বছর না যেতেই ভেঙে ফেলা হলো প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহারের ঘর



আরিফুল ইসলাম, ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, টাঙ্গাইল
বছর না যেতেই ভেঙে ফেলা হলো প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহারের ঘর

বছর না যেতেই ভেঙে ফেলা হলো প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহারের ঘর

  • Font increase
  • Font Decrease

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে বছর না যেতেই ভেঙে ফেলা হয়েছে মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহার আশ্রয়ণ প্রকল্পের বেশ কয়েকটি ঘর। এরআগে বড় বড় ফাটল, জীর্ণ দশা আর বসবাসের অযোগ্য হওয়াসহ নানা অনিয়মের সংবাদ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর সরেজমিনে পরিদর্শন করে উপজেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্টরা কর্মকর্তারা পুনরায় ঘরগুলো নির্মাণের আশ্বাস দেয় বাসিন্দাদের। আশ্বাসের কয়েক দিন পর থেকে ওই ঘরগুলো ভেঙে পুনরায় নির্মাণের কাজ শুরু করে।

এদিকে, ঝড় ও রোদ-বৃষ্টির মধ্যে ভেঙে ফেলা ঘরের বাসিন্দারা মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে। এখনো নানা আতঙ্কে দিন কাটছে তাদের। নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ও নানা অনিয়মের কারণে ঘরগুলোর ওই অবস্থা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ করে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো ।

জানা যায়, মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধীনে উপজেলায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ে ২৭৬ টি ঘর বরাদ্দ দেয়া হয়।

 


তারমধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে গৌরিশ্বর এলাকায় ভূমিহীনদের মাঝে বরাদ্দ দেয়া হয় ৪৪ টি ঘর। কিছুদিন না যেতেই ঘরগুলোতে দেখা দেয় ফাটল।

এনিয়ে অভিযোগ উঠে নির্মাণ কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের। মাটির সমস্যার কথা বলে পাশ কাটিয়ে যায় প্রশাসন। পরবর্তীতে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশ্রয়ন কেন্দ্র পরিদর্শন করে তা মেরামতের ব্যবস্থা করেন। কিন্তু কিছুদিন পরেই আবারো একই অবস্থার সৃষ্টি হয়।

এছাড়া দেখা দেয় বড় বড় ফাটল। খসে পড়তে থাকে পলেস্তার। সংবাদকর্মীদের কাছে দুর্দশার কথা তুলে ধরেন আশ্রয়ন কেন্দ্রের বাসিন্দারা। তখন টনক নড়ে প্রশাসনের। ছুটে যান প্রশাসনের কর্তারা। আশ্বাস দেয়া হয় ঘর পুননির্মাণ ও সংস্কারের।

অপরদিকে, সংবাদকর্মীদের কাছে ঘরের বিষয় তুলে ধরায় নানা ধরণে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হয় বাসিন্দাদের। পরে যে সমস্ত ঘরে বড় বড় ফাটল, জীর্ণ দশা আর বসবাসের অযোগ্য সে সব ঘর কয়েকদিন আগে ভেঙে ফেলা হয়েছে। ঝড় ও রোদ-বৃষ্টির মধ্যে ভেঙে ফেলা ঘরের বাসিন্দারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

এছাড়া কেউ আশ্রয় কেন্দ্রের পাশে কোন রকম ছাপড়া তুলে বসবাস করছে আবার কেউ অন্যের আশ্রয় কেন্দ্রের ঘরের বারান্দায় বসবাস করছে। ওই আশ্রয় কেন্দ্রের অন্যান্য ঘরগুলোতেও ফাটল থাকায় আতঙ্কে দিন কাটছে বাসিন্দাদের। পানি ও পয়ঃনিস্কাশন সমস্যাতো রয়েছেই। 


ঘর ভেঙে ফেলা আশ্রয় কেন্দ্রের বাসিন্দা মাজেদা বেগম জানান, মুজিব বর্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেয়ে অনেক খুশি হয়ে ছিলাম। কয়দিন পরেই বড় বড় ফাটল দেখা দেয়। খসে খসে পড়ে পলেস্তার। নতুন করে ঘর তৈরি করে দিবে বলে ঘর ভেঙে ফেলা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ঠিকমতো লোক কাজ করতে আসে না। ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে গাছের তলায় ছাপড়া তুলে রইছি। খুব কষ্ট হইতাছে।

