লালকুঠি-রূপলাল হাউজের সামনে থেকে লঞ্চ টার্মিনাল সরানোর তাগিদ তাপসের 



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
লালকুঠি-রূপলাল হাউজের সামনে থেকে লঞ্চ টার্মিনাল সরানোর তাগিদ তাপসের 

লালকুঠি-রূপলাল হাউজের সামনে থেকে লঞ্চ টার্মিনাল সরানোর তাগিদ তাপসের 

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকার ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে পুরান ঢাকার লালকুঠি হতে রূপলাল হাউজ পর্যন্ত অংশের সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল সরিয়ে নিতে আহবান জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ঢাদসিক) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফলজে নূর তাপস।

সোমবার (২৩ মে) দুপুরে সদরঘাটস্থ লালকুঠি প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত ঢাকা সিটি নেইবারহুড আপগ্রেডিং প্রজেক্ট (DCNUP) প্রকল্পের আওতাধীন প্রকল্প কার্যাবলী সংক্রান্ত প্রদর্শনী কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বিআইডব্লিওটিএ-কে এই আহবান জানান।

ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, 'বুড়িগঙ্গা নদী ঘেঁষে গড়ে ওঠেছে আমাদের ঢাকা। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আমরা এই ঐতিহাসিক স্থাপনা হতে এখন আর বুড়িগঙ্গা দেখতে পাই না। কারণ সরকারি সংস্থা ও বেসরকারি দখলদারিত্বের ছোবলে নদী আজ দখল হয়ে গেছে। তাই, আমি বিআইডব্লিউটিএ-কে অনুরোধ করব, অতিসত্বর আপনারা লালকুঠি হতে রূপলাল হাউজ পর্যন্ত অংশে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল সরিয়ে ফেলুন। '

 তাপস বলেন, 'ঢাকার ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে আমাকে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিল। কিন্তু নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর দুঃখজনকভাবে দেখলাম, লালকুঠি আর ঢাকা গেইটই শুধু করপোরেশনের আওতাধীন। রূপলাল হাউজসহ যেসকল স্থাপনা ঢাকার অস্তিত্ব সৃষ্টি করেছে, ঢাকাকে পরিচিতি দিয়েছে সেগুলো করপোরেশনের আওতাধীন নয়। তাই রূপলাল হাউজ দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতায় হস্তান্তর করতে আজকের অনুষ্ঠানে প্যানেলিস্টদের যে দাবি, সেই দাবির সাথে আমিও একাত্মতা পোষণ করছি। রূপলাল হাউজ আমাদেরকে হস্তান্তর করলে আমরা এর পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণ করব। আমরা ঢাকার সকল ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা ও স্মৃতিস্তম্ভের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে চাই।'       

অনুষ্ঠানে বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশ ও ভুটানের কান্ট্রি ডাইরেক্টর মারসি মিয়াঙ টেমবন বলেন, 'লালকুঠি সংস্কারসহ ডিসিএনইউপি প্রকল্পের আওতায় গৃহিত কার্যাবলীর মাধ্যমে যে সকল কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে এবং তার যে প্রদর্শনী আজ আয়োজন করা হয়েছে, তাতে আমি সত্যিকার অর্থেই আনন্দিত।'

এ সময় বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডাইরেক্টর টেমবন ১৮৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত লালকুঠি এখনো দাঁড়িয়ে আছে দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেন এবং ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।       

 ইতিহাসবিদ প্রফেসর মুনতাসীর মামুন বলেন, 'রূপলাল হাউজ অবৈধ দখলের কবলে রয়েছে। আমি মেয়রকে বলবো -সেখানে দখলদার মুক্ত করুন। আপনারা যারা এখানে উপস্থিত আছেন, আমি বলবো, আপনারা মানে ঢাকাবাসী চাইলে রূপলাল হাউজকে দখলদার মুক্ত করা সম্ভব। আমি মেয়রকে অনুরোধ করব, সেখানে যে অবৈধ স্থাপনা হয়েছে তা ভেঙে ফেলুন। এসব ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা সিটি করপোরেশনের আওতায় নিয়ে আসুন। তাহলেই আমাদের ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হবে।'

এ সময় লালকুঠির ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে দক্ষিণ সিটির গৃহিত উদ্যোগ প্রসঙ্গে মুনতাসির মামুন বলেন, 'জীবনের শেষ প্রান্তে এসে আমি দেখলাম- এটা (লালকুঠি) পরিবর্তন হচ্ছে, আমার মনটা ভরে গেলো।'       

বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউটের সভাপতি স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন বলেন, 'কেউ চাইলেই ঐতিহাসিক স্থাপনা ভেঙে সেখানে বহুতল ভবন নির্মাণ করা যায়, সাময়িকভাবে হয়তো লাভবানও হওয়া যায়। এতে ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার করা যায় না। কিন্তু ঐতিহ্য সংরক্ষণের মাধ্যমে বিশ্ববাসীকে আমার শহরে নিয়ে আসতে পারাটা যেমন মর্যাদার, তেমনি পর্যটক আকর্ষণের মাধ্যমে লাভবান হওয়াটা সম্মানেরও।'

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বিশ্বব্যাংকের সাউথ এশিয়া সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট এর রিজিওনাল ডাইরেক্টর জন রুম (John Roome), বাংলাদেশ  ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের সভাপতি ফজলে রেজা সুমন, দক্ষিণ সিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ বক্তব্য রাখেন।

পদ্মা সেতুতে ২৪ ঘণ্টায় টোল আদায় ২ কোটি ৯ লাখ টাকা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের গর্ব ও অহংকার স্বপ্নের পদ্মা সেতুতে যান চলাচলের প্রথম দিনে টোল আদায় করা হয়েছে ২ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ৩০০ টাকা। এসময় গাড়ি চলাচল করেছে ৫১ হাজার ৩১৬টি।

সোমবার (২৭ জুন) সকালে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবুল হোসেন জানান, রোববার (২৬ জুন) সকাল ছয়টা থেকে আজ সোমবার (২৭ জুন) সকাল ছয়টা পর্যন্ত সেতুর দুই প্রান্তের (মাওয়া ও জাজিরা) এই হিসাব।

তিনি আরও জানান, মাওয়া প্রান্ত দিয়ে সেতু পার হয়েছে ২৬ হাজার ৫৮৯টি গাড়ি এবং টোল আদায় হয়েছে এক কোটি ৮ লাখ ৯৫ হাজার ৯০০ টাকা। একই সময়ে জাজিরা প্রান্ত দিয়ে সেতু পার হয়েছে ২৪ হাজার ৭২৭টি গাড়ি এবং টোল আদায় হয়েছে এক কোটি ৪৪ হাজার ৪০০ টাকা।

সেতুর টোলপ্লাজায় দায়িত্বরত এক কর্মকর্তা বলেন, সকাল থেকেই আমরা প্রস্তুত ছিলাম। ৬টার আগেই আমরা যানচলাচলের জন্য কাজ শুরু করি।

রোববার ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয় পদ্মা সেতু। দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত পদ্মা সেতু পার হয়ে ঢাকায় আসতে দীর্ঘদিন যে অসহনীয় দুর্ভোগ ও কষ্ট ছিল তা দূর হয়েছে।

এর আগে, গত শনিবার দুপুর ১২টার দিকে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর তিনি টোল দিয়ে সেতু পার হন।

;

সিলেটে এখনও অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বন্যার পানি কমলেও সিলেট জেলার ৬০৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে এখনও প্রায় ৫০ হাজার বন্যার্ত মানুষ রয়েছেন।

সরকারি হিসাবে নগরীর আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে ৭ হাজার ৫০৭ জন এখনও রয়েছেন। পুরো জেলায় সব মিলে ৫৭৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৪৯ হাজার ৭৭২ জন বন্যার্ত মানুষ রয়েছেন। এ ছাড়া ১ হাজার ২৬৫টি গবাদি পশু রয়েছে এখানে।

গত ২৪ ঘণ্টায় ১২ হাজারের মতো মানুষ আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বাড়ি ফিরেছেন। যারা এখনও ফিরতে পারেননি তারা ঘরে ফেরার অপেক্ষা করছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার অপেক্ষায় বসে আছেন আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে।

সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. মজিবুর রহমান জানিয়েছেন, রোববার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রে এখনও প্রায় ৫০ হাজার মানুষ অবস্থান করছেন। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি আশ্রিত সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায়। ওখানে মোট ৫৩টি আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন ৭ হাজার ৭৪০ জন বানভাসী। এরপরেই অবস্থান সিলেট সিটি করপোরেশনের। মহানগরীর মোট ২৫টি আশ্রয়কেন্দ্রে আছেন ৭ হাজার ৭৪০ জন।

