খাদ্য-আর্থিক সংকট কাটিয়ে ওঠতে সু-সমন্বিত প্রচেষ্টার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
খাদ্য-বিদ্যুৎ-আর্থিক সংকট কাটিয়ে ওঠতে সু-সমন্বিত প্রচেষ্টা আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খাদ্য-বিদ্যুৎ-আর্থিক সংকট কাটিয়ে ওঠতে সু-সমন্বিত প্রচেষ্টা আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বব্যাপী সংহতি জোরদার করার এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ও কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে খাদ্য, বিদ্যুত ও আর্থিক সংকট মোকাবেলায় সু-সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বৈশ্বিক সংকট কাটিয়ে ওঠার লক্ষ্যে ৪টি প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন যার জন্য দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ‘ইউক্রেনের যুদ্ধ এমন এক সময়ে এসেছে যখন বিশ্ব কোভিড-১৯ মহামারী থেকে উদ্ধার পেতে লড়াই করে চলেছে। এ যুদ্ধ ইতিমধ্যে নাজুক বিশ্ব অর্থনীতিতে গুরুতর চাপ যুক্ত করেছে।’

প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে যুক্ত হয়ে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে শুক্রবার (২০ মে) অনুষ্ঠিত ‘গ্লোবাল ক্রাইসিস রেসপন্স গ্রুপ (জিসিআরজি) এর প্রথম উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে দেয়া ভাষণে একথা বলেন।

শেখ হাসিনা কার্যকরভাবে সংকট মোকাবিলায় উন্নত অর্থনীতি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকর ভূমিকা কামনা করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বর্তমান পরিস্থিতিকে অত্যন্ত অস্থিতিশীল করে তুলেছে, যেখানে খাদ্য, জ্বালানি ও অন্যান্য পণ্যের স্বল্প সরবরাহ এবং অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ইতিমধ্যেই সাধারণ মানুষের জীবনে মারাত্মক চাপ সৃষ্টি করেছে। স্বল্পোন্নত দেশ এবং এসআইডিগুলি সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে এবং এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য তাদের অবিলম্বে এবং লক্ষ্যমাত্রা ভিত্তিক সহায়তা ব্যবস্থার প্রয়োজন।

এ বিষয়ে তিনি উন্নত দেশসমূহ ও বহুপাক্ষিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শুল্কমুক্ত-কোটামুক্ত বাজারে প্রবেশাধিকার এবং আরও সহজলভ্য অর্থায়নের জন্য এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ এবং কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে সৃষ্ট চলমান বৈশ্বিক সংকট মোকাবেলার লক্ষ্যে এই গ্রুপটি গঠন করেছেন।

বৈশ্বিক সংকটের প্রেক্ষাপটে শেখ হাসিনা পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য চারটি প্রস্তাব রেখেছেন।

প্রথম প্রস্তাবে তিনি বলেন, ‘প্রথমত, আমাদের অবশ্যই বিশ্বব্যাপী সংহতি জোরদার করতে হবে এবং একটি সু-সমন্বিত প্রচেষ্টা গ্রহণ করতে হবে। জি-৭, জি-২০, ওইসিডি, এবং আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলির একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই গ্রুপের স্টিয়ারিং কমিটি সব বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠন করায় তিনি খুশি।

তিনি বলেন, আমরা সংকট মোকাবেলায় কার্যকর সুপারিশ প্রণয়নের জন্য তাদের প্রচেষ্টায় আমাদের পূর্ণ সমর্থন দেব। দ্বিতীয়ত, অবিলম্বে বিশ্বব্যাপী লজিস্টিক এবং সরবরাহ শৃঙ্খলে বাধাগুলো মোকাবিলা করা প্রয়োজন। এ প্রয়াস পণ্যের ক্রমবর্ধমান মূল্য নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে। বিশেষ করে স্বল্পোন্নত দেশ ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলির বৈশ্বিক বাণিজ্য ও রপ্তানি আয় পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সমর্থনও থাকতে হবে। 

তিনি বলেন, উন্নত অর্থনীতি এবং বহুপাক্ষিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে এবং শুল্ক-মুক্ত-কোটা-মুক্ত বাজারে প্রবেশাধিকার এবং আরও সহজলভ্য অর্থায়ন প্রদান করতে হবে।