শরিফা বেগম বলেন, নতুন করে ঘর তৈরি করে দিবে বলে ভেঙে ফেলা হয়েছে। ভাঙার পর ঠিকমতো কাজও করতে আসে না লোকজন। অন্যের ঘরের বারান্দা ও রান্না ঘরে রইছি। পোলাপান, গরু ছাগল, হাঁস-মুরগি নিয়ে খুব কষ্টে আছি।

খুকি বেগম বলেন, আমার ঘরে বড় বড় ফাটল। আতঙ্কে রয়েছি। অফিসার আইসা খুব রাগারাগি করলো। কাউকে যেন কিছু না বলি। ঝড়ের সময় দেয়াল ভেঙে পড়লে বাঁচমু নাতো।

এ বিষয়ে ঘাটাইল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এনামুল বলেন, মাটির কারণে কয়েকটি ঘরে সমস্যা থাকায় তা ভেঙে পুননির্মাণ করা হবে।

টাঙ্গাইলে হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলে হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন

টাঙ্গাইলে হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন

  • Font increase
  • Font Decrease

টাঙ্গাইলে আব্দুর রহিম হত্যা মামলায় চারজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আসামিদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো তিন মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ১১ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

২০১৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর অপর আসামি ময়েজ উদ্দিন মৃত্যুবরণ করায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

সোমবার (২৭ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম এ রায় দেন।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- ধনবাড়ী উপজেলার রামজীবনপুর গ্রামের মৃত ময়েজ উদ্দিনের ছেলে সেজনু মিয়া ও মিজানুর রহমান, একই গ্রামের ফয়জ উদ্দিনের ছেলে মুনসুর আলী এবং গঙ্গাবর গ্রামের মৃত আলী ফকিরের ছেলে জামাল ফকির।

সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে সেজুন মিয়া পলাতাক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আদালতের সরকারি কৌশলী (পিপি) এস আকবর খান জানান, ২০০৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার রামজীবনপুর গ্রামে আসামিরা একটি জমি দখলে নিয়ে চাষাবাদ করতে যান। জমির মালিক আব্দুর রহিম তাদের বাধা দেয়। এ সময় আসামিরা লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আব্দুর রহিমকে গুরুতর আহত করে। আহত অবস্থায় আব্দুর রহিমকে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন ৩১ ডিসেম্বর আব্দুর রহিম মারা যান।

তিনি আরো জানান, ওই ঘটনায় নিহতের ছেলে মো. সুলতান মিয়া ২০০৫ সালের ৩ জানুয়ারি ধনবাড়ী থানায় ১৬ জনকে আসামি করে মামলা করেন।

ধনবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহবুবুল আলম ২০০৫ সালের ২৭ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০০৭ সালের ১৬ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ গঠন করা হয়। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত রায় ঘোষণা করলেন।

;

পদ্মা সেতুতে না নামতে মাইকিং, টহলে সেনাবাহিনী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
পদ্মা সেতু

পদ্মা সেতু

  • Font increase
  • Font Decrease

পদ্মা সেতুতে মানুষের হাঁটাচলার বিষয়ে কড়াকড়ি আরোপ করেছে সেতু বিভাগ। সেতুতে না নামতে টোল প্লাজা এলাকায় করা হচ্ছে মাইকিং। এছাড়াও সেতুতে টহল দিচ্ছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা।

সোমবার (২৭ জুন) সকাল থেকে সেতুতে মোটরসাইকেল প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। হেঁটেও উঠতে দেওয়া হচ্ছে না মানুষকে।

এর আগে সেতু বিভাগ জানায়, স্বপ্নের পদ্মা সেতুতে অনেকে যানবাহন থেকে নেমে সেতুর মালামাল চুরি করছে। এজন্য সেতু বিভাগ পদ্মা সেতুতে মানুষের হাঁটাচলার বিষয়ে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। সেতুতে মানুষের না নামার বিষয়টি নিশ্চিত করতে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে অনুরোধও জানায় সেতু কর্তৃপক্ষ।

