মাদারীপুরে খাদ্যগুদামে মিলল ওসির মরদেহ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, মাদারীপুর
মাদারীপুরে খাদ্যগুদামে মিলল ওসির মরদেহ

মাদারীপুরে খাদ্যগুদামে মিলল ওসির মরদেহ

  • Font increase
  • Font Decrease

মাদারীপুরে নিজ কার্যালয় থেকে খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ইসলামের (৪০) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার (১৫ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সদর উপজেলার নয়াচর এলাকায় অবস্থিত চরমুগরিয়া খাদ্য গুদামের ভেতর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত কামরুল শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার কোদালপুর ইউনিয়নের খালাসীপাড়া গ্রামের নুরুল ইসলাম খালাসীর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ সকালে চরমুগরিয়া খাদ্যগুদাম কার্যালয়ের ভেতরে বাথরুমের সামনে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুল ইসলামের মরদেহ ঝুলে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয় অফিসের স্টাফরা। পরে পুলিশ গিয়ে সুরাতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত শেষে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। পরে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেয় সদর উপজেলা প্রশাসন।

মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার চাইলাউ মারমা জানান, পারিবারিক কোন ঝামেলা কিংবা অফিস সংক্রান্ত কোন সমস্যা ছিল কিনা এ বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নিহত কামরুলের দুই স্ত্রী। প্রত্যেকের মেয়ে সন্তান রয়েছে। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে কিছু আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।

মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাইন উদ্দিন জানান, ঘটনার পর প্রতিষ্ঠানটিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কেউ না থাকার কারণে ৬টি গুদাম সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী কর্মকর্তা নিয়োগ না দেওয়া পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানের সকল কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

প্রসঙ্গত, গত ২৪ মার্চ মাদারীপুর সদর উপজেলার চরমুগরিয়া খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিসেবে যোগ দেন মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম।

দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় পক্ষাঘাতগ্রস্থ রোগী বাড়ছে



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে সড়ক দুর্ঘটনা বাড়ছে আশঙ্কাজনক হারে। ফলে পক্ষাঘাতগ্রস্থ চিকিৎসায় সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে ভূমিকা রাখতে হবে।

বাংলাদেশে সার্জনদের জন্য থোরাকো-লাম্বার স্পাইনের অস্ত্রপাচার সম্পর্কিত এক কর্মশালার সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তারা এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নিটোর সাবেক পরিচালক ও বাংলাদেশ স্পাইন সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. খ. আব্দুল আওয়াল রিজভী বলেন, বিকলাঙ্গতা চিকিৎসায় সার্জনদের দক্ষতা অর্জনের বিকল্প নেই।

বাংলাদেশ স্পাইন এন্ড অর্থোপেডিক হসপিটালের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মুসাররাত হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নিটোর পরিচালক এবং বাংলাদেশ অর্থোপেডিক সোসাইটির (বিওএস) সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল গনি মোল্লাহ, নিটোরের একাডেমিক পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. মোনায়েম হোসেন, বিওএস এর মহাসচিব অধ্যাপক. ডা. মো. ওয়াহিদুর রহমান, বাংলাদেশ স্পাইন সোসাইটির মহাসচিব অধ্যাপক ডা. মো. আনোয়ারুল ইসলাম।

'বেসিক টেকনিকস অব থোরাকো-লাম্বার স্পাইন ফিক্সেসন' শীর্ষক এই কর্মশালার কোর্স করডিনেটর অধ্যাপক ডা. মো. শাহ আলম বলেন, ২ দিনের কর্মশালা বাংলাদেশের স্পাইন সার্জনদের জন্য খুবই কার্যকর হয়েছে, যা তাদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়েছে।

তিনি বলেন, দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় যেভাবে পক্ষাঘাতগ্রস্থ রোগী বাড়ছে সেটা আশঙ্কাজনক। এক্ষেত্রে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বেসরকারি হাসপাতালগুলোকেও সেবা ও দক্ষতা বাড়াতে হবে। তা নাহলে এতো সংখ্যক রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হবে না।

অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল গনি বলেন, গত ঈদে প্রায় ৬০০ বাইক এক্সিডেন্ট কেইস এসেছে শুধু নিটোরে। যার মধ্যে মৃত্যুহার আশঙ্কাজনক। যার মধ্যে স্পাইনাল ইনজুরি ৫ থেকে ৬ শতাংশ।

তিনি বলেন, সরকারি হাসপাতালগুলোর পক্ষে সবাইকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া কঠিন। তাই বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে।

সভায় বক্তারা আরও বলেন, দেশে দিন দিন বাড়ছে মেরুদণ্ডের বিভিন্ন রোগ। এর মধ্যে মেরুদণ্ডের বিকলাঙ্গতা ও যক্ষা অন্যতম। এসব সমস্যার জন্য দেশের মানুষকে ছুটতে হত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। তবে আশার কথা হল মেরুদণ্ডের উন্নত চিকিৎসা এখন বাংলাদেশেই হচ্ছে। সরকারি ব্যবস্থার পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালে এখন আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশের মত এত জনবহুল রাষ্ট্রে দক্ষ, প্রশিক্ষিত স্পাইন সার্জন তৈরির বিকল্প নেই। সরকারি ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগে এমন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা আমাদের চিকিৎসকদের নিঃসন্দেহে আরও বেশি দক্ষ করে গড়ে তুলবে। এদেশের মধ্যম ও নিম্নবৃত্ত মানুষের সঠিক চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতের জন্য সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা অনস্বীকার্য।

