আশ্রয়ণ প্রকল্পের জরাজীর্ণ ঘর, চলে গেছেন অর্ধেক বাসিন্দা 



উপজেলা করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, মংলা (বাগেরহাট)
আশ্রয়ণ প্রকল্পের জরাজীর্ণ ঘর

আশ্রয়ণ প্রকল্পের জরাজীর্ণ ঘর

  • Font increase
  • Font Decrease

বাগেরহাটের রামপালে সংস্কারের অভাবে একটি আশ্রয়ণ প্রকল্পের অর্ধেক বাসিন্দা সেখান থেকে চলে গেছেন। আগামী বর্ষা মৌসুমের আগে সংস্কার না করলে যারা এখন সেখানে বসবাস করছেন তাদেরও অন্যত্র চলে যেতে হতে পারে বলে জানিয়েছেন ওই আশ্রয়ণ প্রকল্পের বর্তমান বাসিন্দারা।

আশ্রয়ণ প্রকল্প ঘুরে বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার বাঁশতলী ইউনিয়নের কালিগঞ্জ বাজারের পশ্চিম পাশে সরকারি খাস জমিতে ভূমিহীনদের পুনর্বাসনের জন্য ২০০২ সালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এই আশ্রয়ণ প্রকল্পটি নির্মাণ করেন। এ প্রকল্পে ১০ কক্ষ বিশিষ্ট ৮টি ঘর নির্মাণ করে ৮০টি ভূমিহীন পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়।

আশ্রয়ণের বাসিন্দারা জানান, নির্মাণের পর এ পর্যন্ত ব্যারাকগুলোতে কোন সংস্কার কাজ করা হয়নি। তারা আরও জানান, ঘরের কক্ষ বুঝিয়ে দেওয়ার সময় মেঝেতে কোন মাটি ছিল না। ছিল না কোন রান্নার ঘর। কক্ষ পাওয়ার পর তারা নিজেদের উদ্যোগে মেঝের মাটি ভরাটের পাশাপাশি রান্না ঘর নির্মাণ করেন।
আশ্রয়ণের ৮টি ব্যারাকের সব কয়টি এখন বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় বসবাস করতে না পেরে ৩৯টি পরিবার আশ্রয়ণ প্রকল্প ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন।

এদের মধ্যে ৭/৮টি পরিবার কুমারখালি নদীর চরে সরকারি খাস জমিতে বসবাস করছেন। আশ্রয়ণের সব কয়টি ব্যারাকের বেশির ভাগ টিনের চাল ফুটো হয়ে গেছে। উপরের দিকে তাকালে আকাশ দেখা যায়। মরিচায় খেয়ে টিনের বেড়া ভেঙে গেছে। দরজা জানালা জোড়া তালি দিয়ে কোন মতে রাত কাটাচ্ছেন তারা। বৃষ্টি হলেই পানিতে সয়লাভ হয়ে যায়। রাতে বৃষ্টি তাদের নির্ঘুম রাত কাটাতে হয়। বৃষ্টির পানি ঠেকাতে প্রায় সব ঘরের বাসিন্দারাদের টিনের চালে পলিথিন দিয়ে রাখতে হচ্ছে। পায়খানা প্রসাবখানা নোংরা অস্বাস্থ্যকর।

ব্যারাকের অবকাঠামোগত অবস্থা নড়বড়ে হওয়ায় আকাশে মেঘ দেখলে বাসিন্দারা আতঙ্কে থাকেন। ঘূর্ণিঝড়ের সংকেত পেলে তাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাবার কোন ব্যবস্থা নেই। বেশ কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, সামান্য বাতাস হলেই বেশির ভাগ ঘরের টিন উড়ে যেতে পারে। ঝড়ের খবর পেলে আমরা ভয়ের মধ্যে থাকি।

