রাজবাড়ীতে আ’লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজবাড়ী
রাজবাড়ীতে আ’লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

রাজবাড়ীতে আ’লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়নে আক্কাস আলী (৭০) নামে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহত আক্কাস আলী পাবনা জেলার বেড়া উপজেলার ঢালারচর ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোয়ালন্দ ঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) স্বপন কুমার মজুমদার।

মঙ্গলবার (২১জুন) দুপুর একটার দিকে গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়নের রাখালগাছি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আক্কাস আলী পাবনা জেলার বেড়া উপজেলার ঢালারচর ইউনিয়নের ডারাই গ্রামের মৃত ময়েজ উদ্দীনের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, আধিপত্য বিস্তারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাকে হত্যা করা হতে পারে। তবে সর্বহারা পার্টির আধিপত্য নিয়ে এই হত্যাকান্ড বলে জানিয়েছে গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক জনপ্রতিনিধি বলেন, আক্কাস আলী এক সময় বেড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন। দীর্ঘ ৪১ বছর আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। আজ সকাল থেকে তিনি রাখালগাছি হতে গুদারাঘাট পর্যন্ত সরকারি রাস্তার কাজ দেখাশোনা করছিলেন। বেলা ১টার দিকে তাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। তার ঘাড়ে এবং হাতে একাধিক কোপের চিহ্ন রয়েছে। একাধিক সন্ত্রাসীরা তাকে হত্যা করে পালিয়ে যায় বলে তিনি জানান।

গোয়ালন্দ ঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) স্বপন কুমার মজুমদার জানান, আক্কাস আলীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করবে। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করবেন। পুলিশ তদন্ত করে আদালতে পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল করবে।

রাজশাহীতে রেলওয়ের ওয়েম্যানকে হত্যার অভিযোগ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

 

বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে রাজশাহীতে বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের এক ওয়েম্যানকে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে নগরীর বেলদারপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। চিকিৎসকের বরাত দিয়ে পুলিশ বলছে, দুর্ঘটনায় আহত হয়ে অথবা অজানা কোনো কারণে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মৃত্যু হয়েছে। তার পায়ে ক্ষত ছিল।

নিহত ওয়েম্যানের নাম সোহেল রানা (৩৯)। তার বাবার নাম আব্দুল করিম। বাড়ি নগরীর রেলওয়ে কলোনী এলাকায়। যে ব্যক্তি তাকে বাড়ি থেকে ডেকে এনেছিলেন তাকেও একই সঙ্গে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ তাকে হাসপাতালে আটক করেছে। তিনিও অসুস্থ।

ওই ব্যক্তির নাম ফারুক হোসেন (৩৯)। তার বাবার নাম আব্দুল জলিল। একই এলাকায় তাদের বাড়ি। ফারুক ঢাকায় থাকেন। ঈদ উপলক্ষে বাড়িতে এসেছেন। তিনি মদ্যপ অবস্থায় রয়েছেন বলে পুলিশ ধারণা করছে।

বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম জানান, নিহত ব্যক্তির হাঁটুর নিচে আধা ইঞ্চি পরিমাণ ক্ষত রয়েছে। আর পায়ের কয়েকটি আঙুল থেতলে গেছে। শরীরের আর কোথাও মৃত্যু হওয়ার মতো জখম নেই। রাতে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে নেওয়া হয়। সেখান থেকে তাকে অস্ত্রোপচার কক্ষে নেওয়া হয়। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

সোহেল রানার বড় ভাই আব্দুর রহিম বলেন, ফারুক তার ভাইকে মঙ্গলবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। তার প্রায় এক ঘণ্টা পরই তিনি তার ভাইয়ের মৃত্যু সংবাদ পান। তার ভাইকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক তার মৃত্যু সনদে লিখেছেন, সড়ক দুর্ঘটনায় বা অজানা কারণে রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে।

ওসি বলেন, নিহত সোহেল রানার পরিবারের পক্ষ থেকে একটি হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে। পরিবারের দাবি, বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে এসে সোহেলকে হত্যা করা হয়েছে। আটক ফারুক দাবি করেছেন, সোহেল রানার পায়ের ওপর দিয়ে একটি মুরগির ভ্যান চলে গেছে। এতেই তিনি আহত হয়েছেন। ওসি বলছেন, তারা দুইজনের মদ্যপ ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

;