তৃতীয় প্রস্তাবে, তিনি বলেন, কার্যকর খাদ্য সঞ্চয় ও বিতরণ ব্যবস্থার জন্য কৃষি খাতের জন্য প্রযুক্তি সহায়তা এবং বিনিয়োগের উপর আরও বেশি গুরুত্ব প্রদান করা অপরিহার্য। নবায়নযোগ্য জ্বালানি ক্ষেত্রে বিশেষ করে এলডিসিতে অনেক সম্ভাব্য ব্যবসার সুযোগ রয়েছে।

তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন, ‘এই এজেন্ডাকে এগিয়ে নিতে আমরা বিদ্যমান উত্তর-দক্ষিণ, দক্ষিণ-দক্ষিণ এবং ট্রায়াঙ্গুলার সহযোগিতার সুবিধা নিতে পারি। এই বিষয়ে বেসরকারি খাতের সাথে সম্পৃক্ততাও গুরুত্বপূর্ণ বিবেচিত হবে।’ 

পরিশেষে, তিনি ৪৮-সদস্যের জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ ফোরামের সভাপতি হিসেবে উল্লেখ করেন, আমরা অনেক এসআইডি এবং নিম্নাঞ্চলীয় জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশের সাথে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। এসব দেশে কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থা গুরুতর চাপের মধ্যে রয়েছে। 

বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ মহাসচিবকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ বহুপাক্ষিকতায় দৃঢ় বিশ্বাসী।

তিনি বলেন ‘আমরা সর্বদা বিশ্ব শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়নে অবদান রাখার জন্য জাতিসংঘের আহ্বানে সাড়া দিয়েছি। এই গোষ্ঠীকে সমর্থন করার জন্য আমাদের প্রতিশ্রুতি সেই প্রত্যয় থেকে উদ্ভূত।’

জাতি হিসাবে আমরা সবচেয়ে ভয়ঙ্কর চ্যালেঞ্জগুলির বিরুদ্ধে সহিষ্ণুতার জন্য পরিচিত উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোভিড-১৯ মহামারী তার সর্বশেষ উদাহরণ। মহামারী কাটিয়ে ওঠার লক্ষ্যে আমাদের প্রচেষ্টায় জীবন ও জীবিকার সুরক্ষার মধ্যে সতর্ক ভারসাম্য বজায় রাখা হয়েছে। আমরা আমাদের প্রচেষ্টায় সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার প্রদান করেছি। যারা সবচেয়ে পিছনে রয়েছে তাদের সহায়তা দেয়ার আমরা সামাজিক সুরক্ষার কভারেজ প্রসারিত করেছি।

তিনি উল্লেখ করেন, ভ্যাকসিন সংগ্রহের জন্য সময়মত ব্যবস্থা গ্রহণ আমাদের একটি বড় স্বাস্থ্য সঙ্কট এড়াতে এবং জীবন বাঁচাতে সাহায্য করেছে।

তিনি বলেন, আমরা আমাদের রপ্তানি খাত এবং এসএমইকে সমর্থন করার জন্য বাস্তবসম্মত উদ্যোগ নিয়েছি। ২৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের প্রণোদনা প্যাকেজ চালু করা হয়েছে। আর এই পদক্ষেপগুলি আমাদের গত অর্থবছরে ৬ দশমিক ৯৪ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার অর্জনে সহায়তা করেছে। বাংলাদেশ খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে।

গ্লোবাল সাউথের প্রতিনিধি হিসাবে তিনি বলেন, ‘আমি এই সঙ্কটের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ লাখ লাখ মানুষের কণ্ঠস্বর টেবিলে নিয়ে এসেছি। আমাদের জাতীয় উন্নয়ন যাত্রা অনেক উদ্ভাবনী জলবায়ু কর্মের নেতৃত্ব দিয়েছে। আমরা অন্যদের সুবিধার জন্য জলবায়ু পরিবর্তন, জীব-বৈচিত্রের ক্ষতি এবং পরিবেশগত অবনতির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের জ্ঞান, বোঝাপড়া এবং অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিতে চাই।’

