সাগরে মাছ শিকার বন্ধ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ভোলা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

মার্চ-এপ্রিল ২ মাস দেশের ছয়টি অভয়াশ্রমে ইলিশসহ সকল প্রকার মাছ শিকারের নিষেধাজ্ঞা শেষ হবার পর আজ ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত আবার ইলিশসহ সামুদ্রিক মাছ শিকারে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছে।

ইলিশ শিকারে উপর্যুপরি এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ায় ভোলার জেলেদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

একদিকে নদীতে মাছ পাওয়া যাচ্ছে না অন্যদিকে একের পর এক নিষেধাজ্ঞায় জেলেদের জীবন-জীবিকা বিপর্যস্ত হচ্ছে উল্লেখ করে তারা নিষেধাজ্ঞা মানতে রাজি নয় বলে জানিয়েছে। তবে নিষেধাজ্ঞা অমান্য কারীদের শাস্তির আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছে মৎস্য বিভাগ।

ইলিশসহ দেশীয় প্রজাতির মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য ভোলা, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, শরীয়তপুর ও পটুয়াখালীসহ দেশের ৬টি অভয়াশ্রমে মার্চ-এপ্রিল ২ মাস মাছ শিকার নিষিদ্ধ ছিলো।

৩০ এপ্রিল সেই নিষেধাজ্ঞা শেষ হবার পর আজ ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত আবারও ৬৫ দিনের জন্য সাগরে সকল মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। ইলিশসহ সামুদ্রিক মাছের রক্ষণাবেক্ষণ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যেই সরকারের এই পদক্ষেপ।

কিন্তু ভোলার জেলেদের দাবি, ইলিশ নদীতেও থাকে, সাগরেও থাকে। নদী বা সাগর যেখানের ইলিশই হোক না কেন সেগুলো এখন শিকার উপযোগী। দু’মাস বন্ধ থাকার পর তারা এখন নদী বা সাগরে গিয়ে মাছ শিকার করবে- এটাই স্বাভাবিক কিন্তু সামুদ্রিক মাছ রক্ষার নামে জেলেদেরকে ইলিশ শিকার থেকে বিরত রাখার অর্থই হচ্ছে
তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞার নামে পাথর চাপিয়ে দেয়া। একের পর এক নিষেধাজ্ঞায় তাদের জীবন-জীবিকা বিপর্যস্ত হওয়ায় এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা মানতে রাজি নন ভোলার জেলেরা।

জেলে মো. ফরিদ মাঝি বলেন, কিছুদিন পরপরই সরকার অভিযান দেয়। কয়েকদিন আগে দুই মাসের অভিযান শেষ হয়েছে। এখন আবার ৬৫ দিনের অভিযান। এরকম অভিযান দিলে আমাদের সংসার চালাতে অনেক কষ্ট হয়। এজন্য আমরা এখন এই অভিযান চাই না।

মো. শামসুদ্দিন ফরাজী বলেন, সরকার কিছুদিন পরপর অভিযান দেয় আমরা সেই অভিযান মানি কিন্তু আমাদের জন্য সরকার তো কিছুই করে না। আমাদেরকে সরকার যে চাল দেয়, সে চাল আমরা পাই না। আমাদের অনেক দেনা আছে, সমিতির ঋণের কিস্তি দিতে হয়। তাহলে এরকম কিছুদিন পরপর অভিযান হলে, আমরা কিভাবে তা মানবো।

ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জানান, নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে হচ্ছে। এ ব্যাপারে জেলা মৎস্য বিভাগের কিছু করার নেই। তবে জেলেরা যাতে নিষেধাজ্ঞা মেনে সাগরে মাছ শিকার থেকে বিরত থাকে সেজন্য তাদেরকে ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় প্রণোদনা হিসেবে চাল দেয়া হবে। আর যারা আইন অমান্য করবে তাদেরকে শাস্তির আওতায় আনা হবে।

ভোলায় নিবন্ধিত জেলে রয়েছে ১ লাখ ৪৬ হাজার। এর মধ্যে সমুদ্রগামী জেলে হচেছ ৬৪ হাজার। এর বাইরে আরও অন্তত ৩ লাখ জেলে রয়েছে। বছরে দেশে যে পরিমাণ ইলিশ পাওয়া যায় তার ৩ ভাগের ১ ভাগ সংগ্রহ করে ভোলার এসব জেলেরা।

রাজশাহীতে ভূমি অধিগ্রহণের চেক বিতরণ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
রাজশাহীতে ভূমি অধিগ্রহণের চেক বিতরণ

রাজশাহীতে ভূমি অধিগ্রহণের চেক বিতরণ

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজশাহীতে ভূমি অধিগ্রহণের ফলে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ক্ষতিপূরণের ২২ কোটি ৫ লাখ ৯৯ হাজার ৯৩৬ টাকার চেক বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (২৭ জুন)  বিকাল ৪টায় জেলা প্রশাসক আবদুল জলিল তাঁর কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে প্রধান অতিথি হিসেবে ৫৮ জনের মাঝে এই চেক বিতরণ করেন।

