প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সময়োপযোগী কারিকুলাম প্রণয়নের নির্দেশ রাষ্ট্রপতির



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

যুগের সাথে তাল মিলিয়ে দেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সময়োপযোগী কারিকুলাম প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

শনিবার সন্ধ্যায় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস  বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যগণ বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন বাসসকে জানান, প্রথমে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সামসুদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে  একটি প্রতিনিধিদল এবং পরে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এয়ার ভাইস মার্শাল মো. নজরুল ইসলাম।

প্রেস সচিব জানান, সাক্ষাৎকালে উপাচার্যগণ তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও অবকাঠামো উন্নয়নসহ সার্বিক কর্মকান্ড সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।

রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, বিশ্বায়নের এই যুগে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি।

তিনি বলেন  বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে এবং বাংলাদেশকে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করতে দেশের নতুন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে হবে।

গতানুগতিক কারিকুলামে বর্তমান যুগের চাহিদা মেটানো সম্ভব নয় উল্লেখ রাষ্ট্রপতি বলেন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে  সময়োপযোগী কারিকুলাম প্রণয়ন করতে হবে।

এছাড়া, গবেষণা কার্যক্রম জোরদার করার পাশাপাশি সকল স্তরে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি বন্ধের নির্দেশ দেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম, রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন এবং সচিব (সংযুক্ত) মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।

‘কোনও পণ্যের দাম বাড়লেই সরকারের সমালোচনা করা যাবে না’



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কোনও পণ্যের দাম বাড়লেই সরকারের সমালোচনা করা যাবে না। মানসম্পন্ন পণ্যের দাম একটু বেশি হয় বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ।

বুধবার (২৯ জুন) কনজুমার্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের (ক্যাবের) ভার্চুয়াল প্রতিনিধি সম্মেলন ও ক্যাবের তথ্যভিত্তিক ডিজিটাল পোর্টাল ভোক্তাকণ্ঠ’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, দাম বাড়লেই দেখি অনেকে সরকারের সমালোচনা করেন। আমাদের আমদানি নির্ভর বাজারে অনেক কিছু বিবেচনা করেই পণ্যের দাম নির্ধারণ হয়। ভোক্তারা সবসময় দামে কম কিন্তু মানে ভালো পণ্য চান। দুটো সবসময় একসঙ্গে হয় না।

অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও অসুস্থতার কারণে তিনি উপস্থিত হতে পারেননি। পরে তপন কান্তি ঘোষ প্রধান অতিথির দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি বলেন, শুধু বাজার সুবিধা থাকলে হবে না, যখন আমরা পণ্যের মান ঠিক রেখে আন্তর্জাতিক বাজরের সঙ্গে সমন্বয় রেখে বাজার পরিচালনা করতে যাই, তখন দাম বাড়তে পারে। এটা ভোক্তাদের বুঝতে হবে। একটা পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে আমাদের সবদিকে নজর রাখতে হয়। অনেক সময় পণ্য আসতে দীর্ঘসময় লাগে। এই সময়ের মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমে যায়। তখন চাইলেও হুট করে কমানো যায় না। এজন্য দাম বাড়লেই অনেকে অনেক কথা বলেন, সরকারের সমালোচনা করেন। দাম বাড়লেই কিন্তু সরকারের সমালোচনা করা যাবে না।

তিনি আরও বলেন, ভোক্তা অধিকার শক্তিশালীকরণ একটি ব্যাপক ধারণা। এটির আইন আছে, অধিদফতর আছে। তারা নিয়ন্ত্রণমূলক কাজ করছে। একটা ঘটনা ঘটে গেলে তা ব্যবস্থা নেয়। কিন্তু ভোক্তা অধিকার হচ্ছে এমন, যেসব বিষয় আমাদের ভোক্তাদের ওপর প্রভাব পড়ে সেগুলোর দিকে নজর রাখা। এজন্য আমাদের আরও ব্যাপক কাজ করতে হবে। যদি আমাদের ব্যবসায়ীরা ভেজাল না দেন, মূল্য সঠিক রাখেন। তাহলে তো এসব অধিদফতরকে কাজ করতে হয় না।

