১৬ দাবিতে রাজশাহী ডিসি অফিস ঘেরাও আদিবাসীদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সেচের পানি না পেয়ে দুই সাঁওতাল কৃষকের আত্মহত্যার প্ররোচনাকারীর কঠোর শাস্তি, আদিবাসীদের আদিবাসী হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি, পৃথক মন্ত্রণালয় ও ভূমি কমিশন গঠনসহ ১৬ দফা দাবিতে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের (ডিসি) অফিস ঘেরাও কর্মসূচি পালিত হয়েছে। এ ছাড়া জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি স্মারকলিপিও দেওয়া হয়েছে।

জাতীয় কৃষক সমিতি ও জাতীয় আদিবাসী পরিষদ রাজশাহী জেলা ও মহানগর শাখার উদ্যোগে বুধবার (১৮ মে) বেলা ১১টার দিকে রাজশাহী ডিসি অফিসের সামনে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। কর্মসূচিতে অংশ নিতে আদিবাসীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে রাজশাহী ডিসি অফিসের সামনে জড়ো হন। পরে সেখানে সমাবেশ হয়। সমাবেশে শেষে স্মারকলিপি দেওয়া হয়। জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল অফিসে উপস্থিত না থাকায় তার পক্ষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জয়া মারীয়া পেরেরা স্মারকলিপিটি গ্রহণ করেন।

আদিবাসীদের দাবিগুলো হলো- আদিবাসীদের ‘আদিবাসী’ হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া।

সমতলের আদিবাসীদের জন্য পৃথক মন্ত্রণালয় ও ভূমি কমিশন গঠন করা।

দখলি শর্তে খাস জমি, বসতভিটা, কবরস্থান, পুকুর আদিবাসীদের নামে প্রদান করা।

প্রাকৃতিক বনে আদিবাসীদের প্রথাগত অধিকারকে নিশ্চিত করা, বনায়ন ও প্রকল্পের নামে প্রাকৃতিক বন ও বননির্ভর আদিবাসী জীবন বিপন্ন না করা, আদিবাসীদের নামে মিথ্যা বন মামলা ও হয়রানি বন্ধ এবং বনায়নের নামে আদিবাসীদের জমি কেড়ে না নেওয়া।

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে সেচের পানি না পেয়ে বিষপানে আত্মহত্যা করা অভিনাথ মার্ডি ও রবি মার্ডির মৃত্যুর ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা করা এবং বরেন্দ্র অঞ্চলের খাস পুকুরগুলো উদ্ধার করে কৃষকদের সেচের পানি নিশ্চিত করাসহ কৃষিকাজে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিশেষ প্রণোদনা চালু করা।

আদিবাসীদের জমি আদিবাসীদের কাছে হস্তান্তরের রক্ষাকবচকে আরও কঠোর করাসহ বিনা অনুমতিতে যেসব দলিল তৈরি হয়েছে সেগুলো বাতিল করা।

সকল আদিবাসীদের নিজস্ব ভাষায় প্রাথমিক স্তরে শিক্ষা নিশ্চিত করা ও আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে কমপক্ষে একজন করে আদিবাসী শিক্ষক নিয়োগ, আদিবাসীদের জন্য উচ্চ শিক্ষা ও প্রথম-দ্বিতীয় শ্রেণিসহ সকল সরকারি চাকরিতে আদিবাসীদের জন্য বিশেষ ৫% কোটা সংরক্ষণ ও বাস্তবায়ন করা।

দিনাজপুর ও নওগাঁয় প্রতিষ্ঠিত আদিবাসী সাংস্কৃতিক একাডেমিতে দ্রুত জনবল নিয়োগ করা এবং রাজশাহী বিভাগীয় আদিবাসী সাংস্কৃতিক একাডেমির উপ-পরিচালক পদে আদিবাসীদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেওয়া।

শুধুমাত্র থোক বরাদ্দ নয়, জাতীয় বাজেটের অংশ হিসেবে সমতল অঞ্চলের আদিবাসীদের উন্নয়নের জন্য পৃথক বাজেট প্রণয়ন করতে হবে। প্রয়োজনে ‘সমতল আদিবাসী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠনসহ আদিবাসী কমিশন গঠন করা।

আদিবাসীদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগ থেকে আদিবাসী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিতের জন্য আইন প্রণয়ন ও সংরক্ষিত আদিবাসী নারী আসনের ব্যবস্থা করা। পাশাপাশি স্থানীয় সরকার কাঠামোতে নির্দিষ্টভাবে সদস্য পদ আদিবাসী নারীদের জন্য সংরক্ষণ করা।

আদিবাসীদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির পাশাপাশি এ ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসনকে সক্রিয় করা।

বর্তমান সরকারের ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে বর্ণিত আদিবাসীদের দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন করা।

আদিবাসীদের ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি রক্ষা এবং চর্চার অনুকূল পরিবেশ, গবেষণার ক্ষেত্র প্রস্তুতসহ আদিবাসী একাডেমি গঠন করা।

গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সাহেবগঞ্জ-বাগদাফার্মের ১৮৪২.৩০ একর সম্পত্তি প্রকৃত জমি মালিকদের ফিরিয়ে দেওয়া এবং সেই জমিতে সরকার কর্তৃক ইপিজেড স্থাপনের ষড়যন্ত্র বন্ধ করা।

আদিবাসীদের মালিকানাধীন কোন জমি অধিগ্রহণ চিরতরে বন্ধ করতে আইন প্রণয়ন করা এবং সরকারি গেজেটে বাদপড়া আদিবাসীদের জাতিসত্ত্বাগুলোকে অন্তর্ভূক্ত করা।

এর আগে অনুষ্ঠিত সমাবেশে জাতীয় আদিবাসী পরিষদ রাজশাহী জেলা শাখার সভাপতি বিমল চন্দ্র রাজোয়াড় সভাপতিত্ব করেন। বক্তব্য রাখেন, জেলা কৃষক সমিতির আহ্বায়ক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম পিয়ারুল, জাতীয় আদিবাসী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক গণেষ মার্ডি, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল হক তোতা, মহানগর সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ প্রামানিক দেবু, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা পরিবর্তনের পরিচালক রাশেদ রিপন, জাতীয় আদিবাসী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য রাজ কুমার শাও, দপ্তর সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র হেমব্রম প্রমুখ।

কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুড়িগ্রাম
কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল

কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল

  • Font increase
  • Font Decrease

কুড়িগ্রামে ধরলা নদীর পানি কমে বিপৎসীমার ২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ব্রহ্মপুত্রের পানি স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে। এ অবস্থায় বন্যায় দ্বিতীয় দফায় প্লাবিত এলাকাগুলোতে মানুষ চরম দুর্ভোগের মুখে পড়েছে।

শুক্রবার (০১ জুলাই) বিকেল ৩টা পর্যন্ত ধরলা নদীর পানি কুড়িগ্রাম পয়েন্টে ৮ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে ব্রহ্মপুত্র চিলমারী পয়েন্টে ৩৩ সেন্টিমিটার, নুন খাওয়া পয়েন্টে ৬৬ সেন্টিমিটার ও তিস্তা কাউনিয়া পয়েন্টে ৫২ সেন্টিমিটার বিপৎসীমার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

থেমে থেমে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টিপাতের কারণে বন্যায় আশ্রিত মানুষজনের দুর্ভোগ বেড়েই চলছে। বন্যা দীর্ঘ হওয়ায় বন্যাকবলিত এলাকার খেটে খাওয়া পরিবারগুলোর মাঝে খাদ্য সংকট তীব্র আকার ধারণ করছে।

প্রায় ১৭ দিন ধরে কোনো কাজকর্ম না থাকায় বেকার এ পরিবারগুলো সম্পূর্ণ ত্রাণের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। ত্রাণ পেলে খাবার জোটে না পেলে উপোস কাটাতে হয়। এমন পরিস্থিতি নদী অববাহিকার সবগুলো চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলের নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর।

বাগুয়ার চরের কুবাত আলী জানান, ৫ দিন আগে ২ কেজি চাল, ১ কেজি আলু পাইছিলাম। ২ পোলা পান নিয়ে ৪ জন ২ দিন খাইছি। আত্মীয়ের বাড়ি থেকে চাল আইনা খাইলাম। ভাবছিলাম পানি কমলে কাজকর্ম পাইমু। কিন্তু আবার পানি বাইড়া গেল। এখন কি করমু ভাইবা পাইতাছি না। সোরাব আলীও এমন কথা শোনালেন।