মৃত-আহত কর্মচারীদের পরিবারের সদস্যরা পেলেন ছয় কোটি টাকা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
মৃত-আহত কর্মচারীদের পরিবারের সদস্যরা পেলেন ছয় কোটি টাকা

মৃত-আহত কর্মচারীদের পরিবারের সদস্যরা পেলেন ছয় কোটি টাকা

  • Font increase
  • Font Decrease

 

বেসামরিক প্রশাসনে কর্মরত অবস্থায় ৭৮ জন মৃত ও আহত সরকারি কর্মচারীদের পরিবারের সদস্যদের মাঝে রাজশাহীতে ৬ কোটি ১৬ লাখ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার বেলা ১২টায় আনুষ্ঠানিকভাবে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই অনুদান বিতরণ করা হয়।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল চেক বিতরণ করেন।

উপস্থিত ছিলেন- রাজশাহীর সিভিল সার্জন ডা. আবু সাইদ মোহাম্মদ ফারুক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) কল্যাণ চৌধুরী, জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলম ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আব্দুস সালাম।

;

ঢাকা-আশুলিয়া সড়ক এড়িয়ে চলার অনুরোধ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ডিএমপি

ডিএমপি

  • Font increase
  • Font Decrease

তীব্র যানজট সৃষ্টির কারণে ঢাকা-আশুলিয়া সড়ক এড়িয়ে বিকল্প সড়ক ব্যবহারের অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিট পুলিশ (ডিএমপি)।

বুধবার (৬ জুলাই) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. ফারুক হোসেন এ তথ্য জানান।

ফারুক হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ঢাকা-আশুলিয়া রোডে বৃষ্টির কারণে গাড়ির ধীরগতি এবং প্রচণ্ড যানজট হচ্ছে। এ জন্য ওই রাস্তা ব্যবহারকারীদেরকে বিকল্প রাস্তা ব্যবহারের জন্য অনুরোধ করা হলো।

;

‘বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের বই দেওয়ার পর এসএসসি পরীক্ষা’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি

  • Font increase
  • Font Decrease

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেছেন, সারা দেশে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলে এবং ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেওয়ার পর এসএসসি পরীক্ষা নেওয়া হবে।

বুধবার (৬ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা খোঁজ রাখছি নিয়মিত। এখনো কিছু কিছু এলাকায় শহর থেকে পানি নেমে গেছে, একদম গ্রাম পর্যায়ে এখনো হয়তো কোথাও কোথাও আছে। সেটাও হয়তো নেমে যাবে। কিন্তু ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বেশ কিছু জায়গায়। আমাদের কাছে তথ্য আসছে আমাদের অনেক পরীক্ষার্থীর বইপত্র...স্বাভাবিক, ওই বন্যার মধ্যে লোকে তার একেবারে গুরুত্বপূর্ণ যা জিনিস সেটা নিয়ে, কোনো রকমে জানটুকু নিয়ে বেরিয়ে আসতে পেরেছেন অনেকে কোনোমতে। সেখানে বই নিয়ে আসার হয়তো সুযোগ হয়নি।

তিনি বলেন, আমরা এখন পুরোটা অ্যাসেস করছি আমাদের কত পরীক্ষার্থীকে নতুন করে বই দিতে হবে। আমাদের কাছে প্রতি বছর কিছু বাফার স্টক থাকে। এ রকম একটা বড় অঞ্চল নিয়ে বন্যা হয়ে পরীক্ষার্থী বই হঠাৎ এই পর্যায়ে হারিয়ে যাবে সেই রকমটা আসলে আমাদের বিবেচনায় ছিল না। আর সেটা প্রতি বছর রাখা হয়তো সম্ভবও না।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা দেখছি, হিসাব করছি। যদি প্রয়োজন হয় আমরা নতুন বই ছাপিয়েও ফেলবো। তারপরও আমরা পরীক্ষার্থীদের হাতে তাদের বইগুলো পৌঁছে দেবো, যাদের বই নষ্ট হয়েছে। তাদের হাতে বই পৌঁছে দেওয়ার পরে অন্তত ২ সপ্তাহ সময় দিতে হবে, তারা বিরাট একটা ট্রমার মধ্যে দিয়েও গেছে। ঘর-বাড়ি ছেড়ে আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে হয়েছে। অনেক পরিবার নিঃস্বপ্রায় হয়ে গেছে এই সময়ে। এটা হলো আমাদের মোটামুটি টাইমলাইন। সেটা গিয়ে কোন মুহূর্তে ঠেকবে সেটা বলা সম্ভব না।

;