'বীরের মুখে বীরত্ব গাথা' বইয়ের মোড়ক উন্মোচিত



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
'বীরের মুখে বীরত্ব গাথা' বইয়ের মোড়ক উন্মোচিত

'বীরের মুখে বীরত্ব গাথা' বইয়ের মোড়ক উন্মোচিত

  • Font increase
  • Font Decrease

মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বসূচক অবদানের মাধ্যমে আজকের স্বাধীন বাংলাদেশ উপহার দিয়েছেন এ দেশের বীর মুক্তিযোদ্ধারা। সশস্ত্র বাহিনীর এমন ২৫ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার সাক্ষাৎকার নিয়ে সংকলিত ‘বীরের মুখে বীরত্ব গাথা’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ, ওএসপি, পিএসসি।

শুক্রবার সন্ধ্যায় কুর্মিটোলা আর্মি গলফ ক্লাবে একটি জাকজমক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়। অনুষ্ঠানে ২৫ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। এ সময় বইয়ের সংকলক ‘নগদ’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ মিশুক ও দৈনিক ইত্তেফাক-এর সম্পাদক তাসমিমা হোসেনসহ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ঊচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ‍ছিলেন।    

এ ছাড়া ‘নগদ’ গলফ টুর্নামেন্ট ২০২২-এর বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার হস্তান্তর করেন জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। 

বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অবদান এ জাতি অত্যন্ত শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান বর্ণনা করে কিংবা বলে শেষ করা সম্ভব না। স্বাধীনতার মাসে জাতীয় দৈনিক ইত্তেফাক-এ সশস্ত্র বাহিনীর ২৫ জন মুক্তিযোদ্ধার সাক্ষাৎকার ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। সেখান থেকে ‘নগদ’ ও ইত্তেফাক ‘বীরের মুখে বীরত্ব গাথা’ বইটি প্রকাশের যৌথ উদ্যোগ নেয়।

এমন একটি মহতী সন্ধ্যায় উপস্থিত হয়ে ‘নগদ’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ মিশুক বলেন, ‘আমি এমন একটি মহতী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পেরে সম্মানিত বোধ করছি। আমি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পড়ে আমি সবসময় বিস্মিত হই। আমাদের স্বাধীন দেশ উপহার দিতে তাঁরা নিজেদের জীবন বাজি রেখে অসম সাহসিকতার সাথে লড়াই করেছেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদ ও জীবিত সামরিক-বেসামরিক সকল মুক্তিযোদ্ধার প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।’

দেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০১৯ সালের ২৬ মার্চ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে উদ্বোধন হয় ডাক বিভাগের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস নগদ-এর। প্রথম থেকেই উদ্ভাবনী সেবার দিকে নজর ছিল নগদ এর। এই বছর, নগদ গৌরবময় মুক্তিযুদ্ধকে স্মরণ করার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর আগে ১৯৫২-এর ২১ জন ভাষা সৈনিককে নিয়ে 'ভাষা আন্দোলনে চট্টগ্রাম' এবং একাত্তরের ৫০ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে ‘জয় বাংলা’ শীর্ষক দুইটি প্রকাশনা উন্মোচন করে নগদ।

টাঙ্গাইলে হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলে হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন

টাঙ্গাইলে হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন

  • Font increase
  • Font Decrease

টাঙ্গাইলে আব্দুর রহিম হত্যা মামলায় চারজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আসামিদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো তিন মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ১১ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

২০১৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর অপর আসামি ময়েজ উদ্দিন মৃত্যুবরণ করায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

সোমবার (২৭ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম এ রায় দেন।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- ধনবাড়ী উপজেলার রামজীবনপুর গ্রামের মৃত ময়েজ উদ্দিনের ছেলে সেজনু মিয়া ও মিজানুর রহমান, একই গ্রামের ফয়জ উদ্দিনের ছেলে মুনসুর আলী এবং গঙ্গাবর গ্রামের মৃত আলী ফকিরের ছেলে জামাল ফকির।

সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে সেজুন মিয়া পলাতাক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আদালতের সরকারি কৌশলী (পিপি) এস আকবর খান জানান, ২০০৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার রামজীবনপুর গ্রামে আসামিরা একটি জমি দখলে নিয়ে চাষাবাদ করতে যান। জমির মালিক আব্দুর রহিম তাদের বাধা দেয়। এ সময় আসামিরা লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আব্দুর রহিমকে গুরুতর আহত করে। আহত অবস্থায় আব্দুর রহিমকে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন ৩১ ডিসেম্বর আব্দুর রহিম মারা যান।

তিনি আরো জানান, ওই ঘটনায় নিহতের ছেলে মো. সুলতান মিয়া ২০০৫ সালের ৩ জানুয়ারি ধনবাড়ী থানায় ১৬ জনকে আসামি করে মামলা করেন।

ধনবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহবুবুল আলম ২০০৫ সালের ২৭ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০০৭ সালের ১৬ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ গঠন করা হয়। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত রায় ঘোষণা করলেন।

;

পদ্মা সেতুতে না নামতে মাইকিং, টহলে সেনাবাহিনী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
পদ্মা সেতু

