দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াকে সংযুক্ত করার বিষয়ে বাংলাদেশ-ভারতের সম্মতি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জল, রেল ও সড়কপথে আঞ্চলিক প্রকল্পের পাশাপাশি জ্বালানি, পর্যটন ও টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াকে সংযুক্ত করার বিষয়ে একটি অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।

শনিবার আসামের গুয়াহাটিতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন এবং ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর 'এনএডিআই কনক্লেভ' শীর্ষক ২ দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক নদী বিষয়ক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন।

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি এবং কোভিড-পরবর্তী পরিস্থিতিতে সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থার ওপর আঘাত হানায় জীবন ও জীবিকাকে যে ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছিল, সেই পরিপ্রেক্ষিতে আঞ্চলিক একীকরণ এবং সহযোগিতার বিষয়টি আগের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে জানান তারা।

ভারতে পাচার ২৫ বাংলাদেশিকে ট্র্যাভেল পারমিটে ফেরত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বেনাপোল (যশোর)
ভারতে পাচার ২৫ বাংলাদেশিকে ট্রাভেল পারমিটে ফেরত

ভারতে পাচার ২৫ বাংলাদেশিকে ট্রাভেল পারমিটে ফেরত

  • Font increase
  • Font Decrease

ভালো কাজের প্রলোভনে বিভিন্ন সময় ভারতে পাচারের শিকার ২৫ বাংলাদেশি নারী-শিশুকে উদ্ধারের পর ট্র্যাভেল পারমিটে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) সন্ধ্যায় ভারত সরকারের দেওয়া বিশেষ ‘ট্র্যাভেল পারমিটের’ মাধ্যমে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে এদের ফেরত পাঠায় কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাস কর্মকর্তারা।

ইমিগ্রেশন আনুষ্ঠানিকতা শেষে এদের আইনি সহয়তা ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা কগ্রহণ করেছে জাস্টিস এন্ড কেয়ার, মহিলা আইনজীবী সমিতি ও রাইটস যশোর নামে ৩টি মানবাধিকার সংস্থা। 

ফেরত আসা নারী-শিশুদের বাড়ি যশোর, সাতক্ষীরা, নড়াইল, বাগেরহাট, খুলনা ও সিলেট জেলার বিভিন্ন এলাকায়।

কলকতায় নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিব শামীমা ইয়াসমিন স্মৃতি জানান, ভারতের বিভিন্ন সেভ হোম থেকে ২৫ বাংলাদেশিকে ছাড়িয়ে স্বদেশ প্রত্যাবাসন করেছেন। পাচার প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন হওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন ওসি মো: রাজু জানান, ফেরত আসা নারী-শিশুদের ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া শেষে বন্দর থানা পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে পরবর্তী ব্যবস্থা নিতে।

শিশুদের গ্রহণকারী বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতির এ্যাডভোকেট নাসিমা খাতুন জানান, সংসারে অভাব অনটনের কারণে গত ২ থেকে ৫ বছর আগে এসব নারী-শিশু ভালো কাজের আশায় দালালের খপ্পড়ে পড়ে সীমান্ত পথে ভারতে যায়। পরে দালাল চক্র তাদের ভালো কাজের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে বিভিন্ন অসামাজিক ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজে ব্যবহারে বাধ্য করে। খবর পেয়ে ভারতীয় পুলিশ বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের উদ্ধার করে আদালতে পাঠায়।  সেখান থেকে ‘রেসকিউ ফাউন্ডেশন’ নামে ভারতের একটি এনজিও সংস্থা তাদের জেল থেকে ছাড়িয়ে নিজেদের শেল্টার হোমে রাখে। 

পরবর্তীতে দু’দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে ট্র্যাভেল পারমিটের মাধ্যমে এদের দেশে ফেরার ব্যবস্থা করে।

মানব পাচার প্রতিরোধ নিয়ে কাজ করা যশোর রাইটস এর নির্বাহী পরিচালক বিনয় কৃষ্ণ মল্লিক জানান, পাচারের শিকার নারীরা যদি পাচারকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করতে চায় তাহলে তাদের আইনি সহায়তা করবেন বলে জানান এ কর্মকর্তা।

;

ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন মরগান



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ইয়ন মরগান

ইয়ন মরগান

  • Font increase
  • Font Decrease

একদিন আগেই ইঙ্গিতটা দিয়ে রেখেছিলেন তিনি। অবশেষে সিদ্ধান্তটা নিয়েই ফেললেন ইংল্যান্ডের টেস্ট দলের অধিনায়ক ইয়ন মরগান। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেন এ ইংলিশ ক্রিকেটার। মঙ্গলবার (২৮ জুন) ইংল্যান্ড এন্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

