আমরা সংঘাত চাই না, উন্নতি চাই: প্রধানমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যুদ্ধ না, আমরা শান্তি চাই। সংঘাত না, আমরা উন্নতি চাই।

রোববার (২৯ মে) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস-২০২২ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী এবং পুলিশ বাহিনীর সব শান্তিরক্ষীদের বিশ্বব্যাপী শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে পেশাদারিত্ব-সততা বজায় রেখে নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে স্ব স্ব দায়িত্ব পালন করবেন এবং নিজেদের সুরক্ষিত রাখার যেমন চেষ্টা করবেন, দেশের ভাবমূর্তি যাতে উজ্জ্বল হয় সেভাবে আপনারা কাজ করবেন সেটাই আমরা চাই। জাতিসংঘের আহ্বানে সাড়া দিয়ে প্রয়োজনে আরও শান্তিরক্ষী পাঠাতে আমরা প্রস্তুত। বিশ্ব করোনাভাইরাসের মতো মহামারি অতিক্রম করতে করতে আরেকটা যুদ্ধের দামামা বেজে উঠেছে, যা আজকে বিশ্বে অর্থনীতির ওপর বিরাট প্রভাব ফেলেছে। আমরা কোনো সংঘাত চাই না, যুদ্ধ চাই না। আমরা শান্তি চাই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কেবল বাঙালি জাতিরই নন, তিনি ছিলেন বিশ্বের নির্যাতিত, নিপীড়িত ও শোষিত মানুষের মুক্তির ও শান্তির দূত। এজন্য বিশ্ব শান্তি পরিষদ তাকে জুলিও কুরি শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করে। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।

তিনি বলেন, বিশ্ব আজ দুভাগে বিভক্ত—শোষক ও শোষিত। আমি শোষিতের পক্ষে। তিনি (বঙ্গবন্ধু) সব সময় শোষিত, নির্যাতিত, নিপীড়ত মানুষের পক্ষে কাজ করেছেন। বাংলাদেশের মানুষকে শোষণ, বঞ্চনা, নির্যাতন, নিপীড়ন থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য তিনি নিজের জীবন উৎসর্গ এবং স্বাধীন জাতি হিসেবে আমাদের প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন।

তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭৪ সালে আমরা জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করি এবং জাতিসংঘে তিনি ২৫ সেপ্টেম্বর ভাষণ দেন। সেই ঐতিহাসিক ভাষণে তিনি বিশ্বের সর্বত্র শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অব্যাহত সমর্থনের বিষয়ে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরীতা নয়' এই নীতি তিনি ঘোষণা করেছিলেন। যে নীতি আমরা এখনো মেনে চলি। বাংলাদেশ সব সময় চায় শান্তি প্রতিষ্ঠা হোক। যুদ্ধ না, আমরা শান্তি চাই। সংঘাত না, আমরা উন্নতি চাই। জাতির পিতার শান্তি সেনানীরূপে ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় 'ব্লু হেলমেট' পরিবারের সদস্য হয়। আজ আমরা 'সর্বোচ্চ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ' হিসেবে গৌরবের ৩৪ বছর উদযাপন করছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে গত ৩৪ বছর ধরে বাংলাদেশের প্রতিটি শান্তিরক্ষী তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব দক্ষতা ও সফলতার সঙ্গে পালন করে যাচ্ছেন। সমগ্র বিশ্বে শান্তিরক্ষায় সক্রিয় অংশগ্রহণকারী হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান সর্বজনবিদিত। ৯৬ সালে প্রায় ২১ বছর পর আমি যখন সরকার গঠন করি, তখনই জানি আমাদের দেশ থেকে শান্তিরক্ষী মিশনে আমাদের সদস্যরা যাচ্ছেন; সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনী থেকে। তাই তারা যাতে উপযুক্তভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারেন এবং তাদের প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি করার জন্য, যিনি যে দেশে যাচ্ছেন সেই দেশ সম্পর্কে জানা, সেখানে কী করণীয় সে সম্পর্কে প্রশিক্ষণ নেওয়া এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সে জন্য আমি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে দেই। জাতিসংঘ মিশনে কার্যকর অংশগ্রহণ বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় আমাদের অবস্থানকে সুসংহত করেছে। একইসঙ্গে সামরিকভাবে শক্তিশালী দেশগুলোর সঙ্গে আমাদের দেশের পারস্পরিক কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এ ছাড়াও, শান্তিরক্ষী বাহিনীর সদস্যরা দেশের জন্য বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছেন, যা আমাদের জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে যাচ্ছে।