রামপাল উপজেলার বাশতলী ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল এ আশ্রয়ণের দুরাবস্থার কথা উপজেলা পরিষদের গত মাসিক সমন্বয় সভায় তুলে ধরে আগামী বর্ষা মৌসুম শুরুর আগে সংস্কারের দাবি জানান।

রামপাল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মতিউর রহমান বলেন, এই আশ্রয়ণ প্রকল্পটি সংস্কারের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলেই দ্রুত সংস্কারের কাজ শুরু করা হবে।

ব্রিজের নিচ থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
ব্রিজের নিচ থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

ব্রিজের নিচ থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

  • Font increase
  • Font Decrease

 

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় ব্রিজের নিচ থেকে মাহের উদ্দিন (৮০) নামের এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৭ জুলাই) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন গঙ্গাচড়া মডেল থানার ওসি দুলাল হোসেন। এর আগে সকালে গঙ্গাচড়া বাজার সংলগ্ন এলাকার ভুটকার ব্রিজের নিচ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

মাহের উদ্দিন গঙ্গাচড়া উপজেলার উত্তর পানাপুকুর গ্রিয়ারপার গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, স্থানীয় গঙ্গাচড়া বাজারে বিভিন্ন ফসলের একটি বীজ ভান্ডার রয়েছে মাহের উদ্দিনের। প্রতিদিনের মতো বুধবার বিকালে তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে দোকানে যান। তবে রাত ১১টার দিকে দোকান বন্ধ করে আর বাড়ি ফেরেননি তিনি। পরিবারের লোকজন রাতে আত্মীয় স্বজনসহ সম্ভাব্য সকল জায়গায় খুঁজেও তার সন্ধান পাননি। পরে বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে ভুটকা ব্রিজের নিচে মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

গঙ্গাচড়া মডেল থানার ওসি দুলাল হোসেন বলেন, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

;

মহাসড়কে বেড়েছে যানবাহনের চাপ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিরাজগঞ্জ
মহাসড়কে বেড়েছে যানবাহনের চাপ

মহাসড়কে বেড়েছে যানবাহনের চাপ

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে বাড়ি ছুটছে মানুষ। ঈদ ঘিরে গ্রামের বাড়িতে যেভাবে পারছেন ছুটছেন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে। এ কারণে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কে বেড়েছে যানবাহনের চাপ। গণপরিবহনের পাশাপাশি ট্রাক, পিকআপ ভ্যানসহ ব্যক্তিগত যানবাহনে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছেন ঘরমুখো মানুষ।

বৃহস্পতিবার (৭ জুলাই) সকাল থেকে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে এ দৃশ্য দেখা যায়। পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে বাড়ি ফিরছে উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের ২২ জেলার মানুষ।

সোলেমান, মেরাজ, বক্কার, পারভিন, জেসমিন, শিল্পী নামের কয়েক যাত্রী জানান, তারা গাজীপুরের একটি গার্মেন্টসে চাকরি করেন। বাড়ি সিরাজগঞ্জে কাজিপুর উপজেলার নাটুয়ারপাড়া গ্রামে। আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে সকাল ৬টায় গাজীপুর থেকে বাসে করে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন তারা।

ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের বিভিন্ন জায়গায় যানজট কাটিয়ে সকাল ১১ টায় সিরাজগঞ্জের কড্ডার মোড় এলাকায় পৌছালাম। এর মধ্যে কেটে গেছে প্রায় ৫ ঘণ্টা। এখান থেকে বাড়ি পৌঁছাতে আরো প্রায় ২৫ কিলোমিটার সময় লাগবে। যানবাহন বলতে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও বাস।

তারা আরও জানান, দরিদ্র পরিবারে জন্ম হওয়ায় অভাবের সংসারের হাল ধরতে জীবিকার তাগিদেই ঢাকায় কাজ করতে হয় তাদের। সামান্য মাথা গোঁজার ঠাঁই ছাড়া আর কিছুই নেই গ্রামে তাদের।