নিজেদের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে এক বিবৃতিতে খবরটি নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড এন্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)।

অবশ্য মরগান নিজেও নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে সদ্য সমাপ্ত সিরিজের আগে নিজের অবসরের আভাস দিয়েছিলেন। জানিয়েছিলেন, দলে অবদান না রাখতে পারলে নিজে থেকেই সরে দাঁড়াবেন। অবশেষে সেটাই হলো।

অবসরের ঘোষণায় ইংলিশ তারকা বলেছেন, সতর্কতার সঙ্গে সবকিছু বিবেচনার পর আমি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর ঘোষণা করছি। নিঃসন্দেহে আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে আনন্দদায়ক এবং ফলপ্রসূ অধ্যায়টি নিয়ে কথা বলা সহজ সিদ্ধান্ত ছিল না। তবে আমি বিশ্বাস করি এখনই এটি করার সঠিক সময় আমার জন্য এবং ইংল্যান্ডের জন্য সাদা।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার শুরুটা ২০০৬ সালে আয়ারল্যান্ডের হয়ে। কিন্তু ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন দেখতেন ইংল্যান্ডকে প্রতিনিধিত্ব করার। সেই স্বপ্ন পূরণ হয় তিন বছরের মধ্যেই। ২০১৫ বিশ্বকাপে ভরাডুবির পর তার হাতে ওঠে সাদা বলে নেতৃত্বর ব্যাটন। কোচ ট্রেভর বেলিসকে সঙ্গে নিয়ে পুরো দলের খোলনলচে পালটে দেন তিনি। ভয়ডরহীন মানসিকতা নিয়ে ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপে প্রথম বার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বাদ পায় ইংল্যান্ড। মরগান বিদায়টা নিলেন সাদা বলে ইংল্যান্ডের সবচেয়ে প্রভাবশালী ক্রিকেটার হিসেবে।

;

দুই বউয়ের যন্ত্রণায় মোটরসাইকেল পোড়াল স্বামী!



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, মেহেরপুর
দুই বউয়ের যন্ত্রণায় প্রতিশোধে মোটর সাইকেল পোড়ালো স্বামী!

দুই বউয়ের যন্ত্রণায় প্রতিশোধে মোটর সাইকেল পোড়ালো স্বামী!

  • Font increase
  • Font Decrease

দুই বউয়ের যন্ত্রণায় উপায় ছিল না ইলেকট্রিক মিস্ত্রি গোলাম হোসেনের কাছে। শেষ পর্যন্ত নিজের বাইকটির উপরেই প্রতিশোধ তুললেন। মোটরসাইলে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে নিজের দোকান ভেঙে দুই বিয়ে করার অনুশোচনা প্রকাশ করলেন।

ঘটনাটি মেহেরপুরের গাংনী নওপাড়া বাজারে। মঙ্গলবার সন্ধ্যােয় তিনি এ কাণ্ড করে সমালোচনায় আসেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গোলাম হোসেন বেশ কয়েকদিন বিষন্ন অবস্থায় দোকানে আসেন। ভালো আচরণ করেন না কারও সাথে। ঠিকমতো কথাও বলেন না কারও সাথে।  আচরণের বিষয়ে বিষন্নতা নিয়ে প্রশ্ন করলে পারিবারিক ভাবে সে অশান্তিতে আছে বলে জানান।

তার দুই স্ত্রী। প্রথম স্ত্রী আল্পনা। তার তিন ছেলে। তাকে রেখে বছর দেড়েক আগে ভাটপাড়া আবাসনে বসবাসকারী সোনালী খাতুন নামের একজনকে বিয়ে করেন। সে স্ত্রীরও একটি ছেলে রয়েছে। প্রথম স্ত্রীর সংসারে গেলে দ্বিতীয় স্ত্রী ঝগড়া করে, আর দ্বিতীয় স্ত্রীর সংসারে গেলে প্রথম স্ত্রী অশান্তি তৈরি করে। এই সব নিয়েই সংসারে অশান্তি লেগেই থাকে তার।

