শেখ হাসিনা মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছেন: স্পিকার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ ও জীবনমান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করছেন।

বৃহস্পতিবার (২৬ মে) সংসদ ভবনে সার্বিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিকোলা সেলাকোভিচ স্পিকারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলে তিনি এ কথা বলেন। সাক্ষাৎকালে তারা সার্বিয়া-বাংলাদেশ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, সংসদীয় কূটনীতি, বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম, বাংলাদেশের দক্ষ জনশক্তি, কোভিড পরবর্তী বাংলাদেশের স্থিতিশীল অর্থনৈতিক অবস্থা, সার্বিয়ায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপ, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

স্পিকার বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, খাদ্য নিরাপত্তা, ৪০ শতাংশ থেকে ২১ শতাংশে দারিদ্র্য হ্রাস, আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের ঘর তৈরি, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় যুগোপযোগী পদক্ষেপ, দক্ষ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু নির্মাণের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ইত্যাদি বহুমুখী উদ্যোগের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী।

পদ্মাসেতু নির্মাণ সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান সার্বিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এসময় নিকোলা সেলাকোভিচ বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, অবকাঠামোগত তথা সার্বিক উন্নয়ন এবং নারীর ক্ষমতায়ন সত্যিই দৃশ্যমান ও অনুকরণীয়। বাংলাদেশের দক্ষ জনশক্তি সার্বিয়ায় সুনামের সাথে কাজ করছে। সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপের মাধ্যমে দুদেশের সংসদের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন করা যেতে পারে। এসময় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপ এবং বাংলাদেশ থেকে আরও দক্ষ জনশক্তি আমদানির আগ্রহ প্রকাশ করেন নিকোলা সেলাকোভিচ।

স্পিকার বলেন, সংসদীয় স্থায়ী কমিটিসমূহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সাথে সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে দারিদ্র্য, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন তথা সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রমে কাজ করছে। সার্বিয়ার সাথে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে সংসদ সদস্যগণ সংসদীয় কূটনীতির মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।

সার্বিয়াকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বন্ধুপ্রতীম দেশ হিসেবে অভিহিত করে বাংলাদেশ হতে জনশক্তি রফতানি ও অন্যান্য পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে উভয় দেশের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্পিকার।

এসময় সার্বিয়ার বাইলেটারেল রিলেশন্স বিষয়ক এসিস্ট্যান্ট মিনিস্টার ভ্লাদিমির মারিক, সার্বিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টা ইভান জাকসিক ও সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

সমালোচকরা দেশের জনগণের সামর্থ্য জানে না: প্রধানমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশের সমালোচকরা আসলে দেশের জনগণের সামর্থ্য জানে না, বরং তারা জাতির সামর্থ্যকে সবসময় অবমূল্যায়ন করে।

তিনি বলেন,‘আমাদের সমালোচনাকারিরা দেশের মানুষের শক্তি, সাহস ও ক্ষমতা সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ। নইলে তারা বার বার বাধা দেবে কেন? তারা আসলে জাতি হিসেবে আমাদের সক্ষমতাকে সবসময় অবমূল্যায়ন করে। হেয় প্রতিপন্ন করে। সবসময় যেন অন্যের কাছে হাত পেতে চলার মানসিকতায় ভোগে।’

প্রধানমন্ত্রী ও  সংসদ নেতা শেখ হাসিনা আজ  জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ ও ২০২২ সালের বাজেট অধিবেশনের সমাপনী ভাষণে এসব কথা বলেন। এ সময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছিলেন। এদিন সংসদে ২০২২-২৩ অর্থবছরের ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার বাজেট পাস করা হয়।