বিয়ানীবাজার উপজেলার মোট ৭৩টি আশ্রয় কেন্দ্রে বানবাসীর সংখ্যা ৬ হাজার ৯৭৮ জন। সিলেট শহরতলীর দক্ষিণ সুরমা উপজেলার ৭৪টি আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান করছেন ৬ হাজার ২৪২ জন বানভাসী। বালাগঞ্জে ৬৮টি আশ্রয় কেন্দ্রে আছেন ৪ হাজার ৯৮৩ জন, সিলেট সদরে বর্তমানে ৩৪টি আশ্রয় কেন্দ্রে আছেন ৫৩৮ পরিবারের প্রায় ২ হাজার ৫শ জন।এছাড়া গোলাপগঞ্জে মোট ৪৮ আশ্রয় কেন্দ্রে ২ হাজার ৯৮৫, কোম্পানীগঞ্জে ৫টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৮৯৫, ফেঞ্চুগঞ্জে ২০টি আশ্রয় কেন্দ্রে ২ হাজার ৪৩২, গোয়াইনঘাটে ১৩ আশ্রয়কেন্দ্রে ৪৮০, জৈন্তাপুরের ১৩ আশ্রয়কেন্দ্রে ১ হাজার ৫০৪, কানাইঘাটে ৪৭ আশ্রয় কেন্দ্রে ২ হাজার ৫৭ ও জকিগঞ্জের ৫৬ আশ্রয়কেন্দ্রে ৩ হাজার ৪৫৬ জন বানভাসী অবস্থান করছেন।

বানভাসী মানুষের জন্য সরকারি ও বেসরকারিভাবে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে বিপুল পরিমাণ ত্রাণসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত আছে। ত্রাণ বিতরণ কার্যক্ষম আরও সুশৃঙ্খল করতে ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য প্রত্যেক উপজেলায় আলাদা সমন্বয় কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে এই কমিটি করার জন্য সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বলা হয়েছে।

সিলেটের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) দেবজিৎ সিংহ জানিয়েছেন, সংশ্নিষ্ট জেলা ও বিভাগীয় প্রশাসন উপজেলা পর্যায়ে সমন্বয় কমিটির কাজ তদারকি করবে।

;

ভুটানের তরুণদের কারিগরি কর্মদক্ষতা উন্নয়নে ফেয়ার গ্রুপ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ভুটানের তরুণদের কারিগরি কর্মদক্ষতা উন্নয়নে ফেয়ার গ্রুপ

ভুটানের তরুণদের কারিগরি কর্মদক্ষতা উন্নয়নে ফেয়ার গ্রুপ

  • Font increase
  • Font Decrease

ভুটানের তরুণদের কারিগরি কর্মদক্ষতা উন্নয়নে পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশের ফেয়ার গ্রুপ।

ভুটান সরকারের পক্ষে ঢাকাস্থ ভুটান দূতাবাসের অনুরোধে সাড়া দিয়ে ফেয়ার গ্রুপ তাদের জন্য স্মার্টফোন, কনজ্যুমার ইলেক্ট্রনিক্স প্রোডাক্টস এবং অটোমোবাইল মেইনট্যানেন্স ও সার্ভিসিংয়ে দীর্ঘ এক মাসের বিশেষ ইন্টার্নশিপ কর্মসূচির আায়োজন করে।

রোববার (২৬ জুন) ফেয়ার গ্রুপের বনানি অটোগ্রাফ অফিসে আয়োজিত অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে এই ইন্টার্নশিপ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ভুটানের আট তরুণ-তরুণীর হাতে ইন্টার্নশিপ সার্টিফিকেট তুলে দেন বাংলাদেশে ভুটানের রাষ্ট্রদূত রিনচেন কোয়েন্তসিল ও ফেয়ার গ্রুপ চেয়ারম্যান রুহুল আলম আল মাহবুব।

বাংলাদেশে কোরিয়া ওভারসিজ কো-অপারেশন এজেন্সি, কোইকা-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর ডো ইয়াং-আ, ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ডিক্যাব-এর সভাপতি রেজাউল করিম লোটাস ও সাধারণ সম্পাদক একে এম মাঈনুদ্দিন এবং ফেয়ার গ্রুপের উপদেষ্টা মেজর জেনারেল হামিদ আর চৌধুরী (অব.) আরসিডিএস পিএসসি, হেড অফ কমিউনিকেশন এন্ড করপোরেট ফিল্যানথ্রপি হাসনাইন খুরশেদ, ফেয়ার সার্ভিসেস লিমিটেডের পরিচালক খন্দকার হাফিজ আল আসাদ ও ফেয়ার টেকনোলজির হেড অফ সার্ভিস বিজয় মূখার্জী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম রাষ্ট্র ভুটান। মুক্তিযুদ্ধকালে ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভুটান আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