বাজারের ব্যবসায়ী একলাচ হোসেন বলেন, প্রতিদিনের মতই আজও দুপুরে দোকানে আসে গোলাম হোসেন। সন্ধ্যাীয় তার দোকানে শব্দ শুনে এগিয়ে গিয়ে দেখি রাস্তায় মোটরসাইকেল ভাংচুর করছে। আমরা বাঁধা দিতে গেলে উল্টো আমাদের ধাওয়া করে। পরে নিজের ব্যবহৃত আরকে ১০০ সিসি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। বাজারের ব্যবসায়ী মিলন হোসেন জানান, আমি দোকানে বসে ছিলাম। হঠাৎ কালো ধোয় দেখে রাস্তায় গিয়ে দেখি তার মোটরসাইকেলে আগুন জ্বলছে। পরে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা গোলামকে আটকিয়ে রাখে। এসময় মোটরসাইকেল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

গোলাম হোসেনের বড় ছেলে রাজন হোসেন জানায়, কয়েকদিন যাবত আমার দুই মাকে নিয়ে আমার বাবা খুব অশান্তিতে আছে। শুনেছি ঘুমের ট্যাবলেট খেয়ে উন্মাদ হয়ে পড়ে থাকে। আমার মা থাকতেও দ্বিতীয় বিয়ে করাই আমার সৎ মাও তাকে খুব কষ্ট দেয়। এই নিয়ে বাবার মন খারাপ। কারো সাথে কথাও বলছেন না কয়েক দিন। যে মোটরসাইকেলটি আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে সেটি আমি ও আমার বাবা দুজনই ব্যবহার করতাম।

গোলাম হোসেনের দ্বিতীয় স্ত্রী সোনালী খাতুন জানায়, আমাকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিয়ে করেছে তার একটিও রক্ষা করেনি। এ জন্যই মাঝে মধ্যে ঝগড়া হয়েছে। তবে নিজের মোটরসাইকেল পুড়িয়েছে এমন ঘটনা কেন ঘটিয়েছে তা জানিনা।

বাজারের ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবুল বাসার জানায়, সংসারে যায় ঘটুক না কেনো এভাবে মোটর সাইকেল পোড়ানো এবং দোকান ঘর ভাংচুর করা ঠিক হয়নি। এতে বাজারের পরিবেশ নষ্ট হয়েছে। তবে তিনি মানসিক ভাবে সুস্থ্য আছে কিনা দেখতে হবে।

ইলেকট্রিক মিস্ত্রির সাথে কথা বলার চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।

এদিকে দুই স্ত্রীর দুই সংসার নিয়ে প্রতিনিয়ত প্রকাশ্যে মোটরসাইকেলে আগুন দেয়ার ঘটনা এলাকায় চরম চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

;

মাস্ক পরা বাধ্যতামূলকসহ সরকারের ৬ নির্দেশনা



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
করোনা প্রতিরোধে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলকসহ সরকারের ৬ নির্দেশনা

করোনা প্রতিরোধে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলকসহ সরকারের ৬ নির্দেশনা

  • Font increase
  • Font Decrease

ধর্মীয় উপাসনালে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলকসহ ৬টি নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। মঙ্গলবার (২৮ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবকে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, সাম্প্রতিককালে সারাদেশে কোভিড-১৯ আক্রান্তের হার দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে ও জনগণের মধ্যে মাস্ক পরিধান এবং স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণে যথেষ্ট শৈথিল্য পরিলক্ষিত হচ্ছে মর্মে সরকারের উচ্চ মহলে আলোচনা হচ্ছে। ১৪ জুন কোভিড-১৯ জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভায় নেওয়া সুপারিশ প্রতিপালনের জন্য এবং কোভিড প্রতিরোধকল্পে নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়নের জন্য অনুরোধ করা হলো—

১. স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করতে সব প্রকার গণমাধ্যমে অনুরোধ জানাতে হবে।

২. সব ক্ষেত্রে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা, ‘নো মাস্ক নো সার্ভিস’ নীতি প্রয়োগ করা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, জনসমাগম যথাসম্ভব বর্জন করতে হবে।

৩. ধর্মীয় প্রার্থনার স্থানসমূহে (যেমন-মসজিদ, মন্দির, গির্জা ইত্যাদি) মাস্ক পরা ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

৪. জ্বর, সর্দি, কাশি বা কোভিড-১৯ এর উপসর্গ দেখা দিলে কোভিড টেস্ট করার জন্য উদ্বুদ্ধ করতে হবে।

৫. দোকান, শপিংমল, বাজার, ক্রেতা-বিক্রেতা, হোটেল-রেস্টুরেন্ট সবাইকে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরিধান করতে হবে। অন্যথায় তাকে আইনানুগ শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে।

৬. স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন এবং মাস্ক পরিধানের বিষয়ে সব মসজিদে জুমার নামাজে খুতবায় ইমামরা সংশ্লিষ্টদের সচেতন করবেন।

উল্লিখিত বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চিঠিতে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয় চিঠিতে।

;