তিনি বলেন, পদ্মা সেতুর নির্মাণ নিয়ে এখানে কতগুলো প্রশ্ন এসেছে, বিরোধী দলের সদস্যরা অনেক কথাই বলেছেন। প্রথম প্রাক্কলিত ব্যয় ১০ হাজার কোটি ধরা হলেও পরবর্তীতে ৩০ হাজার কোটি লাগার কার্যকরণ বিশ্লেষণ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সেতু নির্মাণে তাঁর সরকারের বহুদিনের প্রচেষ্টা ছিল, যার ভিত্তিপ্রস্তরও তিনি ২০০১ সালে স্থাপন করে যান। যদিও পরবর্তী বিএনপি সরকার সেই নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয়। আর ২০০৭ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকার একটি ব্যয় প্রাক্কলন করে (১০ হাজার কোটি টাকা) যার কোন বাস্তব ভিত্তি যেমন ছিলনা তেমনি এরপর বহু যোজন বিয়োজন হয় প্রকল্পে।

পরবর্তীতে ২০০৯ সালে আবারও রাষ্ট্র্রচালনার দায়িত্ব পেয়ে আওয়ামী লীগ সরকার পদ্মা সেতু নির্মাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয় এবং সরকারের দায়িত্ব নেয়ার ২২ দিনের মাথায় পদ্মা সেতুর পূর্ণাঙ্গ নকশা তৈরির জন্য আন্তর্জাতিক টেন্ডারের মাধ্যমে নিউজিল্যান্ডভিত্তিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ‘মনসেল এইকম’কে নিয়োগ দেয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সে সময় রেল সুবিধা যুক্ত করে চূড়ান্ত নকশা প্রণয়নের নির্দেশ প্রধান করেন তিনি। শুরুতে মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ধরা হয়েছিল ৫ দশমিক পাঁচ-আট কিলোমিটার। পরে তা বৃদ্ধি পেয়ে ৬ দশমিক এক-পাঁচ কিলোমিটার হয়। প্রথম ডিপিপিতে সেতুর ৪১টি স্প্যানের মধ্যে তিনটির নিচ দিয়ে নৌযান চলাচলের ব্যবস্থা রেখে নকশা করা হয়েছিল। পরে ৩৭টি স্প্যানের নিচ দিয়ে নৌযান চলাচলের সুযোগ রাখার বিষয়টি যুক্ত করা হয়।

সংশোধিত ডিপিপিতে বেশি ভার বহনের ক্ষমতাসম্পন্ন রেল সংযোগ যুক্ত করা হয়। কংক্রিটের বদলে ইস্পাত বা স্টিলের অবকাঠামো যুক্ত হয়। সেতু নির্মাণে পাইলিংয়ের ক্ষেত্রেও বাড়তি গভীরতা ধরা হয়। বাড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের পুনর্বাসন ব্যয়ও।

সেতু নির্মাণকালিন দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, সে সময়কার দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রে ওয়ার্ল্ড ব্যাংক প্রতিশ্রুত অর্থ প্রত্যাহার করে নিলে অন্য উন্নয়ন সহযোগীরাও তখন সরে দাঁড়ায়। যদিও পরবর্তীতে ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের দুর্নীতির অভিযোগ কানাডার একটি আদালতে মিথ্যা বলেই প্রমাণিত হয়। আর নিজস্ব অর্থেই পদ্মা সেতু নির্মাণের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী।

সে সময় দেশের অনেক জ্ঞানী-গুণী ব্যক্তির বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে সরকার প্রধান বলেন, আমি জানি তখন আমাদের দেশের অনেক বিশেষজ্ঞ, অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারি এমনকি রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ভেবেছিলেন ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের টাকা ছাড়া এই সেতু নির্মাণ সম্ভব হবেনা, যে কথাটি আমাকে বার বার শুনতে হয়েছে। কিন্তু আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম নিজস্ব অর্থায়নে সেতু করতে পারলে তবেই করবো, কারো কাছে হাত পেতে করবো না এবং বাংলাদেশ নিজের পায়ে দাঁড়াবে ও নিজেই করবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সেতু নির্মাণ করতে গেলে দেশিয় রিজার্ভের ওপর চাপ আশার যে আশংকা ছিল সেখানে তাঁর একটা হিসেবে ছিল যে সেতুটি নির্মাণে প্রায় ৬ থেকে ৭ বছর সময় লাগতে পারে এবং সে সময়ে বছরে ৫০ মিলিয়ন ডলার করে যদি ব্যয় করা যায় তাহলে রিজার্ভে কোন চাপ পড়বে না।

