বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১৬ লাখ শিশুর পাশে ইউনিসেফ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুড়িগ্রাম
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১৬ লাখ শিশুর পাশে ইউনিসেফ

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১৬ লাখ শিশুর পাশে ইউনিসেফ

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১৬ লাখ শিশুসহ ৪০ লাখ মানুষের জরুরি ভিত্তিতে সহায়তার প্রয়োজন। শিশুদের সুরক্ষা এবং জরুরি পানি ও স্বাস্থ্য উপকরণ প্রদানে  ইউনিসেফ মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে। পাশাপাশি জরুরি সরবরাহ ও সেবা প্রদানে ২৫ কোটি ডলার সহায়তার আহ্বান জানাচ্ছে ইউনিসেফ।

বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি মিঃ শেলডন ইয়েট বলেন, “শিশুদের এই মুহূর্তে নিরাপদ খাবার পানি প্রয়োজন। পানিবাহিত মারাত্মক রোগ গুরুতর সমস্যাগুলোর অন্যতম।“

ইউনিসেফ ইতোমধ্যেই ৪ লাখ পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট পাঠিয়েছে, যা দিয়ে ৮০ হাজার পরিবারের এক সপ্তাহ চলবে। লাখ লাখ পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট, ১০ হাজারের বেশি পানির পাত্র এবং নারী ও কিশোরীদের জন্য হাজার হাজার স্বাস্থ্য উপকরণ বিতরণসহ পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকারের জরুরি কার্যক্রমে আরও সহায়তা প্রদানেও ইউনিসেফ কাজ করছে। জেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোর জন্য জরুরি ওষুধও কিনছে ইউনিসেফ।

সিলেট বিভাগে ৯০ শতাংশ স্বাস্থ্যকেন্দ্র জলমগ্ন হয়ে পড়েছে, যেখানে পানিবাহিত রোগের প্রকোপ বেড়েই চলেছে। শিশুরা পানিতে ডুবে যাওয়ার উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে, যা ইতোমধ্যেই দেশে শিশু মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ।

৩৬ হাজারের বেশি শিশু তাদের পরিবারের সঙ্গে জনাকীর্ণ আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে আশ্রয় নিয়েছে। স্কুলগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে, যা শিশুদের পড়াশোনাকে আরও বিঘ্নিত করছে, যা ১৮ মাস স্কুল বন্ধ থাকায় ইতোমধ্যে ক্ষতির শিকার হয়েছে।পানি কমার আগে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি মিঃ শেলডন ইয়েট বলেন, “আটকে পড়া লাখ লাখ মানুষের জন্য আমরা সমবেদনা জানাচ্ছি। এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে শিশুরাই সবচেয়ে বেশী ঝুঁকিতে আছে। শিশুদের জরুরি প্রয়োজনগুলো মেটাতে ইউনিসেফ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং অংশীদারদের সঙ্গে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।”

জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় শিশু ও পরিবারগুলোকে জীবনরক্ষাকারী উপকরণ ও সেবা প্রদানে ২৫ কোটি ডলারের আহ্বান জানাচ্ছে ইউনিসেফ।

সীতাকুণ্ডে বিস্ফোরণ: ১ মাস পর দেহাবশেষ উদ্ধার

  সীতাকুণ্ডে ডিপোতে আগুন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
সীতাকুণ্ডে বিস্ফোরণ: ১ মাস পর ফায়ার কর্মীর দেহাবশেষ উদ্ধার

সীতাকুণ্ডে বিস্ফোরণ: ১ মাস পর ফায়ার কর্মীর দেহাবশেষ উদ্ধার

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বিএম কন্টেইনার ডিপুতে বিস্ফোরণের এক মাস পর দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার (৪ জুলাই) বিকেলে ডিপুর ভেতর টিনশেড পরিষ্কারের সময় এই দেহাবশেষ পাওয়া যায়।

এসব তথ্য বার্তা২৪.কমকে নিশ্চিত করেছেন সীতাকুণ্ড থানার উপপরিদর্শক এইচ. এম দেলোয়ার হোসেন।

তবে ডিএনএ পরীক্ষা ছাড়া ওই দেহাবশেষ ঠিক কত জানের তা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম আহসান।