দু’ দেশের মধ্যে গভীর সম্পর্কের উল্লেখ করে ভুটানের রাষ্ট্রদূত রিনচেন কোয়েন্তসিল বলেন, ভুটানের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বাংলাদেশের ভূমিকা অপরিসীম। ভুটানের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে ফেয়ার গ্রুপের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ফেয়ার গ্রুপ ইন্টার্নশিপ কর্মসূচির মাধ্যমে ভুটানের তরুণদের হাতে-কলমে শিক্ষার সুযোগ করে দিয়েছে। তারা ভুটানে ফিরে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অংশীদার কবে বলে তিনি দৃঢ় আস্থা প্রকাশ করেন।

ভুটানের মানবসম্পদ উন্নয়নে অব্যাহত সহযোগিতার অঙ্গীকার করে ফেয়ার গ্রুপ চেয়ারম্যান রুহুল আলম আল মাহবুব বলেন, মানবসম্পদকে হাতে- কলমে প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ করে তোলা না গেলে কোন জাতির উন্নয়ন সম্ভব নয়। তিনি বলেন, বাংলাদেশ-ভুটান বন্ধুত্ব চিরস্থায়ী। ভুটানের প্রশিক্ষকদের দক্ষতা বাড়াতে প্রয়োজনে ফেয়ার গ্রুপ থেকে দক্ষ প্রশিক্ষক পাঠানো হবে বলেও তিনি জানান।

ফেয়ার গ্রৃপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ফেয়ার সলিউশন্সের মিরপুর স্যামসাং সেন্টারে ভুটানের ছয় তরুণ-তরুণীকে স্মার্টফোন ও কনজ্যুমার ইলেক্ট্রনিক্স প্রোডাক্টসের ওপর এবং তেজগাঁয়ে ফেয়ার অটোমোবাইলসের হুন্দাই থ্রি-এস সেন্টারে ভুটানের দুই তরুণকে অটোমোবাইল বিষয়ে এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অঙ্গীকার- ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ বাস্তবায়নে অব্যাহতভাবে কাজ করছে ফেয়ার গ্রুপ। তারা নরসিংদীর শিবপুরে ফেয়ার ইলেক্ট্রনিক্স ফ্যাক্টরিতে দক্ষিণ কোরিয়ার বিশ্বখ্যাত স্যামসাং স্মার্টফোন ও কনজ্যুমার ইলেক্ট্রনিক্স পণ্য উৎপাদন করে বাংলাদেশ জুড়ে বাজারজাত করছে। গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্কে ফেয়ার টেকনোলজির ফ্যাক্টরি স্থাপনের কাজ এখন প্রায় শেষ পর্যায়ে, যেখানে তারা শিগগিরই দক্ষিণ কোরিয়ার বিশ্বখ্যাত হুন্দাই এসইউভি ও সেডান গাড়ি অ্যাসেমব্লিং করতে যাচ্ছে।

;

দীর্ঘসূত্রিতা অপচয় ও দুর্নীতির সুযোগ সৃষ্টি করে: প্রাথমিক প্রতিমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেছেন, উন্নয়নের মহাসড়কে দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলা বাংলাদেশকে নতুন গন্তব্যে নিয়ে যেতে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের সঠিক পরিকলন্পনা গ্রহণ ও যথাসময়ে এর বাস্তবায়নে জোর দিতে হবে। দীর্ঘসূত্রিতা উন্নয়নের অন্তরায়; এটি অপচয় ও দুর্নীতির সুযোগ সৃষ্টি করে। 

তিনি বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার দক্ষতা অর্জন করতে হবে পাশাপাশি দেশপ্রেম, সততা ও কর্তব্যনিষ্ঠার সাথে অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে হবে; তবেই দেশের জন্য আমাদের পূর্বসূরীদের জীবন বিসর্জন দেয়া স্বার্থক হবে।

রোববার সকালে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণলায়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক কর্মসম্পাদক চুক্তি (এপিএ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন তিনি।

সিনিয়র সচিব আমিনুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ২০২২-২৩ অর্থ বছরে মন্ত্রণালয়ের সাথে এপিএ চুক্তি স্বাক্ষর করেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মুহিবুর রহমান, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মহাপরিচালক আতাউর রহমান, জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির মহাপরিচালক মো. শাহ আলম ও শিশু কল্যাণ ট্রাস্টের পরিচালক আবুল বাশার।

অনুষ্ঠানে ২০২১-২২ অর্থবছরে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শুদ্ধাচার পুরস্কার বিজয়ী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পুরস্কার প্রদান করা হয়।

;