সরকারিভাবে ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হলেও ত্রাণ স্বল্পতার কারণে অনেকেই ত্রাণ না পেয়ে ফিরে যাচ্ছে। এমন অনেক পরিবার দুর্গম চরাঞ্চলে অনাহার ও অর্ধাহারে রয়েছে।

এখনও স্বাভাবিক হয়নি জেলার চর ও নিম্নাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা। এমন অবস্থায় নিজেদের খাদ্য সংকটের পাশাপাশি গবাদিপশুর খাদ্য সংকট নিয়েও চরম বিপাকে বানভাসি মানুষজন।

অপরদিকে বন্যাকবলিত এলাকার নদী তীরবর্তী বিভিন্ন অঞ্চলে শুরু হয়েছে ভাঙন। অনেকেই বসতবাড়ি সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। নদী ভাঙনের শিকার পরিবারগুলোর অধিকাংশই সহায় সম্বল হারিয়ে এখন খোলা আকাশের নিচে দিনাতিপাত করছে।

;

পাহাড়ে সন্ত্রাস দমনে এপিবিএন’র টহল শুরু



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাঙামাটি
পাহাড়ে সন্ত্রাস দমনে এপিবিএন’র টহল শুরু

পাহাড়ে সন্ত্রাস দমনে এপিবিএন’র টহল শুরু

  • Font increase
  • Font Decrease

চলতি বছরের ২৬ মে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের ঘোষণার ৩৫ দিন পর আজ শুক্রবার (১ জুলাই) থেকে পার্বত্য রাঙামাটি জেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে টহল কার্যক্রম শুরু করেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন এপিবিএন কর্তৃপক্ষ।

প্রায় দুইশো সদস্য নিয়ে শুক্রবার (১ জুলাই) থেকে রাঙামাটি শহরে কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন এপিবিএন ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (১) ফজলুর করিম। আজ সারাদিনই রাঙামাটি শহরের বিভিন্ন এলাকায় এপিবিএনের গাড়ি টহল দিতে দেখা গেছে।

রাঙামাটির দায়িত্বে থাকা এপিবিএন এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফজলুর করিম জানান, সরকারের সিদ্ধান্ত মোতাবেক শুক্রবার থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় রাঙামাটি শহরে কাজ শুরু করেছে এপিবিএনের রাঙামাটি ইউনিট। দুটি টহল দল শহর এলাকায় কাজ করবে। জনবল ও প্রয়োজনীয় গাড়িসহ আনুসাঙ্গিক সরঞ্জাম পাওয়ার পর পুরোদমে কাজ শুরু হবে। ইতিমধ্যেই শহরে কাজ করার মতো সরঞ্জামাদি তারা পেয়েছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, আমরা অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মতোই টহল কার্যক্রম পরিচালনা করবো। যদি কোনো ফৌজদারি অপরাধ আমাদের নজরে আসে সেক্ষেত্রে পুলিশের মাধ্যমেই প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পার্বত্য শান্তি চুক্তির পরে শর্তানুসারে ইতিমধ্যেই পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে বাংলাদেশ সেনা বাহিনীর ২৩৮টি ক্যাম্প প্রত্যাহার করা হয়। কিন্তু এরপরেও পার্বত্য চট্টগ্রামে খুন, গুম, অপহরণ, চাঁদাবাজি, বন্ধ না হওয়ায় পাহাড়ে অব্যাহত সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের তৎপরতা কমাতে এবং চাঁদাবাজি, সংঘাত নিরসনসহ স্থানীয় জনসাধারনের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসীগোষ্ঠির অপতৎপরতা বন্ধে পাহাড়ে প্রত্যাহারকৃত সেনা ক্যাম্পগুলোতে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সদস্যদের দিয়ে ক্যাম্প পরিচালনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে সরকার।

তারই ধারাবাহিকতায় গত ২৬ মে রাঙামাটি পুলিশ লাইন্সে এপিবিএনের বিভিন্ন কার্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তুর স্থাপন অনুষ্ঠানে শান্তিচুক্তি অনুযায়ী সেনাবাহিনী যেসব ক্যাম্প ছেড়ে এসেছে, সেসব জায়গায় এপিবিএন মোতায়েনের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