তিনি বলেন, হাসপাতালে শুধু দেহের কিছু অংশ বিশেষ আসছে। এগুলো কয়েকটা টুকরো। ডিএনএ পরীক্ষা ছাড়া এখানে ঠিক কতজনের দেহাবশেষ তা বলা যাচ্ছে না। দেহাবশেষগুলো আগের মরদেহগুলোর সাথে ফ্রিজারে সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে।

গত ৪ জুন রাতে বিএম কনটেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডের পর বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ৪৯ জনের লাশ উদ্ধার করে উদ্ধারকারী সংস্থাগুলো। এর মধ্যে ফায়ার সার্ভিসের ১০ জন সদস্য ছিলেন। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছিলেন দুই শতাধিকের বেশি মানুষ।

;

দাহ্য গ্যাসের উদগীরণস্থল পরিদর্শন, দ্রুত ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয়ে চিঠি



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বাগেরহাট
দাহ্য গ্যাসের উদগীরণস্থল পরিদর্শন, দ্রুত ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয়ে চিঠি

দাহ্য গ্যাসের উদগীরণস্থল পরিদর্শন, দ্রুত ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয়ে চিঠি

  • Font increase
  • Font Decrease

মোংলায় চিংড়ি ঘের থেকে উঠা গ্যাসের উদগীরণস্থল পরিদর্শন করেছেন বাগেরহাট জেলা প্রশাসন। সোমবার বিকেলে মিঠাখালী গ্রামের পূর্বপাড়ার বাসিন্দা দেলোয়ার শেখের চিংড়ি ঘেরের গ্যাসের উদগীরণ সরেজমিন পরিদর্শন করেন বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) খন্দকার মোঃ রেজাউল করিম ও জেলা এলজিআরডি'র নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ শরিফুজ্জামান।

গ্যাসের উদগীরণস্থল পরিদর্শন করে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) খন্দকার মোঃ রেজাউল করিম বলেন, সেখানে আপতত খুব বেশি একটা ভয়ের কিছু নেই, তবে যদি উদগীরণ বেড়ে যায় সেক্ষেত্রে অবশ্যই ঝুঁকি রয়েছে। তাই উদগীরণস্থল থেকে লাইন টেনে যে রান্নাবান্না করা হচ্ছে সেটি বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। কারণ এ থেকে দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তিনি আরো বলেন, পর্যবেক্ষণে সেখানে গ্যাসের অস্তিত্ব আছে বলে মনে হয়েছে, কারণ বের হওয়া দাহ্য পদার্থে আগুন জ্বলছে। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে। পরিকল্পিতভাবে এ গ্যাসের ব্যবহারের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মঙ্গলবার সকালেই ওই মন্ত্রনালয়ে লিখিত প্রতিবেদনও পাঠানো হবে।

বাগেরহাট এলজিআরডি'র নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ শরিফুজ্জামান বলেন, ঘটনাস্থলে গ্যাসের অস্তিত্ব আছে। এখন বিশেষজ্ঞরা মাইনিং করে দেখবেন কত নিচে এবং কি পরিমাণ অর্থাৎ কত কিউসেক-মিউসেক গ্যাস রয়েছে। এবং তা লাভজনক হবে কিনা, লাভজনক হলে উত্তোলনের উদ্যোগ নিবেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। এছাড়া এ গ্যাসের উদগীরণ ফোর্স বাড়লে তাতে ঝুঁকিও থাকছে।

উল্লেখ্য, প্রায় ৬ বছর ধরেই মোংলার মিঠাখালী ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ডের পূর্বপাড়ার দেলোয়ার শেখের পৌনে তিন বিঘার চিংড়ি ঘের থেকে এই গ্যাসের উদগীরণ হয়ে আসছে। ৬ বছর আগে ঘের মালিক ওই জমি থেকে বালু-মাটি উত্তোলনের জন্য ৬০ ফুট গভীরতার পাইপ বসালেই সেখান থেকে গ্যাস উঠতে থাকে। তখন তা কম হলেও গত সপ্তাহ থেকে তার উদগীরণ বেড়ে গেছে। আগে দুই এক জায়গা থেকে বের হলেও এখন তা সাত আট জায়গা থেকে বের হচ্ছে। বেশি পরিমাণ বের হওয়ায় গত সোমবারে  সেখান থেকে লাইন টেনে তা দিয়ে বৃহস্পতিবার থেকে চুলায় রান্না করছেন দেলোয়ার পরিবার।