রাজশাহীতে বিকেএসপি নির্মাণ, থানা ভবন ও ফোর্সের ব্যারাক নির্মাণ, নগরীর সড়ক প্রশস্তকরণ, সার্ভে ইনস্টিটিউট নির্মাণ, বাফার গুদাম নির্মাণ, পানি শোধনাগার নির্মাণসহ বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য এই ৫৮ জনের জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে আবের আলী নামের এক ব্যক্তি পেয়েছেন ১ কোটি ৩২ লাখ টাকার চেক। জেলা প্রশাসক আবদুল জলিল তাঁর কাছে জানতে চান, এই চেক পেতে কোন হয়রানি হতে হয়েছে কি না। আবের আলী জানান, কোন হয়রানি ছাড়াই তিনি ক্ষতিপূরণের চেক পেয়েছেন।

বাসার আলী নামের এক ব্যক্তি পেয়েছেন ক্ষতিপূরণের ৫ লাখ টাকার চেক। তিনি বলেন, তিনি শুনেছেন যে ক্ষতিপূরণের চেক পেতে অনেক হয়রানি হতে হয়। ঘুষ দিতে হয়। কিন্তু তিনি কোন হয়রানি ছাড়াই চেক পেলেন। এ জন্য কাউকে কোন টাকাও দিতে হয়নি।

চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক শাহানা আখতার জাহান, চারঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা সানজিদা সুলতানা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

;

ফরিদপুরে থেকে পদ্মা সেতু দিয়ে মঙ্গলবার বাস যাচ্ছে ঢাকায়



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ফরিদপুর
গোল্ডেন লাইন পরিবহন

গোল্ডেন লাইন পরিবহন

  • Font increase
  • Font Decrease

ফরিদপুরসহ দক্ষিণবঙ্গের মানুষের আকাঙ্ক্ষিত স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন হয়েছে চলতি মাসের ২৫ জুন। নানা জল্পনা-কল্পনা, সব ষড়যন্ত্রকে প্রতিহত করে জমকালো আয়োজনের মধ্যে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সেতুর উদ্বোধন করেন। এরপর ২৬ জুন ভোর ৬টা থেকে সড়কপথে সেতুর ওপর দিয়ে যাতায়াত শুরু করেছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পরিবহন ও বিভিন্ন যানবাহন।

তবে দক্ষিণবঙ্গের সবকটি জেলা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকায় যাত্রীবাহী বাস চলাচল করলেও বিভিন্ন অজুহাতে অনেকটা অঘোষিতভাবে ফরিদপুর থেকে পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্য যাত্রীবাহী বাস চলাচলার জন্য বাস মালিকপক্ষের তেমন আগ্রহ ছিলো না।

গোল্ডেন লাইন পরিবহনের ব্যবস্থাপক (পরিবহন) মো. ইমরান হোসেন রিপন জানান, অবশেষে সকল প্রতিবন্ধকতাকে দূর করে আগামীকাল মঙ্গলবার (২৮ জুন) করিম গ্রুপের মালিকানাধীন গোল্ডেন লাইনের বাস ফরিদপুর থেকে পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকার উদ্দেশ্য ছাড়বে। সকাল ৬ টায় প্রথম ট্রিপ ফরিদপুর থেকে পদ্মা সেতু হয়ে যাত্রীবাহী বাস যাবে ঢাকাতে। পরবর্তী ১ ঘণ্টা পর পর ফরিদপুর থেকে বাস ছাড়া হবে।

এছাড়া ভাড়ার বিষয়ে গোল্ডেন লাইন পরিবহনের এ ব্যবস্থাপক জানান, আপাতত ফরিদপুর থেকে ঢাকার গাবতলী পর্যন্ত যে ৩৫০ টাকা ভাড়া নিচ্ছি। সেটাই নির্ধারণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে ভাড়া পুনঃ নির্ধারণ করা হবে।

উল্লেখ্য, প্রতি ১ ঘণ্টা পরপর বাস ছাড়বে এবং ঢাকা কদমতলি-বাবু বাজার ব্রিজ সংলগ্ন থেকে পদ্মাসেতু দিয়ে ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ নাজিরপুর পিরোজপুর বরিশাল পয়সারহাট, লাহুড়িয়া, বেনাপোল রুট  দিয়ে নিয়মিত চলাচল করবে এ পরিবহন।

;

ঢাকা-মাওয়া-ভাঙা এক্সপ্রেসওয়েতে টোল আদায় শুরু ১ জুলাই



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ঢাকা-মাওয়া-ভাঙা এক্সপ্রেসওয়েতে টোল আদায় শুরু ১ জুলাই

