ট কেইস এসেছে শুধু নিটোরে। যার মধ্যে মৃত্যুহার আশঙ্কাজনক। যার মধ্যে স্পাইনাল ইনজুরি ৫ থেকে ৬ শতাংশ।

তিনি বলেন, সরকারি হাসপাতালগুলোর পক্ষে সবাইকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া কঠিন। তাই বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে।

সভায় বক্তারা আরও বলেন, দেশে দিন দিন বাড়ছে মেরুদণ্ডের বিভিন্ন রোগ। এর মধ্যে মেরুদণ্ডের বিকলাঙ্গতা ও যক্ষা অন্যতম। এসব সমস্যার জন্য দেশের মানুষকে ছুটতে হত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। তবে আশার কথা হল মেরুদণ্ডের উন্নত চিকিৎসা এখন বাংলাদেশেই হচ্ছে। সরকারি ব্যবস্থার পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালে এখন আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশের মত এত জনবহুল রাষ্ট্রে দক্ষ, প্রশিক্ষিত স্পাইন সার্জন তৈরির বিকল্প নেই। সরকারি ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগে এমন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা আমাদের চিকিৎসকদের নিঃসন্দেহে আরও বেশি দক্ষ করে গড়ে তুলবে। এদেশের মধ্যম ও নিম্নবৃত্ত মানুষের সঠিক চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতের জন্য সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা অনস্বীকার্য।

কর্মশালায় ভারতের দিল্লির স্পাইনাল ইনজুরি সেন্টারের স্পাইন সার্জারি বিভাগের কলসালটেন্ট ও বিভাগীয় প্রধান গুরুরাজ এম সানগোনথিমাত এবং বাংলাদেশের অভিজ্ঞ ৮ জন স্পাইন সার্জন এই কর্মশালায় মেরুদণ্ডের আধুনিক অপারেশনের কৌশল নিবন্ধিত ২৮ জন অংশগ্রহণকারীকে হাতে কলমে দক্ষতা প্রদান করেন।

পিকে হালদারকে এখনই ফিরে পাওয়ার আশা করছেন না পররাষ্ট্রমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের আর্থিক খাতের শীর্ষ জালিয়াত প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পিকে হালদারকে এখনই ফিরে পাওয়ার আশা করছেন না পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

ভারতে বিচার শেষে বাংলাদেশের এই আসামিকে ফেরত পাওয়া যেতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

সোমবার (১৬ মে) ঢাকায় এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। 

ভারতের সঙ্গে আসামি প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় পি কে হালদারকে ফেরত আনার বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের সেট প্রসেডিওর আছে, এসব ক্ষেত্রে আমাদের একটি নীতি আছে। সেই অনুযায়ী আমরা কাজ করব। প্রথমে ভারত সরকার আমাদের জানাবে, এই লোক গ্রেফতার হয়েছে। হয়ত তাদের শাস্তি-টাস্তি দেবে। হয়ত আমাদের বলবে শাস্তির মেয়াদ বাংলাদেশে এসে কমপ্লিট করবে। এটা আমরা অন্যান্য দেশেরটাতে করি, তারাও আমাদের সাথে করবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমার ধারণা, আমাদের সাথে ভারতের যে সোনালী অধ্যায়, তাতে অবশ্যই আমরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যা করতে চাই, তারা আমাদের কথা শুনবেন। সে অনুযায়ী কাজ হবে। হয়ত তার কিছু বিচার হবে। তারপরে হয়ত আমাদের দেবে।

পি কে হালদার আটকের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানে না। পররাষ্ট্রমন্ত্রীও কিছু জানে না বলে জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে পুলিশের পক্ষ থেকে ভারতে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

মোমেন বলেন, আপনারা বললেন পরশুদিন সন্ধ্যা বেলায়, এই খবর। আমাদের অফিস-টফিস বন্ধ ছিল। যেটা করা প্রয়োজন, আমরা করব। বলেছি তো, যা যা করার আমরা সেটা করব।

;

সামরিক দরে রেশন দেওয়ার আহ্বান জাফরুল্লাহ চৌধুরীর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
সামরিক দরে রেশন দেওয়ার আহ্বান জাফরুল্লাহ চৌধুরীর

সামরিক দরে রেশন দেওয়ার আহ্বান জাফরুল্লাহ চৌধুরীর

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের দু’কোটি মানুষকে সামরিক দরে রেশন দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘আজকে দু’কোটির বেশি পরিবার অর্ধাহারে আছে। প্যান্টশার্ট পরা লোকেরা টিসিবির ট্রাকের সামনে দাঁড়িয়ে থাকে। দু’কোটি পরিবারকে সামরিক দরে রেশন দেন। এ সবই করা সম্ভব। কিন্তু তা না। আপনারা করছেন অপচয়।’

মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী পরিচালিত ফারাক্কা লং মার্চের ৪৬তম বার্ষিকী উপলক্ষে রাজশাহীতে আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সোমবার বিকালে রাজশাহী নগরীর লালন শাহ মুক্তমঞ্চে ফারাক্কা লং মার্চ উদযাপন কমিটি এর আয়োজন করে।

ভাসানী অনুসারী পরিষদের চেয়ারম্যান ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, জনগণের পেটে ক্ষুধার বড় জ্বালা। বাচ্চা যদি দুধ না পায়, মা সহ্য করতে পারে না। আত্মহত্যা করে। অথবা শিশুর গলা টিপে ধরে। একটা কল্যাণকর রাষ্ট্র দরকার যেখানে আমি-আপনি সবার সমান অধিকার থাকবে।