শহরের এম.এ মতিন বাস টার্মিনালে গার্মেন্টস কর্মী ফারজানা, বিউটি, ববি, শহিদুল, আকমল, মেহেদী জানান, অভাবের সঙ্গে যুদ্ধ করেই জীবিকা নির্বাহ করতে হয় তাদের। আর এর জন্য পদে পদে পোহাতে হয় ভোগান্তি। কিন্তু বিকল্প কিছু করার উপায় নেই তাদের। গার্মেন্টসের চাকরি থেকে যে বেতন পান তাতেই কোনোরকম সংসার চলে।

তারা জানান, অভাবের সঙ্গে যুদ্ধ করেই জীবিকা নির্বাহ করতে হয় তাদের। এজন্য পদে পদে পোহাতে হয় ভোগান্তি। কিন্তু বিকল্প কিছু করার উপায় নেই তাদের। গার্মেন্টসের চাকরি থেকে যে বেতন পান তাতেই কোনোরকম সংসার চলে।

বছরে দুই ঈদে ছুটি পায় তারা। ঈদ ঘিরে বাড়ি ফিরতে নানা ধরনের ভোগান্তির পাশাপাশি খরচ করতে হয় কয়েকগুণ বেশি ভাড়া। অনেকে ভাড়া বাঁচাতে ট্রাকে করে রওনা দেন ঢাকা থেকে। এতে ভাড়া পড়ে ৫শ’ থেকে ৭শ’ টাকা। তারপরও সে যাত্রা নির্বিঘ্ন হয় না। ঈদ উপলক্ষে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে থামানো হয় বাস ও ট্রাক। সেই সাথে যানজন ও দীরগতিতে চলে যানবাহন।

হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান জানান, বুধবার (৬ জুলাই) রাত থেকেই বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কে যানবাহনের চাপ রয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোর থেকে যানবাহনের চাপ অনেক বেড়েছে। মহাসড়কে যানবাহনের চাপ আরও বাড়বে। তবে মহাসড়কের কোথাও যানজট বা ধীরগতি সৃষ্টি হয়নি।

বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোসাদ্দেক হোসেন জানান, সকালে একটু গাড়ীর চাপ ছিলো। বর্তমানে বঙ্গবন্ধু সেতু গোলচত্বর এলাকা স্বাভিবক রয়েছে।

সিরাজগঞ্জের ট্রাফিক পরিদর্শক (প্রশাসন) সালেকুজ্জামান খান সালেক বলেন, ঈদে ঘরে ফেরা মানুষের যাত্রা নিরাপদ করতে জেলা ট্রাফিক বিভাগ ও জেলা পুলিশের ৫৬৭ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। তারা রাত-দিন পর্যায়ক্রমে মহাসড়কে দায়িত্ব পালন করেছেন। আমরা গত ঈদের মতো যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সজাগ রয়েছি।

;

খালের পানিতে পড়ে দুই ভাই-বোনের মৃত্যু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
খালের পানিতে পড়ে দুই ভাই-বোনের মৃত্যু

খালের পানিতে পড়ে দুই ভাই-বোনের মৃত্যু

  • Font increase
  • Font Decrease

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে মাদ্রাসা থেকে ফেরার পথে বাঁশের সাঁকো পার হওয়ার সময় পা-পিছলে খালে পড়ে জিহাদ মিয়া (১১) ও তাজিয়া বেগম (৭) নামে আপন দুই ভাই-বোনের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ জুলাই) সকাল নয়টায় দিকে উপজেলার গোয়ালনগর ইউনিয়নের মাছমা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে তাজিয়া বেগম উপজেলার মাছমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং জিহাদ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি হাফিজিয়া মাদ্রাসার ছাত্র। তারা গোয়ালনগর ইউনিয়নের মাছমা গ্রামের মো. মুকুল মিয়ার সন্তান।