সরকার প্রধান বলেন, সমসাময়িক বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বিশ্ব শান্তি নিশ্চিত করা অতীতের যে কোনও সময়ের চেয়ে অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রযুক্তির দ্রুত প্রসার ও অগ্রযাত্রার সঙ্গে সঙ্গে রাষ্ট্রীয় এবং অরাষ্ট্রীয় অপশক্তিগুলো নতুন হুমকি হিসেবে দেখা দিয়েছে। ফলে বর্তমানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনগুলোতে শান্তিরক্ষীদের বহুমাত্রিক ও জটিল পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হচ্ছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা অপারেশনে এই নতুন চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় আমরা আমাদের শান্তিরক্ষীদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জামাদি দিয়ে প্রস্তুত করে তুলছি।

তিনি আরও বলেন, 'পিপল পিস প্রোগ্রেস: দ্য পাওয়ার অব পার্টনারশিপ' ২০২২ সালের জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসের প্রতিপাদ্যকে আমরা সামনে রেখে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ আরও জোড়ালো ভূমিকা পালন করবে সেই অঙ্গীকার আমরা করছি।

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ৩০৪ কোটি টাকা দিল ব্যাংক-আর্থিক প্রতিষ্ঠান



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বন্যার্তদের সাহায্যার্থে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ৩০৪ কোটি ৪১ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছে ৪৩ ব্যাংক ও দুটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান

সোমবার (২৭ জুন) সকালে প্রতিষ্ঠানগুলোর শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুদানের চেক হস্তান্তর করেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যোগ দেন।

ত্রাণ তহবিলে অনুদান দেওয়া ব্যাংকের মধ্যে রয়েছে সোনালী ব্যাংক, রুপালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক ও রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক। আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ইডকল, বিআইএফএফএল।

বেসরকারি ব্যাংকের মধ্যে রয়েছে এক্সিম ব্যাংক, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া ও ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড।

;

চট্টগ্রামে একদিনে ৬৬ জন করোনা আক্রান্ত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বন্দরনগরী চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৩৭টি নমুনা পরীক্ষা করে ৬৬ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ৭ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ।

সোমবার (২৭ জুন) জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

এদিন চট্টগ্রামের ১২টি ল্যাবে এসব নমুনা পরীক্ষা করা হয়।

একই সময়ে বিআইটিআই ল্যাবে ১৭ নমুনা পরীক্ষা করে ৫টি পজিটিভ পাওয়া যায়, চমেক হাসপাতাল ল্যাবে ১৩৮টি নমুনায় ১৭টি, সিভাসু ল্যাবে ৪১টি নমুনায় ২টি, ইমপেরিয়াল ল্যাবে ৩৬টি নমুনায় ৪টি, ইপিক ল্যাবে ৩৯টি নমুনায় ১টি, শেভরন ল্যাবে ২৯টি নমুনায় ৯টি, মেট্রোপলিটন হাসপাতাল ল্যাবে ১১৮টি নমুনায় ৬টি এবং এশিয়ান হাসপাতাল ল্যাবে ২২টি নমুনায় পরীক্ষা ৫টি পজিটিভ আসে। সবমিলে এদিন নগরে নতুন শনাক্ত হয় ৫৪ জন। এদিন উপজেলায় রোগী শনাক্ত হয় ১২ জন।

এনিয়ে চট্টগ্রামে করোনায় শনাক্ত হয়েছেন ১ লাখ ২৭ হাজার ১২ জন। মৃত্যুর সংখ্যা ১ হাজার ৩৬২ জন।

;

শস্যদানার মানচিত্রে কমলনগর উপজেলা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, লক্ষ্মীপুর
শস্যদানার মানচিত্রে কমলনগর উপজেলা