এসময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক এ এইচ এম শফিকুজ্জামান বলেন, অনেকেই আমাদের প্রশ্ন করেন, আমরা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছি কি না। আমরা স্বাধীনভাবেই কাজ করতে পারছি। ক্যাবসহ সবাই যেভাবে ভোক্তা অধিকারকে বারবার সামনে আনছেন, আমাদের কাজের ক্ষেত্রে আরও বেশি সুবিধা হচ্ছে। আমরা নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছি। এট অব্যাহত থাকবে। ক্যাবকে কীভাবে শক্তিশালী করা যায় সেদিকে আরও পরিকল্পনা করা দরকার। আমরা একসঙ্গে কাজ করলে ভোক্তাদের অধিকার আরও রক্ষা করতে পারবো।

অনুষ্ঠানের সভাপতি ও ক্যাব সভাপতি গোলাম রহমান বলেন, আমাদের জাতীয়ভাবে মাথাপিছু আয় বাড়লেও করোনা পরবর্তী নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত শ্রেণির আয় কমেছে এবং উচ্চবিত্তের বেড়েছে। বিষয়টির দিকে নজর দিতে আমরা সরকারের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি। পৃথিবীর অনেক দেশেই জিডিপি কমেছে। বাংলাদেশে জিডিপির প্রবৃদ্ধি অব্যাহত আছে। কিন্তু এই প্রবৃদ্ধির ফল যেন সাধরণ মানুষ পায়। কারণ উচ্চবিত্তের প্রবৃদ্ধি বাড়বে আর সাধারণ মানুষ অল্পকিছু পাবে, তা সামঞ্জস্য নয়। সরকারকে এ ব্যাপারে সুনজর দেওয়ার অনুরোধ করছি, যাতে সাধারণ নিম্নবিত্ত মানুষের আয়ের জায়গা বাড়ে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন নিরাপদ খাদ্য অধিদফতরের পরিচালক ড. সহদেব চন্দ্র সাহা, ক্যাবের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক এম শামসুল আলম, ভোক্তাকণ্ঠের সম্পাদক কাজী আব্দুল হান্নান প্রমুখ।

;

চার মাস না যেতেই উঠে যাচ্ছে নতুন সড়কের পিচ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, লক্ষ্মীপুর
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর-পানপাড়া ৬ কিলোমিটার সড়ক সংস্কারের কাজ শেষ হওয়ার ৪ মাসের মাথায় উঠে আসছে পিচ। ৯ কোটি ১৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ওই সড়কটির সংস্কারে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করে সড়কটি নির্মাণ করায় এমনটি হচ্ছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।

স্থানীয়রা বলছেন, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করে সড়ক সংস্কার করায় কাজ শেষ হওয়ার চার মাসের মাথায় সড়কের কয়েকটি অংশের পিচ ঢালাই (কার্পেটিং) উঠে গেছে। পাথর, বিটুমিনসহ চলমান সংস্কারকাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করার কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে যান চলাচল শুরু হওয়ায় এ কার্পেটিং অনেক জায়গায় উঠে গেছে।

নিয়ম অনুসারে কমপ্রেশার মেশিন দিয়ে সড়ক পরিষ্কার করে প্রাইম কোট দিয়ে পিচ ঢালাইয়ের কাজ হওয়ার কথা। অভিযোগ উঠেছে, তা না করে ঠিকাদাররা গাছের পাতা ও ময়লার উপরই চালিয়েছিলেন কার্পেটিংয়ের কাজ। সড়কের তিন কিলোমিটার এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, নিম্নমানের বিটুমিন, বালি, পাথরের মিশ্রণে কাজ করায় যানবাহন চলাচলের সময় চাকার সঙ্গে অনেক জায়গার কার্পেটিং উঠে যাচ্ছে।

চলতি বছরের শুরুর দিকে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) তত্ত্বাবধানে পল্লী সড়ক ও ব্রিজ-কালভার্ট মেরামতকরণ জিওবি মেইনটেন্যান্স প্রকল্পের আওতায় খানাখন্দে ভরা ছয় কিলোমিটার সড়কের সংস্কার অনুমোদন হয়। এলজিইডির রায়পুর কার্যালয় থেকে জানা গেছে, সড়কটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এলজিইডি মন্ত্রণালয় থেকে আরসিআইপি প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করে দরপত্রের মাধ্যমে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মেসার্স তমা এন্টারপ্রাইজ ও এমএ ইঞ্জিনিয়ারিং দেড় বছর আগে কাজটি শুরু করেছিল। প্রায় ৬ কিলোমিটার সড়কে ৯ কোটি ১৭ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে, নির্ধারিত সময়ে কাজ শুরু করতে না পারায় শেষ সময়ে এসে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের মাধ্যমে তড়িঘড়ি করে কাজটি শেষ করেছে ঠিকাদারি দুই প্রতিষ্ঠান।