নিহতদের পরিবার ও এলাকাবাসী জানান, সকাল সাতটার দিকে মাছমা ব্রামের একটি স্থানীয় মসজিদে আরবি পড়তে যায় জিহাদ ও তাজিয়া। সেখানে সাড়ে আটটার দিকে মাদ্রাসা ছুটি হয়। ছুটির পর বাড়িতে ফেরার সময় একটি বাঁশের সাঁকোতে পার হওয়ার সময় তাজিয়া পা পিছলে খালের পানিতে পড়ে যায়। ছোট বোনকে বাঁচাতে গিয়ে বড়ভাই জিহাদও পানিতে ঝাঁপ দেয়। এ সময় পানির স্রোতের কারণে দুজনই তলিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের দুজনের মৃত ঘোষণা করেন।

নাসিরনগর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুলাহ সরকার জানান, দুই ভাইবোনের মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ যায়। পরিবারের অভিযোগ না থাকায় দুই শিশুর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

;

বাস-ট্রেনে ঘরমুখো মানুষের চাপ বেড়েছে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ট্রেনে ঘরমুখো মানুষের চাপ বেড়েছে

ট্রেনে ঘরমুখো মানুষের চাপ বেড়েছে

  • Font increase
  • Font Decrease

পবিত্র ঈদুল আজহার আগে শেষ কর্মদিবস আজ বৃহস্পতিবার (০৭ জুলাই)। সকাল থেকেই রাজধানীর কমলাপুর স্টেশনে রয়েছে বাড়ি ফেরা মানুষের ভিড়। একই অবস্থা গাবতলীসহ রাজধানীর প্রায় সব বাস টার্মিনালেও।

বৃহস্পতিবার (০৭ জুলাই) দুপুরের পর ট্রেন-বাসে ভিড় আরও বাড়ার ধারণা করছেন পরিবহন সংশ্লিষ্টরা। পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে মানুষ ঢাকা ছাড়তে শুরু করলেও শুক্রবার ভিড় আরও বাড়বে বলে তারা জানান।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, কমলাপুর ও বিমানবন্দর রেলস্টেশনে মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।

এদিকে সকালে উত্তরবঙ্গগামী প্রায় সব ট্রেনই নির্ধারিত সময়ের কিছুটা পরে ঢাকা ছাড়ছে। এরমধ্যে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি প্রায় ৩ ঘণ্টা পর কমলাপুর স্টেশন ছেড়ে যায়। প্রতিটি ট্রেনই যাত্রীতে পূর্ণ রয়েছে।সকালে অনেকে ছাদে ওঠার চেষ্টা করলেও রেলওয়ে পুলিশ তাদের নামিয়ে দেয়।

রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শিডিউল বিপর্যয় ঠেকাতে বিমানবন্দর স্টেশনে ঢাকামুখী কয়েকটি ট্রেনের যাত্রাবিরতি বাতিল করা হয়েছে।

সড়ক-মহাসড়কে ঈদে ঘরমুখী মানুষ ও যানবাহনের চাপ বেড়েছে। গাজীপুরের ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে যানবাহন চলছে ধীর গতিতে। যানজট নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে পুলিশ।

বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঢাকা- ময়মনসিংহ মহাসড়কে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় ঘরমুখী মানুষ ও যানবাহনের চাপ বাড়ছে। এতে মহাসড়কের টঙ্গীর স্টেশন রোড, চেরাগআলী, গাজীপুরা, ভোগড়া বাইপাস মোড়ে যানবাহনের জটলা দেখা দিয়েছে। ফলে গাড়ি চলছে ধীর গতিতে।

এছাড়া চান্দনা চৌরাস্তায় ফ্লাইওভার নির্মাণসহ সড়ক জুড়ে বিআরটি প্রকল্পের কাজ চলমান থাকায় কোথাও কোথাও একলেনে চলছে গাড়ি। এক্ষেত্রে গাড়ির গতি অনেকটাই কমে গিয়ে যাত্রীদের দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

;