কলকাতা থেকে ১৯ যাত্রী নিয়ে বন্ধন এক্সপ্রেস খুলনায়



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বেনাপোল (যশোর)
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

দুই বছরের বেশি সময় বন্ধ থাকার আজ থেকে ফের বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে খুলনা-বেনাপোল- কলকাতা রেল রুটে চালু হয়েছে যাত্রীবাহী রেল বন্ধন এক্সপ্রেস।

প্রথম যাত্রায় কলকাতা থেকে ১৯ জন যাত্রী নিয়ে খুলনার উদ্দেশ্যে এসেছে রেলটি। এসময় কাস্টমস ও পুলিশ সদস্যরা যাত্রীদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। আপাতত সপ্তাহে দু দিন চলবে বন্ধন। রেল চালুতে সময় সাশ্রয়ের পাশাপাশি সড়ক পথের ভোগান্তি থেকে মুক্তি মিলবে বলছেন যাত্রীরা। তবে ভাড়া কমানোর পাশাপাশি রেল সেবা দুদিন থেকে বাড়ানোর দাবি যাত্রীদের।

জানা যায়, ভারত -বাংলাদেশের মধ্যে সৌহাদ্য সম্পর্ক বৃদ্ধি করতে ২০১৭ সালের ১৬ নভেম্বর খুলনা-বেনাপোল- কলকাতা রেলপথে ‘বন্ধন এক্সপ্রেস’ চালু হয়। কিন্তু বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে ২০২০ সালের ১৫ মার্চ ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে রেল পরিষেবা বন্ধ করে ভারত সরকার। এতে বন্ধ হয়ে যায় কলকাতা-বেনাপোল -খুলনা রুটে যাত্রীবাহী রেল বন্ধন এক্সপ্রেস। সংক্রমণ কমে আসলে দুই দেশের মানুষ দাবি তোলেন পুনরায় বন্ধন এক্সপ্রেস চালুর।

অবশেষে রোববার (২৯ মে) সকাল ৭টা ১০ মিনিটে ৪৫৬ আসনের বন্ধন রেলটি কলকাতা থেকে ১৯ জন যাত্রী নিয়ে সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে বেনাপোল স্টেশনে পৌছায়। পরে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম শেষে সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে খুলনার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। খুলনা থেকে আবার যাত্রী নিয়ে দুপুর দেড়টায় রওনা দিয়ে বেনাপোল পৌঁছাবে বিকাল ৩টা ১৫ মিনিটে। পরে বেনাপোলে রেলওয়ে ইমিগ্রেশনে পাসপোর্টের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিকাল ৪টা ১৫ মিনিটে রওনা দিয়ে কলকাতা পৌঁছাবে সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে। এসিতে খুলনা থেকে কলকাতা ভ্রমণে প্রত্যেক যাত্রীর ভাড়া ১ হাজার ৫৩৫ টাকা। আর কেবিনে ভাড়া নির্ধারণ হয়েছে ২ হাজার ৫৭ টাকা। ১ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের জন্য ৫০ শতাংশ ছাড় প্রযোজ্য হবে। খুলনা, যশোর ও বেনাপোল স্টেশন থেকে যাত্রীদের রেলে উঠা-নামার সুযোগ রয়েছে।

রেল যাত্রীরা জানান, সড়ক পথে খুলনা থেকে কলকাতা যেতে খরচ হয় সাড়ে ৭শ টাকা। রেলে দ্বিগুণ ভাড়ায় ভ্রমণ করতে সাধারণ যাত্রীদের কষ্ট হয়ে যাবে। তবে কম সময় আর নিরাপদ যাত্রায় খুশি।

বেনাপোল রেলওয়ে ইমিগ্রেশন ওসি রাজু আহম্মেদ জানান, বেনাপোল ও কলকাতা রেলওয়ে ইমিগ্রেশনে যাত্রীদের ব্যাগেজ পরীক্ষা ও পাসপোর্ট কার্যক্রম সম্পূর্ণ হচ্ছে। যাত্রীরা যাতে দ্রুত গন্তব্যে যেতে পারে তার জন্য আন্তরিক হয়ে কাজ করছে পুলিশ সদস্যরা।

বেনাপোল রেলওয়ে ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্য বিভাগের মেডিকেল অফিসার লঙ্কিদার কুমার দে জানান, করোনা ও মাঙ্কিপক্স ভাইরাস রোধে ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্য বিভাগ কাজ করছে।