নিজস্ব অর্থায়ণে তাঁর সেতু নির্মাণের ঘোষণায় দেশের জনগণের স্বতস্ফূর্ত ভাবে সহযোগিতার মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে আসার কথাও কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, কানাডার কোর্ট যখন বলে দিল পদ্মা সেতুতে কোন দুর্নীতি হয়নি তখন মানুষের মাঝে একটা অন্যরকম চেতনা আসলো। আর সেটাই ছিল আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। আর এক্ষেত্রে আমাদের পিছিয়ে যাওয়ার কোন পথ ছিলনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পদ্মাসেতু কেবল দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগের ক্ষেত্রেই নয়, বাংলাদেশ যাতে অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যেতে পারে তার স্বর্ণদুয়ারও উন্মোচন করেছে।

;

কোরবানির হাটে মানতে হবে যেসব নির্দেশনা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
কোরবানির হাটে মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

কোরবানির হাটে মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

  • Font increase
  • Font Decrease

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে পশুর হাট ব্যবস্থাপনায় বেশ কিছু নির্দেশনা মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) তথ্য বিবরণীতে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়।

কোরবানির হাটে মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

  • হাট বসানোর জন্য পর্যাপ্ত খোলা জায়গা নির্বাচন করতে হবে। কোনো অবস্থায় বদ্ধ জায়গায় হাট বসানো যাবে না।
  • ইজারাদারের হাট বসানোর আগে মহামারি প্রতিরোধী সামগ্রী যেমন-মাস্ক, সাবান, জীবাণুমুক্তকরণ সামগ্রী ইত্যাদি সংগ্রহ করতে হবে। পরিষ্কার পানি সরবরাহ ও হাত ধোয়ার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে তরল সাবান/সাধারণ সাবানের ব্যবস্থা রাখতে হবে। নিরাপদ বর্জ্য নিষ্কাশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
  • কোরবানির হাটের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তা, কর্মচারী ও হাট কমিটির সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। হাট কমিটির সবার ব্যক্তিগত সুরক্ষা জোরদার করা ও মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
  • হাটের সঙ্গে জড়িত কর্মীদের স্বাস্থ্যবিধির নির্দেশনা দিতে হবে। জনস্বাস্থ্যের বিয়ষগুলো যেমন মাস্কের সঠিক ব্যবহার, হাঁচি-কাশির শিষ্টাচার, শারীরিক দূরত্ব, হাত ধোয়া, জীবাণুমুক্তকরণ বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিতে হবে। স্বাস্থ্যবিধিসমূহ সার্বক্ষণিক মাইকে প্রচার করতে হবে।
  • মাস্ক ছাড়া কোনো ক্রেতা-বিক্রেতা হাটের ভেতরে প্রবেশ করতে পারবেন না। হাট কর্তৃপক্ষ চাইলে বিনামূল্যে মাস্ক সরবরাহ করতে পারেন বা এর মূল্য নির্ধারণ করে দিতে পারেন।
  • প্রতিটি হাটে সিটি করপোরেশনের ডিজিটাল পর্দায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি প্রচার করতে হবে।
  • কোরবানির হাটে প্রবেশের জন্য গেট (প্রবেশপথ ও বাহিরপথ) নির্দিষ্ট করতে হবে।
  • পর্যাপ্ত পানি ও ব্লিচিং পাউডার দিয়ে বর্জ্য দ্রুত পরিষ্কার করতে হবে। কোথাও জলাবদ্ধতা তৈরি করা যাবে না।
  • প্রতিটি হাটে সিটি করপোরেশন/পৌরসভা/ইউনিয়ন পরিষদের এক বা একাধিক ভ্রাম্যমাণ স্বেচ্ছাসেবী মেডিকেল টিম গঠন করে সেবা দেওয়ার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। মেডিকেল টিমের কাছে শরীরের তাপমাত্রা মাপার জন্য ডিজিটাল থার্মোমিটার রাখা যেতে পারে, যাতে প্রয়োজনে হাটে আসা সন্দেহজনক করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের দ্রুত চিহ্নিত করা যায়। এছাড়া তাৎক্ষণিকভাবে রোগীকে আলাদা করে রাখার জন্য প্রতিটি হাটে একটি আইসোলেশন ইউনিট (একটি আলাদা কক্ষ) রাখা যেতে পারে।
  • একটি পশুর থেকে আরেকটা পশু এমনভাবে রাখতে হবে যেন ক্রেতালা কমপক্ষে তিন ফুট বা দুই হাত দূরত্ব বজায় রেখে পশু কিনতে পারেন।
  • ভিড় এড়াতে মূল্য পরিশোধ ও হাসিল আদায় কাউন্টারের সংখ্যা বাড়াতে হবে।
  • মূল্য পরিশোধের সময় সারিবদ্ধভাবে লাইনে দাঁড়ানোর সময় যেন কম হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। লাইনে তিন ফুট বা কমপক্ষে দুই হাত দূরত্ব বজায় রেখে দাঁড়াতে হবে। প্রয়োজনে রেখা টেনে বা গোল চিহ্ন দিতে হবে।
  • সব পশু একত্রে হাটে প্রবেশ না করিয়ে, হাটের ধারণ ক্ষমতা অনুযায়ী পশু প্রবেশ করাতে হবে।
  • হাটের ধারণ ক্ষমতা অনুযায়ী, নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে কেনাকাটা করা সম্ভব, এমন সংখ্যক ক্রেতাকে হাটে প্রবেশের সুযোগ দিতে হবে। অবশিষ্ট ক্রেতারা হাটের বাইরে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে অপেক্ষা করবেন। একটি পশু কেনার জন্য এক বা দুই জনের বেশি ক্রেতা হাটে প্রবেশ করবেন না।
  • অনলাইনে পশু কেনা-বেচার জন্য জনগণকে উৎসাহিত করা যেতে পারে।
  • স্থানীয় প্রশাসন, আইন-শ্রঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে সব কাজ নিশ্চিত করতে হবে।
;