;

এক কলেজের ১৬ শিক্ষার্থী বুয়েটে



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নীলফামারী
সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজ

সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজ

  • Font increase
  • Font Decrease

নীলফামারীর সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজ থেকে ১৬ জন শিক্ষার্থী বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) রাতে ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফলফলে ওই প্রতিষ্ঠানের ১৬ জন শিক্ষার্থীর ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। এর আগে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে ৩৯ জন শিক্ষার্থী মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পেয়েছিল এই প্রতিষ্ঠানটি থেকে।

এ বছর বুয়েটে ভর্তি সুযোগ পাওয়া ১৬ জন শিক্ষার্থীদের মধ্যে নাহিদ হোসেন রিদম ৫ম তম কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে, সঞ্জয় -১৬১, ইমন ইসলাম ৪৪৪তম হয়ে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে , আরাফাত আফ্রিদি রোমান ৫২৬ তম হয়ে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে,আবু সায়েম-৫৩০, সজীব -৫৭০, তাহমিদ আহমেদ তনয় ৬৩৯ হয়ে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে, মাহমুদুল -৬৪০, মাহবুব -৭৬২, আজম-৭৬৬, নবদ্বীপ -৮০৮, সিয়াম মাহিম-৯৫৩, সুদীপ্ত কেলভিন -৯৮৯, এম এ এইচ কে লাবিব ১০৮৬ তম হয়ে বস্তু ও ধাতবকৌশল বিভাগে , শাফিন-১১১৬, জাকিয়া সুলতানা জীম ১২০৩ তম হয়ে নেভাল আর্কিটেকচার বা নেভাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন।

এক সঙ্গে এত শিক্ষার্থী বুয়েটে ভর্তি সুযাগ পাওয়ায় উচ্ছ্বাস ও আনন্দে ভাসছে শিক্ষার্থীরা, খুশি শিক্ষক ও অভিভাবকগণ।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে মেরিট লিষ্টে ৫ম তম হয়ে কম্পিউটার সায়েন্সে ভর্তির সুযোগ পাওয়া নাহিদ হোসেন রিদম বলেন, প্রতিটা শিক্ষার্থীর স্বপ্ন থাকে যে বুয়েট বা মেডিকেলে ভর্তির, তেমনি আমার ও ছিল। আল্লাহর রহমত, বাবা মায়ের দোয়া আর শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রমে আজ আমি ভর্তির সুযোগ পেয়েছি। এটা আমার জন্য যে কত টা সুখের আনন্দের সে ভাষা আমার জানা নাই।

আর্কিটেকচার বা লেভাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তির সুযোগ পাওয়া জাকিয়া সুলতানা মিম জানায়, দিন রাত পরিশ্রম করে আজ এই পর্যায়ে সে ৷ এই স্থানে আসার জন্য সব থেকে বেশি যেটা সাহায্য করে সেটি কলেজের পরিবেশ ও স্যারদের প্রচেষ্টা। এই ফলাফলে বাবা-মাও অনেক খুশি বলে জানায় সে।

সৈয়দপুর বিজ্ঞান কলেজের অধ্যক্ষ গোলাম আহমেদ ফারুক বলেন, আমরা এখানে শিক্ষার্থীদের গ্রিন-ক্লিন লার্নিং পদ্ধতিতে পড়ানোর চেষ্টা করি। এতে সবার মাঝে প্রতিযোগিতা ও মননশীলতা বৃদ্ধি পায়। প্রতিবারই দেশের শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলোতে এখান থেকে অনেক শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। এ বছরেই ৩৯ জন মেডিকেলে চান্স পেয়েছে। এসব সাফল্যের জন্য চলতি বছরের মার্চে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি আমাদের প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন। সব মিলিয়ে এমন সাফল্যে আমরা গর্বিত।