;

ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের কবলে রাজশাহী অঞ্চল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের কবলে রাজশাহী অঞ্চল

ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের কবলে রাজশাহী অঞ্চল

  • Font increase
  • Font Decrease

 

ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের কবলে পড়েছে রাজশাহী বিভাগ। জাতীয় গ্রিড থেকে চাহিদামত বিদ্যুৎ না পাওয়ায় গত তিন দিন ধরে প্রত্যেক এলাকায় গড়ে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা লোডশেডিং করতে হচ্ছে। বিদ্যুৎ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

রাজশাহী বিভাগে আগে পল্লি বিদ্যুৎ সমিতি এবং বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড বিদ্যুৎ বিতরণের কাজটি করত। ২০১৬ সালে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুৎ সরবরাহের কার্যক্রম গুটিয়ে নেয়। এরপর থেকে উত্তরের ১৬ জেলার গ্রাহকদের বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে সরকারি মালিকানাধীন বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি নর্দান ইলেক্ট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (নেসকো)। পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলে পল্লি বিদ্যুৎ সমিতিও বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে।

এই দুই সংস্থার গ্রাহকদেরই ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের কবলে পড়তে হচ্ছে। দিনে রাতে সব সময় একটু পর পর বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। কখনও ৩০ মিনিট পর কখনও এক থেকে দেড় ঘণ্টা পর বিদ্যুৎ আসছে। আবার ঘণ্টাখানেক পরই বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। এতে এই গরমে মানুষ দুর্বিষহ জীবন কাটাচ্ছেন। কাজে-কামে স্থবিরতা নেমে এসেছে। শিল্প-কারাখানায় উৎপাদন ব্যহত হচ্ছে। ‘রাজশাহীতে বিদ্যুৎ যায় না, মাঝে মাঝে আসে’- এ ধরনের কথা লিখে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ট্যাটাস দিচ্ছেন তিন দিন ধরে।

রাজশাহী শিল্প ও বণিক সমিতির সভাপতি মাসুদুর রহমান রিংকু বলেন, ‘সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার পরে এ ধরনের লোডশেডিংয়ের মুখে পড়তে হবে তা কল্পনা করিনি। ব্যবসা-বাণিজ্য ভীষণ রকমের ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। শিল্প-কারাখানায় উৎপাদন বিপর্যয় ঘটছে। বিদ্যুৎ ছাড়া আসলে কিছুই করা যাচ্ছে না। দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে এমনটাই আশা করি।’

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী বলেন, ‘বিদ্যুৎ চলে গেলে রোগীদের খুব অসুবিধা হচ্ছে। ঘন ঘন বিদ্যুৎ যাচ্ছে। তবে ১০, ১৫ কিংবা ৩০ মিনিট পর আবার আসছে। আমরা অনুরোধ করেছি, হাসপাতালটাকে যেন বিশেষ বিবেচনা করা হয়। কিন্তু বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা দুঃখ প্রকাশ করে বলেছেন এই মূহুর্তে আসলে কিছু করার নেই। এটা জাতীয় সমস্যা।’

রাজশাহীর পাঁচটি উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করে পল্লি বিদ্যুৎ সমিতি। এই দপ্তরের রাজশাহী কার্যালয়ের জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী মো. একরামুল হক বলেন, ‘বিদ্যুতের চরম সংকট। আমরার পাঁচ উপজেলায় চাহিদা ১০৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। ২০ মেগাওয়াট ঘাটতি থাকছে। এতেই ৪-৫ ঘণ্টা লোডশেডিং করতে হচ্ছে। পরিস্থিতির আরও অবনতি হবে।’

নেসকোর রাজশাহী বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুর রশিদ জানান, রাজশাহী মহানগর এলাকায় বিদ্যুতের চাহিদা ৯৬ মেগাওয়াট। পাওয়া যাচ্ছে ৬১ মেগাওয়াট। আর রাজশাহী বিভাগের আট জেলায় চাহিদা ৪৪১ মেগাওয়াট। জাতীয় গ্রিড থেকে পাওয়া যাচ্ছে ৩৫০ মেগাওয়াট। এই ঘাটতির কারণে ঘন ঘন লোডশেডিং করতে হচ্ছে।