‘আমরা বিজয়ী, এক যুগ সিন্ধক্ষণে দাঁড়িয়ে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

পদ্মা সেতু উদ্বোধনে আয়োজিত সুধী সমাবেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা বিজয়ী হয়েছি, এক যুগ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ। কেউ আমাদের দাবিয়ে রাখতে পারেনি, পারবেও না।

শনিবার (২৫ জুন) সকাল ১০টা ৪৮ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, স্বপ্নের পদ্মা সেতু আমাদের গর্ব, অহংকার ও সক্ষমতার প্রতীক। পদ্মা সেতু বাংলাদেশের মানুষের আত্মপ্রত্যয়, সেতুর প্রতিটি স্তম্ভ আত্মমর্যাদার প্রতিচ্ছ্ববি।

প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীসহ পদ্মা সেতু নির্মাণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, পদ্মা সেতু বাংলার মানুষের, এই সেতু আবেগের ।

;

‘সকল অন্ধকার ভেদ করে আলোর পথে যাত্রা করেছে বাংলাদেশ’

  ‘স্বপ্ন ছুঁয়েছে’ পদ্মার এপার-ওপার



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
পদ্মা সেতুর উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

পদ্মা সেতুর উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

সকল অন্ধকার ভেদ করে আলোর পথে যাত্রা করেছে বাংলাদেশ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার (২৫ জুন) পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে মাওয়া প্রান্তে সুধী সমাবেশে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, এই সেতুর সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমাদের আবেগ, আমাদের সৃজনশীলতা, আমাদের সাহসিকতা, সহনশীলতা এবং আমাদের প্রত্যয়। আমরা এই সেতু করবোই, সেই জেদ। ষড়যন্ত্রের ফলে আমাদের সেতু নির্মাণ দুই বছর বিলম্বিত হয়েছে, কিন্তু আমরা হতোদ্দম হইনি। শেষ পর্যন্ত অন্ধকার ভেদ করে আমর আলোর মুখ দেখেছি। পদ্মার বুকে জ্বলে উঠেছে লাল, নীল, সবুজ, সোনালি আলোর ঝলকানি। পদ্মা সেতুতে যে ৪২ টা পিলার নির্মাণ হয়েছে, এসব বাংলাদেশে আত্মমর্যাদার ভিত। পদ্মা সেতু দেশের আত্ম মর্যাদা, আত্মবিশ্বাস ও সক্ষমতার প্রতীক।

এ সময় যারা পদ্মা সেতুতে যারা জমি দিয়ে সহযোগিতা করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোটি কোটি দেশবাসীর সঙ্গে আমিও আজ আনন্দিত, গর্বিত এবং উদ্বেলিত। অনেক বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে আর ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে প্রমত্তা পদ্মার বুকে আজ বহু-কাঙ্ক্ষিত সেতু দাঁড়িয়ে গেছে। এই সেতু শুধু ইট-সিমেন্ট-স্টিল-লোহার কংক্রিটের একটি অবকাঠামো নয় এ সেতু আমাদের অহঙ্কার, আমাদের গর্ব, আমাদের সক্ষমতা আর মর্যাদার প্রতীক। এ সেতু বাংলাদেশের জনগণের।

শেখ হাসিনা বলেন, তারুণ্যের কবি, দ্রোহের কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য্যের ভাষায় তাই বলতে চাই: সাবাস, বাংলাদেশ, এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয়ঃ জ্বলে পুড়ে মরে ছারখার, তবু মাথা নোয়াবার নয়।

এদিকে শনিবার ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাওয়া প্রান্তে পৌঁছান। সেখানে সুধী সমাবেশে যোগ দেন তিনি। সুধী সমাবেশ শেষে পদ্মা সেতুর মাওয়ার প্রান্তের ফলক উন্মোচন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপরেই খুলে যাবে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১৯টি জেলার সঙ্গে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের অপরাপর অংশের জন্য সংযোগ, যোগাযোগ ও সম্ভাবনার অনন্ত দুয়ার।

এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় তেজগাঁওয়ের পুরাতন বিমানবন্দর থেকে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তের উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পদস্থ কর্মকর্তারা তার সঙ্গে ছিলেন।