কর্মশালায় ভারতের দিল্লির স্পাইনাল ইনজুরি সেন্টারের স্পাইন সার্জারি বিভাগের কলসালটেন্ট ও বিভাগীয় প্রধান গুরুরাজ এম সানগোনথিমাত এবং বাংলাদেশের অভিজ্ঞ ৮ জন স্পাইন সার্জন এই কর্মশালায় মেরুদণ্ডের আধুনিক অপারেশনের কৌশল নিবন্ধিত ২৮ জন অংশগ্রহণকারীকে হাতে কলমে দক্ষতা প্রদান করেন।

;

গোপন বৈঠককালে জামায়াতের ৪৫ নেতাকর্মী গ্রেফতার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

নোয়াখালী সদর উপজেলায় একটি প্রাইভেট স্কুলে অভিযান চালিয়ে জামায়াত ইসলামীর ৪৫ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ বলছে, তারা ওই একাডেমি ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি শ্রেণি কক্ষে গোপন বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন।

রোববার (১৫ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জেলা শহর মাইজদীর সংলগ্ন আল ফারুক একাডেমির দ্বিতীয় তলা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তবে তাৎক্ষণিক গ্রেফতারকৃতদের নাম ঠিকানা জানা যায়নি।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো.শহীদুল ইসলাম। তিনি জানান, রোববার দুপুর ১২টার দিকে জেলার বিভিন্ন উপজেলার জামায়াত ইসলামীর নেতাকর্মীরা সুধারাম থানা এলাকার মাইজদী আল ফারুক একাডেমির দ্বিতীয় তলায় সরকার বিরোধী গোপন বৈঠক করার জন্য একত্রিত হয়। বৈঠক চলাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল ও সুধারাম থানার ওসি আল ফারুক একাডেমিতে অভিযান চালিয়ে ৪৫ জন জামায়াত ইসলামীর নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে।

তিনি আরও জানান, এ সময় গ্রেফতারকৃতদের কাছে থাকা ধর্মীয় উগ্রতা সৃষ্টিকারী বিভিন্ন ধরনের বই উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে জানা যায়, ধর্মীয় উগ্রতাকে পুঁজি করে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষে সরকার বিরোধী ক্ষতিকারক বেআইনি কার্যকলাপের প্রস্তুতিমূলক অংশ হিসেবে এই গোপন বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। এ বিষয়ে আরও অনুসন্ধানসহ আইনগত বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

;

‘পি কে হালদারের পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনা হবে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার হালদারকে (পি কে হালদার) দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার করা হবে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। এছাড়াও তার পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনা হবে বলে জানান অ্যাটর্নি জেনারেল।

রোববার (১৫ মে) দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ভারত বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করেছে এবং তার সম্পদ জব্দ করেছে। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশের যে সংস্থাগুলো আছে তারা তৎপর। তাদের তৎপরতার কারণে পি কে হালদারকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। অচিরেই তাকে বাংলাদেশে এনে বিচারের সম্মুখীন করা হবে। শাস্তি শুধু জেল না, অন্যান্য শাস্তির ব্যবস্থা আছে।

তিনি বলেন, পি কে হালদারের অবৈধভাবে অর্জিত যে সম্পদ আছে তা বাজেয়াপ্ত করা হবে, জনগণের টাকা জনগণকে ভাগ করে দেওয়া হবে। তিনি ব্যাংকের টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তিনি একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন। তার পক্ষে যত ধরনের অন্যায় করা সম্ভব ছিল তিনি করেছেন এবং টাকাগুলো সরিয়ে ফেলেছেন।

এর আগে, শনিবার (১৪ মে) উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার অশোকনগর থেকে পি কে হালদারের সঙ্গে তার দুই ভাইসহ গ্রেফতার হয়েছেন আরও ৫ জন।রোববার (১৫ মে) বারাসাতের আদালতে তোলা হলে তদন্তের স্বার্থে তাদের ১৭ মে পর্যন্ত ইডি হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দেন বিচারক।

;

চট্টগ্রামে আসামির দায়ের কোপে পুলিশ সদস্যের হাত বিচ্ছিন্ন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় আসামি ধরতে গিয়ে দায়ের কোপে এক পুলিশ সদস্যের হাত বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এসময় আরেক পুলিশ আহত হয়েছেন।

রোববার (১৫ মে) সকাল ১০টার উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর লালারখিল ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত আসামি কবির আহামদ (৩৫) লোহাগাড়ার পদুয়া ইউনিয়নের লালারখীল গ্রামের মৃত আলী হোসেনের ছেলে। তিনি পলাতক রয়েছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান। তিনি জানান, লালারখিল গ্রামে দুপক্ষে মারামারির ঘটনায় গত ২৪ মার্চ মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলার এজাহারভুক্ত দুই নম্বর আসামি কবির। লালারখিল গ্রামের বাসিন্দা আবুল হোসেন কালু দণ্ডবিধির ১৪৩, ৪৪৭, ৩০৭, ৩২৫, ৩২৩, ৩২৪, ৪৪৮, ৩৮০, ৪২৭, ৫০৬ ধারায় মামলাটি দায়ের করেছিলেন।

আজ সকালে আসামি কবিরকে ধরতে লোহাগাড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ভক্ত চন্দ্র দত্তের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি দল তার বাড়িতে যায়। এসময় কবিরকে ধরতে গেলে কনস্টেবল জনি খানের বাম হাতে ধারালো দা দিয়ে কোপ মারে। এতে তার বাম হাত থেকে কবজি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

এ ঘটনার পর কবির পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। অভিযানে পুলিশের সঙ্গে মামলার বাদী আবুল হোসেন কালুও ছিলেন। আসামি কবির যাবার সময় তাকেও দা দিয়ে কোপ মারেন। এতে আবুল হোসেনও আহত হন।

আহত পুলিশ কনস্টেবল জনি খানকে প্রথমে লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এরপর অবস্থার অবনতি ঘটলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।

 

;