বেনাপোল রেলস্টেশন মাস্টার সাইদুর জানান, দু বছর পর আবারও বন্ধনের যাত্রা শুরু হয়েছে। প্রথম দিনে ১৯ জন যাত্রী এসেছে। সপ্তাহে রোববার ও বৃহস্পতিবার এ রুটে বন্ধন চলাচল করবে। বন্ধন এক্সপ্রেস ছাড়াও বেনাপোল-ঢাকা রুটে বেনাপোল এক্সপ্রেস ও বেনাপোল-খুলনা রুটে বেতনা এক্সপ্রেস যাত্রী সেবায় চলাচল করছে।

শস্যদানার মানচিত্রে কমলনগর উপজেলা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, লক্ষ্মীপুর
শস্যদানার মানচিত্রে কমলনগর উপজেলা

শস্যদানার মানচিত্রে কমলনগর উপজেলা

  • Font increase
  • Font Decrease

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলা ৯টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। ওই উপজেলার মানচিত্রে নয়টি ইউনিয়নকে সাজানো হয়েছে বিভিন্ন শস্যদানা দিয়ে। শস্যদানার ফসলি ওই মানচিত্রে পুরো উপজেলা ফুটে উঠেছে। সেখানে আয়োজিত কৃষি মেলায় শস্যদানার এমন মানচিত্র সবাইকে মুগ্ধ করেছে।

তিনদিন ব্যাপী ওই কৃষিমেলার দ্বিতীয় দিন সোমবার (২৭ জুন) সকালে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে গিয়ে ব্যতিক্রমী এমন মানচিত্র দেখা যায়।

মানচিত্রে ধান, গম, ডাল, পেঁয়াজ, রসুন, সয়াবিন, মরিচ ও বাদামসহ বিভিন্ন শস্যদানা ব্যবহার করা হয়েছে। এতে উপজেলার চর কালকিনি, সাহেবেরহাট, চর ফলকন, হাজিরহাট চর লরেন্স, চর মার্টিন, পাটারিরহাট, তোরাবগঞ্জ ও চর কাদিরা ইউনিয়নে কৃষি চিত্র ফুটে উঠে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের আয়োজিত লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে তিন দিনব্যাপী কৃষি মেলা শুরু হয়।

জানা যায়, রোববার সকালে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের আয়োজনে মেলার উদ্বোধন শেষে র‌্যালি বের হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় বক্তব্য দেন উপজেলা চেয়ারম্যান মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ বাপ্পী, লক্ষ্মীপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক ড. মো. জাকির হোসেন, উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আকতারুজ্জামান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আতিক আহমেদ, ভাইস চেয়ারম্যান ওমর ফারুক সাগর ও সমাজ সেবা কর্মকর্তা মো. মাসুদ তালকদার প্রমুখ।

নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর ও চট্টগ্রাম কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প (১ম সংশোধিত) এর আওতায় এ মেলায় ১৫টি স্টল অংশ নিয়েছে।

;

পদ্মা সেতুতে ২৪ ঘণ্টায় টোল আদায় ২ কোটি ৯ লাখ টাকা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের গর্ব ও অহংকার স্বপ্নের পদ্মা সেতুতে যান চলাচলের প্রথম দিনে টোল আদায় করা হয়েছে ২ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ৩০০ টাকা। এসময় গাড়ি চলাচল করেছে ৫১ হাজার ৩১৬টি।

সোমবার (২৭ জুন) সকালে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবুল হোসেন জানান, রোববার (২৬ জুন) সকাল ছয়টা থেকে আজ সোমবার (২৭ জুন) সকাল ছয়টা পর্যন্ত সেতুর দুই প্রান্তের (মাওয়া ও জাজিরা) এই হিসাব।

তিনি আরও জানান, মাওয়া প্রান্ত দিয়ে সেতু পার হয়েছে ২৬ হাজার ৫৮৯টি গাড়ি এবং টোল আদায় হয়েছে এক কোটি ৮ লাখ ৯৫ হাজার ৯০০ টাকা। একই সময়ে জাজিরা প্রান্ত দিয়ে সেতু পার হয়েছে ২৪ হাজার ৭২৭টি গাড়ি এবং টোল আদায় হয়েছে এক কোটি ৪৪ হাজার ৪০০ টাকা।

সেতুর টোলপ্লাজায় দায়িত্বরত এক কর্মকর্তা বলেন, সকাল থেকেই আমরা প্রস্তুত ছিলাম। ৬টার আগেই আমরা যানচলাচলের জন্য কাজ শুরু করি।

রোববার ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয় পদ্মা সেতু। দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত পদ্মা সেতু পার হয়ে ঢাকায় আসতে দীর্ঘদিন যে অসহনীয় দুর্ভোগ ও কষ্ট ছিল তা দূর হয়েছে।

