হজযাত্রী পরিবহনে শিডিউল গ্রহণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে হজযাত্রীদের সৌদি আরবে নেওয়া এবং দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সুষ্ঠুভাবে বিমানের শিডিউল গ্রহণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

রোববার (২৯ মে) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভায় এ সুপারিশ করা হয়।

সভাপতি র, আ, ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর সভাপতিত্বে কমিটির সদস্য- বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী মো. মাহবুব আলী, সৈয়দা রুবিনা আক্তার ও কানিজ ফাতেমা আহমেদ সভায় অংশগ্রহণ করেন।

আসন্ন পবিত্র হজ্জ্ব পালন উপলক্ষে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স হজযাত্রীদের পরিবহন বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। ৫ জুন থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত হজের উদ্দেশ্যে ফ্লাইট কার্যক্রম চলমান থাকবে জানানো হয়।

কমিটি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অধীন বাস্তবায়নাধীন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে ও স্বচ্ছতার সাথে সম্পন্ন করার সুপারিশ করে।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কমকর্তাবৃন্দ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

ফরিদপুরে থেকে পদ্মা সেতু দিয়ে মঙ্গলবার বাস যাচ্ছে ঢাকায়



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ফরিদপুর
গোল্ডেন লাইন পরিবহন

গোল্ডেন লাইন পরিবহন

  • Font increase
  • Font Decrease

ফরিদপুরসহ দক্ষিণবঙ্গের মানুষের আকাঙ্ক্ষিত স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন হয়েছে চলতি মাসের ২৫ জুন। নানা জল্পনা-কল্পনা, সব ষড়যন্ত্রকে প্রতিহত করে জমকালো আয়োজনের মধ্যে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সেতুর উদ্বোধন করেন। এরপর ২৬ জুন ভোর ৬টা থেকে সড়কপথে সেতুর ওপর দিয়ে যাতায়াত শুরু করেছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পরিবহন ও বিভিন্ন যানবাহন।

তবে দক্ষিণবঙ্গের সবকটি জেলা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকায় যাত্রীবাহী বাস চলাচল করলেও বিভিন্ন অজুহাতে অনেকটা অঘোষিতভাবে ফরিদপুর থেকে পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্য যাত্রীবাহী বাস চলাচলার জন্য বাস মালিকপক্ষের তেমন আগ্রহ ছিলো না।

গোল্ডেন লাইন পরিবহনের ব্যবস্থাপক (পরিবহন) মো. ইমরান হোসেন রিপন জানান, অবশেষে সকল প্রতিবন্ধকতাকে দূর করে আগামীকাল মঙ্গলবার (২৮ জুন) করিম গ্রুপের মালিকানাধীন গোল্ডেন লাইনের বাস ফরিদপুর থেকে পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকার উদ্দেশ্য ছাড়বে। সকাল ৬ টায় প্রথম ট্রিপ ফরিদপুর থেকে পদ্মা সেতু হয়ে যাত্রীবাহী বাস যাবে ঢাকাতে। পরবর্তী ১ ঘণ্টা পর পর ফরিদপুর থেকে বাস ছাড়া হবে।

এছাড়া ভাড়ার বিষয়ে গোল্ডেন লাইন পরিবহনের এ ব্যবস্থাপক জানান, আপাতত ফরিদপুর থেকে ঢাকার গাবতলী পর্যন্ত যে ৩৫০ টাকা ভাড়া নিচ্ছি। সেটাই নির্ধারণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে ভাড়া পুনঃ নির্ধারণ করা হবে।

উল্লেখ্য, প্রতি ১ ঘণ্টা পরপর বাস ছাড়বে এবং ঢাকা কদমতলি-বাবু বাজার ব্রিজ সংলগ্ন থেকে পদ্মাসেতু দিয়ে ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ নাজিরপুর পিরোজপুর বরিশাল পয়সারহাট, লাহুড়িয়া, বেনাপোল রুট  দিয়ে নিয়মিত চলাচল করবে এ পরিবহন।

;

ঢাকা-মাওয়া-ভাঙা এক্সপ্রেসওয়েতে টোল আদায় শুরু ১ জুলাই



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ঢাকা-মাওয়া-ভাঙা এক্সপ্রেসওয়েতে টোল আদায় শুরু ১ জুলাই

ঢাকা-মাওয়া-ভাঙা এক্সপ্রেসওয়েতে টোল আদায় শুরু ১ জুলাই

  • Font increase
  • Font Decrease

আগামী পহেলা জুলাই থেকে ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে থেকে টোল আদায় শুরু করতে যাচ্ছে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তর। এর ফলে ব্যয় বাড়বে সড়কটিতে চলাচলকারী যানবাহনের।

সোমবার (২৭ জুন) সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উপসচিব ফাহমিদা হক খানের সই করা এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

এখন মাঝারি আকারের ট্রাকগুলোকে পদ্মা সেতুর টোল ছাড়াও এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারের জন্য ভিত্তি টোল হিসেবে প্রতি কিলোমিটারে ১০ টাকা হারে ৫৫ কিলোমিটার এক্সপ্রেসওয়ের জন্য ৫৫০ টাকা টোল দিতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অর্থ বিভাগের অনুমোদনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের জন্য প্রতি কিলোমিটারে ১০ টাকা হারে ভিত্তি টোল নির্ধারণ করা হয়েছে। টোল নীতি-২০১৪ অনুসারে টোলের হার চূড়ান্ত করবে কর্তৃপক্ষ। অন্তর্বর্তীকালীন টোল হার অনুযায়ী, বাসের জন্য ৪৯৫ টাকা (বেস টোলের ৯০ শতাংশ), গাড়ির জন্য (সেডান) ১৩৮ টাকা (২৫ শতাংশ) এবং বাইকের জন্য ২৮ টাকা (৫ শতাংশ) টোল দিতে হবে। সেই অনুযায়ী অন্যান্য যানবাহনের টোলও নির্ধারণ করা হবে।