প্রতিষ্ঠানটিতে শুধুমাত্র বিজ্ঞান বিভাগেই পড়ার সুযোগ রয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আমরা ক্লাস রুমেই সকল পাঠ শেষ করার চেষ্টা করি এবং সকল প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে ক্লাস পরিচালিত হয়। এছাড়াও অভিভাবকদের সাথে প্রতিষ্ঠানের একটি সেতু বন্ধন থাকে যাতে বাড়িতে শিক্ষার্থীরা ঠিক মত তাদের পড়াশুনো অব্যাহত রাখে।

উল্লেখ, ১৯৬৪ সালে দেশের চারটি শিল্পাঞ্চলে গড়ে ওঠে টেকনিক্যাল স্কুল। দেশের সর্ববৃহৎ সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার সুবাদে এখানে গড়ে ওঠে টেকনিক্যাল স্কুল। সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার জন্য দক্ষ, কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন শিক্ষার্থী গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠানটি কলেজে উন্নীত হয়। তবে কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন শিক্ষার্থী গড়ে তোলার লক্ষ্য হলেও প্রতি বছর প্রতিষ্ঠানটি থেকে মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পান উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী। ২০১৯ সালে কলেজটিকে সরকারিকরণ করা হয় এবং পুর্বের নাম পরিবর্তন করে সৈয়দপুর বিজ্ঞান কলেজ রাখা হয়।

;

দরিদ্র মানুষের চিকিৎসা সেবায় টিম গ্রুপের ফ্রি ফ্রাইডে ক্লিনিক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
দরিদ্র মানুষের চিকিৎসা সেবায় টিম গ্রুপের ফ্রি ফ্রাইডে ক্লিনিক

দরিদ্র মানুষের চিকিৎসা সেবায় টিম গ্রুপের ফ্রি ফ্রাইডে ক্লিনিক

  • Font increase
  • Font Decrease

টঙ্গী বিসিক হাজীর মাজার এলাকায় স্থানীয় গরিব দুস্থ মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসা দিতে ‘ফ্রি ফ্রাইডে ক্লিনিক’ চালু করেছে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান টিম গ্রুপ। গতকাল শুক্রবার প্রথম দিনের এই কর্মসূচিতে চিকিৎসা নিতে আসা দরিদ্র মানুষকে বিনামূল্যে ওষুধও বিতরণ করা হয়।

টিম গ্রুপের এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান টিম এক্সেসরিজ লিমিটেড এর প্রাঙ্গণে এই ক্লিনিক চালু করতে সহযোগিতা দিচ্ছেন টংগী বিসিক হাজীর মাজার এলাকার কাউন্সিলর জনাব গিয়াস সরকার। প্রথম দিন এই ক্লিনিক থেকে স্থানীয় প্রায় ২শ’ ৫০ জন দরিদ্র ও দুস্থ মানুষ সেবা গ্রহণ করেন। ক্লিনিকে চিকিৎসা সেবা ও পরামর্শ দানে নিয়োজিত ছিলেন স্পেশালাইজড ২ জন চিকিৎসক এবং ৪ জন নার্স। দিনব্যাপী এই কর্মসূচি চলাকালে টিম গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান টিম ফার্মাসিউটিক্যালসের পক্ষ থেকে রোগীদের বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ করা হয়।


ফ্রি ফ্রাইডে ক্লিনিক কার্যক্রমটি সমন্বয় করেন টিম গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক জনাব নূর-ই সাইফুল্লাহ ফয়সাল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন টিম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল্লাহ হিল রাকিব, ব্যবস্থাপক তানভীর আহমেদ এবং স্থানীয় কাউন্সিলর জনাব গিয়াস সরকার। এসময় দরিদ্র ও দুস্থ মানুষের কল্যাণে টিম গ্রুপের এমন সামাজিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান কাউন্সিলর গিয়াস সরকার এবং কার্যক্রমটি নিয়মিত রাখার দাবি জানান। কারণ এই সেবা কার্যক্রম নিয়মিত চললে তার এলাকার দরিদ্র মানুষ ব্যাপকভাবে উপকৃত হবে।

এসময় দরিদ্র মানুষের স্বাস্থ্যসেবার জন্য চালু হওয়া এই কার্যক্রম গাজীপুরের ওই অঞ্চলে প্রতি মাসে একবার করে নিয়মিত চলবে বলে জানান টিম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল্লাহ হিল রাকিব।

;