এর আগে, গত শনিবার দুপুর ১২টার দিকে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর তিনি টোল দিয়ে সেতু পার হন।

;

সিলেটে এখনও অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বন্যার পানি কমলেও সিলেট জেলার ৬০৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে এখনও প্রায় ৫০ হাজার বন্যার্ত মানুষ রয়েছেন।

সরকারি হিসাবে নগরীর আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে ৭ হাজার ৫০৭ জন এখনও রয়েছেন। পুরো জেলায় সব মিলে ৫৭৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৪৯ হাজার ৭৭২ জন বন্যার্ত মানুষ রয়েছেন। এ ছাড়া ১ হাজার ২৬৫টি গবাদি পশু রয়েছে এখানে।

গত ২৪ ঘণ্টায় ১২ হাজারের মতো মানুষ আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বাড়ি ফিরেছেন। যারা এখনও ফিরতে পারেননি তারা ঘরে ফেরার অপেক্ষা করছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার অপেক্ষায় বসে আছেন আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে।

সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. মজিবুর রহমান জানিয়েছেন, রোববার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রে এখনও প্রায় ৫০ হাজার মানুষ অবস্থান করছেন। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি আশ্রিত সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায়। ওখানে মোট ৫৩টি আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন ৭ হাজার ৭৪০ জন বানভাসী। এরপরেই অবস্থান সিলেট সিটি করপোরেশনের। মহানগরীর মোট ২৫টি আশ্রয়কেন্দ্রে আছেন ৭ হাজার ৭৪০ জন।

বিয়ানীবাজার উপজেলার মোট ৭৩টি আশ্রয় কেন্দ্রে বানবাসীর সংখ্যা ৬ হাজার ৯৭৮ জন। সিলেট শহরতলীর দক্ষিণ সুরমা উপজেলার ৭৪টি আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান করছেন ৬ হাজার ২৪২ জন বানভাসী। বালাগঞ্জে ৬৮টি আশ্রয় কেন্দ্রে আছেন ৪ হাজার ৯৮৩ জন, সিলেট সদরে বর্তমানে ৩৪টি আশ্রয় কেন্দ্রে আছেন ৫৩৮ পরিবারের প্রায় ২ হাজার ৫শ জন।এছাড়া গোলাপগঞ্জে মোট ৪৮ আশ্রয় কেন্দ্রে ২ হাজার ৯৮৫, কোম্পানীগঞ্জে ৫টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৮৯৫, ফেঞ্চুগঞ্জে ২০টি আশ্রয় কেন্দ্রে ২ হাজার ৪৩২, গোয়াইনঘাটে ১৩ আশ্রয়কেন্দ্রে ৪৮০, জৈন্তাপুরের ১৩ আশ্রয়কেন্দ্রে ১ হাজার ৫০৪, কানাইঘাটে ৪৭ আশ্রয় কেন্দ্রে ২ হাজার ৫৭ ও জকিগঞ্জের ৫৬ আশ্রয়কেন্দ্রে ৩ হাজার ৪৫৬ জন বানভাসী অবস্থান করছেন।

বানভাসী মানুষের জন্য সরকারি ও বেসরকারিভাবে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে বিপুল পরিমাণ ত্রাণসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত আছে। ত্রাণ বিতরণ কার্যক্ষম আরও সুশৃঙ্খল করতে ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য প্রত্যেক উপজেলায় আলাদা সমন্বয় কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে এই কমিটি করার জন্য সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বলা হয়েছে।

সিলেটের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) দেবজিৎ সিংহ জানিয়েছেন, সংশ্নিষ্ট জেলা ও বিভাগীয় প্রশাসন উপজেলা পর্যায়ে সমন্বয় কমিটির কাজ তদারকি করবে।

;

ভুটানের তরুণদের কারিগরি কর্মদক্ষতা উন্নয়নে ফেয়ার গ্রুপ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ভুটানের তরুণদের কারিগরি কর্মদক্ষতা উন্নয়নে ফেয়ার গ্রুপ

ভুটানের তরুণদের কারিগরি কর্মদক্ষতা উন্নয়নে ফেয়ার গ্রুপ

  • Font increase
  • Font Decrease

ভুটানের তরুণদের কারিগরি কর্মদক্ষতা উন্নয়নে পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশের ফেয়ার গ্রুপ।

ভুটান সরকারের পক্ষে ঢাকাস্থ ভুটান দূতাবাসের অনুরোধে সাড়া দিয়ে ফেয়ার গ্রুপ তাদের জন্য স্মার্টফোন, কনজ্যুমার ইলেক্ট্রনিক্স প্রোডাক্টস এবং অটোমোবাইল মেইনট্যানেন্স ও সার্ভিসিংয়ে দীর্ঘ এক মাসের বিশেষ ইন্টার্নশিপ কর্মসূচির আায়োজন করে।