শস্যদানার মানচিত্রে কমলনগর উপজেলা

  • Font increase
  • Font Decrease

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলা ৯টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। ওই উপজেলার মানচিত্রে নয়টি ইউনিয়নকে সাজানো হয়েছে বিভিন্ন শস্যদানা দিয়ে। শস্যদানার ফসলি ওই মানচিত্রে পুরো উপজেলা ফুটে উঠেছে। সেখানে আয়োজিত কৃষি মেলায় শস্যদানার এমন মানচিত্র সবাইকে মুগ্ধ করেছে।

তিনদিন ব্যাপী ওই কৃষিমেলার দ্বিতীয় দিন সোমবার (২৭ জুন) সকালে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে গিয়ে ব্যতিক্রমী এমন মানচিত্র দেখা যায়।

মানচিত্রে ধান, গম, ডাল, পেঁয়াজ, রসুন, সয়াবিন, মরিচ ও বাদামসহ বিভিন্ন শস্যদানা ব্যবহার করা হয়েছে। এতে উপজেলার চর কালকিনি, সাহেবেরহাট, চর ফলকন, হাজিরহাট চর লরেন্স, চর মার্টিন, পাটারিরহাট, তোরাবগঞ্জ ও চর কাদিরা ইউনিয়নে কৃষি চিত্র ফুটে উঠে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের আয়োজিত লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে তিন দিনব্যাপী কৃষি মেলা শুরু হয়।

জানা যায়, রোববার সকালে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের আয়োজনে মেলার উদ্বোধন শেষে র‌্যালি বের হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় বক্তব্য দেন উপজেলা চেয়ারম্যান মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ বাপ্পী, লক্ষ্মীপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক ড. মো. জাকির হোসেন, উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আকতারুজ্জামান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আতিক আহমেদ, ভাইস চেয়ারম্যান ওমর ফারুক সাগর ও সমাজ সেবা কর্মকর্তা মো. মাসুদ তালকদার প্রমুখ।

নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর ও চট্টগ্রাম কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প (১ম সংশোধিত) এর আওতায় এ মেলায় ১৫টি স্টল অংশ নিয়েছে।

;

পদ্মা সেতুতে ২৪ ঘণ্টায় টোল আদায় ২ কোটি ৯ লাখ টাকা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের গর্ব ও অহংকার স্বপ্নের পদ্মা সেতুতে যান চলাচলের প্রথম দিনে টোল আদায় করা হয়েছে ২ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ৩০০ টাকা। এসময় গাড়ি চলাচল করেছে ৫১ হাজার ৩১৬টি।

সোমবার (২৭ জুন) সকালে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবুল হোসেন জানান, রোববার (২৬ জুন) সকাল ছয়টা থেকে আজ সোমবার (২৭ জুন) সকাল ছয়টা পর্যন্ত সেতুর দুই প্রান্তের (মাওয়া ও জাজিরা) এই হিসাব।

তিনি আরও জানান, মাওয়া প্রান্ত দিয়ে সেতু পার হয়েছে ২৬ হাজার ৫৮৯টি গাড়ি এবং টোল আদায় হয়েছে এক কোটি ৮ লাখ ৯৫ হাজার ৯০০ টাকা। একই সময়ে জাজিরা প্রান্ত দিয়ে সেতু পার হয়েছে ২৪ হাজার ৭২৭টি গাড়ি এবং টোল আদায় হয়েছে এক কোটি ৪৪ হাজার ৪০০ টাকা।

সেতুর টোলপ্লাজায় দায়িত্বরত এক কর্মকর্তা বলেন, সকাল থেকেই আমরা প্রস্তুত ছিলাম। ৬টার আগেই আমরা যানচলাচলের জন্য কাজ শুরু করি।

রোববার ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয় পদ্মা সেতু। দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত পদ্মা সেতু পার হয়ে ঢাকায় আসতে দীর্ঘদিন যে অসহনীয় দুর্ভোগ ও কষ্ট ছিল তা দূর হয়েছে।

এর আগে, গত শনিবার দুপুর ১২টার দিকে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর তিনি টোল দিয়ে সেতু পার হন।

;