সুধী সমাবেশ শেষে পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তের ফলক উন্মোচন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার (২৬ জুন) পদ্মা সেতু খুলে দেওয়া হবে চলাচলের জন্য। পদ্মার দুই তীরের পাশাপাশি সারা দেশে তাই উৎসবের সাজ।

এদিকে সুধী সমাবেশের শুরুতে বঙ্গবন্ধুর উপর একটি ডুকমেন্টারি দেখানো হয়। এরপর পদ্মা সেতু নিয়ে নির্মিত একটি গান জায়ান্ট স্ক্রিনে পরিবেশন করা হয়। এছাড়া পদ্মা সেতুর উপর তৈরি করা ডকুমেন্টরিও দেখানো হয়।

সুধী সমাবেশের মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীর এক পাশে আছেন খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, অন্যপাশে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, আর তার পাশে পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম।

এছাড়া উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী, প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীসহ মন্ত্রিসভার সদস্য, কুটনীতিক, উন্নয়ন সহযোগীদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত রয়েছেন।

;

পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন অপমানের প্রতিশোধ: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন অপমানের প্রতিশোধ: কাদের

পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন অপমানের প্রতিশোধ: কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন অপমানের প্রতিশোধ বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শনিবার (২৫ জুন) পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে মাওয়া প্রান্তে সুধী সমাবেশে যোগ দিয়ে সেতুমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, যতদিন পদ্মা সেতু থাকবে, ততদিন শেখ হাসিনার নাম থাকবে। তিনি শত প্রতিকূলতায় অবিচল থেকে পদ্মা সেতু নির্মাণ করেছেন।

এদিকে শনিবার ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাওয়া প্রান্তে পৌঁছান। সেখানে সুধী সমাবেশে যোগ দেন তিনি। সুধী সমাবেশ শেষে পদ্মা সেতুর মাওয়ার প্রান্তের ফলক উন্মোচন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপরেই খুলে যাবে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১৯টি জেলার সঙ্গে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের অপরাপর অংশের জন্য সংযোগ, যোগাযোগ ও সম্ভাবনার অনন্ত দুয়ার।

এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় তেজগাঁওয়ের পুরাতন বিমানবন্দর থেকে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তের উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পদস্থ কর্মকর্তারা তার সঙ্গে ছিলেন।

সুধী সমাবেশ শেষে পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তের ফলক উন্মোচন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার (২৬ জুন) পদ্মা সেতু খুলে দেওয়া হবে চলাচলের জন্য। পদ্মার দুই তীরের পাশাপাশি সারা দেশে তাই উৎসবের সাজ।

এদিকে সুধী সমাবেশের শুরুতে বঙ্গবন্ধুর উপর একটি ডুকমেন্টারি দেখানো হয়। এরপর পদ্মা সেতু নিয়ে নির্মিত একটি গান জায়ান্ট স্ক্রিনে পরিবেশন করা হয়। এছাড়া পদ্মা সেতুর উপর তৈরি করা ডকুমেন্টরিও দেখানো হয়।

সুধী সমাবেশের মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীর এক পাশে আছেন খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, অন্যপাশে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, আর তার পাশে পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম।  এছাড়া উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী, প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীসহ মন্ত্রিসভার সদস্য, কুটনীতিক, উন্নয়ন সহযোগীদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত রয়েছেন।

;

ভালুকায় ট্রাকচাপায় পথচারী নিহত



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ময়মনসিংহ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ময়মনসিংহের ভালুকায় ট্রাকচাপায় আ. হামিদ পাঠান (৬৫) নামে এক পথচারী নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (২৪ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ভালুকা থানার মোড় নামক এলাকায় এ দূর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা-ময়মনসিংহ ভালুকা থানার মোড় এলাকায় পায়ে হেঁটে রাস্তা পার হওয়া সময় উল্টো পথে আসা একটি ইটভর্তি ট্রাকের নীচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই আ. হামিদ পাঠানের মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে ভরাডোবা হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। এ সময় ঘাতক ট্রাকটিকে আটক করা হলেও ট্রাকের চালক পালিয়ে যায়।ভরাডোবা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রিয়াদ মাহমুদ পিএিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

;