১ জুলাই থেকে বিআরটিসির ঈদের টিকেট বিক্রি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
১ জুলাই বিআরটিসির ঈদযাত্রার টিকেট

১ জুলাই বিআরটিসির ঈদযাত্রার টিকেট

  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদুল আহজা উপলক্ষে ঈদযাত্রায় 'ঈদ স্পেশাল সার্ভিস' চালু করছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি)।বিআরটিসির বিভিন্ন ডিপোতে আগামী ১ জুলাই থেকে ঈদযাত্রার টিকিট পাওয়া যাবে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) বিআরটিসি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ঈদ উপলক্ষে আগামী ৪ জুলাই থেকে বিশেষ সার্ভিস চলবে। ঈদের পর ১২ জুলাই পর্যন্ত সেবা চালু থাকবে। ঢাকার মতিঝিল, জোয়ারসাহারা, কল্যাণপুর, গাবতলী, মোহাম্মদপুর, মিরপুর, যাত্রাবাড়ি, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ বাস ডিপো থেকে ঈদের আগাম টিকেট পাওয়া যাবে।

মতিঝিল বাস ডিপো থেকে খুলনা, দাউদকান্দি, দিনাজপুর, রংপুর ও নেত্রকোণা রুটের টিকেট পাওয়া যাবে।

কল্যাণপুর বাস ডিপো থেকে মিলবে রংপুর, পঞ্চগড়, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা, কুষ্টিয়া, রাজশাহী, নওগাঁ, নেত্রকোনা, রানিশংকৈল, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর রুটের টকেট পাওয়া যাবে।