আব্দুর রশিদ বলেন, ‘একটা এলাকায় আধাঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ করে অন্য দিকে দিচ্ছি। আবার আধাঘণ্টা পর এদিকটা বন্ধ করে ওদিকে দিচ্ছি। এভাবে হিসাব করলে ২৪ ঘণ্টার ভেতরে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা লোডশেডিং হয়েই যাচ্ছে। কোথাও কোথাও ১০-১২ ঘণ্টাও হচ্ছে। গ্যাস সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যহত হওয়ায় জাতীয় গ্রিড থেকে আমরা বিদ্যুৎ পাচ্ছি না। ফলে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। কবে নাগাদ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে তা বলতে পারছি না।’

;

ঈদে ঢাকা ছাড়তে মানতে হবে ১২ নির্দেশনা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ঈদে ঢাকা ছাড়তে মানতে হবে ১২ নির্দেশনা

ঈদে ঢাকা ছাড়তে মানতে হবে ১২ নির্দেশনা

  • Font increase
  • Font Decrease

পবিত্র ঈদুল আজহা প্রিয়জনের সঙ্গে উদযাপন করতে রাজধানী থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ফিরতে শুরু করেছেন মানুষ। ঈদ আনন্দ নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে ১২টি নির্দেশনা মেনে চলার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ।

নির্দেশনাগুলো হলো—

১. ঢাকা মহানগরীতে দূরপাল্লার ও আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালের অভ্যন্তরে এবং বাইরের সড়কে বাস রেখে বা থামিয়ে যাত্রী ওঠানো যাবে না। যাত্রীরা টার্মিনালের ভেতরে থাকা অবস্থায় বাসের আসনগ্রহণ করতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বাসের প্রতিনিধিদের এ বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে।

২. ঢাকা মহানগরীতে আন্তঃজেলা ও দূরপাল্লার বাসগুলো টার্মিনাল সংলগ্ন প্রধান সড়কের অংশ দখল করে থামবে না।

৩. ভ্রমণকালে ঢাকা মহানগরের প্রবেশ ও বের হওয়ার পথের গণপরিবহনগুলো শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে, যেন অযাচিত যানজটের সৃষ্টি না হয়।

৪.ঢাকা মহানগর থেকে ছেড়ে যাওয়া দূরপাল্লার যানবাহনগুলোকে অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল বহন থেকে নিবৃত থাকতে হবে।

৫. আন্তঃজেলা পরিবহনের যাত্রীরা বা গমনপ্রত্যাশীদের প্রধান সড়কে এসে অপেক্ষা বা দাঁড়িয়ে না থেকে টার্মিনালের ভেতরে অবস্থান করতে হবে।

৬. ঢাকা মহানগর থেকে দূরপাল্লার রুট পারমিটবিহীন বা অননুমোদিত রুটে কোনো বাস চলাচল করবে না। বাসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাই এ বিষয়টি কঠোরভাবে মেনে চলবেন এবং কর্তৃপক্ষকে সহায়তা করবেন।

৭. বাসের ভেতরে যাত্রীদের অপরিচিত কারও কাছ থেকে কিছু না খাওয়ার জন্য পরামর্শ দেওয়া হলো।

৮. সংশ্লিষ্ট যাত্রীরা অবশ্যই যানবাহনে টিকিট সঙ্গে রাখবেন।

৯. যাত্রীদের মালামাল নিজ হেফাজতে সাবধানে রাখবেন।

১০. কোনো যানবাহনেই ছাদের ওপর অতিরিক্ত যাত্রী বহন করবে না।

১১. যাত্রী তোলার ক্ষেত্রে বাসচালকরা এমন কোনো অসম প্রতিযোগিতায় অংশ নেবেন না। এতে সড়কের শৃঙ্খলায় বিঘ্ন ঘটে ও জীবনহানির শঙ্কা থাকে।

১২. করোনার প্রকোপ ঊর্ধ্বগতি বিধায় পরিবহন চালক ও যাত্রী সবাইকে যথাযথ স্বাস্থবিধি অনুসরণ করে যাতায়াত করতে হবে।

প্রয়োজনে ট্রাফিক কন্ট্রোল রুমের মোবাইল নম্বর ০১৭১১-০০০৯৯০ অথবা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ।

;