দ্রুত অন্তবর্তীকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচন দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী আরও বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আজ উল্টোবুঝা করেন না। ছেড়ে দেন একটা আন্তর্জাতিকমানের সরকারের হাতে। সুষ্ঠু নির্বাচন করেন। নির্বাচনে যারা আসবে তারা থাকুক। পৃথিবীর অতীত ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ করুন।’

জনসভায় সভাপতিত্ব করেন ফারাক্কা লং মার্চ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক নদী গবেষক মাহবুব সিদ্দিকী। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- মাওলানা ভাসানীর দৌহিত্র্য আজাদ খান ভাসানী, পানিসম্পদ পরিকল্পনা সংস্থার সাবেক মহাপরিচালক প্রকৌশলী ম. ইনামূল হক, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকী, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী হাসনাত কাইয়ুম, ভাসানী অনুসারী পরিষদের মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু প্রমুখ।

;

চড়ক উৎসব দেখতে পদ্মাপাড়ে ভিড়



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
চড়ক উৎসব দেখতে পদ্মাপাড়ে ভিড়

চড়ক উৎসব দেখতে পদ্মাপাড়ে ভিড়

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজশাহীতে চড়ক উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। নগরীর আলুপট্টি এলাকার পদ্মা সার্বজনীন শিবমন্দিরের ব্যানারে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়। গত ১৩ মে থেকে উৎসবের আয়োজন করা হয়। সোমবার বিকালে শিবপূজার পর সন্ন্যাসীরা পিঠে বড়শি গেঁথে চড়ক গাছে ঘোরেন।

এটি দেখতে পদ্মাপাড়ে অসংখ্য মানুষ জমায়েত হন। চড়ক উৎসব উপলক্ষে আলুপট্টি পদ্মাপাড়ে গ্রামীণ মেলাও বসেছিল। উৎসবের মূল আকর্ষণ চড়ক ঘোরা দেখতে সোমবার বিকাল ৩টা থেকেই পদ্মাপাড়ে মানুষের ঢল নামে। চড়ক গাছটি পোঁতা হয় পদ্মার পাড় থেকে নিচে চরের ভেতর। বিকাল ৪টা থেকে দফায় দফায় শিবের সন্ন্যাসীরা পিঠে বড়শি লাগিয়ে চড়কে ঘোরেন।

এই উৎসবের উদ্যোক্তা ওই এলাকার যুবক বিশ্বজিৎ সরকার, অন্তর সরকার ও কাঞ্চন সরকার।  তাঁদের বিশ্বাস, এই শিবপূজার পর চড়ক গাছে ঘোরার কারণে সার্বিক অমঙ্গল কেটে যাবে তাঁদের।

বিশ্বজিৎ সরকার বললেন, চড়ক পূজায় পূণ্যার্থীরা যে যা প্রার্থনা করেন তা হয় বলে তারা বিশ্বাস করেন। এ কারণেই যুগ যুগ ধরে গ্রামে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়। প্রথমবারের মত রাজশাহী শহরে এ উৎসব হলো বলে তিনি দাবি করেন।

;

রংপুরে সান্তনা ঔষধালয় সিলগালা ২০ হাজার টাকা জরিমানা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
রংপুরে সান্তনা ঔষধালয় সিলগালা ২০ হাজার টাকা জরিমানা

রংপুরে সান্তনা ঔষধালয় সিলগালা ২০ হাজার টাকা জরিমানা

  • Font increase
  • Font Decrease

রংপুরে নগরীতে আয়ুর্বেদিক ওষুধ তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়েছে মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। এ সময় বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারাসহ অনুমোদন ছাড়াই ওষুধ উৎপাদন ও বিপণনের অপরাধে সান্তনা ঔষধালয়টি সিলগালা করে দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার (১৬ মে) বিকেলে গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন রংপুর মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি অ্যান্ড মিডিয়া) মো. সাজ্জাদ হোসেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন রংপুর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আঁখি শেখ। এ সময় ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর রংপুরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার বেলা ১টার দিকে নগরীর হারাগাছ থানাধীন বাহার কাছনা এলাকার সান্তনা ঔষধালয়ের ফ্যাক্টরিতে অভিযান চালায় ডিবি পুলিশ। অভিযানকালে ফ্যাক্টরির মালিকের কাছ থেকে বৈধ কোনো কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। কারখানায় কেমিস্ট ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ওষুধ প্রস্তুত করা ছাড়াও কাঁচামাল সঠিকভাবে সংরক্ষণে ছিল না।  শ্রমিকদের পরনে মাস্ক, গ্লোভস, অ্যাপ্রোনসহ স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী না থাকাসহ নানাবিধ অব্যবস্থাপনা দেখা যায় ।

এসব অপরাধের দায়ে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর রংপুরের প্রতিনিধির উপস্থিতিতে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আঁখি শেখ ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ওই কারখানার মালিক সদরুল আনামকে বিশ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন। একই সাথে ত্রুটি সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত কারখানাটির সকল কার্যক্রম ও উৎপাদন বন্ধ রাখতে কারখানাটি সিলগালা করে দেওয়া হয়।

;