নিম্নমানের কাজ করার অভিযোগ অস্বীকার করে ঠিকাদার আবু তাহের বলেন, এটি এলজিইডি লক্ষ্মীপুর ও রায়পুর এলজিইডি প্রকৌশলীরা দেখভাল করেন। সড়কে কেন পিচ উঠে গেল, তা বলতে পারছি না। এখন ঠিক করে দেওয়া হচ্ছে।

উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মোস্তফা মিনহাজ বলেন, গুরুত্বপুর্ণ সড়কটির সংস্কারে অনিয়মের অভিযোগ পেয়েছি। সরেজমিন পরিদর্শন করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সড়কের দুই পাশে মাটি বরাদ্দও এসেছে। ঠিকমতো কাজ না হলে ঠিকাদারের বিল দেওয়া হবে না।

;

ডিজিটাল লেনদেন হবে ডিএনসিসির ৬ গরুর হাটে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ডিজিটাল লেনদেন হবে ডিএনসিসির ৬ গরুর হাটে

ডিজিটাল লেনদেন হবে ডিএনসিসির ৬ গরুর হাটে

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ৬টি গরুর হাটে থাকবে ডিজিটাল লেনদেনের ব্যবস্থা। বুধবার (২৯ জুন) বনানীর হোটেল শেরাটনের অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ‘স্মার্ট বাংলাদেশ স্মার্ট হাট’ নামক পাইলট প্রকল্প সফল করতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও ডিএনসিসি যৌথভাবে কাজ করছে। এতে সহযোগিতা করছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মারস অ্যাসোসিয়েশন। প্রাথমিকভাবে এ পাইলট প্রকল্পের আওতায় ডিএনসিসির আওতাধীন ৬টি পশুর হাটের মধ্যে রয়েছে—গাবতলী, বসিলা, আফতাবনগর, ভাটারা, কাওলা ও উত্তরা ১৭ নম্বর সেক্টরের পশুর হাট। আগামী ১ জুলাই থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত সময়ে হাটগুলোতে ডিজিটাল পেমেন্ট বুথ থাকবে।

ডিজিটাল পেমেন্ট বুথ স্থাপন ও পরিচালনার জন্য লিড ব্যাংক হিসেবে থাকবে ৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংক। এগুলো হলো—ব্যাংক এশিয়া লিমিটেড, ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড, ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড, দি সিটি ব্যাংক লিমিটেড।

;

শিক্ষক হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ছাত্রের বাবা গ্রেফতার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকার আশুলিয়ায় নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীর স্ট্যাম্পের আঘাতে শিক্ষক উৎপল কুমার সরকারের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বাবাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৯ জুন) রাতে কুষ্টিয়ার কুমারখালী এলাকা তাকে গ্রেফতার করা হয়।

ওই শিক্ষার্থীর বাবা উজ্জল হাজী আশুলিয়ার চিত্রাশাইল এলাকার বাসিন্দা।

শিক্ষক উৎপলকে হত্যার ঘটনায় ওই স্কুলছাত্রকে প্রধান আসামি করে এবং অজ্ঞাত আরও তিন-চার জনের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন নিহত শিক্ষকের ভাই অসীম কুমার।

প্রসঙ্গত, গত শনিবার হাজী ইউনুস আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজে মেয়েদের ক্রিকেট খেলা চলছিল। শিক্ষক উৎপল কুমার মাঠের পাশে দাঁড়িয়ে খেলা দেখছিলেন। দুপুরের দিকে হঠাৎ এক ছাত্র মাঠ থেকে ক্রিকেট খেলার স্ট্যাম্প নিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি আঘাত করে পালিয়ে যায়। উৎপলকে দ্রুত উদ্ধার করে গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিউতে রাখা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার ভোরে তার মৃত্যু হয়। হত্যায় অভিযুক্ত ছাত্রকে এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

;