রোববার (২৬ জুন) ফেয়ার গ্রুপের বনানি অটোগ্রাফ অফিসে আয়োজিত অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে এই ইন্টার্নশিপ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ভুটানের আট তরুণ-তরুণীর হাতে ইন্টার্নশিপ সার্টিফিকেট তুলে দেন বাংলাদেশে ভুটানের রাষ্ট্রদূত রিনচেন কোয়েন্তসিল ও ফেয়ার গ্রুপ চেয়ারম্যান রুহুল আলম আল মাহবুব।

বাংলাদেশে কোরিয়া ওভারসিজ কো-অপারেশন এজেন্সি, কোইকা-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর ডো ইয়াং-আ, ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ডিক্যাব-এর সভাপতি রেজাউল করিম লোটাস ও সাধারণ সম্পাদক একে এম মাঈনুদ্দিন এবং ফেয়ার গ্রুপের উপদেষ্টা মেজর জেনারেল হামিদ আর চৌধুরী (অব.) আরসিডিএস পিএসসি, হেড অফ কমিউনিকেশন এন্ড করপোরেট ফিল্যানথ্রপি হাসনাইন খুরশেদ, ফেয়ার সার্ভিসেস লিমিটেডের পরিচালক খন্দকার হাফিজ আল আসাদ ও ফেয়ার টেকনোলজির হেড অফ সার্ভিস বিজয় মূখার্জী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম রাষ্ট্র ভুটান। মুক্তিযুদ্ধকালে ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভুটান আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

দু’ দেশের মধ্যে গভীর সম্পর্কের উল্লেখ করে ভুটানের রাষ্ট্রদূত রিনচেন কোয়েন্তসিল বলেন, ভুটানের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বাংলাদেশের ভূমিকা অপরিসীম। ভুটানের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে ফেয়ার গ্রুপের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ফেয়ার গ্রুপ ইন্টার্নশিপ কর্মসূচির মাধ্যমে ভুটানের তরুণদের হাতে-কলমে শিক্ষার সুযোগ করে দিয়েছে। তারা ভুটানে ফিরে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অংশীদার কবে বলে তিনি দৃঢ় আস্থা প্রকাশ করেন।

ভুটানের মানবসম্পদ উন্নয়নে অব্যাহত সহযোগিতার অঙ্গীকার করে ফেয়ার গ্রুপ চেয়ারম্যান রুহুল আলম আল মাহবুব বলেন, মানবসম্পদকে হাতে- কলমে প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ করে তোলা না গেলে কোন জাতির উন্নয়ন সম্ভব নয়। তিনি বলেন, বাংলাদেশ-ভুটান বন্ধুত্ব চিরস্থায়ী। ভুটানের প্রশিক্ষকদের দক্ষতা বাড়াতে প্রয়োজনে ফেয়ার গ্রুপ থেকে দক্ষ প্রশিক্ষক পাঠানো হবে বলেও তিনি জানান।

ফেয়ার গ্রৃপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ফেয়ার সলিউশন্সের মিরপুর স্যামসাং সেন্টারে ভুটানের ছয় তরুণ-তরুণীকে স্মার্টফোন ও কনজ্যুমার ইলেক্ট্রনিক্স প্রোডাক্টসের ওপর এবং তেজগাঁয়ে ফেয়ার অটোমোবাইলসের হুন্দাই থ্রি-এস সেন্টারে ভুটানের দুই তরুণকে অটোমোবাইল বিষয়ে এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অঙ্গীকার- ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ বাস্তবায়নে অব্যাহতভাবে কাজ করছে ফেয়ার গ্রুপ। তারা নরসিংদীর শিবপুরে ফেয়ার ইলেক্ট্রনিক্স ফ্যাক্টরিতে দক্ষিণ কোরিয়ার বিশ্বখ্যাত স্যামসাং স্মার্টফোন ও কনজ্যুমার ইলেক্ট্রনিক্স পণ্য উৎপাদন করে বাংলাদেশ জুড়ে বাজারজাত করছে। গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্কে ফেয়ার টেকনোলজির ফ্যাক্টরি স্থাপনের কাজ এখন প্রায় শেষ পর্যায়ে, যেখানে তারা শিগগিরই দক্ষিণ কোরিয়ার বিশ্বখ্যাত হুন্দাই এসইউভি ও সেডান গাড়ি অ্যাসেমব্লিং করতে যাচ্ছে।

;