ঢাকা-মাওয়া-ভাঙা এক্সপ্রেসওয়েতে টোল আদায় শুরু ১ জুলাই

  • Font increase
  • Font Decrease

আগামী পহেলা জুলাই থেকে ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে থেকে টোল আদায় শুরু করতে যাচ্ছে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তর। এর ফলে ব্যয় বাড়বে সড়কটিতে চলাচলকারী যানবাহনের।

সোমবার (২৭ জুন) সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উপসচিব ফাহমিদা হক খানের সই করা এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

এখন মাঝারি আকারের ট্রাকগুলোকে পদ্মা সেতুর টোল ছাড়াও এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারের জন্য ভিত্তি টোল হিসেবে প্রতি কিলোমিটারে ১০ টাকা হারে ৫৫ কিলোমিটার এক্সপ্রেসওয়ের জন্য ৫৫০ টাকা টোল দিতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অর্থ বিভাগের অনুমোদনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের জন্য প্রতি কিলোমিটারে ১০ টাকা হারে ভিত্তি টোল নির্ধারণ করা হয়েছে। টোল নীতি-২০১৪ অনুসারে টোলের হার চূড়ান্ত করবে কর্তৃপক্ষ। অন্তর্বর্তীকালীন টোল হার অনুযায়ী, বাসের জন্য ৪৯৫ টাকা (বেস টোলের ৯০ শতাংশ), গাড়ির জন্য (সেডান) ১৩৮ টাকা (২৫ শতাংশ) এবং বাইকের জন্য ২৮ টাকা (৫ শতাংশ) টোল দিতে হবে। সেই অনুযায়ী অন্যান্য যানবাহনের টোলও নির্ধারণ করা হবে।

সম্প্রতি মাঝারি আকারের ট্রাকে পদ্মা সেতু পার হতে দিতে হয় ২ হাজার ১০০ টাকা, বাসের জন্য ২ হাজার ৪০০ টাকা, গাড়ির জন্য ৭৫০ টাকা এবং মোটর সাইকেলের জন্য ১০০ টাকা। এক্সপ্রেসওয়ে ও পদ্মা সেতু ব্যবহার করতে একটি ট্রাককে দিতে হবে ২ হাজার ৬৫০ টাকা, গাড়ি ৮৮৮ টাকা এবং মোটরসাইকেলের জন্য ১৫৫ টাকা দিতে হবে।

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ গতকাল জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেতুর ওপর দিয়ে মোটরসাইকেল চালাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০২০ সালের মার্চ মাসে ৫৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন করেন। যা আনুষ্ঠানিকভাবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মহাসড়ক নামে নামকরণ করা হয়। ১১ হাজার ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সড়কটি। এটি হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের চতুর্থ টোল সড়ক। বর্তমানে ৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ হাটিকুমরুল-বনপাড়া মহাসড়ক, ১৩ দশমিক ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ চট্টগ্রাম বন্দরের সংযোগ সড়ক এবং ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ৭৪ কিলোমিটার অংশের জন্য টোল আদায় করা হয়।

;

টাঙ্গাইলে হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলে হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন

টাঙ্গাইলে হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন

  • Font increase
  • Font Decrease

টাঙ্গাইলে আব্দুর রহিম হত্যা মামলায় চারজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আসামিদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো তিন মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ১১ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

২০১৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর অপর আসামি ময়েজ উদ্দিন মৃত্যুবরণ করায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

সোমবার (২৭ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম এ রায় দেন।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- ধনবাড়ী উপজেলার রামজীবনপুর গ্রামের মৃত ময়েজ উদ্দিনের ছেলে সেজনু মিয়া ও মিজানুর রহমান, একই গ্রামের ফয়জ উদ্দিনের ছেলে মুনসুর আলী এবং গঙ্গাবর গ্রামের মৃত আলী ফকিরের ছেলে জামাল ফকির।

সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে সেজুন মিয়া পলাতাক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আদালতের সরকারি কৌশলী (পিপি) এস আকবর খান জানান, ২০০৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার রামজীবনপুর গ্রামে আসামিরা একটি জমি দখলে নিয়ে চাষাবাদ করতে যান। জমির মালিক আব্দুর রহিম তাদের বাধা দেয়। এ সময় আসামিরা লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আব্দুর রহিমকে গুরুতর আহত করে। আহত অবস্থায় আব্দুর রহিমকে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন ৩১ ডিসেম্বর আব্দুর রহিম মারা যান।

তিনি আরো জানান, ওই ঘটনায় নিহতের ছেলে মো. সুলতান মিয়া ২০০৫ সালের ৩ জানুয়ারি ধনবাড়ী থানায় ১৬ জনকে আসামি করে মামলা করেন।

ধনবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহবুবুল আলম ২০০৫ সালের ২৭ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০০৭ সালের ১৬ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ গঠন করা হয়। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত রায় ঘোষণা করলেন।

;