সম্প্রতি মাঝারি আকারের ট্রাকে পদ্মা সেতু পার হতে দিতে হয় ২ হাজার ১০০ টাকা, বাসের জন্য ২ হাজার ৪০০ টাকা, গাড়ির জন্য ৭৫০ টাকা এবং মোটর সাইকেলের জন্য ১০০ টাকা। এক্সপ্রেসওয়ে ও পদ্মা সেতু ব্যবহার করতে একটি ট্রাককে দিতে হবে ২ হাজার ৬৫০ টাকা, গাড়ি ৮৮৮ টাকা এবং মোটরসাইকেলের জন্য ১৫৫ টাকা দিতে হবে।

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ গতকাল জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেতুর ওপর দিয়ে মোটরসাইকেল চালাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০২০ সালের মার্চ মাসে ৫৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন করেন। যা আনুষ্ঠানিকভাবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মহাসড়ক নামে নামকরণ করা হয়। ১১ হাজার ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সড়কটি। এটি হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের চতুর্থ টোল সড়ক। বর্তমানে ৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ হাটিকুমরুল-বনপাড়া মহাসড়ক, ১৩ দশমিক ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ চট্টগ্রাম বন্দরের সংযোগ সড়ক এবং ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ৭৪ কিলোমিটার অংশের জন্য টোল আদায় করা হয়।

;

টাঙ্গাইলে হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলে হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন

টাঙ্গাইলে হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন

  • Font increase
  • Font Decrease

টাঙ্গাইলে আব্দুর রহিম হত্যা মামলায় চারজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আসামিদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো তিন মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ১১ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

২০১৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর অপর আসামি ময়েজ উদ্দিন মৃত্যুবরণ করায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

সোমবার (২৭ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম এ রায় দেন।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- ধনবাড়ী উপজেলার রামজীবনপুর গ্রামের মৃত ময়েজ উদ্দিনের ছেলে সেজনু মিয়া ও মিজানুর রহমান, একই গ্রামের ফয়জ উদ্দিনের ছেলে মুনসুর আলী এবং গঙ্গাবর গ্রামের মৃত আলী ফকিরের ছেলে জামাল ফকির।

সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে সেজুন মিয়া পলাতাক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আদালতের সরকারি কৌশলী (পিপি) এস আকবর খান জানান, ২০০৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার রামজীবনপুর গ্রামে আসামিরা একটি জমি দখলে নিয়ে চাষাবাদ করতে যান। জমির মালিক আব্দুর রহিম তাদের বাধা দেয়। এ সময় আসামিরা লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আব্দুর রহিমকে গুরুতর আহত করে। আহত অবস্থায় আব্দুর রহিমকে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন ৩১ ডিসেম্বর আব্দুর রহিম মারা যান।

তিনি আরো জানান, ওই ঘটনায় নিহতের ছেলে মো. সুলতান মিয়া ২০০৫ সালের ৩ জানুয়ারি ধনবাড়ী থানায় ১৬ জনকে আসামি করে মামলা করেন।

ধনবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহবুবুল আলম ২০০৫ সালের ২৭ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০০৭ সালের ১৬ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ গঠন করা হয়। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত রায় ঘোষণা করলেন।

;

পদ্মা সেতুতে না নামতে মাইকিং, টহলে সেনাবাহিনী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
পদ্মা সেতু

পদ্মা সেতু

  • Font increase
  • Font Decrease

পদ্মা সেতুতে মানুষের হাঁটাচলার বিষয়ে কড়াকড়ি আরোপ করেছে সেতু বিভাগ। সেতুতে না নামতে টোল প্লাজা এলাকায় করা হচ্ছে মাইকিং। এছাড়াও সেতুতে টহল দিচ্ছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা।

সোমবার (২৭ জুন) সকাল থেকে সেতুতে মোটরসাইকেল প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। হেঁটেও উঠতে দেওয়া হচ্ছে না মানুষকে।

এর আগে সেতু বিভাগ জানায়, স্বপ্নের পদ্মা সেতুতে অনেকে যানবাহন থেকে নেমে সেতুর মালামাল চুরি করছে। এজন্য সেতু বিভাগ পদ্মা সেতুতে মানুষের হাঁটাচলার বিষয়ে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। সেতুতে মানুষের না নামার বিষয়টি নিশ্চিত করতে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে অনুরোধও জানায় সেতু কর্তৃপক্ষ।

এদিকে সেতুতে মোটরসাইকেল উঠতে না দেওয়ায় জাজিরা প্রান্তে নাওডোবা টোল প্লাজায় কোনও বিশৃঙ্খলা দেখা যায়নি। টোল দিয়ে বাধাহীনভাবেই সেতু পার হচ্ছিল যানবাহন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, টোল প্লাজার আগেই আটকে দেওয়া হচ্ছে মোটরসাইকেলগুলো। টোল প্লাজার আশপাশে তেমন গাড়ির জটলা নেই। অনেকে সেতুতে মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়া নিষেধ করায় পিকআপে বাইক তুলে স্বপ্নের পদ্মা সেতু পার হচ্ছিলেন। প্রতিটি পিকআপে ৫ থেকে ৬টি করে মোটরসাইকেল ওঠানো হচ্ছে। এর জন্য ১৩০০ থেকে ১৫০০ টাকা করে নিচ্ছেন পিকআপ চালকরা।

;