এদিকে সেতুতে মোটরসাইকেল উঠতে না দেওয়ায় জাজিরা প্রান্তে নাওডোবা টোল প্লাজায় কোনও বিশৃঙ্খলা দেখা যায়নি। টোল দিয়ে বাধাহীনভাবেই সেতু পার হচ্ছিল যানবাহন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, টোল প্লাজার আগেই আটকে দেওয়া হচ্ছে মোটরসাইকেলগুলো। টোল প্লাজার আশপাশে তেমন গাড়ির জটলা নেই। অনেকে সেতুতে মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়া নিষেধ করায় পিকআপে বাইক তুলে স্বপ্নের পদ্মা সেতু পার হচ্ছিলেন। প্রতিটি পিকআপে ৫ থেকে ৬টি করে মোটরসাইকেল ওঠানো হচ্ছে। এর জন্য ১৩০০ থেকে ১৫০০ টাকা করে নিচ্ছেন পিকআপ চালকরা।

;

আশুগঞ্জে বাসচাপায় প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে যাত্রীবাহী বাসের চাপায় তাসফিয়া হোসেন রিপা (৮) নামের এক স্কুল শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুন) দুপুরে উপজেলার তালশহর ইউনিয়নের কামাউড়া নামকস্থানে মহাসড়ক পারাপারের জন্য দাঁড়িয়ে থাকা ওই স্কুল শিক্ষার্থীকে চাপা দেয় ইউনিক পরিবহনের একটি বাস। এতে সে ঘটনাস্থলেই পিষ্ট হয়ে মারা যায়।

নিহত রিপা উপজেলার বাহাদুরপুর এলাকার জাকির হোসেনের মেয়ে ও কামাউড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আজাদ রহমান জানান, রিপা স্কুল শেষে বাড়ি ফেরার জন্য মহাসড়ক পারাপারের জন্য দাঁড়িয়ে ছিল। এ সময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা সিলেটগামী ইউনিক পরিবহনের বাসটি অন্য একটি গাড়িকে ওভারটেক করতে গিয়ে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা রিপাকে চাপা দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছে।

এ ঘটনায় বাসটিকে আটক করলেও চালক পালিয়ে যাওয়ায় তাকে আটক করা যায়নি বলে জানান তিনি।

;

যুক্তরাজ্যকে এক লাখ রোহিঙ্গা নিতে অনুরোধ বাংলাদেশের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মধ্য থেকে এক লাখ রোহিঙ্গাকে যুক্তরাজ্যে পুনর্বাসন করার অনুরোধ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

সোমবার (২৭ জুন) লন্ডনের বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। গত শুক্র ও শনিবার (২৪ ও ২৫ জুন) রুয়ান্ডার রাজধানী কিগালিতে ২৬তম কমনওয়েলথ সম্মেলনের সাইডলাইনে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ট্রুসের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে তিনি এমন অনুরোধ করেন।

এসময় ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রতি বাংলাদেশের উদার আতিথেয়তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, যদি যুক্তরাজ্য এটির দিকে নজর দিতে পারে, তবে রোহিঙ্গা সংকটের সর্বোত্তম সমাধান হবে তাদেরকে নিজ দেশে নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করা।

লন্ডনের বাংলাদেশ হাইকমিশন জানিয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন এলিজাবেথ ট্রাসকে অবহিত করেছেন যে, মিয়ানমার সরকারের রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির অভাবে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবর্তন প্রক্রিয়ায় দীর্ঘস্থায়ী সংকট ও অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

মিয়ানমারের বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতায় ব্রিটিশ সরকারের উদ্বেগ প্রকাশ করে ট্রাস রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে যুক্তরাজ্যের অব্যাহত প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে আশ্বাস দেন, আসিয়ান ও এর সহযোগী জি-৭ দেশগুলোর সঙ্গে যুক্তরাজ্য রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানের জন্য মিয়ানমারের ওপর চাপ বাড়াবে।

ড. মোমেন বলেন, যুক্তরাজ্য গত তিন বছরে মিয়ানমারে ২ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ করেছে এবং ৫০০ মিলিয়নেরও বেশি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য করেছে। তাদেরও রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে হবে।

বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অংশীদারদের মধ্যে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে ব্রেক্সিট-পরবর্তী বাণিজ্য সম্পর্কের বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন ২০২৯ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের করবিহীন জিএসপি সুবিধার মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করেছেন।

;