গাবতলী ডিপো থেকে আরিচা, রংপুর, দিনাজপুর, আরিচা ও পাটুরিয়া, যশোর রুটের টিকেট পাওয়া যাবে।

জোয়ারসাহারা বাস ডিপো থেকে পয়সারহাট, বিশ্বরোড-পাঁচদোনা, রংপুর, নওগাঁ, জয়পুরহাট, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ ও বগুড়া রুটের টিকেট পাওয়া যবে।

মিরপুর বাস ডিপো থেকে বরিশাল, রংপুর, কুষ্টিয়া, বগুড়া, কুড়িগ্রাম, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ ও নওগাঁ রুটের টিকেট পাওয়া যাবে।

মোহাম্মদপুর বাস ডিপো থেকে শরিয়তপুর ফরিদপুর, রংপুর, দিনাজপুর, বগুড়া ও নওগাঁ রুটের টিকেট পাওয়া যাবে।গাজীপুর বাস ডিপো থেকে বিশ্বরোড-পাঁচদোনা, টাঙ্গাইল, নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ, রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও কুড়িগ্রাম রুটের টিকেট পাওয়া যাবে। যাত্রাবাড়ি বাস ডিপো থেকে ঢাকা-রংপুর, শরিয়তপুর, রুটের টিকেট পাওয়া যাবে।

নারায়ণগঞ্জ বাস ডিপো থেকে ঢাকা-গোসাইরহাট, রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী, নওগাঁ, বগুড়া, গাইবান্ধা ও পাবনা রুটের টিকেট পাওয়া যাবে। কুমিল্লা বাস ডিপো থেকে ঢাকা-রংপুর রুটের টিকেট পাওয়া যাবে। নরসিংদী বাস ডিপো থেকে নরসিংদী-মাদারিপুর, চরমুগুরিয়া, রংপুর রুটের টিকেট পাওয়া যাবে।

;

নোয়াখালীতে উদ্বোধনের একদিন পর বিআরটিসির বাস চলাচল বন্ধ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
বিআরটিসির বাস চলাচল বন্ধ

বিআরটিসির বাস চলাচল বন্ধ

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) দ্বিতল বাস চালুর একদিন পর নোয়াখালীর সোনাপুর-চেয়ারম্যানঘাট সড়কে বন্ধ হয়ে গেছে বাস সার্ভিসটি।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) পরিবহন মালিক সংগঠনের বাধার মুখে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) দ্বিতল বাস চলাচল বন্ধ রাখা হয়। এর আগে, গতকাল বুধবার ওই সড়কে এ বাস সার্ভিস চালু করা হয়।

নোয়াখালী জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান জানান, বিষয়টি সমাধানের জন্য বৈঠক ডাকা হয়েছে। বাধাদানকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অপরদিকে, বিআরটিসির বাস বন্ধের প্রতিবাদে শুক্রবার (১ জুলাই) বেলা ১১টায় সুবর্ণচর উপজেলার হারিছ চৌধুরীর বাজার প্রধান সড়কে অবরোধের ডাক দিয়েছেন স্থানীয়রা। বিষয়টি দ্রুত সমাধান না হলে এই সড়কে মালিক সমিতির কোনো বাস চলতে দেবেন না স্থানীয়রা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নোয়াখালীর চেয়ারম্যানঘাট টু সোনাপুর সড়কে স্থানীয়দের দাবির প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গতকাল বুধবার বিআরটিসির দ্বিতল সার্ভিসটির উদ্বোধন করেন নোয়াখালী জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান।

সোনাপুর শহর এলাকা থেকে প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে এক ঘণ্টা পরপর বাস ছেড়ে যাওয়ার সময় নির্ধারণ করা হয়। সোনাপুর থেকে চেয়ারম্যানঘাট ভাড়া ধরা হয়েছে ৪০ টাকা,সোনাপুর থেকে আটকপালিয়ার বাজার ২০ টাকা।

;