পদ্মা সেতু

  • Font increase
  • Font Decrease

পদ্মা সেতুতে মানুষের হাঁটাচলার বিষয়ে কড়াকড়ি আরোপ করেছে সেতু বিভাগ। সেতুতে না নামতে টোল প্লাজা এলাকায় করা হচ্ছে মাইকিং। এছাড়াও সেতুতে টহল দিচ্ছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা।

সোমবার (২৭ জুন) সকাল থেকে সেতুতে মোটরসাইকেল প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। হেঁটেও উঠতে দেওয়া হচ্ছে না মানুষকে।

এর আগে সেতু বিভাগ জানায়, স্বপ্নের পদ্মা সেতুতে অনেকে যানবাহন থেকে নেমে সেতুর মালামাল চুরি করছে। এজন্য সেতু বিভাগ পদ্মা সেতুতে মানুষের হাঁটাচলার বিষয়ে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। সেতুতে মানুষের না নামার বিষয়টি নিশ্চিত করতে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে অনুরোধও জানায় সেতু কর্তৃপক্ষ।

এদিকে সেতুতে মোটরসাইকেল উঠতে না দেওয়ায় জাজিরা প্রান্তে নাওডোবা টোল প্লাজায় কোনও বিশৃঙ্খলা দেখা যায়নি। টোল দিয়ে বাধাহীনভাবেই সেতু পার হচ্ছিল যানবাহন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, টোল প্লাজার আগেই আটকে দেওয়া হচ্ছে মোটরসাইকেলগুলো। টোল প্লাজার আশপাশে তেমন গাড়ির জটলা নেই। অনেকে সেতুতে মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়া নিষেধ করায় পিকআপে বাইক তুলে স্বপ্নের পদ্মা সেতু পার হচ্ছিলেন। প্রতিটি পিকআপে ৫ থেকে ৬টি করে মোটরসাইকেল ওঠানো হচ্ছে। এর জন্য ১৩০০ থেকে ১৫০০ টাকা করে নিচ্ছেন পিকআপ চালকরা।

;

আশুগঞ্জে বাসচাপায় প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে যাত্রীবাহী বাসের চাপায় তাসফিয়া হোসেন রিপা (৮) নামের এক স্কুল শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুন) দুপুরে উপজেলার তালশহর ইউনিয়নের কামাউড়া নামকস্থানে মহাসড়ক পারাপারের জন্য দাঁড়িয়ে থাকা ওই স্কুল শিক্ষার্থীকে চাপা দেয় ইউনিক পরিবহনের একটি বাস। এতে সে ঘটনাস্থলেই পিষ্ট হয়ে মারা যায়।

নিহত রিপা উপজেলার বাহাদুরপুর এলাকার জাকির হোসেনের মেয়ে ও কামাউড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আজাদ রহমান জানান, রিপা স্কুল শেষে বাড়ি ফেরার জন্য মহাসড়ক পারাপারের জন্য দাঁড়িয়ে ছিল। এ সময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা সিলেটগামী ইউনিক পরিবহনের বাসটি অন্য একটি গাড়িকে ওভারটেক করতে গিয়ে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা রিপাকে চাপা দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছে।

এ ঘটনায় বাসটিকে আটক করলেও চালক পালিয়ে যাওয়ায় তাকে আটক করা যায়নি বলে জানান তিনি।

;

যুক্তরাজ্যকে এক লাখ রোহিঙ্গা নিতে অনুরোধ বাংলাদেশের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মধ্য থেকে এক লাখ রোহিঙ্গাকে যুক্তরাজ্যে পুনর্বাসন করার অনুরোধ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

সোমবার (২৭ জুন) লন্ডনের বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। গত শুক্র ও শনিবার (২৪ ও ২৫ জুন) রুয়ান্ডার রাজধানী কিগালিতে ২৬তম কমনওয়েলথ সম্মেলনের সাইডলাইনে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ট্রুসের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে তিনি এমন অনুরোধ করেন।

এসময় ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রতি বাংলাদেশের উদার আতিথেয়তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, যদি যুক্তরাজ্য এটির দিকে নজর দিতে পারে, তবে রোহিঙ্গা সংকটের সর্বোত্তম সমাধান হবে তাদেরকে নিজ দেশে নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করা।

লন্ডনের বাংলাদেশ হাইকমিশন জানিয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন এলিজাবেথ ট্রাসকে অবহিত করেছেন যে, মিয়ানমার সরকারের রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির অভাবে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবর্তন প্রক্রিয়ায় দীর্ঘস্থায়ী সংকট ও অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

মিয়ানমারের বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতায় ব্রিটিশ সরকারের উদ্বেগ প্রকাশ করে ট্রাস রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে যুক্তরাজ্যের অব্যাহত প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে আশ্বাস দেন, আসিয়ান ও এর সহযোগী জি-৭ দেশগুলোর সঙ্গে যুক্তরাজ্য রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানের জন্য মিয়ানমারের ওপর চাপ বাড়াবে।

ড. মোমেন বলেন, যুক্তরাজ্য গত তিন বছরে মিয়ানমারে ২ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ করেছে এবং ৫০০ মিলিয়নেরও বেশি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য করেছে। তাদেরও রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে হবে।

বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অংশীদারদের মধ্যে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে ব্রেক্সিট-পরবর্তী বাণিজ্য সম্পর্কের বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন ২০২৯ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের করবিহীন জিএসপি সুবিধার মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করেছেন।

;